Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বটতলার কথা

banyantree
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 25, 2025
  • 6:55 am
  • 4 Comments

“গোলাপ ব‌উয়ের ওপর ভার পড়েছে বটতলার মাটি বাঁধানো চাতালটাকে ভালো করে ঝাঁট দিয়ে দেবার। জটা ছড়ানো বিশাল বট গাছ। কে লাগিয়ে ছিল, কবে লাগিয়ে ছিল – এসব কথা জানা নেই গোলাপের। অন্যরাও জানেনা। গরমের সময় টিনের চাল যখন গরম চাটুর মতো তেতে ওঠে তখন গেরামের মানুষজন সব এসে ঠাঁই নেয় বট তলায়,  ছায়া বিছানো চাতালের ওপর। চাতালের একদিকে বসে থাকে হরিমতী, গেরামের মধ্যে সবথেকে বয়স্ক মানুষ। ভোট বাবুরা গেরামে এসে সবার আগে হরিমতীর খোঁজ করে। বটতলার চাতালে বসে নানান ধরনের নিয়মকানুনের কথা বলে গেরামের মানুষের সঙ্গে। পোলিও দিদিরা গেরামে বাচ্চাদের পোলিও প্রতিষেধক দিতে এলেও ঐ বটতলাতেই আসর পেতে বসে।গেরামে হরেকরকম পসরা নিয়ে প্রায় নিয়মিত আসা ফেরিওয়ালাদের‌ও পছন্দের জায়গাও ঐ বটতলার চাতাল। পুজো – পাব্বনের আগে গেরামের মুরুব্বি মাতব্বররাও এই বটতলার চাতালে বসে নানান ধরনের আলোচনা, পরিকল্পনা করে। এককথায় বলতে গেলে ভারতের গ্রাম জীবনের ঘটমান প্রতিটি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে এই বটতলার গভীর ভূমিকা।”

ওপরের অনুচ্ছেদে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে আমরা সবাই হয়তো কমবেশি পরিচিত। আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে আজ‌কের গ্রাম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই।পাকা বাড়ি,ঢালাই রাস্তা, বিজলি বাতির আলো,নলবাহিত পানীয় জলের সুবিধার প্রসার – একসময়ের চেনা গ্রাম ছবিটাকে অনেকটাই বদলে ফেলেছে। ট্র্যাজেডি এখানেই – সাবেকি পোশাক বদলে গ্রামগুলো যত স্যুটেড বুটেড হয়ে ওঠার দৌঁড়ে সামিল হয়েছে, ততই বটতলা,অশথতলা ,পাকুড়তলার চেনা ছন্দোময় জীবন হারিয়ে গেছে। টিমটিম করে এখনও হয়তো টিকে আছে বেশ কিছু গাছতলা, অতীতের এক প্রাণময় সরব অস্তিত্বের স্মারক হিসেবে ; যেখানে বসে নানান ধরনের কথাবার্তায় উঠে আসতো পুরুষানুক্রমে আগলে রাখা বিপুল অভিজ্ঞতার মূল্যবান সম্পদ।খুব সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন নজরে এলো। মহারাষ্ট্র সরকারের কৃষি বনায়ন বিভাগের তিন আধিকারিক পশ্চিমঘাট পর্বতের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত আশাভেল গ্রামে গিয়েছিলেন সরকারের “বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান” প্রকল্পের তদারকির জন্য । সেখানে গিয়ে তাঁরা আবিস্কার করেন ডালপালা ছড়িয়ে থাকা এক সুবিশাল বটগাছের নিচে পরিপাটি করে বাঁধানো এক সুবিশাল ছায়াঘন চাতাল যা তাঁদের যুগপৎ বিস্মিত ও পুলকিত করে। স্থানীয় কালো ব্যাসল্ট পাথরকে কাজে লাগিয়ে নির্মিত হয়েছে চাতাল বেদীখানি। প্রায় বিরল হতে যাওয়া এমন দৃশ্য তাঁদের মনে করিয়ে দেয় ভারতের বিলীয়মান বাস্তু জীবন ও সামাজিক জীবনের এক চমকপ্রদ স্মারককে।

নানা নামেই পরিচিত এই চাতাল বেদীর অংশটি। আমাদের চাতাল তাই মহারাষ্ট্রের পার বা চবুতরা, কর্ণাটক রাজ্যে এর পরিচিতি আরালিকাট্টে নামে, আর উত্তর ভারতের বিস্তির্ণ অংশের মানুষদের কাছে গাছ দিয়ে ঘেরা এমন মনখোলা আলোচনার জায়গাটি চৌপল সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে যেখানে বসে গ্রামের প্রবৃদ্ধ বুজরুগরা একসাথে বসে নানান বিষয় নিয়ে নিজেদের মধ্যে মত বিনিময় করে। এই ধারা জারি রয়েছে এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের উত্তরাধিকারে। মূখ্যত যেসব গাছ ছাতার মতো ছড়িয়ে থেকে অনেকটা বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছায়া দেয় সেই সব গাছকে ঘিরেই পাতা হয় আলোচনার আসর। দীর্ঘজীবী ও ছায়া প্রদানের ক্ষমতাই যেহেতু প্রধান বিবেচ্য সেহেতু বট,অশথ, পাকুড়, আম,যজ্ঞ ডুমুর কিংবা তেঁতুল গাছের নিচেই পাতা হয় আলোচনার আসর।

ভারতের গ্রাম সমাজের অন্তর্লীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যাপনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে থাকা এই গাছ বেদী বা পারকে নিয়ে নতুন করে ভাবনার সূচনা হয়েছে। একান্তই স্থানীয় উপকরণ দিয়ে তৈরি এই পারগুলো গাছের বেড়ে ওঠাতে কোনোভাবেই বাধা সৃষ্টি করে না। মহারাষ্ট্রের গ্রামজীবনে এই বৃক্ষ বেদীর গুরুত্ব অনেক। প্রশস্ত এই বেদীর ওপর গ্রামের সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটবারে ক্রেতা বিক্রেতাদের মুখরিত উপস্থিতিতে কেনা বেচার ধুম পড়ে যায়;

এছাড়াও ছোটখাটো বিচার সভা, গ্রামীণ দুগ্ধ সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে শুরু করে চলমান সেলুন এবং কামারশালা হিসেবেও কাজে লাগানো হয় এই জায়গাটাকে। গ্রামের বয়োবৃদ্ধ মানুষেরা এখানে সমবেত হয়ে নিজেদের মধ্যে গল্প গুজব করা ছাড়াও সামাজিক নানান বিষয় নিয়ে খোলামেলা মত বিনিময় করেন। এইসব আলোচনা থেকেই পাওয়া যায় নানান সমস্যার সহজ সমাধান। এভাবেই সকলের অজান্তেই ঘটে যায় এক নীরব বিপ্লব । লোকশিক্ষার এমন সুলভ আয়োজন আর কোথায় পাওয়া যাবে?

দুর্ভোগের বিষয় হলো এই যে, আগ্রাসী নগরজীবনের দাপটে আমরা এই চিরায়ত জীবনের সুষমা থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছি। স্বাচ্ছন্দ্যের প্রশ্নটিকে সামনে রেখে আমাদের গ্রাম জীবনের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে নিরেট কংক্রিটের আবরণী, পায়ে চলার ধুলি মাখা পথ এখন হয়ো বাঁধানো রাস্তা, আমাদের পরিচিত বট,অশথ, তেঁতুল,পাকুড়েরা হারিয়ে গেছে নানান বিদেশি গাছেদের ভিড়ে। উন্নয়ন এসে কোন মায়া তুলিকা বুলিয়ে মুছে দিয়ে গেছে আমাদের বহুদিনের পরিচিত গ্রাম বিন্যাস।

এই কংক্রিটাইজেশনের ঢেউ এসে পৌঁছেছে গাছের গুঁড়ির গোড়ায়। মাটির বেদীর জায়গা নিচ্ছে কংক্রিটের বাঁধানো পার বা চবুতরা। আমাদের শহরেও আকছার দেখা যায় রাস্তার ধারের গাছেদের গোড়া ইঁট দিয়ে বাঁধিয়ে দিতে। এমনটা গাছেদের স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। গাছেরা রোগের শিকার হয় এবং ধীরে ধীরে মারা যায়। সাবেক গাছেদের মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লুপ্ত হয়ে যায় এক আশ্চর্য ভারতীয় লোকজীবন। এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে শত শত বছর ধরে গ্রামজীবনকে নিবিড় সম্পর্কে বেঁধে রাখা মহীরুহরা।২০২৪ সালে Nature Sustainability শীর্ষক পত্রিকায় গবেষক Martin Brandy এবং তাঁর সহযোগীদের একটি গবেষণাপত্র থেকে জানা গেছে যে ২০১৮ – ২০২২ এর মধ্যবর্তী সময়ে মহারাষ্ট্র এবং তেলেঙ্গানায় প্রায় ৫ মিলিয়ন বা ৫০০০০০০০ প্রাচীন গাছ কাটা পড়েছে তথাকথিত গ্রামোন্নয়নের যূপকাষ্ঠে। স্থানীয় জীববৈচিত্রের সংরক্ষণ ও প্রবর্ধনের ক্ষেত্রে এইসব মহাদ্রুমের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এইসব গাছেদের অনেকেই বিগত অর্ধ শতকের বেশি সময় ধরে এই বিপুল পরিষেবায় পরিপুষ্ট করে চলেছে গ্রামীণ জীবনকে। এইসব গাছেদের ওপর ভর করেই গড়ে উঠেছিল এক আশ্চর্য প্রাণের মেলা। তাদের হারিয়ে যাওয়া মানেই হলো এক আশ্চর্য বাস্তু জীবন, সামাজিক ক্রিয়াকলাপ, গভীর আবেগ আর সাংস্কৃতিক যাপন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। এসব নিয়ে ভাববার সময় কোথায় আমাদের?

উন্নয়নের নামে আমরা আসলে আমাদের অতীতকেই কংক্রিটের মোড়কে লোপাট করে দিচ্ছি। গ্রাম পরিবেশে ইঁট কাঠ সিমেন্টের দাপট বেড়ে যাবার ফলে আমাদের গ্রামগুলোও ক্রমশই তাপদ্বীপে পরিণত হচ্ছে, ভূমি মাতৃকা হারিয়ে ফেলছে বৃষ্টির জলকে আপন গর্ভে ধরে রাখার সহজাত ক্ষমতা, তাপদাহের প্রকোপ থেকে প্রাণিকুলকে রক্ষা করার আশ্চর্য আতপত্র।

আমাদের গ্রাম জীবন থেকে চাতাল,চবুতর, পার’দের হারিয়ে যাওয়া মানে নিছক একটি বিশেষ ধরনের কাঠামোর হারিয়ে যাওয়া নয় , এক‌ই সঙ্গে চিরকালের মতো হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের কয়েক প্রজন্মের জ্ঞান ও প্রজ্ঞা,  সর্বজনীন সামাজিক যোগাযোগের এক কাঙ্ক্ষিত পরিসর আর তাপদাহের হাত থেকে রক্ষা পাবার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং দেশজ পরিকাঠামো যা গড়ে উঠেছে আমাদের টেকস‌ই যাপনের সূত্রে। এই সমস্ত চবুতরগুলোকে সংরক্ষণ করে টিকিয়ে রাখার অর্থ‌ই হলো গাছ কেন্দ্রিক এক আশ্চর্য পরম্পরা কে টিকিয়ে রাখা যা ভারতের প্রবহমান জীবনধারার প্রাণময় প্রতীক। মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকা গাছেদের সংরক্ষণ করার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।এমন গাছগুলোকে চিহ্নিত করে হেরিটেজ বৃক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ব্যবস্থা করা হয়েছে স্পেশাল GI ট্যাগের । সাথে সাথে রাজ্যের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

যাতে যে সমস্ত গাছ ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক, পৌরাণিক এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সেইসব গাছকে রক্ষা করার। এরফলে গাছকে কেন্দ্র করে যে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ যাপনশৈলী গড়ে উঠেছে তা বহমান থাকবে আর‌ও কিছুকাল। এই নিয়ম লাগু করা হোক ভারতের সমস্ত রাজ্যে, তাহলে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন সুনিশ্চিতভাবে এক নতুন মাত্রা পাবে।প্রশ্ন হলো এরপর কী করণীয়? আলোচনা থেকে এই বিষয়টি হয়তো উপলব্ধি করতে পারছি যে গাছের মতো গাছের নিচের বাঁধানো পার,চবুতর বা বেদীগুলোর ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বৃক্ষ ও বৃক্ষতলের বেদী মূল জনপদবাসীদের বহিঃ প্রকৃতির পাশাপাশি অন্তপ্রকৃতির সংবর্ধনেও সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  আধুনিকতার দোহাই দিয়ে এমন যুগ্ম পরিষেবা থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করা হলে আখেরে কিন্তু ক্ষতি আমাদেরই।

আজ যখন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ত আমাদের ভ্রুকুটি দেখাচ্ছে, বাড়ছে তাপদাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব, ভেঙে পড়ছে পৃথিবীর সুষম বাস্তুতান্ত্রিক শৃঙ্খলা তখন ভারতবর্ষের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের পুনঃস্থাপন ও পুনঃ অনুসরণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। একটি গাছ নিছক একটি প্রাণ নয়।একটি গাছ লক্ষ প্রাণের ধারক ও পরিসেবক। আজকের দুনিয়ায় যখন চতুর্দিকে কেবলই ভাঙনের মাতন তখনই একটা গাছ , গাছের তলার চবুতর কেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড এক সংহত যাপনের প্রতীক হয়ে ওঠে। এই সময়ের দুনিয়ায় ছায়া  (স্বস্তি) মেলেনা কোথাও। এই চরম বিশৃঙ্খল সময়ে একটি গাছ হয়ে উঠুক আমাদের অন্তরের ভালোবাসার আশ্রয়।

 জুলাই ২৪.২০২৫

PrevPreviousটাটকা গল্প
Nextহায়ে হায়ে, প্রাণ যায়েNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
10 months ago

বটতলা,হরি মন্দির সব কালের গর্ভে।দু এক জায়গায় ভগ্ন দেউলের মত আছে কিন্তু বসার লোক নেই।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
10 months ago

যা সেকালের তা একালে অচল — এমন ভাবনা যে সবসময় ঠিক নয় মহারাষ্ট্রের পার তা যেন আবার নতুন করে আমাদের মনে করিয়ে দিল। একটা গাছ একটা যাপন। আমরা জীবনের সেই সৌন্দর্য থেকে নিজেদের বঞ্চিত করেছি। এখন আক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই করার নেই।

0
Reply
Avik Paul
Avik Paul
10 months ago

খুব ভালো লাগলো পড়ে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Avik Paul
10 months ago

ভালো লাগাটাকে ব্যাখ্যা করা যায়?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

June 14, 2026 No Comments

রাতে ফেরার সময় দেখলাম ঢাকুরিয়া এবং বাঘাযতীন স্টেশনের ছোট দোকানদারদের (‘হকার’ শব্দটা ব্যবহার করলাম না) মধ্যে চাপা উত্তেজনা এবং বেশ খানিকটা ভয়। এঁদের কয়েকজনের সঙ্গে

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

June 14, 2026 No Comments

৯ জুন, ২০২৬ রাণুছায়া মঞ্চে অনুষ্ঠিত কর্মসূচী।

স্কিজোফ্রেনিয়া

June 14, 2026 No Comments

আমি তখন বেশ ছোট। সদ্য সদ্য দেখা বোঝা শুরু হয়েছে এ পৃথিবীকে। আমার সেই সুদূর গ্রামের বাড়িতে থাকি।উত্তর চব্বিশপরগনার গোপালপুর। একদিন বোধহয় আট নয় বছর

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

June 13, 2026 No Comments

অভয়া আন্দোলনে আমাদের দিক থেকে যে দশদফা দাবিকে সূচিমুখ করে আমরা লড়াই চালিয়েছিলাম এবং যে দাবিগুলির সাথে আপামর বাংলার জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

June 13, 2026 No Comments

২০২৬-এর ফুটবল বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়ছে। একে একে সমস্ত দেশের খেলোয়ারেরা এবং তাদের কর্মকর্তারা হাজির হচ্ছেন প্রধানত আমেরিকায় কিংবা মেক্সিকো বা কানাডায় – যে দেশে

সাম্প্রতিক পোস্ট

পশ্চিমবঙ্গের এই ছোট দোকানিরা ভারতেরও নাগরিক

Dr. Koushik Dutta June 14, 2026

ন্যায়বিচারের সন্ধানে অভয়া মঞ্চের অবিচল পথচলা ।। ৯ জুন ২০২৬ ।। ২২ মাস

Abhaya Mancha June 14, 2026

স্কিজোফ্রেনিয়া

Dr. Sumit Das June 14, 2026

স্বাস্থ্যভবন থেকে সরাসরি আমাদের বক্তব্য

West Bengal Junior Doctors Front June 13, 2026

ক্ষমতার অসীম বিশ্বে ফুটবল এবং ব্যাডমিন্টন

Dr. Jayanta Bhattacharya June 13, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

631019
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]