ভারতবর্ষের একটা সুপ্রাচীন নাগরিক ঐতিহ্য রয়েছে। খুব সম্প্রতি যেসব পুরাতাত্ত্বিক খননের কাজ চলছে সেখান থেকেও আবিষ্কৃত হয়েছে প্রাচীন শহুরে জনপদের তাক্ লাগানো সব নিদর্শ। এই মুহূর্তে ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৬% শহর বা নগরবাসী। পশ্চিমের দেশগুলোর তুলনায় এই অনুপাতটি যে যথেষ্টই নগণ্য সে বিষয়ে কারোর কোনো সন্দেহ আছে বলে মনে হয় না। আসলে নগরায়নের যে মূল চালিকাশক্তি, শিল্পায়ন, তার প্রসার এদেশে যথেষ্ট শ্লথগতি। ফলে এখনও এদেশের শহরগুলোর শরীরে গ্রামের তথাকথিত গেঁয়ো গন্ধ সর্বার্থে বিরাজমান। গ্রাম অধ্যুষিত ভারতের শহরগুলোকে এই কারণেই এক অদ্ভুত শব্দবন্ধে দেগে দেবার প্রবণতা রয়েছে – RURBAN – রুরাল ( rural ) এর RUR আর আরবানের ( urban) এর BAN – এই দুইয়ে মিলে রারবান। এই যখন ভারতবর্ষের নগরায়নের দশা তখন সরকারিভাবে ঘোষণা করে দেশে গড়ে তোলা হচ্ছে বেশ কিছু স্মার্ট সিটি । এখনও পর্যন্ত সাবেকি ধাঁচের চেনা শহরগুলোর মধ্য থেকে আঠারোটিকে বেছে নিয়ে তাদের গায়ে রাজকীয় তকমার মতো করে স্মার্ট সিটির তকমা জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ তকমা শোভিত শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে – হায়দ্রাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাই,পুনে, চেন্নাই,কোচি,ইন্দোর, কলকাতা, দিল্লি, আহমেদাবাদ, গুরুগ্রাম, নয়ডা, চণ্ডীগড়, তিরুবনন্তপুরম , ভূবনেশ্বর,লক্ষ্ণৌ, সুরাট এবং বিশাখাপত্তনম।কালে কালে এই সংখ্যাটা আরও বেড়ে পঞ্চাশে দাঁড়াবে। আম আদমির সুখ স্বাচ্ছন্দ্য , নাগরিক পরিষেবার হাল কতটা কি বাড়বে তা নিয়ে নিশ্চয়ই প্রত্যাশা বাড়ছে এমন শহরকে ঘিরে। স্মার্ট ফোনের মতো স্মার্ট সিটির তথাকথিত সুযোগ সুবিধার দিকে একবার নজর বুলিয়ে নেওয়া যাক্। শহরতলির বাসিন্দা হয়ে চাতক পাখির মতো ওইসব সুযোগ অর্জনের অপেক্ষায় আরও কতকাল থাকতে হবে কে জানে? আমাদের সকলের মধ্যেই বোধহয় এমন একটা ধারণাকে গেঁথে দেওয়া হয়েছে যে, যা কিছু একান্তই প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত তাই সর্বোত্তম, সেরা। আর এই বিশ্বাসের কারণেই হয়তো সাবেকি খোলসের ওপর এমন জোরকদমে স্মার্ট শব্দটি জুড়ে দেবার চল হয়েছে। শহর এই নিয়মের ব্যতিক্রম হয় কি করে? নগর পরিকল্পনাবিদদের ভাষায় – A smart city is an intelligent city that integrates digital technologies into its networks, services and infrastructure making it more efficient and livable for the benefit of its inhabitants and business. সন্দেহ নেই যে এইটি একান্তই একটি ইউরোপীয় ধারণা , যাকে আমাদের দেশের দেশীয় শহুরে খোলসে মানানসই করে তোলার চেষ্টা চলছে। গ্রামে বসবাসকারী শত সহস্র নিবারণ মণ্ডল বা সুলেমান আলির জীবনের সঙ্গে এই প্রকল্পকে মিলিয়ে দেখলে চলবে না, এ হলো দেশের উদীয়মান অর্থনীতির প্রতীক। – ডিজিটালাইজড পরিষেবা সম্পন্ন জনপদ।
ইউরোপীয় কমিশনের মতে একটি ডিজিটালাইজড স্মার্ট শহরে যে যে সুবিধাগুলো থাকবে সেগুলো হলো —
সর্বাধুনিক এবং কার্যকর পরিবহন নেটওয়ার্ক যাতে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব সহজেই যাতায়াত করা যায়।
অত্যাধুনিক জল সরবরাহের ব্যবস্থা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকতে হবে।
শহরের বাড়িঘরে সুদক্ষ আলোকিতকরণের এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
শহরের প্রশাসনিক ব্যবস্থা হবে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক এবং দায়িত্বশীল। নাগরিকদের আশা আকাঙ্খা যেন প্রশাসনের কাজকর্মের মধ্য দিয়ে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়।
নাগরিকদের বিনোদন ও অবসর যাপনের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে নিরাপদ ফাঁকা পরিসর থাকতে হবে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে,সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে এইটি কার্যকর পদক্ষেপ। তাঁরা মনে করেন, বৈশ্বিক তাগিদের দিকে লক্ষ্য রেখে একটি স্মার্ট সিটি আবশ্যিকভাবে উন্নত নাগরিক পরিষেবার জন্য আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর সুযোগ সুবিধা সঞ্চালনের ব্যবস্থা করবে। এই অত্যাধুনিক নাগরিক পরিষেবা আবাসিকদের জীবনকে আরও উন্নত , দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে সক্ষম হবে যাতে করে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নাগরিকদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যাপনের পক্ষে তা যথার্থই উপযোগী হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশের জন্য যেমন নাগরিক ব্যবস্থা কায়েম করার কথা বলা হয়েছে এ দেশের পক্ষে কমবেশি তেমনটাই বিধেয়। রবিঠাকুরের মধুর মতো ধার করা ফুলকাটা সার্টিনের জামা গায়ে চাপালেই যেমন জমিদার নন্দন হয়ে ওঠা সম্ভব নয়, আমাদের দেশেরও হয়তো খানিকটা তেমনই অবস্থা। একটা জনপদের গড়ে ওঠার পেছনে বহু আর্থ সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কারণ থাকে। এই কারণগুলোর অনুপান সব ক্ষেত্রে একরকম,তা বোধহয় নয়। ফলে কলকাতার গড়ন পিটনে যে বৈশিষ্ট্য ধরা পড়ে, তার অনেকটাই হয়তো ব্যাঙ্গালুরুতে অনুপস্থিত। এই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোকে একরকম জলাঞ্জলি দিয়ে সবাইকে এক ছাঁচে গড়েপিটে নেবার ভাবনা থেকেই কি এমন পরিকল্পনা?
তবে এমন পরিকল্পনার গোড়াতেই যে বিস্তর গলদ থেকে যাচ্ছে তা বিজ্ঞাপিত স্মার্ট সিটিগুলোর বিপর্যস্ত পরিষেবার দিকে একটু নজর দিলেই বিলকুল মালুম হবে। একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের শিরোনামের অংশটি তুলে ধরলেই সবটা বুঝতে পারা যাবে। ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকায় প্রকাশিত ঐ প্রতিবেদনের শিরোনাম — High – tech dreams, low-tech drains :India’s smart – cities have a flooding problem. এই শিরোনাম থেকেই বোধহয় বুঝতে পারছি আমরা যে এদেশের খোলস আঁটা উন্নয়নের কেমন বেহাল দশা। স্বপ্নের স্মার্ট সিটি গুরুগ্রাম এখন সেখানকার উচ্চাভিলাষী নাগরিকদের কাছে এর মধ্যেই দুঃস্বপ্নের নগরীতে পরিণত হয়েছে।নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের চরিত্র অনেকটাই বদলে গেছে – বাড়ছে অঝোর ধারায় বৃষ্টিপাতের ঘটনা, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্লাউড বার্স্ট বা মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টি। এরফলে আমাদের শহরগুলো কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতেই ডুবে যাচ্ছে – মুহূর্তে গোটা স্বপ্ন নগরী জল থৈ থৈ ঠনঠনিয়া! আমাদের নগর পরিকল্পকদের দূরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এর মধ্যেই। তাঁরা কি স্বল্পমেয়াদি উন্নয়নেই আস্থা রাখতে চাইছেন?আর তাই গোটা দেশেই এখন ঠনঠনিয়া মডেলের জয়জয়কার ! সুরাট, চেন্নাই, ব্যাঙ্গালুরু, মুম্বাই এবং হালফিলের গুরু গ্রাম – সর্বত্রই এক ছবি ; জমা জলে ভেসে যাওয়া গাড়ি, কোমর সমান জলভেঙ্গে বিপন্ন নগরবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করা, বৃষ্টির জলের সঙ্গে রাস্তার নোংরা নর্দমার জল মিলেমিশে একাকার হয়ে নরক গুলজার। আমরা মানুষেরা পরস্পরের মধ্যে যতই ভেদরেখা টানিনা কেন প্রকৃতি সবাইকে এক সারিতে বসিয়ে পংক্তিভোজনে বাধ্য করে। তাঁর কাছে হরিপদ কেরানি আর হরিরাম পটেল সমান।আর তাই স্মার্ট সিটি গুরুগ্রামের ৫০ কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট সুইমিং পুল হয়ে যায় নিমেষেই। বিপন্ন হয়ে নিরাপদ মাথা গোঁজার একটা ঠাঁইয়ের খোঁজ করে গুলাবির অসহায় পরিবার। বানভাসি সকলেই।নগরবিদরা অবশ্য এই বিপর্যয়ের পেছনে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের ঘটনাকেই মুখ্যত দায়ী করছেন। বিস্তর পরিসংখ্যান ঘেঁটে তাঁরা জানিয়েছেন যে বিগত কিছু কালের মধ্যে হিমালয় পর্বত সংলগ্ন এলাকায় ক্রমান্বয়ে মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। এরফলে বৃষ্টিপাতের চেনা শৃঙ্খলায় এসেছে বিস্তর পরিবর্তন। হিমালয়ের কোলে থাকা হিমাচল প্রদেশে ২০২৩ সালে ৬৫ টি ক্লাউড বার্স্টের ঘটনা ঘটে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যাটা এসে দাঁড়ায় ২৭ টিতে। আর বর্তমান বছরে মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণে এই পার্বত্য রাজ্যের অবস্থা রীতিমতো বেহাল। বৈশ্বিক আবহাওয়ার এমন রূপান্তর আমাদের এতো দিনের সমস্ত হিসেবকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। আধুনিক যাপনের নামে আজকের শহরগুলোকে আমরা তাপদ্বীপে (heat island ) পরিণত করে ফেলেছি। ফলে শহরের গরম হয়ে ওঠা বাতাস অনেক বেশি করে জল ধরে রাখছে। তাপীয় ভারসাম্যের পরিচিত সমীকরণটি বদলে গেছে বিলকুল। বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে স্থানীয় উপাদানের কর্তৃত্ব বাড়ছে। সমুদ্র জলের উষ্ণতা এখন আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে গেছে, ফলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এমন মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির ঘটনা ঘটছে প্রায় নিয়মিত ব্যবধানে। হঠাৎ করে নেমে আসা প্রবল বৃষ্টিকে সামলে নেওয়ার মতো কার্যকর নিকাশি ব্যবস্থা এই আধুনিক শহরগুলোর পরিকাঠামোর নেই। ফলে বৃষ্টিতে বানভাসি হয়ে যাচ্ছে স্বপ্ন শহরের জীবনের ছন্দ। আর্দ্র উষ্ণ বায়ুর সঙ্গে হিমালয়ের ওপরে থাকা শীতল বায়ু পুঞ্জের সংঘাতের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির, ভেসে যাচ্ছে শহর,নগর,গ্রাম। ভেঙে পড়ছে নিকাশি ব্যবস্থা। ভেসে যাচ্ছে স্মার্ট সিটির তথাকথিত তকমা।আমাদের নগর পরিকল্পনা কি খুব সুদূর প্রসারী নয়? কয়েক বছর আগের গুরুগ্রাম ভেতরে আর বাইরে বদলে গেছে অনেকটাই। নতুন প্রজন্মের নাগরিকদের কাছে গুরুগ্রাম, ব্যাঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ,ভূবনেশ্বর,নয়ডা,তিরুবনন্তপুরম কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। ভিড় বাড়ছে কর্মপিয়াসী মানুষদের। বিনিয়োগ বাড়ায় সমানতালে বাড়ছে শ্রীহীন গগনচুম্বী অট্টালিকার সারি।তাল মিলিয়ে বাড়ছে কংক্রিটের মোড়কে সবকিছুকে মুড়ে ফেলার কাজ। জমির জন্য খিদে এতোটাই যে আশপাশের বিল জলা খাল সব রাতারাতি লোপাট হয়ে গেছে চোখের সামনে। এখন বৃষ্টি হলে জল যাবে কোথায়? দুবাইয়ের ভয়ঙ্কর পরিণতির কথা বারবার ফিরে ফিরে আসে নতুন নতুন শহরের জলমগ্নতার দৃশ্যপটে। সবকিছুকে লোপাট করার খেসারত তো দিতেই হবে আমাদের। প্রাকৃতিক ভূমি ব্যবস্থাপনার রদবদল ঘটিয়েছে মানুষ নানান প্রয়োজনে। এই পরিবর্তন সবসময় কিছু না কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে । তাই তার খেসারত দিতে হচ্ছে এই সময়ের মানুষকেই। যে সব চেনা সমস্যায় আমরা সাধারণ শাহরিকরা জর্জরিত সেই সমস্যাই আজকের স্মার্ট সিটির সমস্যা। জল জমে থাকা, গাড়ির সারিতে জ্যাম জমাট রাস্তা, দুর্বল বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, খোলামেলা গাছপালায় ভরা উন্মুক্ত পরিসরের অভাব, দুর্বল আইনী পরিষেবা– এ সবই যেন দৃশ্যমান স্মার্ট সিটির পরিকাঠামোয়। উন্নয়ন অবশ্যই কাম্য, তবে তার জন্য প্রকৃতির প্রতি মানুষের দায়হীন মনোভাবের পরিবর্তন ঘটাতে হবে। স্মার্ট সিটির তকমা গায়ে জুড়ে দিলেই চেনা শহরগুলোর পরিষেবা কাঠামোর পরিবর্তন ঘটবে এমনটা মনে করা ভুল। তার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দূরদর্শিতা। চট্ জলদি চমকে দেওয়ার ভাবনাকে দূরে সরিয়ে স্থায়ী সুস্থিত উন্নয়নের পথে হাঁটতে হবে আমাদের। বানভাসি গুরুগ্রাম হয়তো সে কথাই মনে করিয়ে দিল আমাদের।
স্মার্ট কথাটার মধ্যে একধরনের মাদকতা আছে। সবাই ভাবছে আয়োজন যেমন তেমন হোক স্মার্ট তকমা জুড়ে দিলেই কেল্লাফতে। সঙ্গের ভিডিওটি আঁখির হাল তুলে ধরেছে। পরিবেশ নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে আগ্রহ কম। নিজেরটুকু নিয়েই সব ব্যস্ত।
sarmistha lahiri
8 months ago
লেখক খুব সুন্দর ভাবে তথাকথিত স্মার্টসিটির সামগ্ৰিক চিত্রটি তুলে ধরেছেন।বহিরঙ্গের চাকচিক্য ই একমাত্র শর্ত নয়,পুরো জলনিকাশী ব্যবস্থার সুচারু পরিকল্পনা প্রয়োজন তা খুব দক্ষতা র সঙ্গে তুলে ধরেছেন।এই ধরনের লেখা র খুব প্রয়োজন।
DrSouravM
8 months ago
And those smart cities are also a fake promise! No development as it was promised earlier. And the drainage systems are actually becoming worse in the major cities due to uncontrolled usage of land and waterbodies.
১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম
১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের
কালচক্র যেহেতু সতত ঘুর্ণায়মান, ভবিষ্যতকালে যা যা ঘটবে সেই সব কাহিনি সর্বকালবেত্তাদের কাছে কিছুই অজ্ঞাত নয়। আর লেখকের কলম আর পাঠক যেহেতু সর্বকালবেত্তা, তাই কালাতীত
আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
চটজলদি দেখনদারি এখন দস্তুর।
আপনি সমস্যাগুলি তুলে ধরেন বলে পরিবেশ সংক্রান্ত অনেক কথা জানতে পারি।অনেক ধন্যবাদ জানাই
স্মার্ট কথাটার মধ্যে একধরনের মাদকতা আছে। সবাই ভাবছে আয়োজন যেমন তেমন হোক স্মার্ট তকমা জুড়ে দিলেই কেল্লাফতে। সঙ্গের ভিডিওটি আঁখির হাল তুলে ধরেছে। পরিবেশ নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে আগ্রহ কম। নিজেরটুকু নিয়েই সব ব্যস্ত।
লেখক খুব সুন্দর ভাবে তথাকথিত স্মার্টসিটির সামগ্ৰিক চিত্রটি তুলে ধরেছেন।বহিরঙ্গের চাকচিক্য ই একমাত্র শর্ত নয়,পুরো জলনিকাশী ব্যবস্থার সুচারু পরিকল্পনা প্রয়োজন তা খুব দক্ষতা র সঙ্গে তুলে ধরেছেন।এই ধরনের লেখা র খুব প্রয়োজন।
And those smart cities are also a fake promise! No development as it was promised earlier. And the drainage systems are actually becoming worse in the major cities due to uncontrolled usage of land and waterbodies.