Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ডাক্তারি চোখ

FB_IMG_1713871819623
Dr. Subhanshu Pal

Dr. Subhanshu Pal

Medicine PGT
My Other Posts
  • April 24, 2024
  • 8:40 am
  • No Comments

গত ১৭ই এপ্রিল আনন্দবাজার পত্রিকায় ডা. শ্যামল চক্রবর্তী স্যারের একটা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় “হারিয়ে যাচ্ছে ডাক্তারি চোখ”- লেখাটার বিষয়বস্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও ভীষণভাবে সত্যি, সেই নিয়েই দু-চারটে কথা।

ডাক্তারি চোখ সত্যিই হারিয়ে যাচ্ছে, তার চেয়েও দুশ্চিন্তার কথা, এই ধারা বজায় থাকলে চর্চার অভাবে এই জ্ঞানের ধারা পরবর্তী প্রজন্ম অবদি পৌছাবেই না। ক্লিনিক্যাল ‘আই’ এর জায়গা হয়তো নিয়ে নেবে ‘এআই’ অর্থাৎ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স!

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই অবস্থা এলো কেন! ক্লিনিক্সের চর্চায় অনীহা কি ছাত্রদের নাকি শিক্ষকদের তরফে- এই নিয়ে নিরর্থক পারস্পরিক দোষারোপ করা যায়, তাতে লাভ বিশেষ হওয়ার নেই। বরং নিজ নিজ ক্ষেত্রে আত্মসমালোচনা করা যেতে পারে। ডাক্তারি বিষয়টা বহুমাত্রিক- তাই এই আলোচনাও ডাক্তার, রোগী ও সর্বোপরি স্বাস্থ্যব্যবস্থার সামগ্রিক পটভূমিকায় হওয়া বাঞ্ছনীয়।

একজন নবীন ডাক্তারের কাছে ক্লিনিক্স শেখা কতটা জরুরি? এর উত্তর দু’প্রকারের। এক, ক্লিনিক্স একান্তই আবশ্যিক- যদি রোগীর চিকিৎসাই ডাক্তারির মূলমন্ত্র হয়। দুই, না শিখলেও চলে- ক্লিনিক্সে অসাধারণ ব্যুৎপত্তি না থাকলে সাধারণ প্র্যাকটিস করা যায়না এমনটা তো নয়, স্নাতকোত্তর পড়াশোনার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ক্লিনিকাল আই পরখ করা হয়, এমনটাও নয়। ক্লিনিক্সের চর্চা একটা সাধনা বলা যায়, অনেকটা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতচর্চার মতো- সেটা ছাড়াও জনপ্রিয় গান গাওয়া যায়, সে গানের গভীরতা নাই থাকুক!

তাহলে এই ডাক্তারি চোখ নিয়ে এত মাতামাতি কেন! এত প্রযুক্তি, এত পরীক্ষানিরীক্ষা, এত গাইডলাইন বেরিয়ে যাওয়ার পরও ক্লিনিক্সের চর্বিতচর্বন কেন? এই বিষয়ে Douglas Bader-র একটা কথা উল্লেখ্য- “Rules are for the obedience of fools and the guidance of wise men”। ডাক্তারিতে আধুনিকতাও অনেকটা তাই। প্রাজ্ঞ ব্যক্তি রোগীর কথা শুনে, পর্যবেক্ষণ করে সামান্য পরীক্ষানিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসার দিকনির্দেশ করতে পারেন- ডাক্তারি চোখটি না থাকলে হাজার রিপোর্টের ভিড়েও হদিশ খুঁজে পাওয়া যায়না।

এই হলো ডাক্তারের দৃষ্টিকোণ। একজন গড়পড়তা রোগী কি ক্লিনিক্সে বিশ্বাসী? ডাক্তারবাবু রোগীকে একটু নেড়েচেড়ে দেখলে তাঁরা খুশি হন বটে, কিন্তু হাতেগরম রিপোর্ট অনেকেরই দাবি। আজকাল প্রথম ভিসিটেই প্যাকেজে রিপোর্ট বানিয়ে আনছেন অনেকে- সেই অবান্তর অসংখ্য পরীক্ষার রিপোর্টে মোটা হরফের নম্বরগুলোকে সাধারণ হরফে নিয়ে আসাটাই তাঁদের জীবনের মূলমন্ত্র, সেটার প্রয়োজন থাক আর না-ই থাক! সামান্য ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি, কারো সামান্য ইউরিক অ্যাসিড বেশি, কারো থাইরয়েড রিপোর্টে সামান্য গণ্ডগোল- ঔষধ চাই। একজন না দিলে অন্য ডাক্তারের কাছে ছোটেন। যেখানে মানুষেরা রোগের থেকে রিপোর্টের চিকিৎসায় বেশি বিশ্বাসী, সেখানে ক্লিনিক্সের আলোচনা ভস্মে ঘৃতাহুতির সামিল।

তার সঙ্গে যোগ হয়েছে স্বাস্থ্যকে পণ্য বানিয়ে দেওয়া। রোগী আর ডাক্তারের মাঝে আদালতের নিয়মিত আনাগোনা স্বাস্থ্যের বাণিজ্যিকরণকে ত্বরান্বিত করেছে। শুধু নিজের ডাক্তারি বিদ্যার ভিত্তিতে চিকিৎসা করতে যে কোন চিকিৎসকই দ্বিতীয়বার ভাববেন। আজকাল সব রোগের পাতার পর পাতা গাইডলাইন বেরোচ্ছে- ডাক্তারের নিজস্বতা বা মুন্সিয়ানা দেখানোর জায়গাটা ক্রমশই সংকুচিত হচ্ছে।

এর জন্য রোগী যতটা না দায়ী, তার চেয়ে বেশি দায়ী আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। আচ্ছা আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কি ডাক্তারি চোখের বিকাশ চায়? অনেক দূরের প্রশ্ন, আদৌ কি ডাক্তারিবিদ্যার সামগ্রিক মানোন্নয়ন চায়? সঠিক উত্তর জানিনা, তবে কয়েকটা পর্যবেক্ষণ বেশ হতাশাজনক। আমাদের দেশে রোগীর নিরিখে ডাক্তারের অনুপাত উদ্বেগজনক সেটা জানা, কিন্তু এই অনুপাতকে ভদ্রস্থ দেখানোর জন্য যেনতেনপ্রকারেণ ডাক্তারি স্নাতকদের সংখ্যা বাড়ানো কোন দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হতে পারে না। ডাক্তারি শিক্ষায় পরিকাঠামোর উন্নয়ন নিয়ে কারো বিশেষ মাথাব্যথা আছে বলে মনেও হয়না।

আবার এই নব্য ডাক্তারেরাই যখন পাশ করে বেরোবে, তাদের আউটডোরের জনস্রোতের সামনে ঠেলে দেওয়া হবে। সেই স্রোতের সামনে শুধু চোখ কেন, নাক-কান-জিভ-ত্বক সব ইন্দ্রিয়ই কার্যক্ষমতা হারায়। দিনের শেষে হাসপাতালে রোগী চিকিৎসার পরিসংখ্যানটাই বেশ হৃষ্টপুষ্ট দেখায়। কিন্তু সেই চিকিৎসায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই না থাকে ক্লিনিক্সের ছোঁয়া, না থাকে গাইডলাইনের।

পরিশেষে সেই বন্দির কথা মনে পড়ে, যার কারাগারের বাইরে চাবি আর রুটি পড়েছিল- সে খিদের জ্বালায় রুটিটাই তুলে নেয়। সে মুক্তি চায়নি, চেয়েছিল খাদ্য- মুক্তি পেলে খাদ্যের হদিশ ঠিক মিলতো। সেরকমই মানুষ চিকিৎসা চেয়েছে, স্বাস্থ্যের অধিকার চায়নি- যেদিন মানুষ সেটা চাইতে শিখবে, সেদিন সুচিকিৎসার অভাব হবেনা। সেই জগতে হয়তো ক্লিনিক্সেরও পুনরুত্থান হবে।

PrevPreviousগর্ভাবস্থায় ইউ এস জি
Nextকাঁধে ব্যথার হরেক কারণNext
4 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617909
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]