Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

প্রথম পাঠ

FB_IMG_1613320917129
Dr. Sarmistha Das

Dr. Sarmistha Das

Dermatologist
My Other Posts
  • February 16, 2021
  • 7:38 am
  • No Comments

পাতা ওলটাতে ওলটাতে,অনেক আগে, এক্কেবারে শুরুতে পিছিয়ে যাই।

ডাক্তারি শিক্ষার প্রথমে সবচেয়ে উত্তেজনা থাকে ডিসেকশন নিয়ে। অন্য বিষয় নিয়ে পড়তে যাওয়া বন্ধুরা, আত্মীয় স্বজন সবার একটাই কৌতূহল তখন, দেখা হলেই শুধোয়– মড়া কাটলি? ভয় করে নি?

আমাদের কালে ডিসেকশন হলে এসি-র বালাই ছিল না। দোতলা সমান উঁচু হলে– শুধু ঘুরতে হয় বলেই একটা একজ্হস্ট ফ্যান ঘুরত। সেই পাখা বা ফরমালিনের সবসময় ওই উৎকট গন্ধ চাপা দেবার মোটেই দায় ছিল না।

তখনো তো কেউ আমাদের ডাক্তার মধুসূদন গুপ্তর নাম কাহিনী বলেনি– তাহলে না হয় বাঙালী বলে একটু কলার তুলেই ঢুকতাম। ইনি সেই মানুষ, যিনি সুশ্রুত-র প্রায় তিনহাজার বছর পরে ১৮৩৬ সালে ভারতে প্রথম শব ব্যবচ্ছেদ করেছিলেন। কল্পনা হার মানে এমন সব সামাজিক বাধা পেরিয়ে। সাহিত্য সংসদের বই– ডাক্তার শঙ্কর নাথ দাদার লেখা ওনার জীবনী পড়ে নেবেন সব্বাই।

পেত্থম দিকে আমাদের দু একজন বন্ধু যে মাথা ঘুরে ভিরমি খেত না তা নয়। এক বন্ধু কাকলী তো দেড়মাস ক্লাস করেই ইংরেজি অনার্স পড়তে চলে গেল। পরে আমাদের ওই গন্ধই হয়ে গেল যেন মেছুনির মাছের ঝুড়ি! ওই ঘরে আর এক রকম ভিরমি খাওয়া হত ৱ্যাগিং এর সময়। কার ঊর্বর মাথা থেকে বেরিয়েছিল কে জানে, প্রথম যে কোথায় শুরু সেটাও অজানা–সব মেডিক্যাল কলেজেই আমাদের সময়ে এটা চালু ছিল। ফ্রেশার্সদের মধ্যে সবচেয়ে ঠ্যাঁটা বা সবচেয়ে স্মার্ট ছেলেকে ৱ্যাগিং-এর এই আইটেমের জন্য নির্বাচিত করা হত। প্রসেকটর বা কারো কাছ থেকে চাবি যোগাড় করা হত। শোনো বাছা –ভালো রেজাল্ট করতে গেলে অনেক রাত পর্যন্ত একা একা ডিসেকশন হলে থাকতে হয় কিন্তু –যাও দেখি এই রসগোল্লার হাঁড়িটা নিয়ে ওখানে। সারি দিয়ে পর পর সব টেবিলে, একটা করে ক্যাডাভার শুয়ে আছে– সবার মুখে একটা করে রসগোল্লা গুঁজে দিয়ে এসো। ভীতু বদনাম হলে কেলেঙ্কারি। চলল ছেলে রণে চলল। সময় মাঝ রাত্তির। দুটো কি তিনটে। চারাদিক নিঝঝুম। ঘুটঘুটে অন্ধকার। দাদাদের হুকুম কোনো আলো জ্বালা যাবেনা, শুধু হাতে একটা টর্চ। কয়েকজনকে রসগোল্লা খাওয়ানো নির্বিঘ্নে সেরে ছেলে যেই পরের টেবিলের দিকে পা বাড়িয়েছে- হঠাৎ পেছনের টেবিল থেকে কে যেন বলে উঠল–“বহত বড়িয়া আর একটা দাও বাবু — ” —অ্যাঁ কে বলল!! ওরে বাবারে–মা রে– হাঁড়ি ছুঁড়ে দে দৌড়!

এতক্ষণ টেবিলে মটকা মেরে পড়ে থাকা, সিনিয়র দাদাও ছুটল তার পেছনে পেছনে।

সেই সব ক্যাডাভার। আমাদের বরাদ্দ হল দশ নম্বর টেবিল। আটজন করে গ্রুপ। একদল লোয়ার লিমব–পা। একদল– হাত। ষোলো জন সতেরো আঠেরো বছরের ছেলেমেয়ে একসঙ্গে হলে যা হয়– পড়ার সঙ্গে ফাজলামিও চলে সমান তালে। এই একটা ক্লাস রুটিনে রোজ থাকে। নাকে মুখে ভাত গুঁজে আড়াইটের সময় হস্টেল থেকে সাদা বকগুলো বেরোত। অ্যাপ্রনের পকেটে ডিসেকশন বক্স আর কানিংহামের বই। শরীরের ছোট্ট ছোট্ট এক একটা অংশ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানতে হবে–ধীরে ধীরে কেটে ছিঁড়ে। পায়ের তলায় প্রথম একটা লম্বা ইনসিশন– ছুরির ডগা দিয়ে উপরের চামড়া নিঁখুত ভাবে কাটা। আমাদের প্রথম দিনের পাঠ ছিল ওটুকুই। মনে পড়ে–সেই হাঁ করা ফাটা ফাটা মোটা চামড়া। কোনোদিন পায়ে হয়তো জুতো ওঠেনি– ছুরির ফলা বেঁধানোই যাচ্ছে না।

আমাদের দলের সবচেয়ে ফাজিল ছেলে সুতনু বলল–‘আগে জানলে, বেঁচে ছিল যখন একটা জুতো মোজা কিনে দিয়ে আসতাম রে –‘
তক্ষুনি মনটা কেমন ছ্যাঁৎ করে উঠল। ইনিও একসময়ে শ্বাস নিতেন, চলে ফিরে বেড়াতেন, খিদে পেত, কান্না পেত। পর মুহূর্তেই ডাক্তারি পড়ুয়াদের এ আবেগ ভ্যানিশ হতে বাধ্য– কোথা দিয়ে কোন শিরা উপশিরা কোন ধমনী, কোন পেশি কোন হাড় থেকে জন্মাল আর শেষ হল– কি তাদের গতিপথ –অযুত নিযুত জটিল ধাঁধা মুখস্থ করা আর মিলিয়ে নেওয়া। ধীরে ধীরে ক্যাডাভারকে অবজেক্ট মনে হতে থাকে–শিক্ষার বস্তু।

একদিন আমাদের কোনো বন্ধু না বুঝে, দুষ্টুমি করে এক টেবিলের ক্যাডাভারের মুখে একটা সিগারেট গুঁজে রেখেছিল। সেদিন স্যর ডাঃ হুই ক্লাসে ঢুকেই রাগে ফেটে পড়লেন। হু হ্যাজ ডান ইট? হু ডিসঅনার্ড দ্য ক্যাডাভার? থমথমে মুখে ওটুকুই যথেষ্ট।

ডাক্তারি জীবনে সমস্ত রোগ নির্ণয় ওই ব্যবচ্ছেদের পথ ধরেই।

ক্যাডাভার আমাদের ডাক্তারিপাঠের প্রথম শিক্ষক!

PrevPreviousজাতের বজ্জাতি
Nextডেমনস্ট্রেটর/ক্লিনিকাল টিউটরদের নিয়োগে বৈষম্য বন্ধ হোকNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

July 13, 2026 No Comments

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

July 13, 2026 No Comments

ইতিমধ্যেই আমরা লক্ষ্য করেছি, বিজেপির রাজ্যত্বে কলেজ ক্যাম্পাসে তৃণমূল আমলের মতোই সেই থ্রেট কালচার ফিরে এসেছে। ক্ষমতায় আসার মাত্র দু’মাসের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আবারও

“যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল”

July 13, 2026 No Comments

মামুলি ভাঙাচোরা একটা বাড়ির গল্প। গ্রামের মধ্যে একটা ভাড়া বাড়িতে চলা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আগে ঐটা একটা প্রাথমিক স্কুল বাড়ি ছিল। এখন সরকারের দয়ায় স্কুল একটা

আর কতদিন? আরজি কর ২৩ মাস, এখন বারুইপুর | রাজপথের লড়াইতে অভয়া মঞ্চ | ৯ জুলাই ২০২৬

July 12, 2026 No Comments

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে …… (৪)

July 12, 2026 4 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রতিবাদীদের জাত রঙ ধর্ম হয় না। প্রতিবাদী মায়ের কণ্ঠে কেঁপে উঠল রাজপথ। আরজি কর থেকে বারুইপুর

Abhaya Mancha July 13, 2026

ABVP-NMO-র থ্রেট কালচার নিপাত যাক!

Doctors' Dialogue July 13, 2026

“যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল”

Dr. Samudra Sengupta July 13, 2026

আর কতদিন? আরজি কর ২৩ মাস, এখন বারুইপুর | রাজপথের লড়াইতে অভয়া মঞ্চ | ৯ জুলাই ২০২৬

Abhaya Mancha July 12, 2026

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে …… (৪)

Somnath Mukhopadhyay July 12, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

649457
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]