Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ফিরে পড়া

Rahul-Sankrityayan-Madras-Courier
Dilip Ghosh

Dilip Ghosh

Health activist and administrator
My Other Posts
  • July 15, 2024
  • 7:19 am
  • No Comments
সম্ভবত ১৯৯২ সাল ছিল সেটা। আমার তৎকালিন প্রতিবেশী অগ্রজপ্রতিম এবং সরকারি কলেজের অধ্যাপক সুখেন চক্রবর্তী জিজ্ঞেস করেছিলেন আমি রাহুল সাংকৃত্যায়নের আত্মজীবনীর বাংলা সংস্করণে উৎসাহী কি না? আমরা, যারা স্কুলে থাকতেই “ভোলগা থেকে গঙ্গা” পড়েছিলাম বাংলায়, তাদের মুগ্ধ না হওয়ার কোনো উপায় ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে হ্যাঁ বলেছিলাম এবং কিছু একটা গ্রাহক মূল্যও দিয়েছিলাম তৎক্ষণাৎ।
১৯৯৩ সালের নভেম্বরে হাতে পেলাম প্রথম তিন খণ্ড। প্রকাশ করেছেন রাহুল সাংকৃত্যায়ন শতবর্ষ উদযাপন কমিটি, আর বইগুলোর মুখবন্ধ লিখছিলেন কলকাতার তৎকালিন পুলিশ কমিশনার তথা এই শতবার্ষিকী কমিটির চেয়ারম্যান, শ্রী তুষার তালুকদার। আমি শুনেছিলাম এই অনুবাদের উদযোগে তাঁর ভূমিকাই প্রবলতম। বেশ অবাক লেগেছিল, তখন রাজ্যে তথা দেশে বামপন্থী লেখক তথা বুদ্ধিজীবীর কোনো শর্টেজ নেই, কিন্তু রাহুলকে নিয়ে সবচেয়ে জরুরী কাজটা করছেন একজন আই পি এস অফিসার।
পড়া শুরু করে ভারি দমে গিয়েছিলাম। সেই সময়ের আমার কাছে অনুবাদটা বেস নিরেস এবং ‘ডেন্স’ ঠেকেছিল। পরে চেষ্টা করব বলে তাকে তোলা রইল বইগুলো। অনেক বছর পরে, সম্ভবত ২০১০ এর বইমেলায় ‘দে’জ’ এর স্টলে পেলাম চতুর্থ ও পঞ্চম খণ্ড। কিনেও ফেললাম, আহা, সেটটা তো কমপ্লিট হবে, আর কোনো একদিন পড়েও ফেলব নিশ্চয়ই।
কমপ্লিট সেট তাকে শোভা পাচ্ছিল গত পনেরো বছর ধরে।
প্রতি বছরই জুন জুলাই নাগাদ কলকাতায় আসতেই হয়, ব্যাংকের হিসেব বোঝা, পেনশন থেকে কাটা ট্যাক্সের ১৬ নং ফর্ম, ইনকাম ট্যাক্স ইত্যাদি সব দুরূহ কাজকর্মের ঠেলায়।
এবার এসে সাহস করে পাড়লাম রাহুলজিকে। কিমাশ্চর্যম, অত নিরেস ঠেকলো না অনুবাদ। একটানেই প্রায় পড়ে ফেললাম প্রথম খণ্ড, আপাতত দ্বিতীয় খণ্ডের মাঝামাঝি পৌঁছেছি। অসমাপ্ত রেখেই ফিরতে হচ্ছে, কিন্তু এই বই শেষ করার টানেই ফিরতে হবে তাড়াতাড়ি, বুঝতে পারছি।
কেদারনাথ পাণ্ডে থেকে রামউদার দাস হয়ে রাহুল সাংকৃত্যায়ন হয়ে ওঠা এক দীর্ঘ যাত্রা। আর এই যাত্রার ভূগোল যেমন বিশ্বব্যাপি, তেমনি ব্যাপ্তি তার মানসিক ধ্যান ধারণা বিবর্তনের কথা, যেটা ওঁর পথ চলার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টাতে পাল্টাতে চলেছে।
ক’দিন আগে Swati Bhattacharjee পোস্ট করেছেন সেই সব মানুষদের কথা যাঁরা লোভের বশীভূত হ’ন নি, নিজের পথেই হেঁটেছেন কোনোরকম লোভের কাছে সমর্পণ না করে।
মেধাবী কেদারনাথকে উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের বহু ধনী মঠ মাথায় করে রাখার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সফল। জ্ঞান ছাড়া আর কোনো তৃষ্ণা নেই তাঁর। বৈরাগী সন্ন্যাসীর জীবন বেছে নিয়েও রাজনীতিতে জড়িয়েছেন সক্রিয়ভাবে, আবার একই নিরাসক্তিতে ছাড়িয়েও নিয়েছেন নিজেকে। মঠের মোহান্ত থেকে কংগ্রেসে জেলা সম্পাদক সব ভূমিকাই পালন করেছেন, কিন্তু আঁকড়ে থাকেন কিছুই, সময়মতো হাঁটা দিয়েছেন নিজের পথে। সে পথ যে কোথায় যায়নি তার হিসেব রাখা মুশকিল।
অসাধারণ এই মহাজীবনী চমকে দেয় মাঝে মাঝেই, যেমন তিব্বত বাসের পর্বের এই তথ্য, “১৯০৭ এর কাছাকাছি যখন দলাই লামা আর চিনাদের বিবাদ হয়েছিল, এবং দলাই লামাকে পালিয়ে ইংরেজদের আশ্রয়ে দার্জিলিং আসতে হয়েছিল, তখন চিনারা সরাসরি তিব্বত শাসন করতে লাগল। তং-গো-লিঙ এর লামার এটাই অপরাধ ছিল যে চিনারা তাঁকে খুব সম্মান করত। ১৯১১ র পরে যখন দলাই লামা আবার শাসন ভার নিজের হাতে নিতে সফল হলেন তখন তং -গো-লিঙ এর মঠ তিনি কামান দিয়ে উড়িয়ে দিলেন আর লামাকে কুয়োয় ডুবিয়ে মারলেন। লামার সঙ্গে যা করলেন, কিন্তু মঠ ত বুদ্ধ আর বোধিসত্ত্বের দেবালয়ে ভরা, তার ওপর কামান চালানোটা কি মহম্মদের হামলার চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল?”
ইতিহাস বড় জটিল!!
(এই দলাই লামা, বর্তমান দলাই লামার পূর্বসূরি।)
প্রথম খণ্ড থেকে আরেকটা উদ্ধৃতিও দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। এটা ১৯২২ সালের ঘটনা, রাহুল বা তৎকালিন নাম রামউদার দাস তখন ছাপরা জেলা কংগ্রেসের সেক্রেটারি।
” ওকদিন ব্রজকিশোর বাবু ও রাজেন্দ্র বাবু সভাপতি দেশবন্ধু দাসের বাসস্থান থেকে ফিরে আসেন। তাঁরা জোর দিয়ে বললেন, “আমরা দাস সাহেবকে আপনার প্রস্তাব সম্পর্কে বলেছি, আপনার সম্পর্কেও বলেছি। আপনি একবার গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করুন যাতে পরিবর্তবাদী ও অপরিবর্তনবাদীদের ঝগড়ায় আপনার প্রস্তাবটি চাপা না পড়ে থাকে।
২১শে ডিসেম্বর আমি দাস সাহেব যে বাংলোয় উঠেছিলেন, সেখানে গেলাম। খবর দেওয়ার পর বারান্দায় বসার হুকুম হল। বাইরে বারান্দায় বসে রইলাম। আধ ঘন্টা পরে আবার খবর দিলাম। আবার বসার হুকুম হল। ত্রিশ চল্লিশ মিনিট পার করে আবার খবর দিলাম, আবার বসার হুকুম হল। ভেতরে অনেক স্ত্রী-পুরুষ বসে হা-হা-হী-হী করছিল এবং কাযে ব্যস্ত এই অছিলায় আমাকে বসে থাকার আদেশ দেওয়া হচ্ছিল। আমার ভীষণ রাগ হল এবং সেখান থেকে সোজা ফিরে এলাম।”
চাকরি জীবনে বহুবার দেখা চেনা একটা ছবি।
ফিরে এসে দেশবন্ধুকে সংস্কৃতে একটা চিঠি লিখেছিলেন রাহুল। তার অংশবিশেষ এরকম, “……..মহৎ কৃচ্ছয়া পদ্ময়াগচ্ছম, কিন্তু, হস্ত। ধনীক সম্প্রদায় এব দোষী ন কাচিদ ব্যক্তিঃ।………. কদাপি ন অনির্ধনঃ অশ্রমজীবী বা – শ্রমজীবী পক্ষং গ্রহিতুং সমর্থং। …….. বড় লোকদের থেকে আলাদা থাকা এবং অপরের মনোভাব খেয়াল করা এই দুই ব্যাপারে আমার এই ঘটনা থেকে ভাল শিক্ষা হয়েছিল, একরকমভাবে বড়লোকদের প্রতি চিরকালের ঘৃণা জন্মাল।”
যে প্রস্তাব নিয়ে ঘোরাঘুরি করছিলেন হিন্দু সন্ন্যাসী রামউদার দাস ওরফে রাহুল সাংকৃত্যায়ন, সেটি ছিল বুদ্ধগয়ার মন্দিরটি একড়ি হিন্দু মঠের কবল থেকে উদ্ধার করে বৌদ্ধদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার। বৌদ্ধগয়ায় যাঁরা গেছেন, তাঁরা দেখে থাকবেন যে মন্দিরের ঠিক বাইরের একটি অংশ এখনো একটি হিন্দু সম্প্রদায়ের কবজায় আছে।
পড়তে পড়তে নিজেকেই প্রশ্ন করছিলাম, এবারে এতো সহজে পড়ে ফেলছি কী করে, আগের বারে পারলাম না কেন?
খুব নিশ্চিত নই, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে অবসর নেওয়ার পর দীর্ঘ হিন্দি উপন্যাস পাঠ করার যে অভ্যাসটা করছি, সেটা হয়তো কাজে দিয়েছে খানিকটা। আপাত আড়ষ্ট কিছু বাংলা বাক্যের আড়ালের সরস হিন্দি লাইনগুলো হয়তো উঁকি মারছে, হয়তো তাদের দেখতে পাচ্ছি।
এই বই আসলে দুটো সমান্তরাল যাত্রার কথা শোনাচ্ছে। একটা ভৌগলিক, যার ব্যাপ্তি সত্যিই বিশাল, প্রায় বিশ্বব্যাপী; দ্বিতীয়টা আইডিয়ার, গভীর ভাবে আস্তিক হিন্দু দর্শনে নিজেকে দীক্ষিত করে, অতৃপ্ত রাহুল পৌঁছলেন অনিশ্বর বৌদ্ধধর্মে, তারপরে সেটাকেও অতিক্রম করে মার্কসবাদে।
তাঁর মতবাদ মানি বা না মানি, এর শেষ না জানা অবধি রাহুল সাংকৃত্যায়নের সঙ্গে চলা ছাড়া উপায় নেই আমার।
PrevPreviousচন্দ্রিল ডাক্তারের চেম্বার, গুণধর মান্না এবং ন্যসিয়া
Nextরাহুল শরদ দ্রাবিড়Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

April 28, 2026 No Comments

‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় আমার এই চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে। ছবি থেকে লেখাটা পড়া মুশকিল, তাই এখানে মূল লেখার পুরোটাই দিয়ে রাখছি। খবরের কাগজে প্রকাশের সময়, স্থানসঙ্কুলানের জন্যই,

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

April 28, 2026 No Comments

চিকিৎসক ডঃ তাপস প্রামাণিকের অনৈতিক, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ। ​১. ধারাবাহিক অসদাচরণের প্রেক্ষাপট: জেপিডি-র অভিযোগ অনুযায়ী, আর.জি.কর মেডিকেল কলেজের সরকারি চিকিৎসক

ভোট ও ভোটার

April 28, 2026 No Comments

গত দুটো সন্ধেতে গোটা শহরটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিলো, ঠিক যেন কেউ ‘চাক্কা জ‍্যাম’ ডেকেছিলো, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ, প্রতিটি মোড়ে ‘নাকাবন্দি’, ড্রোন থেকে দেখলে রিকশা-বাইক-উবের-প্রাইভেট-ছোটাহাতি-বাসের অবস্থানে মনে

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

April 27, 2026 No Comments

একজন বৈধ নাগরিক, রাষ্ট্রের মর্জি অনুযায়ী কোনো একটা নির্বাচনে ভোট দেবে আবার কোনোটাতে ভোট দিতে পারবে না, এটা হতে পারে? লক্ষ লক্ষ নাগরিক যাদের আচমকা

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

April 27, 2026 No Comments

যাব, যাব করেও আর যাওয়া হয়ে উঠছিল না। রোজ‌ই একটা না একটা ছুতোয় নিজেকে গুটিয়ে রাখছিলাম ইচ্ছে করেই। মনের এই দোনোমনা ভাবটা আগাম আঁচ করতে

সাম্প্রতিক পোস্ট

প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন বলতে জীবনযাত্রার উন্নয়ন

Dr. Bishan Basu April 28, 2026

প্রতিবাদ ও চরমপত্র

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 28, 2026

ভোট ও ভোটার

Arya Tirtha April 28, 2026

।। লক্ষ মানুষের নিষ্ফল বেদনা।।

Pallab Kirtania April 27, 2026

খরতাপ ও কিছু গভীর আশঙ্কা

Somnath Mukhopadhyay April 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

619828
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]