১-০৮-২০২৬
গত ৩০ শে জুলাই সংগ্রামী গণমঞ্চের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সাথে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে অপেক্ষারত ২৭ লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং ট্রাইব্যুনালগুলোর কাজের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আলোচনার জন্য স্ট্র্যান্ড রোডের অফিসে পৌছয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর খানিকটা জোর করেই এই প্রতিনিধিদল অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রী দিব্যেন্দু দাসের সাথে আলোচনা শুরু করেন।
সংগ্রামী গণমঞ্চের সুনির্দিষ্ট দাবি ছিল ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা অনেক বাড়াতে হবে, প্রতিটি জেলায় ট্রাইব্যুনাল বসাতে হবে, আবেদনকারীকে মুখোমুখি বা প্রয়োজনে অনলাইন হিয়ারিং-এর সুযোগ করে দিতে হবে যাতে করে যেকোন স্তরের পরবর্তী নির্বাচনের আগেই মানুষকে তার অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া যায়। এর সাথে সাথেই এও দাবি রাখা হয় যে প্রতিদিন কতগুলো আবেদনের নিষ্পত্তি হচ্ছে সেই সংখ্যা যেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন তুলে ধরা হয় যাতে মানুষ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে পারেন। এছাড়া আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নাগরিক অধিকার বা সরকারী প্রকল্পের সুবিধা কাড়া যাবে না, এমন ঝুলে থাকা মানুষের আবেদন দেখিয়ে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্তি আটকানো যাবে না, এবং SIR পর্বে যে সমস্ত মানুষ শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এমনকি বেশ কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে তাদের আবেদন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেখতে হবে বা পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এই দাবিগুলিও রাখা হয়।
দিব্যেন্দুবাবু জানান যে এই মুহূর্তে তাদের হাতে কিছু নেই, সবটাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বে যেখানে ওদের প্রবেশাধিকার নেই। তবে পুরো পরিস্থিতির জটিলতা ওরাও বোঝেন এবং সেই কারণে আমাদের দাবিসনদের জন্য উনি আমাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং এই দাবিসনদ উনি উচ্চতর কমিটি ও আধিকারিকদের কাছে আলোচনার জন্য রাখবেন এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই ডেপুটেশন ২৭ লক্ষ ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারী নাগরিকের নাম পুনরায় ভোটার লিস্টে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে সহায়ক হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।










