Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে …… (৪)

WhatsApp Image 2026-07-02 at 6.29.45 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 12, 2026
  • 8:08 am
  • 5 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের উদ্দেশ্যে চিঠি। সেই বিজ্ঞাপন জুড়ে লেখা হতো আবেগঘন কিছু কথা যেমন –বাবা ভোম্বল, তুমি কোথায় আছো জানাও। তোমার চিন্তায় মা শয্যাশায়ী। টাকার প্রয়োজন হলে জানিও। শীঘ্রই বাড়ি ফিরে এসো – বাবা।

এমনতরো বিজ্ঞাপন আজ‌ও নিশ্চয়ই ছাপা হয় তবে এই বুড়ো বয়সে এসে কিশোর বেলার উৎসাহে ভাটা পড়েছে,তাই কাগজের আনাচেকানাচে চোখ বুলিয়ে তেমন কিছু আজ আর খোঁজা হয়না। তা বলে কি মানুষের নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে? উঁহু, তেমনটা মোটেই নয়। আমাদের চারপাশের কতকিছুই তো প্রতিদিন নজর এড়িয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। সেসব আবার কোনো এক কালে ফিরে আসবে তেমনটাও বুঝি নয়। যদি ফিরে আসে বা তার দেখা মেলে হঠাৎ করেই তা হলে কিন্তু রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যাবে।প্রাণিজগতে কিন্তু এই হারিয়ে যাওয়া আর আবার ফিরে আসার লীলাখেলা চলতেই থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। অতিকায় ডায়নোসরদের কথাই ধরা যাক। জুরাসিক যুগের সেই দানবাকৃতির সরীসৃপের দল পৃথিবী জুড়ে হাঁপিয়ে দাপিয়ে একসময় রঙ্গমঞ্চ ছেড়ে রীতিমতো বেপাত্তা হয়ে গেল। অতীতে এভাবেই পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশের বিপুল সংখ্যক জীববৈচিত্র্য হারিয়ে গেল চিরকালের মতো। অবশ্য বিলুপ্ত হ‌ওয়া এবং হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে নিরুদ্দিষ্টের প্রতি অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো, তাদের অনেকেই হয়তো আবার চুপচাপ স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন করতো। ফিরে আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই তাদের নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যেতো।

জীবজগতের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটে। হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া প্রাণিদের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খুঁজে পাওয়া গেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানকারী গবেষকরা। এমন‌ই কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রাণি এবং তাদের খুঁজে পাওয়ার কথা নিয়েই এই পর্বের আলোচনা। মোট ছয়টি পর্বের এই আলোচনার আজ চতুর্থ পর্ব । আমাদের আজকের অতিথি এক হারিয়ে যাওয়া উভচর প্রাণি , ব্যাং – নাম – Striped Frog বা ডোরাকাটা ব্যাং। ২৭৩)

Striped Frog (ডোরাকাটা ব্যাং)

খাস শহরবাসী মানুষদের ভাগ্যে এই সৌভাগ্য হয় কিনা জানিনা, তবে আকাশে মেঘের আনাগোনা শুরু হতেই আমার বাগানে তেনাদের সুরেলা কনসার্ট বসছে প্রায় প্রতিদিনই। সে এক অনির্বচনীয় আনন্দের অনুভূতি। আসলে বাগানের দিক থেকে বিচিত্র সুরে মকমক ধ্বনি শুনে বুঝতে পারি ‘জলাগম সময় অদ্য’ – বর্ষা জাগ্রত দ্বারে। আকাশ থেকে জল ঝরানোর সময় শেষ হলেই কোথায় যে উধাও হয়ে যায় মন্ডুককুল কে জানে? এমনটাই বুঝি ঘটেছিল আমাদের আজকের অতিথি ডোরাকাটা ব্যাং বা স্ট্রাইপড ফ্রগদের সঙ্গে ! সে কথায় যাবার আগে বরং এই ধরাধামে উভচরদের আগমনের সময়কাল নিয়ে কয়েকটি কথা বলে নেওয়া যেতে পারে।   বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর বুকে উভচরদের আগমনের সময়কাল আজ থেকে প্রায় ৩৬০ থেকে ৩৭ কোটি বছর আগে ডেভোনিয়ান যুগে। জলের প্রাণিদের ডাঙায় অভিযানের সেই হলো সূচনা। বিজ্ঞানীরা মনে করেন জলচর মাছেদের মধ্য থেকেই উভচরদের আবির্ভাব। লোব ফিন যুক্ত মাছেরাই এযুগের উভচরদের পূর্ব পুরুষ।

একদম গোড়ার দিকের টিকটালিক ( Tiktaalik) ইকথিওস্টেগা  ( Ichthyostega ) নিজেদের শরীরী গঠনের আরও রূপান্তর ঘটিয়ে ধীরে ধীরে স্থলে ও জলে ,উভয় পরিবেশে মানিয়ে নিয়ে, বেঁচে থাকার উপযোগী হয়ে উঠলো। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে কার্বোনিফেরাস যুগে তথাকথিত উভচর শ্রেণির প্রাণিদের রমরমা শুরু হয় বলে ওই সময়টাকে অনেকেই উভচরদের যুগ বলে চিহ্নিত করেছেন।

উভচর হলেও ব্যাং এসেছে আরও কিছুটা সময় পার করে। এই বিলম্বিত বিকাশের কারণে তাদের শরীরের গঠনের বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটেছে। বর্তমানে ব্যাং anura বর্গের উভচর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যার অর্থ লম্বা পেছনের পা বিশিষ্ট উভচর। উভচরদের মধ্যে ব্যাং সম্ভবত একমাত্র প্রাণি যারা গলা খুলে গাইতে পারে মনের আনন্দে।  মন্ডুক পরিচিতির প্রাথমিক পর্ব এখানেই শেষ করে আমরা এবার চলে যাব, হারানিধি স্ট্রাইপড ফ্রগদের খোঁজে।

আমাদের আজকের গন্তব্য আন্দিজ পর্বতের কোল ঘেঁষে উত্তর দক্ষিণের বিপুল আক্ষাংশিক বিস্তৃতি নিয়ে থাকা দেশ – চিলি। এই দেশেই একদা বাস করতো এই ডোরাকাটা ব্যাং বাবাজিরা। সেও আজ থেকে প্রায় ১৩০ বছর আগের কথা। এক ফরাসি বিজ্ঞানীর ১৮৯৩ সালের অভিযানের মানচিত্রের সূত্র ধরেই মন্ডুকনাথের খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয় নতুন করে। চিলির বুক থেকে বিরলতম এক প্রজাতির ব্যাঙদের খুঁজে বের করার কাহিনি বোধহয় একমাত্র রূপকথার গল্পের সঙ্গেই তুলনীয়।

Philibert Germain আদতে ছিলেন একজন পতঙ্গবিদ। তাঁর প্রাথমিক আগ্রহ ছিল Bug বা উকুন জাতীয় পতঙ্গদের নিয়ে অনুসন্ধান ও গবেষণা। ১৮৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি দক্ষিণ চিলির এক সুবিশাল খামার বাড়িতে গেলেন বেড়াতে। তবে কথায় বলেনা- ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে! আমাদের জার্মেইন সাহেবের‌ও তেমন দশা। বাড়ির পাশদিয়ে বয়ে গিয়েছে নদী, তার দুপাশে দাঁড়িয়ে আছে রকমারি গাছগাছালি, ভেসে আসছে নাম না জানা পাখিদের প্রভাতী কুজন। এইসব দেখে আর শুনে কি আর ঘরে বসে থাকা যায় ? বরিষ্ঠ বিজ্ঞানী মহোদয় বেরিয়ে পড়লেন ঘর ছেড়ে। উদ্দেশ্য সব কিছু নয়ন মেলে উপভোগ করা, আর চলতে ফিরতে তেমন কিছু পেলে তা ঝোলায় ভরে নেওয়া। এভাবেই যে গড়ে উঠেছে তাঁর এক বিশাল সংগ্রহের ভাণ্ডার!জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাবার সময় ফিলবার্ট জার্মেইন সাহেবের নজরে পড়ে গুটি কয়েক ব্যাং। না ! এমন ব্যাং তো আগে দেখেননি! কী নাম এদের? এই জানার ইচ্ছে থেকেই তিনটি ব্যাং বাবাজিকে খপাখপ ধরে নিয়ে ঝোলায় ভরে নিলেন।আর তারপর তাদের পাঠিয়ে দিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী Rudolph Philippi ‘ র কাছে, শণাক্তকরণের জন্য ।কে এই রুডলফ ফিলিপ্পি ? Rudolph Philippi হলেন ঊনবিংশ শতকের চিলি দেশের এক বরেণ্য প্রকৃতিবিদ তথা বিজ্ঞানী। ১৯০৪ সালে তাঁর প্রয়াণের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত টানা ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি চিলির নানান প্রান্ত থেকে সংগৃহীত নানান ধরনের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সেগুলোর প্রামাণ্য নথি ভাণ্ডার গড়ে তোলেন। এমনকি তাঁর দীর্ঘ আয়ুষ্কালের উপান্তে এসে ফিলিপ্পি সাহেব চিলিতে দেখা যায় এমন বিপুলসংখ্যক সাপ ও উভচর প্রাণিদের ওপর এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পত্র প্রকাশ করেন। এই দুজন বরেণ্য প্রকৃতিবিদ তথা বিজ্ঞানীর কথা না বললে ডোরাকাটা ব্যাং এর পুনরুদ্ধারের কাহিনি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।ফিলিপ্পির গবেষণা পত্রে ফিলবার্ট জার্মেইন সাহেবের পাঠানো তিনটি ব্যাঙের কথাও বলা হয়েছে। দীর্ঘ পরীক্ষার পর তিনি ব্যাং তিনটিকে Alsodes vittatus বা Malleco spiny- chest frog হিসেবে চিহ্নিত করলেন। এই আবিষ্কারের পর‌ই এ্যালসোডেস ভিট্টেটাস নিয়ে উন্মাদনায় ভাটা পড়ে গেল। তারা অভিমান করে অকাল শীত ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লো।এরপর কেটে গিয়েছে অনেক অনেক বছর। চিলি দেশের বিজ্ঞানী মহলে আর কোনো আলোচনা হয়নি এই উভচরটিকে নিয়ে। তারা টিকে আছে কি নেই এসব নিয়ে আর কোনো আলোচনা হয়নি দীর্ঘ সময় ধরে।এই নীরবতার কারণে সকলেই একসময় যুগল বিজ্ঞানীর অমূল্য আবিস্কারের কথা ভুলে গেল। সবাই একরকম ধরেই নিল যে ডোরাকাটা ব্যাং এরা হারিয়েই গেছে চিরকালের মতো।

১৯৯০ এর দশকে পৌঁছে চিলি সরকারের তত্ত্বাবধানে নতুন করে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া উভচরটিকে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হলো। ২০০০ সালের গোড়ার দিকেও আরেক দফা খোঁজাখুঁজি চললো , কিন্তু তেনাদের দেখা নাই। অগত্যা চিলি সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হলো – এ্যালসোডেস ভিট্টেটাস হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে এবং তারা জানিয়ে দিল যে এই ডোরাকাটা ব্যাংটি হলো দেশের সবথেকে মূল্যবান ও বিরলতম উভচর শ্রেণির প্রাণি। ব্যস্! মন্ডুক কাহিনিতে আবারও যবনিকা পতন।জগতে চিরকালই এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা সেই অর্থে সহজে দমে যাবার পাত্র নন। সরকারি ঘোষণার তোয়াক্কা না করেই তাঁরা নিজেদের ব্যস্ত রাখেন অনলস অনুসন্ধানে। তেমনি একজন মানুষ হলেন Claudio Correa– চিলির Concepcion University র উভচর প্রাণিদের ওপর কাজ করা এক গবেষক। বয়সে তরুণ তো বটেই, উদ্যমে আরও আরও তরুণ। কিন্তু খুঁজবো বললেই তো আর খুঁজে বের করা যায় না। তার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। ক্লডিওর প্রথম কাজ হলো ১৮৯৩ সালে ঠিক যেখানে ফিলবার্ট জার্মেইন সাহেব প্রাতভ্রমণে বেরিয়ে তিনটি ব্যাং বাবাজিকে কব্জা করছিলেন ঠিক সেই অকুস্থলের একটি প্রামাণ্য মানচিত্র তৈরি করা, যাতে সেই পথে পা মিলিয়ে তাঁরা পৌঁছে যেতে পারেন পাহাড়ি নদীর ধারের জঙ্গলে। এই কাজ করতে গিয়ে দেখা গেল বর্ষীয়ান বিজ্ঞানী ফিলবার্টের অভিযান এস্টেটের উল্টো দিক থেকে শুরু হয়েছিল। চললো নিরলস পরিশ্রম করে মানচিত্র তৈরি করা।ক্লডিও এবং তাঁর সহযোগী গবেষকরা জার্মেইনের বর্ণিত পথ ধরেই তাঁদের অভিযান শুরু করলেন। তবে প্রথমেই তাঁরা অকুস্থলে পৌঁছতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে ২০২৩- ২০২৪ সালে নতুন পথে যাত্রা করে তাঁরা একদম ঠিক জায়গায় এসে হাজির হন। সেখানে তাঁদের স্বাগত জানাতে বেশ বড়ো সংখ্যায় হাজির ছিল Malleco spiny – chest ব্যাঙের দল।ক্লডিও ও তাঁর সহযোগীদের প্রাপ্তির ঝুলি একেবারে ভরে উঠলো এই অভিযানের ফলে। যে মন্ডুকবাহিনী অভিমান করে আড়ালে লুকিয়ে পড়েছিল তারা তো ছিলই, সঙ্গে হাজির হয়েছিল জলপাই রঙের, বাদামি রঙের আরও অনেক প্রতিবেশী। তাদের মধ্যে কার‌ও কার‌ও শরীরের ওপর ছিল স্পষ্ট করে টানা ডোরা,কার‌ও সেই দাগ অস্পষ্ট হয়ে গিয়েছে , আবার কারও শরীরে সেই তিলক চিহ্নের বিন্দুমাত্র অবশেষ নেই।এ যেন একটা দেখলে অনেক ফ্রি। ব্যাপারটা ক্লডিওর দলবলের কাজ অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। একটা খুঁজতে এসে অনেকের ভিড়ে জড়িয়ে পড়া। অনেক নতুন নতুন প্রশ্নের সামনে পড়া। ফিলিপ্পির বর্ণনায় থাকা গভীর কালো ব্যাঙেরা কোথায় গেল? কেন‌ইবা ব্যাঙেদের গায়ের রং এতো রকমারি? বৈচিত্র্যময়? এরা সবাই কি এক‌ই প্রজাতির নাকি এদের মধ্যে বিভিন্নতা রয়েছে? অনুসন্ধানের পরিসর বেড়ে যায় এই সব প্রশ্নকে ঘিরে।এখানেই অভিযান শেষ হয়ে যায়নি, বরং বলা যায় অনুসন্ধানের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো এই নতুন অভিযানের সূত্রে।  আরও আরও নতুন নমুনার সন্ধান পাওয়া মানেই আরও পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া। যে মন্ডুকবাহিনীর কথা শেষ বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল,এখন

দেখা যাচ্ছে শেষ হয়েও হয়নিতো শেষ। ধন্যবাদ ক্লডিও কোরিয়া ও তাঁর যোগ্য সহযোগী Edvin Riveros – Riffo এবং Juan Donoso কে। এগিয়ে চলার চরৈবেতি মন্ত্রের এই হলো করিশমা! তাকে ভুলি কী করে?

জুন ৩০. ২০২৬

PrevPreviousঘৃত
Nextআর কতদিন? আরজি কর ২৩ মাস, এখন বারুইপুর | রাজপথের লড়াইতে অভয়া মঞ্চ | ৯ জুলাই ২০২৬Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
3 months ago

Great to know about the scientists’ relentless work ! Wonderfully put across by the writer. It’s not only for us, but more for the scientists to be aged between 12 to 16 years. They’ll be more intrigued and questioning after reading this piece. An invaluable article by Shri Mukhopadhyay !

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
3 months ago

It’s my pleasure to get a heartfelt comment from you. The effort of the scientists is tremendous. Our budding scientists should be inspired by them.
Thanks for the comment 🙂

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
3 months ago

কিছু মানুষ কিছুতেই দমে যায়না – প্রণাম ওদের।

ছোটবেলায় সোনা ব্যাঙ বলে একটি বেশ নাদুস নুদুস ব্যাঙ দেখতাম ।সেটি এখন বিরল। আর আপনার মত ব্যাঙের ডাক শোনার সৌভাগ্য আমারও হয়।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
3 months ago

দমে গিয়ে থেমে গেলে এই লেখা লেখাই হতোনা

0
Reply
Kaushik Guha
Kaushik Guha
3 months ago

Darun laglo, aro erokom lekha chai

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

উৎসব মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় হতে পারে না

October 18, 2026 No Comments

চোরবাগান সার্বজনীনে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণহানি: উদ্যোক্তাদের চরম গাফিলতি ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার জবাবদিহি চাই! ভয়াবহ, মর্মান্তিক! চোরবাগান সার্বজনীনে দুর্গাপুজোর ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে ২০ জনের মৃত্যু এবং

এ কোন সকাল, রাতের চেয়েও অন্ধকার!

October 18, 2026 No Comments

জনগণকে ন্যায়বিচারের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতা দখলের রাজনীতি, এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার করে তোলা এবং সাধারণ মানুষের আবেগ ও ন্যায়বিচারের দাবিকে ক্ষমতার লড়াইয়ে

সন্দীপ ঘোষের জামিন আসলে অভয়া হত্যার ন্যায়বিচারকেই পিছিয়ে দেয়।

October 18, 2026 No Comments

দুর্গাপুজোর ঠিক আগেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষ জামিন পেলেন। এমন আশঙ্কা আমাদের মনে ছিল না তা নয়, কিন্তু অনেকেই ভরসায়

রামচন্দ্র, মুসলিম দরবারে রামায়ণ, রামমন্দির, এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ`

October 17, 2026 1 Comment

বুদ্ধদেব বসু প্রসঙ্গটি এভাবে উত্থাপন করেছিলেন – “ধর্ম নিয়ে বাদানুবাদ যেমন মহাভারতে একটি নিত্যকর্ম, রামায়ণে সে-রকম নয়। কেননা রামই সেখানে সর্বাধিপতি ও সর্বতোভাবে প্রতিদ্বন্দীহীন …

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

October 17, 2026 No Comments

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে, বুধবার অনেকদিন ডায়েরি লেখা হয়নি। বিষয়বস্তুর অভাব ঘটেনি, মনকে সংহত করতে অপারগ হয়েছি। পথে আলো, ঘাটে আলো, হাটে-বাটে-মাঠে আলো, আকাশে বাতাসে

সাম্প্রতিক পোস্ট

উৎসব মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় হতে পারে না

West Bengal Junior Doctors Front October 18, 2026

এ কোন সকাল, রাতের চেয়েও অন্ধকার!

West Bengal Junior Doctors Front October 18, 2026

সন্দীপ ঘোষের জামিন আসলে অভয়া হত্যার ন্যায়বিচারকেই পিছিয়ে দেয়।

Abhaya Mancha October 18, 2026

রামচন্দ্র, মুসলিম দরবারে রামায়ণ, রামমন্দির, এবং আমাদের বর্তমান ভারতবর্ষ`

Dr. Jayanta Bhattacharya October 17, 2026

আশ্বিনের প্রাক শারদীয়া সন্ধে

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 17, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

692022
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]