Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

ব্লাতেনের শিক্ষা ও হিমবাহের সংকট

feature film
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 4, 2025
  • 8:14 am
  • 12 Comments

পাহাড়তলির ছোট্ট গ্রামের নাম ব্লাতেন। একেবারে ছবির মতো। চারদিকে সফেদ বরফে ঢাকা পর্বতের সারি।আর সেইসব পর্বতের সানু দেশের বিস্তির্ণ উপত্যকায় শান্ত নিরিবিলি দীর্ঘ ৮০০ বছরের পুরনো এই গ্রামীণ বসতি। দেখলেই তার প্রেমে পড়তে ইচ্ছে করে।এই ছোট্ট গ্রামটি আজ এক চরম বিপর্যয়ের শিকার। সুইস আল্পস পর্বতের এক ছিন্নমূল হিমবাহের আকস্মিক পতন- অভিঘাতে ছবির মতো সুন্দর ব্লাতেন গ্রামটি আজ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে– এমন একটা বড়সড় মাপের বিপর্যয়ের খবর আগাম জানানো হয়েছিল? হ্যাঁ, হিমবাহ বিজ্ঞানীরা আগেভাগেই এমন একটা বিপর্যয় যে ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে সে সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন। পর্বতের ঢালে থাকা হিমবাহের গায়ে ফাটল দেখা গিয়েছিল কিছুদিন আগেই। সুতরাং বিপর্যয়ের আশঙ্কা যে একেবারেই ছিলোনা তা নয়। সতর্কবার্তা পেয়েই খুব দ্রুততার সঙ্গে গ্রামের মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাবার কাজ‌ও চলছিল জোরকদমে। কিন্তু এতো তাড়াতাড়ি গোটা হিমবাহের এভাবে ভেঙে পড়াটা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিজ্ঞানীদের কাছেও পরম বিস্ময়ের ব্যাপার।

এখনও পর্যন্ত ১ জন মানুষের নিখোঁজ হওয়ার খবর স্বীকার করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। অকুস্থলে এখনও পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি কেননা গোটা এলাকার প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ আনুমানিক ৩০ – ৪০ মিটার নুড়ি বালি পাথর আর কাদার স্তূপের নিচে চাপা পড়ে গেছে !কথায় বলে বিপদ কখনোই একলা আসে না। বিপর্যস্ত  ব্লাতেনের ক্ষেত্রে এ কথা একদম সুপ্রযুক্ত। সুইস আল্পসের গা জড়িয়ে থাকা বার্চ হিমবাহ এভাবে হঠাৎ করে ভেঙে পড়ার কারণে হিম অবস্করের স্তূপ লঞ্জা নদীর গতিপথ আটকে দিয়েছে। এরফলে তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন এক বিপদের আশঙ্কা। উপত্যকার বুক চিরে বয়ে চলা লঞ্জা নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ হ‌ওয়ায় অবস্কর স্তূপের পেছনে জল জমে নদীর উজানী অংশে তৈরি হয়েছে এক বড়ো মাপের হিমহ্রদ। বরফগলা জলে ট‌ইটম্বুর সেই হ্রদের জল বাঁধ টপকে উপচে পড়ার ফলে নুড়ি বালি পাথর আর কাদার সুবিশাল স্তূপ নদীর ভাটি অঞ্চলে গিয়ে জমা হয়ে নতুন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। ব্লাতেনের এই বিপর্যয় নিয়ে এই মুহূর্তে সমগ্র ইউরোপ তোলপাড়, কেননা হিমানি সম্প্রপাতের এমন ঘটনা আল্পীয় হিমবাহের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক অনেক উদ্বেগ আর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে ,যার উত্তর খুঁজতে মাঠে নেমে পড়েছেন সুইজারল্যান্ড সহ নানা দেশের তাবড় বিজ্ঞানীরা।

কেন এই হিমানি সম্প্রপাত ?

হিমবাহের এই হঠাৎ করে ভেঙে পড়া এর তার প্রতিফল হিসেবে ভয়ঙ্কর ভূমিধ্বসের কারণে ব্লাতেনে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঢাল বরাবর দ্রুত গড়িয়ে পড়া শিথিল অবস্করের আঘাতের দরুণ এই ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইস সিসমোলজিক্যাল সোসাইটির বিশেষজ্ঞরা। রিখটার স্কেলে এবারের কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩.১ । বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এই বিপর্যয় ঘটার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই পর্বতের উচ্চতর অংশে ধারাবাহিক ভাবে শিলা স্খলন হচ্ছিল। এর পেছনে উষ্ণায়নের ফলে হিমবরফের গলনকেই দায়ি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ওপরের অংশের হিমবাহ গলে যাবার কারণে বিপুল পরিমাণ জলের চাপ এসে পড়ে অপেক্ষাকৃত ছোট মাপের বার্চ হিমবাহের ওপরে এবং এই চাপ স‌ইতে না পেরে হিমবাহটি ভেঙে পড়ে। বিজ্ঞানীরা এখন অদূর ভবিষ্যতে হিমবাহের সুস্থিতি নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাব্য কারণগুলোকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।সুইজারল্যান্ডের Lausanne University ‘ র গ্লেসিওলজির বিশেষজ্ঞ Christophe Lambiel  RTS সুইস টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে – “ক্রমবর্ধমান উষ্ণায়নের ফলে হিমবাহের চির হিমায়িত তলদেশীয় অংশের গলনের ফলেই বার্চ হিমবাহ ভারসাম্য হারিয়ে ভেঙে পড়ে । এরফলেই ঘটেছে ব্লাতেনের এতো বড় বিপর্যয়।”

হিমানি সম্প্রপাত ও জলবায়ুর পরিবর্তনের সম্পর্ক

পৃথিবীর হিমবাহরা ভালো নেই। ইতোমধ্যেই আমরা সবাই জেনেছি যে পৃথিবীর দুই মেরু অঞ্চলের মহাদেশীয় হিমবাহের বিস্তৃতি ক্রমশই কমছে। পাশাপাশি পৃথিবীর সুউচ্চ পর্বতমালার ওপরে থাকা পার্বত্য বা উপত্যকা হিমবাহগুলোও যে খুব নিরাপদ তেমনটাও নয়। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা এই শতাব্দীর শেষে পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ হিমবাহ সম্পূর্ণভাবে গলে গিয়ে লোপাট হয়ে যাবে। সুইজারল্যান্ডের অপেক্ষাকৃত নিচু উচ্চতার হিমবাহগুলোও এই পরিবর্তনের ফলে বিপন্নতার শিকার হতে চলেছে। ২০২৪ সালে বিখ্যাত Scientific American জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে সাংবাদিক Alee Luhn জানিয়েছেন, – “ হিমবাহ ও তুষার ক্ষেত্রগুলো এভাবে গলে যাবার কারণে প্রতিফল হিসেবে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বেড়ে যাবে। আসলে চিরহিম বা পারমাফ্রস্ট অঞ্চলগুলো কার্বনের আবদ্ধ ভাণ্ডার। এই হিমায়িত এলাকাগুলো বায়ুমণ্ডলে মুক্ত কার্বনের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণ কার্বন ধরে রাখতে সক্ষম। ফলে এগুলো গলে যাবার অর্থ হলো বায়ুতে বিমুক্ত কার্বনের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যাওয়া।” তাঁর মতে, এই প্রবণতা বাড়তে থাকলে সুইজারল্যান্ডের বার্চ হিমবাহের মতো তুলনামূলক ভাবে ছোট হিমবাহগুলো ভারসাম্যহীন হয়ে পড়বে এবং হিমানি সম্প্রপাতের ঘটনা বাড়বে। Luhn এর মতে, “গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে বর্তমানে চিরহিম অঞ্চলগুলো যে পরিমাণ কার্বন ধরে রাখছে তার তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে কার্বন কণা বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে দেবার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমশই বাড়ছে।” সমস্যা যে অত্যন্ত গম্ভীর তা বোধহয় বুঝতে পারছি সকলেই।

বিপন্ন মানুষের জীবন ও জীবিকা।

বার্চ হিমবাহের ভেঙে পড়ার ঘটনা নানান প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদের সকলকে। প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে প্রবল শিলাপাতের ঘটনাই আংশিকভাবে হিমবাহ ভেঙে পড়ার কারণ। হিমানি সম্প্রপাতের ঘটনা কেবল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনাতেই সীমাবদ্ধ নেই, অন্যান্য বিপর্যয়ের মতো এই ঘটনাও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষদের জীবন যাপন ও জীবিকার ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন পরিকাঠামোর ওপরেও এমন বিপর্যয়ের প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে যে দুনিয়া জুড়ে কমবেশি ১৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহের গতিপথের আশেপাশের এলাকায় বসবাস করে। পার্বত্য হিমবাহের গলে যাওয়া জল হ্রদের পরিসীমা ছাপিয়ে যে পথে বয়ে যায় সেই পথেই বিপজ্জনক ভাবে বসবাসে বাধ্য হয় বহুসংখ্যক মানুষ। গ্লফ বা হিমবাহ হ্রদের আকস্মিক বিস্ফোরণ এইসব মানুষের জীবনকে নিয়ত শঙ্কিত রাখে। Global Cryosphere Report সূত্রে জানা গিয়েছে যে এই কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয় প্রভাবিত অঞ্চলের দেশগুলোকে যা উন্নয়নের গতিকে বিলম্বিত করে।

অত: কিম্?

ক্ষীয়মান হিমবাহ আমাদের অস্তিত্বের সংকটকে আরো ঘনীভূত করবে এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে এই বিপর্যয়ের হাত থেকে রেহাই পেতে পারি আমরা? আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে কোন্ কোন্ লক্ষণচিহ্ন দেখে? খুব দ্রুত ক্ষয়িষ্ণু হিমবাহের ক্ষয়ক্ষতিকে ঠেকাতে প্লাস্টিকের আচ্ছাদন ব্যবহার করা হচ্ছে পৃথিবীর নানান অংশে। এই ব্যবস্থা হিমবাহের গলন প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করতে সাহায্য করে। এছাড়া পৃথিবীর প্রায় সমস্ত হিমবাহ অধ্যুষিত এলাকায় স্নো গান বা তুষার বন্দুক ব্যবহার করা হয়  তুষার কণাকে পুনঃ কেলাসিত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। ভারতের লাদাখে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে হৃতমান হিমস্তূপকে ফিরিয়ে আনতে। এছাড়াও হিমবাহ উপত্যকায় রঙ করা পাথরের খণ্ড রেখে দেওয়া হয় যাতে করে শিলা স্খলনের বিপর্যয়ের আগাম আভাস পাওয়া সম্ভব হয়। হিমবাহের ফাটলপথে বরফগলা জল ঢুকলে হিমবাহ আরও ভেঙে যায় ও প্রবল শব্দের সৃষ্টি করে। এই শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করে বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করে চলেছেন যাতে বিপদের পূর্বাভাস দিতে পারেন তাঁরা। একাজে সফল হলে বহু মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আজকের পৃথিবীর হিমবাহরা গভীর সমস্যার সম্মুখীন। হিমবাহ শূন্য হিমালয় পর্বতের চেহারাটা দেখে আৎকে ওঠার জোগাড় হয়েছে। এই দৃশ্যকে সহ্য করা সত্যিই কঠিন। তাই বিশ্বজুড়ে সচেতনতার জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচার চলছে। হিম গলনের ফলে পর্বতের ওপরে অবস্থিত হিমহ্রদগুলোর ট‌ইটম্বুর টলমল অবস্থা। সিকিমের দক্ষিণ লোনক হ্রদের বিস্ফোরণের মতো ঘটনা যে কোনো মুহূর্তে ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই হিমবাহরা হারিয়ে গেছে চিরকালের মতো। আর যাতে এমনটা না হয় তার জন্য সতর্ক থাকতে হবে আমাদের সকলকে।

তথ্যসূত্র ও ছবি দ্যা গার্ডিয়ান সহ অন্যান্য পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন। গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।

জুন ২,২০২৫.

PrevPreviousআমার নিজস্ব অপারেশন সিন্দুর
Nextঊর্মিমুখর: ষষ্ঠ পরিচ্ছেদNext
5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
12 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
শৌভিক সেন
শৌভিক সেন
10 months ago

মন খারাপ হয়ে গেলো সকাল বেলায়। কিছুদিন আগে ভোর বেলায় উত্তরবঙ্গের একটি জায়গায় এক জনের সাথে কথা হচ্ছিল এমনই একটা বিষয় নিয়ে। সে এসেছিল কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি তুলতে। আমাদের কাঞ্চনজঙ্ঘার শরীরেও বরফের চাদর কমছে। সাধারণ ফটোগ্রাফিতেও সেটা বোঝা যায়। কাজের সুত্রে নিয়মিত উত্তরবঙ্গের পাহাড় যাওয়ার ফলে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হচ্ছে সেটা মোটেও সুখকর নয়। আল্পসের মতো হিমালয়ও ভালো নেই!

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  শৌভিক সেন
10 months ago

মন খারাপের কিছু নেই। প্রকৃতির রাজ্যে এমন ঘটনা অস্বাভাবিক নয়। মানুষের হস্তক্ষেপের কারণে এমন ঘটনার তীব্রতা তরান্বিত হচ্ছে মাত্র। পৃথিবী খুব দ্রুত তেমন পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। দুঃখটা এখানেই। হিমালয়ের হাল বেশ উদ্বেগের।

0
Reply
Bannhi Bhattacharjee
Bannhi Bhattacharjee
10 months ago

এ এক অদ্ভুত পরিস্থিতি, মানুষই এর কারণ আর সেই মানুষই এর ভুক্তভোগী…

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Bannhi Bhattacharjee
10 months ago

মজা এখানেই দিদিমণি। এজন্যই বলা হয় – ভাবিয়া করিও কাজ।করিয়া ভাবিও না। অমন সুন্দর গ্রাম ব্লাতেন নিমেষেই উধাও।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
10 months ago

অনেক কথা জানা গেল। এই শতাব্দীর শেষে তিন চতুর্থাংশ হিমবাহ গলে যাবে।পরিস্থিতি তো বেশ খারাপ ।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
10 months ago

অবস্থা সত্যিই বেশ চিন্তায় ফেলে দেবার মতো। দুই মেরুর অবস্থাও বেশ ঘোলাটে।

0
Reply
রাজীব দাস
রাজীব দাস
10 months ago

BAPRE. KI SANGHATIK.

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  রাজীব দাস
10 months ago

এতো ট্রেলার হ্যায় রাজীব বাবু! পিকচার অভী বাকি হ্যায়।

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

একদম নতুন একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ব্লাতেনের ভয়াবহ পরিণতি আমাদের সন্ত্রস্ত করে। পরিবেশ নিয়ে আমাদের আরও ভাবতে হবে, ভালোবাসতে হবে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

একদম শেষে যে কথা বলেছেন সেই কথাই মাথা ও মনে গেঁথে রাখুন।ঐটিই সার কথা। ব্লাতেন গেছে এসেছে লাচেন,ছাতেন। খেলা চলবে নিরন্তর। ভালো থাকুন। পরিবেশকে ভালো রাখুন।

0
Reply
R Gupta
R Gupta
9 months ago

Oshadharon! Otyonto tothyo shomriddho! Dhanyobad lekhatir jonyo.

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  R Gupta
9 months ago

এমন বিপর্যয়ের কথা লিখতে লিখতে কলম ক্লান্ত হয়ে গেছে। তবুও লিখি এই ঘটনা থেকে যাতে আমরা সচেতন হতে পারি।ব্লাতেনের বিপর্যয় সত্যিই ভয়ঙ্কর। নেহাত জনবিরল এলাকা। এদেশে হলে কী হতো?!!!!

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617879
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]