Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সমুদ্র দহন পালা!

Ocean
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • August 28, 2026
  • 7:21 am
  • No Comments

দিন কয়েক আগে পরিচিত এক সুজনের পাঠানো একটা প্রতিবেদনে নজর আটকে গেল। সেখান থেকে কিছুটা অংশ তুলে ধরি আপনাদের জন্য।

“ভয়ঙ্কর! বাজারে যা সাধারণের নাগালের ধরাছোঁয়ার একেবারে বাইরে, সেই ইলিশ এখন শয়ে শয়ে মিলছে নদীর পাড়ে। সব মরা।…. হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ে গত দু’ দিন যাবৎ প্রচুর সংখ্যায় মরা ইলিশ পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে।…

পূর্ব পাড়েও এই ছবি। তালিকায় শুধু যে ইলিশ রয়েছে, এমনটা নয়। ভোলা, বিভিন্ন প্রজাতির ট্যাংরা, চিংড়ি , চ্যাং ও রয়েছে মড়কের তালিকায়।”

প্রতিবেদনটি আরও খানিকটা বড়ো, তবে মূল সমস্যাটি বুঝতে পারছি বলে তাকে আর দীর্ঘ করছি না। একদা এক কবি অবশ্য মজা করে লিখেছিলেন –

ডাঙায় চড়ে রুই কাতলা, জলের মাঝে চিল।

সে এক ওলট পালট হয়ে যাওয়া সময়ের কথা। একালেও অবশ্য তেমন‌ই দশা আমাদের পৃথিবীর। জলের মাছ ডাঙায় উঠে আসে কখন? যখন জলের মধ্যে আর থাকা যায় না। জল– জলচর প্রাণিদের, বিশেষ করে মাছেদের বসবাসের পক্ষে অনুপযোগী হয়ে ওঠে। পৃথিবীর জলভাগের অবস্থা কি তেমন‌ই হয়ে উঠেছে?বিজ্ঞানীরা অবশ্য জানিয়েছেন যে সমুদ্রের জলরাশি তাপদাহের শিকার হ‌ওয়ায় প্রাণিদের এমন করুণ পরিণতি। তাঁদের মতে সমুদ্রের জলরাশি দীর্ঘ সময় ধরে অস্বাভাবিক ভাবে গরম থাকলে এমন অবস্থায় পড়তে হয় মাছসহ অন্যান্য জলচরদের। ডাঙায় দাঁড়িয়ে এই পরিস্থিতির আঁচ পাইনা আমরা, কিন্তু জলের ভেতরে থাকা প্রবাল, সামুদ্রিক ঘাসসহ মাছেরা এই অবস্থায় বিপন্নতার শিকার হতে বাধ্য হয়।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এমন সামুদ্রিক তাপদাহের পৌনঃপুনিকতা এবং ভয়াবহতা ক্রমশই বাড়ছে এবং এই অবস্থা থেকে এই মুহূর্তে মুক্তি পাবার সম্ভাবনা কম। আমাদের হাতে এই পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করার কোনো সুযোগ নেই। তাই সমস্যাটিকে বুঝতে পারার চেষ্টা করতে হবে, কেননা এই সমস্যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ ও আজ প্রশ্নচিহ্নের সামনে।পরবর্তী আলোচনায় যাবার আগে এই সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের পেছনে থাকা কারণগুলো সম্পর্কে দু-এক কথা জেনে নেওয়া যাক্। বিজ্ঞানীরা বলছেন যখন সমুদ্রের ওপরে থাকা গরম জল নিচের ঠাণ্ডা জলের সঙ্গে মিশতে পারে না, তখনই সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের দাপট লক্ষ করা যায়। এমনটা খুব অস্বাভাবিক ঘটনা নয় বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের মতে যখন আবহাওয়া খুব গরম, শুষ্ক এবং বায়ু প্রবাহহীন থাকে তখন এই অবস্থা দেখা যায়। এছাড়া উষ্ণ অঞ্চলের গরম জলরাশি স্রোতের মাধ্যমে শীতল অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে এমন অবস্থা ঘটাতে পারে।সমুদ্রের জল সত্যিই এমন পরিস্থিতিতে পড়েছে কিনা তা জানার জন্য অবশ্য বেশ কিছু তথ্য যাচাই করে নিতে হয়, যেমন – সেই মুহূর্তে জলের উষ্ণতাকে পূর্ববর্তী উষ্ণতার সঙ্গে তুলনা করে মেপে দেখা হয়,সাথে সাথে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিচার করা হয় অতীত তাপীয় পরিস্থিতিকে – তা কি গড় সামুদ্রিক তাপমাত্রা অপেক্ষা বেশি না কম রয়েছে ইত্যাদি। অতীতের তাপমাত্রার তুলনায় বর্তমান তাপমাত্রা ৯০% এর বেশি হলেই সমুদ্র তাপপ্রবাহের শিকার হয়েছে বলে ঘোষণা করেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে এজন্য জলরাশির উষ্ণতা কমপক্ষে পাঁচ দিন এক‌ই রকম থাকতে হবে। তবে পরিস্থিতি সবসময়ই স্থানীয় তাপমাত্রার প্রেক্ষিতে মূল্যায়ন করা হয়। কেননা বিষয়টি নিতান্তই আপেক্ষিক। নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের সমুদ্রের জন্য যে তাপমাত্রা অতিরিক্ত বলে মনে হয়,উষ্ণ মণ্ডলের ক্ষেত্রে তা নিতান্তই স্বাভাবিক অবস্থা।তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আমরা যেমন হাঁসফাঁস করি জলের তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠলে জলের প্রাণিদের অবস্থা ঠিক তেমনি হয়। এই অবস্থা জলভাগের যে কোনো অংশে যে কোনো সময়ে হতে পারে। জলের প্রাণিরা এমন অবস্থা ঘটতে চলেছে টের পেলেই সাঁতরে নিরাপদ অঞ্চলের দিকে চলে যায়। এভাবে সরে যাওয়া সবার পক্ষে সম্ভব হয়না। প্রবাল, সামুদ্রিক উদ্ভিদরা বা যারা একটু গভীরে থাকে তেমন সামুদ্রিক বাসিন্দারা গভীর সংকটের মধ্যে পড়তে বাধ্য হয়। এদের জীবনে কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জীবনচক্র ও প্রজননের বৈশিষ্ট্য। খাদ্যচক্র তাপগ্রস্ত হ‌ওয়ায় খাদ্য সংকটের সৃষ্টি হয়। ভেঙে পড়া খাদ্য শৃঙ্খল এই সমস্যাকে তীব্রতর করে তোলায় হাহাকার পড়ে যায় প্রাণিমহলে।সমুদ্রের এই টালমাটাল অবস্থা সংলগ্ন স্থলভাগের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। যে সব মানুষ সমুদ্র সম্পদের ওপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল,যেমন মৎস্যজীবীরা, গভীর সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়তে বাধ্য হয়। সমুদ্রকে ঘিরে গড়ে ওঠা পর্যটন শিল্প বেহাল হয়ে পড়ে। এছাড়া সমুদ্রের জলকে আশ্রয় করে গড়ে ওঠা উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এভাবে নীল কার্বন বাসস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়া পৃথিবীর সমস্যাকে ঘনীভূত করে। কখন‌ও কখন‌ও সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের দাপট অনুমিত সময়সীমাকে ছাপিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বেড়ে যায় অনেকটাই যা আশঙ্কিত করে আমাদের।

এই মুহূর্তে সমস্যার স্থায়িত্ব নিয়ে বিশেষ ভাবে উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা। ইতোমধ্যেই তাঁরা এল নিনোর দাপট বেড়ে যাবার কথা জানিয়েছেন আমাদের।এর প্রভাবে জলভাগের তাপীয় ভারসাম্যের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। তার মানে, সামুদ্রিক বাসিন্দাদের আরও গভীর সমস্যার সামনে পড়তে হবে। ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের।হুগলি নদীর মৃত মাছেরা এমন বিপর্যয়ের শিকার কি না তা বলার সময় হয়তো এখনও আসেনি। এই উত্তর পেতে হলে আরও অনুসন্ধান ও গবেষণার প্রয়োজন। সমুদ্রকে আমরা ভাগাড়ে পরিণত করেছি। বর্জ্যের ভারে সমুদ্র আজ বিপন্ন, ভীষণ ভাবে বিপন্ন। সামুদ্রিক তাপপ্রবাহকে প্রশমিত করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু সমুদ্রকে বর্জ্য মুক্ত করতে পারি আমরা। সৃষ্টি করতে পারি গণ সচেতনতার। কালবিলম্ব না করে আমরা বরং সেই কাজটাই শুরু করি।ঋণ স্বীকার:ডাউন টু আর্থ পত্রিকা সহ অন্যান্য পত্রিকা।

জুলাই ২৬. ২০২৬

PrevPreviousশুশ্রূষা
Nextপ্র্যাক্টিস – নন প্র্যাক্টিস নিয়ে আরেকটুNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্র্যাক্টিস – নন প্র্যাক্টিস নিয়ে আরেকটু

August 28, 2026 No Comments

শুধু এডমিশন ডে সংলগ্ন তিনদিন নয় সমস্ত ধরনের সরকারি চিকিৎসকদের সম্পূর্ণভাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করতে হবে এবং সেটি কঠোরভাবে বলবৎ করতে হবে নতুবা আমাদের দেশ

শুশ্রূষা

August 28, 2026 No Comments

মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। যে রকম রোজ যায় দু তিনবার প্রতি রাত্রে। ভেঙে গেল বলা ভুল। ঘুমটা ভাঙিয়ে দিল মোবাইল। ওতে একটা কর্কশ রিং টোন

Sangrami Gana Mancha Press Release

August 27, 2026 No Comments

On August 1st, the Chief Minister of West Bengal suddenly announced that he had information that out of 27 lakh voters whose names had been

ইতিহাস গড়ে নারী, ইতিহাস ধরা থাকে অক্ষরে

August 27, 2026 No Comments

পর্দা জুড়ে একটা প্রকাণ্ড বাড়ি। রাস্তার সামনে। গাড়ি থেকে এসে নামলেন দুজন মহিলা। ঢুকে গেলেন বাড়িটির মধ্যে। ঘরে শুরু হল মিটিং। একটা বই লেখা হবে।

অভয়া থেকে তামান্না, তামান্না থেকে যাদবপুর…

August 27, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্র্যাক্টিস – নন প্র্যাক্টিস নিয়ে আরেকটু

Bappaditya Roy August 28, 2026

সমুদ্র দহন পালা!

Somnath Mukhopadhyay August 28, 2026

শুশ্রূষা

Dr. Arunachal Datta Choudhury August 28, 2026

Sangrami Gana Mancha Press Release

Sangrami Gana Mancha August 27, 2026

ইতিহাস গড়ে নারী, ইতিহাস ধরা থাকে অক্ষরে

Sanjoy Mukherjee August 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

670397
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]