নাজিরাবাদে বেআইনি গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে মারা গেছে, এ পর্যন্ত ২৬ জন। কাদের জীবন গেছে? গরীব শ্রমজীবী মানুষের জীবন গেছে। জলাভূমি ভরাট করে তৃণমূলের লুম্পেন বাহিনী, পুলিশের সহযোগিতায় এইসব বেআইনি কাজকর্ম রাজ্যজুড়ে চালাচ্ছে। এত মর্মান্তিক মৃত্যু কেন হলো? কেউ জানে না। পুলিশ জানে না,মেয়র জানে না, এম এল এ জানে না। আর সব বিষয়ে যার “তীক্ষ্ণ” নজর সেই মুখ্যমন্ত্রী তো “জানেনই” না।
অবশ্য মেয়র হবার পর ফিরহাদ হাকিম একটু “জ্ঞানীগুণী” হবার চেষ্টা করে। সে একটা কথা বলেছে। ১৫ বছর রাজত্ব করার পরেও দায়ী করেছে “বাম আমলকে”!! তবু ভাগ্য ভালো, ব্রিটিশ আমলকে দায়ী করেনি। “মাত্র “১৫ বছরে কি কিছু বোঝা যায়?
সত্যি তো এতো অল্প সময়ে!
চিন্তা নেই, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায়, অভিষেক ব্যানার্জির নির্দেশে তৃণমূলের প্রচারকেরা খাতা খুলে দেখাতে শুরু করবে অন্য রাজ্যের চেয়ে এ রাজ্যে জীবন্ত পুড়ে মরার সংখ্যা কত কম!!
গোটা রাজ্যে একটা হৃদয়হীন লুম্পেনদের সরকার চলছে।

অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী নেতা। শারদ পাওয়ারের ভাইপো।চিনি লবির ঘনিষ্ঠ। হাজার কোটীর টাকার বেশী সম্পদ।মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী। দলবদলে দক্ষ। ৭০০০০ কোটি টাকার দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। আজ চ্যাটার্ড বিমান দুর্ঘটনায় মৃত।
এই মৃত্যুর ঘটনায় চক্রান্তের গন্ধ পেয়ে মমতা ব্যানার্জি সুপ্রিম কোর্টের তত্বাবধানে তদন্তের দাবী জানিয়েছেনা।
আর এই রাজ্যে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা গেছে ৩০ জন শ্রমজীবী। পুরো একটি বেআইনি প্রক্রিয়ার জন্য ঝলসে গেছে এতগুলো জীবন। এই বেআইনি প্রক্রিয়ার নাটের গুরু তৃণমূল কংগ্রেস।
অজিত পাওয়ারের জন্য দুঃখে ভেঙ্গে পড়ে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তারই শাসিত রাজ্যে ঝলসে যায় গরীব গুর্বো মানুষ। সেখানে কোর্টের তত্বাবধানে তদন্তের দাবী নেই। আছে শুধু হিরন্ময় নীরবতা। মানুষগুলো যে “প্রভাবশালী” নয়।
ধিক্কার।










