Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সিকিমের ধস এবং পথের খোঁজ

WhatsApp Image 2025-06-03 at 12.27.09 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • June 6, 2025
  • 7:50 am
  • 12 Comments

প্রাক্ মৌসুমী বৃষ্টিপাতের পর্ব শুরু হতে না হতেই উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে বন্যার দাপট শুরু হয়ে গেছে। অসম, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল, ত্রিপুরা – সর্বত্রই থৈ থৈ জল আর বিপন্নতার হাহাকার। এর‌ই মধ্যে সিকিমের নানান প্রান্তে ধস নামায় জনজীবন বিপন্ন। আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। উত্তর সিকিমের ছাতেনে সেনা ছাউনি ধসের কবলে পড়ায় মারা গেছেন ৩ কর্তব্যরত জ‌ওয়ান , এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ হয়েছেন আরও ৬ জন। তালিকা বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া এই পর্বতসঙ্কুল রাজ্যটিতে এখন পর্যটনের ভরা মরশুম। সমতলের আর্দ্রতা আর গুমোট গরমের হাত থেকে সাময়িক রেহাই পেতে বহু মানুষ এসে হাজির হয়েছে সিকিমে। বিকল্প রোজগারের ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটনকে আঁকড়ে ধরেই উন্নয়নের ধারা ধরে রাখার প্রচেষ্টা। ইদানিং বাইরে বেড়াতে গিয়ে আমরা বিলাসবহুল ব্যবস্থা দাবি করি– সর্বসুবিধা যুক্ত একদম টিপটপ হোটেল, বালিগঞ্জের বিরিয়ানি থেকে শুরু করে ডেকার্স লেনের ব্রেকফাস্ট। ঘোরাঘুরির পর চিনে পাড়ার চাইনিজ খেয়ে দুগ্ধফেননিভ শয্যায় শয়ন ও নিদ্রা। পরের দিন সকালেই দুয়ারে প্রস্তুত গাড়ি। তাতে চেপে সারাদিন ঘোরাঘুরি। এনজয়মেন্ট।

পর্যটকদের স্বল্পকালীন যাপনকে আরামদায়ক, স্বস্তিদায়ক করে তুলতে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পর্যটন বিভাগ চেষ্টায় কোনো ত্রুটি রাখেন না– আলিসান হোটেল, ঝাঁ চকচকে সড়কপথ, সর্বাধুনিক গাড়ি – পর্যটকদের জন্য আয়োজন করে রাখতে হয়, যাতে সামান্য ঘাড় ঘুরিয়েই দিব্যদৃষ্টি দিতে পারেন সব নৈবেদ্যর ওপর। ইদানিং হোম স্টে বা গৃহ আবাস যোজনা চালু হয়েছে যেখানে সামান্য খরচেই বাড়ির মতো অনুভূতি হয়। এভাবে স্থানীয় মানুষজনের একেবারে অন্দরমহলে সেঁধিয়ে যাবার ফায়দা অনেক। এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে সবাই তৎপর – বাড়ির লাগোয়া আরও কয়েকটি ঘর বানিয়ে নিতে পারলেই কেল্লা ফতে। তিস্তার বন্যার মতো টুরিস্টদের ঢল নামবে ঐ দুরন্ত মেয়ে তিসাইয়ের মতো।এই পর্যন্ত যা লিখেছি তার সঙ্গে সহমত হবেন সকলেই এ আমি হলফ করে বলতে পারি। তা হলে সমিস্যে কোথায় ? যদি অভয় দেন, তাহলে দু চার কথা বলতে পারি। পর্যটন শিল্পের বিকাশ মানে পরিকাঠামোর উন্নয়ন মানে নতুন বাড়িঘর, হোটেল, রেস্তোরাঁ ,হোম স্টে ইত্যাদির নির্মাণ যাতে বেড়াতে এসে লোকজন হাত পা ছড়িয়ে দুদিন থাকতে পারে।

এসবের জন্য উঁচুনিচু পাহাড়ি জমি কেটে সমান করে নিতে হয়, প্রয়োজনে গোটা কয়েক গাছ উপড়ে ফেলার দরকার পড়ে; রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে গেলেও একই পদ্ধতি মানতে হয়। এই সব কর্মকাণ্ডের ফলে প্রকৃতি পরিবেশের ওপর চাপ পড়ে। আমাকে আপনাকে কেউ চিমটি কাটলে মুখ দিয়ে উহ , উহ, আহ আওয়াজ করবো, সর্বংসহা প্রকৃতির তো সে বালাই নেই। ফলে অবিবেকী মানুষের চাপ বাড়ে, এক অর্থে অত্যাচার বাড়ে , এর মাত্রা লাগামছাড়া হয়ে প্রকৃতির সহন সীমা ছাপিয়ে গেলেই নেমে আসে বিপর্যয়। ছোটোবেলায় লুডো খেলায় হেরে যাচ্ছি দেখে যেমন বোর্ড উল্টে সব লণ্ডভণ্ড করে দিই, প্রকৃতি সে ভাবেই মানুষের সাজানো গোছানো জীবনকে ভেঙেচুরে ছারখার করে দেয়। এ খেলা চলছে নিরন্তর।ব্যাপারটা শুধু সিকিমেই ঘটছে তা কিন্তু মোটেই নয় -ঘটছে সর্বত্রই। সিকিমের ক্ষেত্রে বিষয়টা খুব সংবেদনশীল কেননা সেখানে সব কর্মকাণ্ড সংগঠিত হচ্ছে পৃথিবীর দুর্বলতম ভৃপৃষ্ঠের ওপর যার সংস্থানিক সুস্থিতির মান খুব কম। দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করতে গিয়ে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাঙ্ বলেছেন -.”…. বিপর্যয় চলছে।পর্যটকদের অনুরোধ করবো ঝুঁকিপূর্ণ বিপদজ্জনক এলাকাগুলোকে এড়িয়ে চলতে।” কি যে বলেন স্যার, বেড়াতে গিয়ে একটু রিস্ক নিতে হয়।  বিপর্যয়ের ব্যাপারে সিকিমের ট্রাক রেকর্ড খুব ভালো নয়। মাত্র দেড় বছর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে উত্তর সিকিমের হিমবাহ হ্রদ বিস্ফোরণের ঘটনায় বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এবারের ধস আরও কতটা ধংসাত্মক হবে তা জানতে অপেক্ষা করে থাকতে হবে আরও কিছুদিন।আমাদের প্রতিবেশী সিকিম কি অতিরিক্ত পর্যটকের পদভারে পিষ্ট? এই মূহুর্তে এমন কথা বলার সময় হয়তো আসেনি, তবে সিকিমের রক্তচাপ যে বাড়ছে সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। মাত্র কিছুদিন আগে হিমালয়কে নিয়ে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজিত হয়েছে নেপালে। সমবেত প্রতিনিধিরা একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন যে হিমালয় বিপদাপন্ন। হিমালয়কে ঘিরে উন্নয়নের উন্মাদনায় এবার রাশ টানতে হবে কড়া হাতে। সম্মেলনের সিদ্ধান্ত আর তাকে বাস্তবায়িত করার মধ্যে যোজন ব্যবধান। আমাদের সামনে দুটি পথ খোলা আছে – এক. যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা অথবা দুই. প্রকৃতির নির্মম প্রত্যাঘাতের জন্য অপেক্ষা করা। দেখা যাক আমাদের বিবেক কোন্ পথে নিয়ে যায়?

৩ জুন,২০২৫

PrevPreviousঊর্মিমুখর: অষ্টম পরিচ্ছেদ
Nextআর কতকাল নীরব থাকবে তিলোত্তমা?Next
5 2 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
12 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

গতকাল‌ই লেখক আভাস দিয়েছিলেন ব্লাতেনের পর লাচেন,ছাতেন আসবে। সাতসকালেই তেনারা হাজির। বিপর্যয়ের খবর মনকে বিষণ্ণ করে। পরবর্তী লেখায় আশাবাদের কথা থাকলে খুব খুশি হবো।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
10 months ago

আশার কথা শোনাবার চেষ্টা করবো।

0
Reply
Bannhi Bhattacharjee
Bannhi Bhattacharjee
10 months ago

প্রকৃতির উপর এরকম অন্যায় অত্যাচারের শোধ তো প্রকৃতি নেবেই..কোন দিকে এগোচ্ছি আমরা সত্যি জানিনা…

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Bannhi Bhattacharjee
10 months ago

চিমটিটা এবার বোধহয় একটু জোরেই কাটা হয়েছে! এমন প্রত্যাঘাত আর‌ও নেমে আসবে। সতর্কবার্তা এড়িয়ে গিয়ে লাভ নেই ।

0
Reply
Avijit Chakraborty
Avijit Chakraborty
10 months ago

আজকাল হেঁটে হেঁটে পাহাড়ি গ্রাম বেড়াতে গিয়েও প্রায় সবাই রাতে থাকার জায়গায় বেশ আয়েশ করে, গদিতে ঘুমোতে চায়। কি আর করা যাবে। সেই কারণেই তো এই পরিণতি। আমার তো মনেহয় এইসব দুর্যোগের ঘটনা দিনে দিনে বাড়বে বই কমবে না।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Avijit Chakraborty
10 months ago

কমার কোনো সুযোগ নেই। পৃথিবীর অনেক দেশ‌ই বাধ্য হয়ে পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার কথা ভাবছে। সিকিমের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ভূ পরিসরে প্রশাসনের আরও সতর্ক হ‌ওয়া দরকার। মতামতের জন্য ধন্যবাদ জানাই।

0
Reply
Dr Sumit Mukherjee
Dr Sumit Mukherjee
10 months ago

যথাযথ বিশ্লেষণ, দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের নীতি সবারই জানা। কিন্তু আজ বাঁাচি কাল দেখা যাবে নীতিই এখন অগ্রাধিকারে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Dr Sumit Mukherjee
10 months ago

ধন্যবাদ জানাই মতামতের জন্য। দীর্ঘস্থায়ী টেকস‌ই উন্নয়নের জন্য প্রশাসনিক স্তরে আরও গভীর ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রশাসনিক ভাবনার কারণেই দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে দ্বিধাবোধ করেন প্রশাসনের কর্তারা। হিমালয়ের বুকে যথেচ্ছ দাপাদাপি এমন মর্মান্তিক পরিণতিকে অনিবার্য করে তুলছে বারংবার।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
10 months ago

অর্থনীতিকে নাকি ক্রমাগত ফুলিয়ে যাওয়াই অগ্রগতি।তাই সবাই মিলে সংযত হবে এ আশা খুব কম।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
10 months ago

প্রকৃতির এই ঝাপট এমন বাড়াবাড়িকে খানিকটা নিয়ন্ত্রণে হয়তো আনবে, তারপর যে কে সেই। হিমালয়ের ওপর এমন অনিয়ন্ত্রিত দাপাদাপি অসহনীয়।

0
Reply
R Gupta
R Gupta
9 months ago

Prokriti ke bachano chhada ar kono raasta nei ! Oshadharon lekha !

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  R Gupta
9 months ago

একদম সত্যি কথা। এই সত্য কথাটা আমরা আর কবে বুঝাবো?

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

April 16, 2026 No Comments

১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ ​সম্প্রতি কলকাতার এক প্রবীণ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ (Cardiologist) সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করেছেন যে, নির্দিষ্ট ধর্মীয় স্লোগান দিলে তিনি ফি-তে ছাড় দেবেন। ‘জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম

পথের সন্ধানে

April 16, 2026 No Comments

ভারতের ইতিহাসে কালো দিনের তালিকায় আর একটি দিন যুক্ত হল – ১৩ এপ্রিল, যেদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জোরের সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষিত হবার

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

April 16, 2026 No Comments

সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ চিৎকার করে আসে না। কিছু নিয়ন্ত্রণ আসে ভালোবাসা, দায়িত্ব, অপরাধবোধ আর ভয়–এর মোড়কে। 💔🌫️ Emotional Blackmail হলো এমন এক ধরনের মানসিক প্রভাব

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

ধর্মীয় স্লোগান দিলে ফি-ছাড়! অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যমূলক আচরণ প্রদর্শনের প্রতিবাদ জেপিডি-র।

The Joint Platform of Doctors West Bengal April 16, 2026

পথের সন্ধানে

Gopa Mukherjee April 16, 2026

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

Dr. Aditya Sarkar April 16, 2026

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617879
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]