Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড-১

gold-bars
Dr. Hrishikesh Bagchi

Dr. Hrishikesh Bagchi

Associate Professor of Physiology in a government medical college
My Other Posts
  • April 30, 2024
  • 7:03 am
  • No Comments
সোনা একটা এনিগমা। যুগ যুগ ধরে মানুষ এর পেছনে ছুটে গেছে। কোথায় আছে সেই এলডোরাডো যেখানে মাটি খুঁড়লেই সোনা পাওয়া যায়- মানুষ জীবন অর্থ পণ করে তার পেছনে ছুটে গেছে। মৌসুমী বায়ুর গতিপ্রকৃতি ভালোভাবে যখন আরব বণিকেরা বুঝে গেল তখন ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য করা তাদের পক্ষে অনেক সহজ হয়ে গেল। আরবদের অনুসরণ করে রোমানরাও ভারতের দক্ষিণ উপকূলের সাথে বাণিজ্য শুরু করে দিল। তাদের একটাই আমদানির চাহিদা- মশলা। তার বিনিময়ে ভারতীয়রা দাবি করল সোনা। বিপুল পরিমাণে সোনার মুদ্রা রোমান ট্রেজারি থেকে ভারতে চলে আসতে শুরু হল। রোমান সেনেটররা নড়েচড়ে বসলেন। শুধু অভিজাতদের ভোজন বিলাসের জন্য এত এত সোনার অপব্যয় তারা মেনে নিতে পারলেন না। আজও দক্ষিণীদের মধ্যে যে বিপুল সোনার প্রতি মোহ তার একটা কারণ সেই সময়ের রোমান সোনার রমরমা বাজার। নীলাব্জর প্রিয় অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্দানা আজ যে বিরাট মূল্যের সোনার জুলরি ব্যবহার করেন সেটির সোনা হয়ত এসেছে সিজারের রানি পম্পেই বা মার্কাস অরেলিয়াসের রানি ফস্টাসের গহনা থেকে। গজনীর সুলতান মামুদ যে সতেরবার ভারত বা সোমনাথের মন্দির আক্রমণ করেছিলেন তার পেছনে মূল উদ্দেশ্য যত না ইসলামের বিস্তার ছিল তার থেকে অনেক বেশি ছিল সোনার লুট। সোনার গায়ে এভাবেই লেগে থাকে রক্ত, অভিশাপ, আশীর্বাদ আর ক্ষমতার উল্লাস। মানুষ তাই যুগ যুগ ধরে সোনাকে যতই অস্বীকার করতে চেয়েছে সোনা ততই তাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরেছে।
কিন্তু আমরা প্রথমে জানার চেষ্টা করব সোনা এত মূল্যবান কেন? প্রথম কারণ এর দুর্লভতা। আমরা জানি এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হবার সময় যখন নক্ষত্রগুলো তৈরি হচ্ছিল তাদের অভ্যন্তরে যে প্রচন্ড তাপমাত্রা তৈরি হয় সেই তাপমাত্রায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে সোনা তৈরি হয়েছিল। সেই তাপমাত্রা যেহেতু কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা অসম্ভব তাই পৃথিবী তৈরি হবার সময় যে পরিমাণ সোনা তৈরি হয়ে গেছে নক্ষত্র বা উল্কাপিন্ড থেকে ছিটকে এসে তার বেশি তৈরি করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। সারা পৃথিবীতে এখন যত সোনা মজুত আছে সেই পরিমাণ ইস্পাত তৈরি করতে এক মিনিটেরও কম সময় লাগে। আর দ্বিতীয় কারণ অবশ্যই এর রূপ। সোনা বা গোল্ড-এর রাসায়নিক সংকেত AU বা অ্যারাম বা অরোরা। এর অর্থ ‘সাইনিং ডন’ বা ‘উজ্বল ভোর’। সোনার বিশেষত্ব হল এটি প্রায় নিষ্ক্রিয় মৌল। তাই এটি যুগে যুগে অপরিবর্তিত থাকে। কায়রোর জাদুঘরে যে ফারাওদের পরার সোনার নকল দাঁতের ব্রিজ আছে সেটির বয়স ৪৫০০ বছর। আপনি অক্লেশে তাকে নিজের দাঁত হিসেবে এখনো ব্যবহার করতে পারবেন। তাই আমি দক্ষিণী অভিনেত্রীর সোনার গয়না নিয়ে যে রসিকতা করলাম সেটি কিন্তু সত্যিই রসিকতা নয়। সোনার এই অক্ষয় রূপ একে মানুষের কাছে যুগেযুগে আরো মূল্যবান অ্যাসেট করে তুলেছে।
পৃথিবীতে যতবার আর্থিক বিপর্যয় এসেছে দেশকে, মানুষকে রক্ষা করেছে সোনা। স্প্যানিশ অভিযাত্রীরা নির্মম হাতে ইনকাদের পরাজিত করে যে বিপুল সোনা ইউরোপে নিয়ে আসে সেই সোনা দিয়ে বহু বছর স্পেন যুদ্ধের খরচ চালিয়ে গেছে। এটা মিথ্যে নয় যে ব্রিটিশদের রবরবার এক মুখ্য কারণ ভারত থেকে চুরি করে নিয়ে যাওয়া সোনা। ১৯২০ সালে সারা পৃথিবীতে বিশেষত জার্মানিতে যে বিরাট আর্থিক অবনমন বা ইকোনমিক ডিপ্রেসন দেখা দেয় যার ফলশ্রুতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ- সেই অবক্ষয় থেকেও পৃথিবীকে রক্ষা করেছিল সোনা। হিটলার যদিও বলেছিলেন, “Gold is not necessary. I have no interest in gold. We’ll build a solid state, without an ounce of gold behind it. Anyone who sells above the set prices, let him be marched off to a concentration camp. That’s the bastion of money”.
তিনি কিন্তু কথা রাখতে পারেন নি। শুধু যে ইহুদিদের ব্যাঙ্কে রাখা বিপুল সোনাকে দখল করে তিনি যুদ্ধের খরচ চালিয়েছিলেন তাই নয় জার্মানির পতনের পরেও জার্মানি সহ সারা বিশ্বকে রক্ষা করেছিল সেই সোনা। আমেরিকায় রিয়েল এস্টেট ক্রাইসিসের জন্য ২০০৮ সালে সারা পৃথিবীতে যে ভয়ঙ্কর রিসেশন হয়েছিল তার হাত থেকে এই বিশ্বকে অনেকটাই উদ্ধার করেছিল সোনা। আজো আমাদের বাড়ির গৃহিণীরা তাদের সোনাকে আগলে রাখেন। ‘মণিহার’ সিনেমার সেই সোনাপাগল নারীর কথা মনে আছে নিশ্চই। পৈত্রিক সূত্রে যে সোনা তারা পেয়েছেন তাকে যখের ধনের মত আগলে রাখেন। কত পুরুষের ডুবে যাওয়া সংসারকে যে বাঁচিয়ে তুলেছে সেই সোনা তার কোনো ইয়ত্তা নেই। আমরা পূর্ববঙ্গের লোক। রায়টের সময় আমার ঠাকুরদা তার এক কন্যা ও সাত ছেলেকে সঙ্গে করে এদেশে এনে মাথা গোঁজার যে একটু জায়গা কিনেছিলেন সেটিও খোঁজ নিলে দেখা যাবে আমার ঠাকুমার কোনোমতে বাঁচিয়ে আনা কিছুটা সোনার গহনা।
আমার এক পিসি। আজ আর তিনি নেই। তার বিয়ের সময় পিসেমশাই ঘড়ির ব্যবসা করতেন আসামে। আসামে যখন রায়ট শুরু হয় একদিনের মাথায় তিনি তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বাংলায় চলে আসেন। সঙ্গে পরনের কাপড়জামা ছাড়া কিছুই আনতে পারেন নি। তার যেটুকু সোনার গয়না ছিল পিসি বুদ্ধি করে সেগুলোকে একটা বাক্সে ভরে একটি গাছের নীচে মাটি চাপা দিয়ে আসেন। শুনেছি পরে আমার বড় জেঠু রায়ট শেষ হলে সেই সোনা উদ্ধার করে এনে পিসিকে দেন। যদিও এ আমার শোনা কথা। তবে মনে হয় মিথ্যে নয়। সেই সোনার কিছুটা দিয়েই হয়ত আমার পিসেমশাই এই রাজ্যে আবার তার ব্যবসা শুরু করেন, মেয়েদের বিয়ে দেন, জায়গা জমি কেনেন এবং এক ছেলেকে ডাক্তার করেন। সারা পৃথিবীর দিকে আমাদের তাকাবার দরকার নেই আমরা নিজেদের পরিবারের দিকে তাকালেই বুঝব সোনা কিভাবে আমাদের যুগে যুগে আর্থিক অবনমন থেকে, রায়ট যুদ্ধ লুটপাট এসবের মত বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে এসেছে। আজ আপনি বিপদে পড়ে গোছাগোছা ভারতীয় টাকা নিয়ে আমেরিকা যান কেউ আপনার টাকা নেবে না। আপনি বেশ কিছু সোনা যদি নিয়ে যেতে পারেন তৎক্ষণাৎ দাম পাবেন। সোনা এমন একটা জিনিস যার মূল্য কখনো কমে না। দেশ-কাল নির্বিশেষে এর মূল্য কখনো কমে না। তাই এটা আমাদের ফিক্সড অ্যাসেট। শেয়ার বাজার ডুবে যাবে। সরকার ব্যাঙ্ক এফ ডির, বন্ডের টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হবে কিন্তু সোনা আপনাকে কখনই ডোবাবে না। যদি আপনি তাকে রক্ষা করতে পারেন।
ভাববেন না সারা পৃথিবীতে রাশিয়া, চিন, আমেরিকা, ভারতের মত দেশ বিনা কারণে এত খরচ করে সোনা সংগ্রহ ও রক্ষা করে চলেছে তাদের ট্রেজারিতে। কারণ তারা সবাই জানে, চৈব দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্রবিপ্লবে রাজদ্বারে শ্মশানে চ য তিষ্টতি স স্বর্ণ। আমি আমার সাধ্যমত ও অভিজ্ঞতামত শেয়ার বাজার নিয়ে কিছু আলোচনা করেছি। ভবিষ্যতে আরো করব। আজ সোনাকে একটা বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে লিখতে বসেছি বন্ধু নীলাব্জর গতকালের অনুরোধে। আমি ডাক্তার, ইকোনমিস্ট নই। কিছুটা বিনিয়োগ নিয়ে পড়াশোনা করি। জ্ঞান খুবই কম। আর বেন গ্রাহাম তো বলেই গেছেন, “ডক্টরস আর প্যাথেটিক ইনভেস্টর”। কারণ তারা নিজেদের সবজান্তা মনে করে। সুতরাং আপনারা আমার কথা শোনার আগে এই ‘ক্যাচ’ টাও মনে রাখবেন। সোনা নিয়ে আমিও খুব উৎসাহী। তবে গয়নার সোনা নয়। বিনিয়োগের সোনা নিয়ে। আগামি একটি কি দুটো পর্বে আমি সোনায় বিনিয়োগ নিয়ে আমার মতামতটা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
(চলবে)
PrevPreviousআমাদের দেশে কবে একজন তু-কে আমরা খুঁজে পাবো?
Nextডানার জোরেNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617847
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]