Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে ……(১)

return
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 28, 2026
  • 9:00 am
  • 6 Comments

এক সময় খবরের কাগজে অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের উদ্দেশ্যে চিঠি। সেই বিজ্ঞাপন জুড়ে থাকতো আবেগঘন কিছু কথা যেমন –বাবা ভোম্বল, তুমি কোথায় আছো জানাও। তোমার চিন্তায় মা শয্যাশায়ী। টাকার প্রয়োজন হলে জানিও। শীঘ্রই বাড়ি ফিরে এসো – বাবা।

এমনতরো বিজ্ঞাপন আজ‌ও নিশ্চয়ই ছাপা হয় তবে কিশোর বেলার উৎসাহ এখন আর নেই,তাই আনাচেকানাচে চোখ বুলিয়ে তেমন কিছু আজ আর খোঁজা হয়না। তা বলে কি নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে? উঁহু, তেমনটা মোটেই নয়। আমাদের চারপাশের কতকিছুই তো প্রতিদিন নজর এড়িয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। সেসব আবার কোনো এক কালে ফিরে আসবে তেমনটাও নয়। যদি ফিরে আসে বা তার দেখা মেলে হঠাৎ করেই তার হলে কিন্তু রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যায়। প্রাণিজগতে কিন্তু এই হারিয়ে যাওয়া আর আবার ফিরে আসার লীলাখেলা চলতেই থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। অতিকায় ডায়নোসরদের কথাই ধরা যাক। জুরাসিক যুগের সেই দানবাকৃতির সরীসৃপের দল পৃথিবী জুড়ে হাঁপিয়ে দাপিয়ে একসময় রঙ্গমঞ্চ ছেড়ে রীতিমতো বেপাত্তা হয়ে গেল। অতীতে এভাবেই পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশের বিপুল সংখ্যক জীববৈচিত্র্য হারিয়ে গেল চিরকালের মতো। অবশ্য বিলুপ্ত হ‌ওয়া এবং হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে নিরুদ্দিষ্টের প্রতি অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো, তাদের অনেকেই হয়তো আবার স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন করতো। ফিরে আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই তাদের নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যেতো।

জীবজগতের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটে। হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া প্রাণিদের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খুঁজে পাওয়া গেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানকারী গবেষকরা। এমন‌ই কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রাণি এবং তাদের খুঁজে পাওয়ার কথা নিয়েই এই পর্বের আলোচনা। মোট ছয়টি পর্বের এই আলোচনার আজ প্রথম পর্ব।

আমাদের প্রথম অতিথি ব্লু- ফ্রন্টেড লোরিকিট । Blue – frontend Lorikeet ( নীল বুক‌ওয়ালা লোরিকিট)ইন্দোনেশিয়ার বুরু দ্বীপের গহীন গভীর পার্বত্য অরণ্যে চলছে অভিযান। দলে রয়েছে একদল অভিজ্ঞ পর্বতারোহী যাঁরা ওই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চড়াই উৎরাই ভেঙে পথ চলতে অভ্যস্ত, আর রয়েছেন একদল পরিবেশপ্রেমী গবেষক , পাখপাখালির জগৎ আর তাদের সংরক্ষণ নিয়েই এই মানুষদের যত ভাবনাচিন্তা! টানা ১৪ দিনের লম্বা ট্রেক করে পৌঁছতে হবে সেই হারানিধির খোঁজে। আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে শেষ বারের মতো তাকে চাক্ষুষ করেছিল পাখি বিশারদরা। তারপর আর খোঁজ মেলেনি তাদের। একেই ছয় ছোট্ট চেহারা, তার ওপর গায়ের সবুজ রঙের পালক বনের সবুজালির সঙ্গে কেমন মিশে যাওয়া – সাধ্যি কি তাকে চট্ করে খুঁজে পাওয়ায়! তবে হাল ছাড়েননি নাছোড়বান্দা বিজ্ঞানীরা। ব্লু – ফ্রন্টেড লোরিকিটের বিজ্ঞানসম্মত নামটি বেশ লম্বা আর খটমট – Charmosynopsis toxopei । এখনো পর্যন্ত পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার বুরু দ্বীপের বাইরে অন্য কোথাও এই পাখির খোঁজ পাওয়া যায়নি। লাইম গ্রীন রঙের পালক, কমলা রঙের ঠোঁট আর সুতীক্ষ্ণ লম্বা লেজ – এই হলো অবয়বের তিন বৈশিষ্ট্য। বুকের দিকের হালকা নীল রঙের পালক বেশ অন্যরকম এক বাহার এনে দিয়েছে শরীরে। মিউজিয়ামের সংরক্ষিত সাতটি নমুনা দেখে প্রথম একে আলাদা করে শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। তাও ১৯২০ সালের ঘটনা। এরপরের বছরগুলোতে আর তার দেখা মেলেনি দীর্ঘ সময়ের জন্য।

২০১৪ সালে এই জমাট বাঁধা প্রতীক্ষার অবসান হলো। আছে আছে! নীল বুক্ওয়ালা লোরিকিটরা এখনও টিকে আছে। শুধু মুখে বললেই তো হবেনা, উপযুক্ত প্রমাণ চাই। প্রমাণ হাজির করলেন এক পক্ষিপ্রেমিক তথা চিত্রগ্রাহক ক্রেইগ রবসন। হারিয়ে যাওয়া পাখিদের নতুন করে খোঁজ করতে এক বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল স্থানীয় অসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও আমেরিকান বার্ড কনসারভেন্সি সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে। ক্রেইগ সেই অভিযাত্রীদের দলে ছিলেন। তাঁর ক্যামেরাতেই প্রথম ধরা পড়লো ব্লু – ফ্রন্টেড লোরিকিটের ছবি। গোটা দুনিয়ার পক্ষিপ্রেমিকরা অভিভূত ও উল্লসিত হলেন সেই দৃশ্য দেখে।তারপর কেটে গিয়েছে আরও এক দশকেরও বেশি সময়। রবসন সাহেবের সেই হারানো পাখির দেখা আর মেলেনি। তবে হাল ছাড়েননি পাখি খোঁজা মানুষগুলো। লাগাতার অনুসন্ধানের কাজ চালিয়ে গেছেন। এই বছরের এপ্রিল মাসে ইন্দোনেশিয়ার পরিচিত পর্বতারোহণ সংগঠন কানাল বুরু আরও কয়েকটি গবেষক সংস্থার সদস্যরা মিলে বুরু দ্বীপে এক অভিযানে সামিল হয়। উদ্দেশ্য হারিয়ে যাওয়া ব্লু-ফ্রন্টেড লোরিকিটের সন্ধান করা। চুনাপাথর দিয়ে তৈরি কাপালাতমাদা পর্বতের দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে প্রায় ২৭০০ মিটার উচ্চতায় পৌঁছে তাঁরা সেই পাখির দেখা পান। ইন্দোনেশিয়ার বৃষ্টি বনের গভীর এলাকায় প্রচন্ড কষ্টের মধ্যে টানা ছয় দিন ধরে কাটিয়ে এই অভিযাত্রীরা সাফল্যের স্বাদ পেলেন। দেখা পেলেন সেই পাখির।আশ মিটিয়ে ছবি তুলেছেন তাঁরা।নয়ন মেলে উপভোগ করেছেন সেই হারানো পাখির অপরূপ সুন্দর রূপ, রেকর্ড করেছেন বুরু দ্বীপের সেই বিরল প্রজাতির পাখিদের কন্ঠস্বর।কেমন অনুভূতি হয়েছিল পাখিটিকে প্রথম দেখার পর? এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে আমেরিকান বার্ড কনসারভেন্সি সংস্থার সার্চ ফর লস্ট বার্ডস টিমের ডিরেক্টর John C. Mittermeier বলেছেন,” ব্লু – ফ্রন্টেড লোরিকিটের দেখা পাবার পর আমি নিশ্চিত হবার জন্য বায়নাকুলারের ভিউয়িং গ্লাসটিকে পাখিগুলোর দিকে তাক করে ধরে রেখেছিলাম নিশ্চিত হবার জন্য। যখন বুঝলাম ওগুলো আর অন্য কোনো পাখি নয়,যার খোঁজে আমরা এতো দূরের পথ পাড়ি দিয়ে এসেছি সেই লোরিকিটের দল তখন এতোটাই উত্তেজিত হয়ে  পড়েছিলাম যে সেই মুহূর্তের কথা বলা এক কথায় অসম্ভব।”এক‌ই রকমের অনুভূতি হয়েছিল দলের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং অন্যতম দলনায়ক সুমারাজার। তাঁর কথায় –“পাখিদের দেখা পাবার আনন্দে আত্মহারা হয়ে আমি আমার চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। আমাদের দলের অনেকে এভাবেই তাঁদের ভালোবাসা আর আবেগকে প্রকাশ করেছেন। আসলে পাখিটির প্রতি আমাদের ভালোবাসা এবং আবেগ এতোটাই গভীর ছিল। প্রতিদিন আমি কেঁদেছি অফুরান খুশিতে এই ভেবে যে হারিয়ে যাওয়া এক বন্ধুকে বহু বছর পর আবার আমরা আমাদের মাঝে ফিরে পেয়েছি।”আম আদমির কাছে এই হারিয়ে যাওয়া পাখি বা অন্যান্য প্রাণিদের খুঁজে পাওয়ার মধ্যে নিশ্চয়ই আলাদা করে প্রবল অনুভূতি নেই, কিন্তু এই ভাবনার সঙ্গে আন্তরিকভাবে জড়িয়ে আছেন যে সমস্ত প্রকৃতির প্রতি নিবেদিত প্রাণ মানুষেরা তাঁদের কাছে এই হারিয়ে যাওয়া পাখিটিকে খুঁজে পাওয়া, এক পরম প্রাপ্তি। এই প্রাপ্তির আনন্দে আত্মহারা মানুষেরা জীবদের সংরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে এক অপরিসীম অবদান রাখলেন সেই বিষয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। ওঁরা প্রমাণ করলেন আশাহত হয়ে হাল না ছেড়ে নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। ফল হাতেনাতেই মিলে যাবে।

PrevPreviousঅভয়া আন্দোলন – ডাঃ পুণ্যব্রত গুণ |
Nextগ্রেট নিকোবর প্রকল্প: ডুবে না যায় ভূমিকম্পে, জলোচ্ছ্বাসেNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
1 month ago

বাহ! অপেক্ষায় থাকলাম আর কোন কোন বন্ধু ফিরে এসেছে সেকথা জানার জন্য।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
1 month ago

এ তো শুধু ফিরে আসা নয় রীতিমতো লড়াই করে তাদের ফিরিয়ে আনা। খেচর, উভচর, সরীসৃপ, পতঙ্গ, জলচর – সব জগতেই হারানিধিদের নিয়ে আলোড়ন চলছে। ফিরে আসা মানে শূন্যতা পূরণ হ‌ওয়া। অপেক্ষায় থাকুন হারিয়ে ফেরা অতিথিদের জন্য।

0
Reply
Bannhi Bhattacharjee
Bannhi Bhattacharjee
1 month ago

দারুণ… বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি!
অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের….

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Bannhi Bhattacharjee
1 month ago

এই জানার আগ্রহ নিয়েই মানুষ হিসেবে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

0
Reply
DrSouravM
DrSouravM
1 month ago

Everything should come back except reptiles and other creepers and crawlers. Hate those snakes and all. May they go extinct!

Happy anyways reading about this bird ❤️

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  DrSouravM
1 month ago

This will never happen as according to our wish . We must remember the fact that everyone comes and goes following the script of the Nature . So welcome the neo arrival of the species 😁

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

August 13, 2026 No Comments

মানুষের সঙ্গে অন্যান্য প্রাণিদের সবথেকে বড়ো ফারাক কী জানেন? প্রাণিজগতে একমাত্র মানুষই প্রশ্ন করতে পারে, নিজের আয়নায় নিজেকে দেখতে পারে, নিজেকে নিরন্তর ব্যস্ত রাখতে পারে

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

August 13, 2026 No Comments

শুরুর কথা হাসপাতাল মানুষের ইতিহাসের অতি প্রাচীন মানবিক সংগঠনগুলোর একটি। এবং এর ইতিহাসও অতি প্রাচীন। আজ থেকে প্রায় ২০০০ বছর আগে এলিয়াস অ্যারিস্টিডিস বলছেন –

৯ আগস্ট। অভয়ার স্মরণে, মানুষের পাশে এবং ন্যায়ের দাবিতে।

August 12, 2026 No Comments

আজ ৯ আগস্ট, সকালে আর জি কর হাসপাতাল সংলগ্ন খালপারের বস্তি এলাকায় ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট (WBJDF)-এর উদ্যোগে আয়োজিত হলো বিশেষ ‘অভয়া ক্লিনিক’। অভয়ার

ভুলি নাই, অভয়া

August 12, 2026 No Comments

‘একা মোর গানের তরী’

August 12, 2026 No Comments

এই বিশেষ গানটির এই স্তবকের কথাগুলির সঙ্গে যতখানি একাত্মবোধ করি ঠিক তেমনটি আর কোনও গানের কথার সঙ্গে করি না আজকাল। ‘এখানে পিঞ্জর’ প্রথম দেখেছিলাম তরুণী

সাম্প্রতিক পোস্ট

এম পি পরমেশ্বরণ – এক প্রতিবাদী পরিবেশবিদ

Somnath Mukhopadhyay August 13, 2026

প্রাচীন ও প্রাক-আধুনিক ভারতে হাসপাতালের নানা চেহারা – চরক-সংহিতা ও অন্যান্য

Dr. Jayanta Bhattacharya August 13, 2026

৯ আগস্ট। অভয়ার স্মরণে, মানুষের পাশে এবং ন্যায়ের দাবিতে।

West Bengal Junior Doctors Front August 12, 2026

ভুলি নাই, অভয়া

Abhaya Mancha August 12, 2026

‘একা মোর গানের তরী’

Dr. Sukanya Bandopadhyay August 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

661325
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]