কাশ্মীরের সন্ত্রাসী হামলার পরে আমি একটা লেখায় লিখেছিলাম, যে মানুষগুলো নিজেদের পরিবারকে হারালো তাদের কি আমরা সহিষ্ণুতা, ধর্মনিরপেক্ষতা আর ঐক্যের কথা বোঝাতে পারবো? আমি ভুল লিখেছিলাম। আসলে এই ঘৃণা, বিদ্বেষ, হিংসা সবসময় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার উপরেও নির্ভর করেনা। সন্ত্রাসী হানায় মৃত নেভি অফিসার এর স্ত্রী, যিনি নিজের বিয়ে কিছুদিনের ভিতরেই নিজের স্বামীকে হারিয়েছেন, তিনিও বলছেন ভারতবর্ষের চিরন্তন ঐক্যর কথা!
অবশ্যই এটা বলার সাথে সাথে হিংস্র শ্বাপদ-রা জেগে উঠেছে, মেয়েটিকে তাঁর চরিত্র তুলে গালাগালি করা হয়েছে, এই মানুষগুলোই এক সপ্তাহ আগে মেয়েটির শোকে কাতর ছিলো! কিন্তু আশার কথা এটাই এই মেয়েটিই আসল ভারতবর্ষের প্রতিনিধি আর এই হিংসা ছড়ানো কতিপয় মানুষগুলো কিছুটা চাঁদের গায়ে লেগে থাকা কলঙ্কের মতন!









সত্যিই তাই।মনে হয় পৃথিবীতে এখন ভালো বাসা বা সহিষ্ণুতা সব বিলীয়মান শব্দ। ঘৃণা, বিদ্বেষ আর ধ্বংস আমাদের সব অনুভূতি গুলো কে অকেজো করে দিচ্ছে।আজ সত্যিই পৃথিবীর এক গভীর ক্রান্তিকাল।