ডা. পুণ্যব্রত গুণ -কে আমরা আগে পেয়েছিলাম আনন্দভৈরবীতে। অভয়া আন্দোলন, যে আন্দোলন বলা যেতে পারে শাসকের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিল। ‘অনাচার করো যদি / রাজা তবে ছাড়ো গদি ‘ – এই আপ্তবাক্য অতীতে যেমন প্রমাণিত হয়েছে, হয়েছে কিছুদিন আগে, এবং ভবিষ্যতেও হবে।
সেদিনই আমরা ‘আব্দার-অনুরোধ’ রেখেছিলাম ডা. গুণের কাছে, তাঁর কথা শুনতে চাই, তিনি শোনাবেন? তাঁর কথা শুনতে চাওয়ার ইচ্ছে-কারণ, তাঁকে দেখে আমাদের মনে হয়েছে, এই অসম্ভব লড়াকু মানুষকে যখন দেখি ,টের পাই একজন পুণ্যব্রত গুণ এক সময়ের ফসল। তাঁর জীবন লড়াইয়ের জীবন, শ্রেণি সংগ্রামের জীবন। তাঁর সাথে কথায় উঠে আসে লড়াইয়ের এক জীবনের কথা। যে লড়াই ব্যক্তিগত নয়, যে লড়াই সমাজের, দিনবদলের কথা বলে, আগামীর দিকে তাকিয়ে কথা বলে। কথায় কথায় উঠে আসেন শংকর গুহনিয়োগী। কথায় কথায় উঠে আসে সেইসব দিন, সেইসব লড়াইয়ের কথা।
এই পর্ব, ব্যক্তিগত পুণ্যব্রত – যে পর্বে উঠে আসছে নানান মণিমুক্তো, আড্ডায় এক সময়কে দেখা, সংগ্রামের ইতিহাসকে দেখা – শোনা। তিনি আমাদের সময় দিয়েছেন, আমরা কৃতজ্ঞ তাঁর কাছে।










