
একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে হাতিয়ার করে নিজেদের এজেন্ডা পূরণ করবেন না।
একদিন সকালে ক্যাথল্যাব শুরু হবে, খবর আসে একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো

একদিন সকালে ক্যাথল্যাব শুরু হবে, খবর আসে একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো

সকাল থেকে চিকিৎসক দিবসের শুভেচ্ছায় ভেসে যাচ্ছি। ওয়াটসঅ্যাপ ভর্তি, যেখানেই যাচ্ছি মানুষজন ফুলের তোড়া, মিষ্টির সম্ভার নিয়ে উপস্থিত 🙏 এসব আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ, নতমস্তকে সব স্বীকার

Very few pointers. You’re welcome to have a completely different opinion and I can have mine also. I kept my opinion to myself but as

সম্প্রতি ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং ডাঃ ইন্দ্রনীল খান মহাশয় ডাক্তারদের নিয়ে কিছু ভালো পরিকল্পনার আশ্বাস দিয়েছেন, শুনে ভালো লাগলো। ডাক্তারদের জন্য কেউ কোনোদিন কিছু করেনি।

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

মেসি: এসেছি একটু খেলব না? এত দর্শক আমার খেলা দেখতে এয়েছে… অবি: খেলতে পারেন, তবে যত স্কয়ার ফিট জুড়ে খেলবেন, সেই হিসাবে কাটমানি লাগবে কিন্তু…

মেডিক্যাল কলেজে হোস্টেলে একটা জিনিস শিখেছিলাম, সিনিয়রের প্রতি অগাধ আনুগত্য। সিনিয়রের কথা অমৃত সমান, সে পড়াশোনার ক্ষেত্রে হোক বা জীবনের চলার পথে। উভয় ক্ষেত্রেই যে

ক’দিন আগে অব্দি এসএসকেএমে কার্ডিওলজি রেসিডেন্সি করেছি। সোমবার ক্যাথল্যাব থাকতো, সকাল সাড়ে আটটা থেকে সন্ধ্যা অব্দি কেস চলতো, দুপুরে খাওয়াদাওয়ার কোনো গল্প ছিল না। ডিউটি

পৃথিবীতে মানুষের জীবিকার থেকেও তার ইন্টেনশনটা বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। একজন ডাক্তার আপাতভাবে খুব ভালো মনে হতে পারেন। কিন্তু তিনি মনে মনে ঠিক চান যে আপনি অসুস্থ

অত্যধিক বকার দোষে আমি একখান লাথ খেয়ে কলকাতা থেকে মেদিনীপুরে গিয়ে পড়েছি। আরেকখান লাথ খেলে যদি সৌভাগ্যবশত পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গিয়ে পড়ি, সেই উদ্দেশ্যে লেখাটা দিচ্ছি।

বাংলা পিছিয়ে পড়েছিল সব কিছুতে – শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি। বাম অপশাসনের শেষে ভারতের মানচিত্রে বাংলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় ক্ষমতায় এলেন অগ্নিকন্যা, আজ

একদিন সকালে ক্যাথল্যাব শুরু হবে, খবর আসে একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হচ্ছে। এটা কিন্তু কোনো

সকাল থেকে চিকিৎসক দিবসের শুভেচ্ছায় ভেসে যাচ্ছি। ওয়াটসঅ্যাপ ভর্তি, যেখানেই যাচ্ছি মানুষজন ফুলের তোড়া, মিষ্টির সম্ভার নিয়ে উপস্থিত 🙏 এসব আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ, নতমস্তকে সব স্বীকার

Very few pointers. You’re welcome to have a completely different opinion and I can have mine also. I kept my opinion to myself but as

সম্প্রতি ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং ডাঃ ইন্দ্রনীল খান মহাশয় ডাক্তারদের নিয়ে কিছু ভালো পরিকল্পনার আশ্বাস দিয়েছেন, শুনে ভালো লাগলো। ডাক্তারদের জন্য কেউ কোনোদিন কিছু করেনি।

আমি মানুষটা খুব সামান্য হলেও আমার পরিচিতজনদের সকলে কিন্তু কিঞ্চিৎ সামান্য নন। এটা আমার জীবনের একটা সার্থকতা বলতে পারেন, সৌভাগ্যও বলতে পারেন। মেডিক্যাল কলেজে পড়াকালীন

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

মেসি: এসেছি একটু খেলব না? এত দর্শক আমার খেলা দেখতে এয়েছে… অবি: খেলতে পারেন, তবে যত স্কয়ার ফিট জুড়ে খেলবেন, সেই হিসাবে কাটমানি লাগবে কিন্তু…

মেডিক্যাল কলেজে হোস্টেলে একটা জিনিস শিখেছিলাম, সিনিয়রের প্রতি অগাধ আনুগত্য। সিনিয়রের কথা অমৃত সমান, সে পড়াশোনার ক্ষেত্রে হোক বা জীবনের চলার পথে। উভয় ক্ষেত্রেই যে

ক’দিন আগে অব্দি এসএসকেএমে কার্ডিওলজি রেসিডেন্সি করেছি। সোমবার ক্যাথল্যাব থাকতো, সকাল সাড়ে আটটা থেকে সন্ধ্যা অব্দি কেস চলতো, দুপুরে খাওয়াদাওয়ার কোনো গল্প ছিল না। ডিউটি

পৃথিবীতে মানুষের জীবিকার থেকেও তার ইন্টেনশনটা বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। একজন ডাক্তার আপাতভাবে খুব ভালো মনে হতে পারেন। কিন্তু তিনি মনে মনে ঠিক চান যে আপনি অসুস্থ

অত্যধিক বকার দোষে আমি একখান লাথ খেয়ে কলকাতা থেকে মেদিনীপুরে গিয়ে পড়েছি। আরেকখান লাথ খেলে যদি সৌভাগ্যবশত পশ্চিমবঙ্গের বাইরে গিয়ে পড়ি, সেই উদ্দেশ্যে লেখাটা দিচ্ছি।

বাংলা পিছিয়ে পড়েছিল সব কিছুতে – শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি। বাম অপশাসনের শেষে ভারতের মানচিত্রে বাংলাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় ক্ষমতায় এলেন অগ্নিকন্যা, আজ







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে