অধ্যায় ২
কেন আমরা উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে’র MSVP ও হেড ক্লার্কে’র অপসারণে’র দাবিতে সরব হয়েছি?
আমরা আজ দীর্ঘ ৬ বছর উলুবেড়িয়া হাসপাতাল নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আসছি।
ফলত হাসপাতালে’র পরিকাঠামো ও পরিষেবা’র চূড়ান্ত অব্যাবস্থা’র কথা আমাদের কাছে নতুন নয়, আর দাবি আন্দোলনও নতুন নয় ।
তবে কেন MSVP ও হেড ক্লার্কে’র অপসারণে’র দাবি নিম্নোক্ত 👇…
১) ক) সাম্প্রতিক সময় প্রতিবন্ধী শংসাপত্র শিবির নিয়ে আমাদের আন্দোলন আজ চার মাস ধরে চলছে। প্রথম তিন মাস আমরা একাধিকবার MSVP, Add. Super এর সাথে আলোচনা করেছি, লিখিত অভিযোগ পেশ করেছি, স্বাস্থ্য ভবনে দেখা করেছি।
গত ৩০/১২/২৫ এর গণ ডেপুটেশনে’র সময় MSVP যে ব্যবহার ও কথা বলেছেন তা সমস্ত সীমাকে অতিক্রম করেছে (প্রথম অধ্যায় এই বিষয়ে আমরা বিস্তারিত বলেছি)। এখানে একটাই সংযোগ করার আছে যে, গত ২৫/৯ /২৫ তারিখে’র প্রতিবন্ধী শংসাপত্র শিবিরে’র আগে একবারও কোনো প্রতিবন্ধী বা তাদের পরিবারের সাথে এই বিষয়ে কথা বলেন নি MSVP এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করেও জানানো হয় নি। সবটাই গোপনে করেছেন (এখানে আরো এক অপদার্থ থ্যালাসেমিয়া কাউন্সিলর আছেন, যার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। এই নিয়ে আমরা পরে কথা বলবো)। যেখানে এতো সংখ্যক আক্রান্তদের সবাই মুলত দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারে’র তাদের কথা ভেবে এই আলোচনার কি কোনো দরকার ছিলো না?আসলে MSVP ভেবেছিলেন যে, যা খুশি করে দেবো বলার কেউ নেই এবং এই কাজে তাকে মদত যোগাচ্ছেন বর্তমান হেড ক্লার্ক। এতগুলো আক্রান্তদের নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতা করাটাকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধ বলেই মনে করছি এবং MSVP ও হেড ক্লার্কে’র অপসারণ চাইছি।
খ) আমরা থ্যালাসেমিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধীদের শ্রেনীগত ভাবে একই দৃষ্টিতে দেখবো। কারণ এরা সবাই অসুস্থ।এরা বঞ্চিত। কিন্তু গত ২০২৫ সালে’র জানুয়ারি ও সেপ্টেম্বর মাসে একই ধরনের প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে, দুটো প্রতিবন্ধী শংসাপত্র শিবিরে দুই ধরনের নিয়ম চালু করে আসলে MSVP পক্ষান্তরে এদের মধ্যে দ্বন্দ্ব – সংঘাত লাগিয়ে দিতে চান। আমরা এই ঘৃণ্য প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করবো যেকোনো মূল্যে এবং অবশ্যই ঘৃণ্য চক্রান্তকারী MSVP ও হেড ক্লার্কের অপসারণ চাইছি।
২) উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে’র চূড়ান্ত অব্যবস্থা’র বিরুদ্ধে কোলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা ইতিমধ্যেই চলছে। যেখানে ১লা অগস্ট ‘২০২৪ এ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তদন্ত সাপেক্ষে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে এবং “All matter shall been highlighted”। সাথে ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ও অ্যাম্বুলেন্স চালু করার কথাও অর্ডারে বলা হয়েছিলো। কিন্তু কোথায় কি! না কম্পোনেন্ট সেপারেশন চালু হয়েছে, না অ্যাম্বুলেন্স এসেছে..। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য ভব
ন যতোটা উদাসীন তার থেকেও বেশি উদাসীন MSVP। কারণ এক্ষেত্রে দায় MSVP’র বেশি থাকা উচিত।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক – নার্স – বেড নেই। PICU চালু হয় নি। এই PICU না থাকার জন্য একবার এক অ্যানিমিয়া আক্রান্ত মারা যান। এখানে ওখানে রোগীরা পড়ে থাকে, বিশেষ করে নোংরা বাথরুমের সামনে পড়ে থাকে বিনা চিকিৎসা’য়(আমাদের কাছে এর নির্দিষ্ট প্রামাণ্য চিত্র আছে)। বারবার বলার পরেও, এটা দেখে-জেনেও MSVP নিশ্চুপ। আমরা এই কারণেও MSVP’ র অপসারণ চাইতেই পারি।
৩) ক) ব্লাড ব্যাঙ্কের দুজন কর্মী (অক্ষয় মন্ডল ও শুভোদীপ গোঁজ) দীর্ঘ মাস ধরে ডিউটি দেয় না। ওদের হয়ে প্রক্সি ডিউটি যারা দেয় তারা কেউ স্টাফ নয়। মজার বিষয় হলো-ঐ দুজন মাসে একবার এসে Attendance খাতায় সই করে চলে যায়। আর ঐ Attendance খাতা MSVP’র ঘরেই থাকে, অর্থাৎ MSVP’র নজরেই এই অপরাধ চলছে বলাই বাহুল্য।
কতোটা ভয়াবহ বিষয় যে, যে দুজন প্রক্সি ডিউটি দেয় তারা স্টাফ না হওয়া সত্ত্বেও রক্তের ক্রস ম্যাচিং করে বলে জানা গেছে। বিপদটা একবার ভাবুন! এর আগে শেখ হাসানুর বলে সাড়ে তিন বছরের একজন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তকে ভুল গ্রুপ লিখে দিয়েছিলো ব্লাড ব্যাঙ্কের এক কর্মী, ফলত রক্ত না পেয়ে মারা যায় শিশুটি। এটা জেনেও MSVP এই অপরাধকে সমর্থন করে যাচ্ছে। এছাড়াও অ-অনুমোদিত ভাবে এর আগেও অনেকে চাকরি করেছে। আমরা লিখিত অভিযোগ পেশ করলেও আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন নি MSVP। আমরা এই কারণে আমরা MSVP’র অপসারণ ১০০% চাইছি।
খ) আমরা প্রমাণ করতে পারি যে, ব্লাড ব্যাঙ্কে আসা রোগী’র পরিবারের লোকজন অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ফিরে যায় কারণ ব্লাড ব্যাঙ্কের গেট বাইরে থেকে বন্ধ করে স্টাফেরা চলে যায়। এর ফলে যে বিপদ হতে পারে তার দায় কে নেবে? এটা জেনেও নীরব থাকা MSVP’র অপসারণ চাইবো না? কি বলেন…
৪) ক) ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত সংক্রান্ত আপডেট ডিসপ্লে বোর্ড অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে। আসলে এরা সাধারণ মানুষদের থেকে অনেক কিছু লুকোতে চাইছে দালালদের স্বার্থে।
খ) হঠাৎ করে রক্তদান শিবিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন MSVP। আগে রক্তদান শিবিরে’র জন্য সংশ্লিষ্ট ব্লাড ব্যাঙ্কে’র MOIC কে আবেদন করলেই হতো। এখন এই আবেদন MSVP কেই করতে হচ্ছে এবং তিনি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কোনটা হবে, কোনটা হবে না।এহেন স্বেচ্ছাচারী MSVP’র অপসারণ আমরা ১০০% চাইছি।
গ) রক্তদান শিবির এর জন্য সরকার থেকে যে Refresh Money দেওয়া হয়, সেটার ওপরেও MSVP নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন অনৈতিক ভাবে। যথা যেসব সংগঠনের নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে তারাই পাবে বাকিরা পাবে না। তাহলে রক্তদান শিবির করতে গেলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা জরুরি, আবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট করতে গেলে সংগঠনকে রেজিস্ট্রাড হতে হবে। অর্থাৎ যারা বিভিন্ন ভাবে রক্তদান শিবির করেন, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন রক্ত সংকটে’র সময় তারা অনেকেই আর রক্তদান শিবির করতে উৎসাহিত হবেন না, কা্রণ অনেকেরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই, আর তারা রেজিস্টার্ড নয় । ফলত সংকট টা কোথায় টেনে নিয়ে গেছে্ন MSVP আর হেড ক্লার্ক এবং অবশ্যই Account Officer !
আমরা লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছি কিন্তু কোনো সুফল নেই।
এই ভাবে রোগীদের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা MSVP ‘র অপসারণ আমরা চাইছি।
ঘ) রক্তদান শিবিরে যে গাড়ি যায় সেটা অধিকাংশ সময় অ্যাম্বুলেন্স থাকে না, থাকে ছোট গাড়ি (WB26C9684, WB14U0707) ফলত সহজে অনুমেয় কতোটা রিক্স থাকে এসব ক্ষেত্রে। বহুবার বলা হয়েছে, কিন্তু যেই কে সেই।
রক্তদান শিবিরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো চিকিৎসক যান না। স্ক্রিনীং করেন চিকিৎসকের বদলে স্টাফ নয় যারা তারা। ফলত রক্তদাতা ও রক্ত গ্রহীতার ক্ষেত্রে বিপদের আভাস সহজেই পাওয়া যাচ্ছে। এবং আরো বেশি করে যেটা সামনে আসছে তা হলো,হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসকের অভাব এবং এই অভাব দুর করতে MSVP এই ধরনের অযোগ্যদে’র চিকিৎসক বানিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন।
আমরা এই কারনে MSVP’র অপসারণ চাইছি।
৫) এবার আসা যাক হাসপাতালে’র নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স সম্পর্কে। হাসপাতালে’র নিজস্ব একটি অ্যাম্বুলেন্স ছিলো(WB04E2146)।বর্তমানে সেটি অব্যাবহারিত হিসেবে পড়ে আছে, অথচ বাইরে থেকে গলা কাটা টাকায় সমস্ত প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স, শববাহী গাড়ি লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। এটা বারবার বলার পরেও MSVP জেনে – শুনেও কোনো ব্যবস্থা নেন নি। যাতে প্রাইভেট গুলোর ব্যাবসা ভালো হয় তার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
আমরা এই কারণেও MSVP’র অপসারণ চাইবোই।
৬) এবার আসবো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। অর্থাৎ প্রসুতি সংক্রান্ত। উলুবেড়িয়া মহকুমার অন্তর্গত অনেক গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে অনেক সময় বা নিজেরাও সরকারি উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তাদের সন্তান প্রসবের জন্য আসে। এখানে সিজারে’র ব্যবস্থা থাকা স্বত্তেও কিছু অসাধু চিকিৎসক ও দালালেরা যৌথ ভাবে রোগীদে’র হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়ে বেসরকারি নার্সিংহোম বা হাসপাতালে বড় অঙ্কে’র টাকা’র মাধ্যমে সিজার করায় (সব মিলিয়ে সংখ্যাটা বছরে ৫ হাজারের কাছাকাছি), যা উলুবেড়িয়া ১নং ব্লকে’র আশা কর্মীদের অভিযোগ আছে। আর যাদের ক্ষমতা নেই তাদের অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাড়িতে প্রসব করাতে হয়। এই সংক্রান্ত বিষয়ে ২০২৫ এ দুবার সংবাদপত্রে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিলো। MSVP বলেছিলেন যে, “কেউ লিখিত ভাবে জানালে ব্যাবস্থা নেবো” । আমরা ৩/৬/২৫ তারিখে এই বিষয়ে লিখিত ভাবে জানাই(Letter Ref no – JSSOAM/SCCGMCH/ABPHG/25)। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি। এখানে প্রশ্ন যে, যেটা হাসপাতালে ঘটছে MSVP’র সামনেই তখন কাউকে লিখিত কেন জানাতে হবে? উনি সরাসরি তো ব্যবস্থা নিতে পারেন। কিন্তু উনি জানেন যে, কেউ লিখিত দিতে সাহস করবে না, আর দিলেও পদক্ষেপ নেবো না।
ফলত রোগীদের সর্বস্বান্ত করে দালালদের সুযোগ করে দেওয়া এই ঘৃণিত প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধকারী MSVP’র অপসারণ আমরা ২০০% চাইছি।
৭) আরজিকর ঘটনার পর নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে যেটা করার কথা ছিলো, আদপে তা হয় নি। নিরাপত্তা শূন্য বলেই মার খেতে হলো ও ধর্ষণের হুমকি পেতে হলো এক মহিলা চিকিৎসককে। MSVP এতোটা ঔদ্ধত্যপূর্ণ যে, মহিলা চিকিৎসক মার খাচ্ছেন অথচ তিনি ছুটিতে বসে আছেন।
আমরা লিখিত অভিযোগ করেছিলাম, কিন্তু কোনো উত্তর আসে নি।
হাসপাতালের নিরাপত্তা সংক্রান্ত রিপোর্ট সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এহেন অপদার্থ MSVP’র পদত্যাগ আমরা চাইছি।
৮) আমরা জেনেছি যে, MSVP ক্ষমতার অপব্যবহার করে হাসপাতালের বিভিন্ন চিকিৎসক – স্টাফেদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন, তাদের অনেককেই তাদের যোগ্যতার বাইরে গিয়ে পদ দেন, এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে তুলে আনেন। উদাহরণ – ব্লাড ব্যাঙ্কের এক কর্মীর সাথে এই ঘটনা ঘটেছিলো।
৯) সিটি স্ক্যান – বেড পেতে যে কতোটা হয়রানি হতে হয় তার অনেক উদাহরণ আছে। একাধিকবার ছুটতে হয়।
বিশেষত জন্ম – মৃত্যু সার্টিফিকেট পেতে। এমনকি বিপ্লব নামক এক কর্মী আছেন যিনি যাচ্ছেতাই ব্যবহার করেন। এটা জেনেও MSVP ও হেড ক্লার্ক চুপ করে সমর্থন করেন।
এই কারণে আমরা MSVP’র অপসারণ চাইবোই।
১০) আমরা জেনেছি যে, বর্তমান হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে মহিলা স্টাফের শ্লীলতাহানি অভিযোগ আছে।
আমরা MSVP ও হেড ক্লার্কের অপসারণ চাইছি।
১১) MSVP’র ঔদ্ধত্যের আরো একটা উদাহরণ হলো যে, আমরা জেনেছি যে, প্রায় মাস তিনেক আগে পূর্বতন MSVP ডাঃ শুভ্রা মন্ডল উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে এসেছিলেন কাজের জন্য। তিনি সকাল ৯টা নাগাদ হাসপাতালে এসে বর্তমান MSVP কে ফোন করে MSVP’র অফিসে হেড ক্লার্কের জন্য অপেক্ষা করবেন বলে বসার জন্য অনুরোধ করেন। বর্তমান MSVP তাকে অফিসে ঢুকতে না দিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এবং এটা আমরা মনে করি যে, পূর্বতন MSVP’র উলুবেড়িয়া থেকে চলে যাওয়ার পিছনে বর্তমান MSVP’র ভূমিকা আছে।
এহেন উদ্ধত – স্বেচ্ছাচারী MSVP’র অপসারণ আমরা চাইছি।
১২) হাসপাতালে দেওয়া, হাসপাতাল সংক্রান্ত ‘গণ দাবি’ র পোস্টার MSVP’র নির্দেশে ও হেড ক্লার্কের তৎপরতায় ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ হাসপাতালে অন্য রাজনৈতিক দলের পোস্টার বহাল তবিয়তে আছে। সাধারণ মানুষদে’র দাবির পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া আসলে তাদের দাবিকেই নৎসাত করা। এহেন গণ দাবির পোস্টার ছিঁড়ে সাধারণ মানুষদের ন্যায্য দাবিকে নস্যাৎকারী MSVP ও হেড ক্লার্কে’র অপসারণ চাইছি।
১৩) রেসিডেন্টশিয়াল পদে থাকার সত্ত্বেও MSVP প্রায়শই হাসপাতালে আসেন না বা যখন খুশি আসেন চলে যান।
এহেন MSVP হাসপাতালে থেকে কি করবেন!?
১৪) যে MSVP উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কন্ডেমড বিল্ডিং এ রেস্ট রুমের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে নিজের থাকার (রাত্রিবাস সহ) জন্য এলাহি রুমের ব্যবস্থা করেন, আর অসুস্থ রোগীরা বিনা চিকিৎসা’য় বাথরুমের সামনে পড়ে থাকে। আমাদের প্রশ্ন এই এলাহি রুমের টাকা আসে কোথা থেকে? একটা টিকিট কাউন্টার বাড়াতে পারে না, থাকার জন্য টাকা আসে কোথা থেকে? আমরা এহেন অপরাধী MSVP’ র অপসারণ এখনই চাইছি।
১৫) আমরা জেনেছি আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত ও ঘুষখোর হেড ক্লার্ক কতো চিকিৎসকদের বিভিন্ন বিল মোটা টাকার ঘুষ ছাড়া পাশ করেন না, ঘুষ না দিলে ঘোরান.. এসব জেনেও MSVP নিশ্চুপ থেকে সমর্থন জোগান। কারণ ভাগ তো খামে করে চলেই আসে ছায়া সঙ্গী হেড ক্লার্কের কাছে থেকে। এহেন আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত ও ঘুষখোর MSVP ও হেড ক্লার্কের অপসারণ চাইতেই হবে।
তবে আরো একজন দুর্নীতিবাজ আছে, তিনি হলে Account Officer, যিনি নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নীল বাতি গাড়ি করে ঘোরেন। নীল বাতি গাড়ি ব্যবহার MSVPও করেন। আমরা অবশ্যই রাজ্য পরিবহন দপ্তরের কাছে জানতে চাই এই বিষয়ে।
এছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যেটা ভাসমান শিলা, অপরাধের শিকড় যে কতোটা গভীরে আছে একদিন তা সামনে আসবেই। সামনে আসবেই এই MSVP-র পিছনে কোনো রাজনৈতিক মদত আছে কিনা । আমরা জেনেছি এর পিছনে আছে এক প্রভাবশালী বিধায়ক। মূল বিষয়গুলোই এখানে রাখা হলো।











