Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

থ্যালাসেমিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধীদের পরিবারবর্গ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অধিকার মঞ্চ, উলুবেড়িয়া মহকুমা, হাওড়া’র তরফে একটি বিশেষ প্রতিবেদন ১

Screenshot_2026-01-27-20-46-03-98_a23b203fd3aafc6dcb84e438dda678b6
Doctors' Dialogue

Doctors' Dialogue

আমরা ডাক্তার। কারও কাছে আমরা ভগবান। আবার কেউ ভাবেন আমরা মৃত্যুদূত। কারও আমাদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। কেউ ভাবেন সবটাই ব্যবসা।
My Other Posts
  • January 28, 2026
  • 7:36 am
  • No Comments

অধ্যায় ১
কেন আজ থ্যালাসেমিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধীরা বিপদে’র মুখে, সমস্যা কোথায়?-

সাম্প্রতিক সময়ে (২৫/৯ /২৫) উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে থ্যালাসেমিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধীদে’র জন্য যে প্রতিবন্ধী শংসাপত্র শিবির হয়েছিলো, সেখানে দেখা গেছে যে, প্রত্যেকেরই প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ একটা নির্দিষ্ট মাত্রা’য় দেওয়া হয়েছে (সর্বনিম্ন ৪০% থেকে সর্বোচ্চ ৪৮%),অথবা কম হয়েছে। এমনকি অনেকের পুরানো গভঃ স্বীকৃত শংসাপত্র বাতিল হয়ে ঐ পরিমাপে নেমে এসেছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত মেডিক্যাল বোর্ড ছিলো না, ছিলো না চেক আপ, ছিলো না কোনো মেডিক্যাল তথ্যে’র মুল্যায়ন। প্রতিবন্ধীদে’র পরিবারে’র তরফে দাবি করা হয়েছে যে, আগে থেকেই পার্সেন্টেজ লেখা ছিলো, শুধু নাম ডেকেছে আর খাতা দেখে পার্সেন্টেজ বসানো হয়েছে। বিষয়টি’র মধ্যে প্রথম থেকেই সংশয় ছিলো বলে, ২৬/৯ /২৫ তারিখে এক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তে’র ‘মা’ পূর্ণাঙ্গ লিখিত অভিযোগ জানান উক্ত হাসপাতালের MSVP কে এবং সমগ্র বিষয়টি রিভিউ করার আবেদন জানান। এখানে যেটা জানা যায়, ঐ বছরে’র জানুয়ারি মাসে একই ক্যাটাগরির প্রতিবন্ধীদে’র শংসাপত্র শিবির থেকে উচ্চ মাত্রায় প্রতিবন্ধকতা’র পরিমাপ দেওয়া হয়েছিলো।
এরপর উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের MSVP র সাথে দেখা করা হয়। পরবর্তীতে MSVP’ র পক্ষ (১৫/১০/২৫) থেকে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যে, ‘২০২৪ সালে’র ভারত সরকার কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবন্ধী সংক্রান্ত একটি পুনঃমুল্যায়ন সুচক গেজেট প্রকাশিত হয়েছে, সেই গেজেটকে সামনে রেখে ১৮/৩/২৫ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তরে’র HCP সেলের একটি ভিডিও কনফারেন্সে’ র সুত্র ধরে ২৫/৯ /২৫ এর শিবিরে প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ দেওয়া হয়েছে, যেখানে এই পরিমাপ কমেছে। আমরা একটি ভিডিও কনফারেন্সে’র মাধ্যমে কি এই ধরনের কাজ করা যায়, নাকি নির্দিষ্ট সরকারি অর্ডারের ভিত্তিতে করা উচিত প্রশ্ন তুলে আবারো লিখিত ভাবে জানাই এবং দেখা করি। কিন্তু সেই একই উত্তর থাকে। আমরা আরো বলি যে, ২০২৪ সালে’র এপ্রিল মাসে প্রকাশিত গেজেট কেন ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে প্রয়োগ করা হলো? কেন তা জানুয়ারিতে প্রয়োগ করা হলো না? নিরুত্তর থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য ভবন। এই সময় আমরা পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তরের ২০২২ সালের একটি অর্ডার পাই, যেখানে নির্দিষ্ট করে প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ কিসের ভিত্তিতে দেওয়া হবে তার উল্লেখ আছে। তখন আমরা ২০২২ সালে’র অর্ডার কে কেন প্রয়োগ করা হলো না বা তাকে বাতিল কেন করা হলো তার উত্তর চাওয়াতেও এরা নিরুত্তর থাকে। এরপর নভেম্বর মাস ২০২৫ এর শুরুর দিকে ৬/৫/২৫ তারিখে’র পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তরে’র প্রতিবন্ধী সংক্রান্ত একটি অর্ডার পাই। তখন আমরা প্রশ্ন করি, ১৫/১০/২৫ তারিখে’র MSVP’ র দেওয়া ব্যাখ্যায় কেন ৬/৫/২৫ এর অর্ডারের উল্লেখ নেই? এবং আরো প্রশ্ন তুলি যে, ২১/৪/২০২৫ তারিখে স্বাস্থ্য দপ্তর, ২০২৪ সালে’র প্রকাশিত গেজেট কে সামনে রেখে একটি মেনটরিং এক্সপার্ট টিম তেরি করে, যার কাজ হলো বাকি বিশেষজ্ঞদের এই সম্পর্কে বোঝানো ইত্যাদি। তাহলে ১৮/৩/২৫ তারিখে স্বাস্থ্য দপ্তরের কোন মেনটরিং টীম ভিডিও কনফারেন্স করলো?

এবং কিসের ভিত্তিতে সেটাকেই অর্ডার বলে চালিয়ে দেওয়া হলো?
এইসব প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেন নি MSVP। এরপর ৬/১২/২৫ তারিখে MSVP আরো একটা লিখিত ব্যাখ্যা দিয়ে জানান যে, ‘৬/৫/২৫ তারিখে’র অর্ডার তিনি ২৫/৯ /২৫ তারিখে’র শিবিরে’র সময় কোনো ভাবেই হাতে পান নি, এবং উক্ত শিবিরে তা প্রয়োগ করার সম্ভব ছিলো না’। তাহলে আমাদের তরফে পরিষ্কার ভাবে প্রশ্ন রাখা হয় যে, যেখানে ৪মাস ১৯ দিন পরেও অর্ডার/সার্কুলার তিনি হাতে পান নি, তাহলে কোন অর্ডার সার্কুলারে’র ভিত্তিতে উক্ত শিবিরে নতুন প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ নির্ধারণ করা হলো? এবং কোন অর্ডারের ভিত্তিতে পুরানো শংসাপত্র বাতিল করা হলো? এটা আমরা স্বাস্থ্য দপ্তরের Joint DME কে রাখি.. সেই একই ভাবে নিরুত্তর থাকে আর আমাদের ওপর চাপ দিতে থাকে।আমরা আইনি নোটিশ দিয়েও জানাই। এরমধ্যে MSVP ২৫/৯ /২৫ এর শিবিরের শংসাপত্রের চূড়ান্ত প্রক্রিয়াকরন শুরু করে দেয় কারোর সাথে আলোচনা না করেই।গত ৩০/১২/২৫ এর গণ ডেপুটেশনের দিন আমরা টাইম লাইন নিয়ে আমরা প্রশ্ন রেখেছিলাম, এবং একটাই দাবি ছিলো যে, ২৫/৯ /২৫ তারিখে’র অনৈতিক প্রতিবন্ধী শংসাপত্র শিবির বাতিল করে সঠিক তথ্যের মুল্যায়নে’র ভিত্তিতে স্বচ্ছ ভাবে প্রতিবন্ধী শিবির করতে হবে। MSVP সমস্ত ঔদ্ধত্যের সীমা ছাড়িয়ে বলেন “আপনারা অর্ডার নিয়ে আসুন স্বাস্থ্য ভবন থেকে। আপনারা যতো চেল্লান আমার কিছু যায় আসে না”। আমরা আলোচনা বয়কট করি। কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। MSVP কে বলা হয় “আপনি দুর্নীতিবাজ সন্দীপ ঘোষে’র থেকেও বাজে মানুষ!”এদের তরফে বিভিন্ন প্রতিবন্ধীদের পরিবারবর্গে’র কাছে মিথ্যা কথা বলা হয়েছে যে,” প্রতিবদ্ধকতার”পরিমাপ যখন কম, তখন এরা সবাই সুস্থ আছে”! ভাবা যায়, একজন অসুস্থ কে নম্বর দিয়ে সুস্থ করে তোলার চক্রান্ত!!। কিন্তু ২৫/৯ /২৫ এর শিবিরে’র সময় অনেকেরই হাই আয়রন ছিলো, অনেকেরই Splenectomy অপারেশন হয়েছে, আবার অনেকেরই HCV ছিলো (হাই ভাইরাল লোড ২ লক্ষের ওপরে), তাহলে কি এদের সুস্থ বলা যাবে? কেন এই তথ্যগুলোর মুল্যায়ন করা হলো না?

এটা ঠিক যে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো আজ সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থা থেকে হাত তুলে দিয়েছে, এবং তার ফলশ্রুতিতেই ২০২৪ এ অনৈতিক গেজেট প্রকাশ করেছে। কিন্তু প্রথম থেকেই আমাদের প্রশ্ন ছিলো , ১)রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর কেন এর বিরোধিতা করলো না ?২)রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর কেন এতো মাস পরে অর্ডার বের করলো?

৩) যেখানে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানতো যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মানবিক প্রকল্পের আওতায় থাকতে গেলে নুন্যতম ৫০% প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ লাগে। এছাড়াও অন্যান্য সুযোগ – সুবিধার ক্ষেত্রেও একটি নির্দিষ্ট পরিমাপ লাগে। এতো কম পরিমাপে তা হয় না। সেটা জেনেও কেন কোনো ব্যাবস্থা নিলো না?

আমরা প্রথম থেকেই আমাদের অভিযোগে’র অভিমুখ রাজ্য ও কেন্দ্রে’র এই জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধেই ছিলো এবং এখনও আছে। কারন এইসব প্রতিবন্ধীদে’র (সমগ্র রাজ্যে) ভাতা সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ সুবিধা বন্ধ হতে বসেছে। কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় মিলিত ভাবে কিছু জন কে দেবে আর বাকিদের বঞ্চিত করে সুদে – আসলে উসুল করবে। কিন্তু উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে’র MSVP কোনো অর্ডার ছাড়াই বা সঠিক তথ্যের মুল্যায়ন না করেই কেন প্রতিবন্ধকতার পরিমাপ দিতে গেলো? বহুবার ভুক্তভোগীরা নিজেরাই অভিযোগ করার পরেও তাতে আমল না দিয়েই চূড়ান্ত প্রক্রিয়াকরন শুরু করলো? এখানে উল্লেখ্য যে – একজন সিভিয়ার হিমোফিলিয়া আক্রান্তের ‘ মা’, তার সন্তানের জন্য প্রতিবন্ধকতা’র পরিমাপ কমিয়ে পাঠানো UDID কার্ডটি অনৈতিক দাবি করে বাতিল করার জন্য MSVP কে গত ৩০/১২/২৫ তারিখে চিঠি পাঠিয়েছেন।আসলে একেই বলে স্বেচ্ছাচারিতা!

এমনকি MSVP কারোর সাথে উক্ত শিবিরটির আগে কোনো আলোচনা করে নি। যেখানে অনেক প্রতিবন্ধীরা জানেই না যে “প্রতিবন্ধী শংসাপত্র” আসলে কি!।

আর স্বাস্থ্য দপ্তরও জানে যে, এরকম কোনো ব্যাক্তিকে দিয়েই শুরু করে দেখে নিতে হবে যে, জল কতদুর গড়ায়!।

আশ্চর্যজনক ভাবে উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে’র MSVP’র এইসব অনৈতিক কাজের মদতপুষ্ঠ হলেন হাসপাতালের বর্তমান হেডক্লার্ক। কিন্তু হেড ক্লার্কের সেই পদগত ক্ষমতা – অধিকার কিছুই নেই। অথচ যিনি অতিরিক্ত সুপার যার অধিকার আছে তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে হাসপাতালে কার্যত একটি শো-পিস করে রেখে দেওয়া হয়েছে।

এর দ্বারা আমরা বোঝাতে পারলাম যে কেন আজ সমস্ত প্রতিবন্ধীরা সংকটের মুখে ও সমস্যাটা কোথায়।

আমাদের আন্দোলন চলবে। এই স্বেচ্ছাচারিতার অবসান আমরা চাই যেকোনো মুল্যে।

এই আহ্বান রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের মধ্যে থাকা সাধারণ মানুষদে’র কাছেও রইলো।

PrevPreviousঅভয়াদের বিচারের লক্ষ্যে, বাঁকড়ায়
Nextআমি ভয় করব না ভয় করব নাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

‘নতুন মশাল জ্বেলে দিগন্ত খুঁজছি’: নাদিরা আজাদের কবিতাভুবন

January 31, 2026 No Comments

“প্রতিটি ভোর মৃত্যু এগিয়ে আসার খবর জানায়” নিশ্চিত মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে জানকবুল লড়াই করেছেন নাদিরা। নাদিরার কবিতায় ভাতের গন্ধ, রক্ত আর বারুদের গন্ধ, তিস্তার জল

ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ (CMC) – ভারতে আধুনিক জনস্বাস্থ্যের জন্মদাত্রী

January 31, 2026 No Comments

শুরুর কিছু কথা পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা যায়, কোন সমাজের জনসমষ্টির স্বাস্থ্য সুররক্ষিত রাখা প্রতিটি সমাজকে বাঁচিয়ে রাখার পূর্বশর্ত। সেই আদিমকাল থেকে মানুষ নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং

দেবকী আম্মা – এক নিমগ্ন বনকন্যা

January 31, 2026 No Comments

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের উদযাপনকে উপলক্ষ্য করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নানা ক্ষেত্রের কৃতী মানুষদের পদ্ম সম্মানে সম্মানিত করার রীতি বহুদিনের। এই বছরে মোট ১১৩

“অভয়া মঞ্চ”: এক লড়াইয়ের নাম

January 30, 2026 No Comments

“অভয়া মঞ্চ” নামটি আজ ধীরে হলেও সাধারণ মানুষের মনের মধ্যে একটা জায়গা করে নিচ্ছে। সাম্প্রতিক ভারতের ঘটমান আর্থ- রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে এই বিষয়টি এক অভূতপূর্ব ঘটনা

নিভৃত কথন ©সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়

January 30, 2026 No Comments

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ লেখক সৌরভ মুখোপাধ্যায়ের একটি কথা খুবই মনে ধরল। একটি বইয়ের গ্রুপে, লেখালিখি প্রসঙ্গে উনি মন্তব্য করেছেন – প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি

সাম্প্রতিক পোস্ট

‘নতুন মশাল জ্বেলে দিগন্ত খুঁজছি’: নাদিরা আজাদের কবিতাভুবন

Gopa Mukherjee January 31, 2026

ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ (CMC) – ভারতে আধুনিক জনস্বাস্থ্যের জন্মদাত্রী

Dr. Jayanta Bhattacharya January 31, 2026

দেবকী আম্মা – এক নিমগ্ন বনকন্যা

Somnath Mukhopadhyay January 31, 2026

“অভয়া মঞ্চ”: এক লড়াইয়ের নাম

Sukalyan Bhattacharya January 30, 2026

নিভৃত কথন ©সুকন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়

Dr. Bishan Basu January 30, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

607544
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]