দুনিয়া কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো কোনো খবর নয়, ক্যান্সারের লেটেস্ট ড্রাগ আবিষ্কার নয়, রোবটিক সার্জারির লেটেস্ট টেকনিকের খবরও নয়, নেহাতই তুচ্ছ মামুলি খবর, কিছু মায়ের প্রসব, নর্মাল ডেলিভারি। সামান্য গ্রামের সামান্য ঘরের আসন্নপ্রসবা কিছু মা’কে স্বাস্থ্য কর্মীরা এলাকা বানভাসি হওয়ার আগে তুলে এনে হাসপাতালে ভর্তি করছেন। তাদের কেউ কেউ সময় মতো প্রসব করে সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তাদের বাড়ি ঘর ডোর জলের তলায়। কিন্তু মা ও বাচ্চা নিরাপদে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা মহামারী হলে এই অধম জনস্বাস্থ্য কর্মীদের খোঁজ পড়ে যেমন অঝোর ধারায় বৃষ্টি হলে খোঁজ পড়ে বহুদিন অযত্ন অবহেলায় পড়ে থাকা সেই পুরোনো ছাতার। সামান্য মাইনের আশা কর্মী, এ এন এম সিস্টার এদের সবার চেষ্টা থাকে হাতে ওই মায়েদের নিরাপদ প্রসব হয়, সাপে কাটা রুগী সঠিক সময়ে হাসপাতালে যায়, ডায়রিয়া আটকানোর জন্য বন্যা বিপর্যস্ত মানুষজনের কপালে জোটে দু মুঠো হ্যালজন বড়ি, কয়েগটা ও আর এস এর প্যাকেট। জল একসময় নেমে যায়, ঘরের লোক ঘরে ফেরে। বিপর্যস্ত জীবন সামলাতে ব্যস্ত হয়ে যায়। জনস্বাস্থ্যের কর্মীদের কপালে দুটো শুকনো ধন্যবাদও জোটে না। বর্ষা শেষের ছিন্ন পুরাতন ছাতার মতো ম্লান মুখে তারা ঘরের কোণে ফিরে যায়, মুখ লুকায়। আগামী বছর আবার বিপদ হলে তাদের খোঁজ পড়বে একটু সামান্য হাক ডাক হবে। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের কর্মীরা জানে তাদের কাজ তাদের করে যেতে হবে। কারণ সেটা তাদের দায়িত্ব। তাদের নাম খবরের কাগজের পাতায় না আসুক, তাদের টিম লিডার সিএমওএইচ এর নামটা অন্ততঃ এসেছে। হয়তো কোনো একদিন কোনো মননশীল সাংবাদিক অনুভব করবেন তাদের অবদান, লিখবেন তাদের কথা। বাড়ি গাড়ি পদোন্নতি প্রায় কিছুই তো হল না জীবনে। একটা স্বীকৃতি অন্ততঃ এ জীবনে পা’ক তারা। আশায় বাঁচে চাষা। শুধু চাষা নয়, আশায় বাঁচে আশা, আশাকর্মী ও তাদের দিদিরা। ছোটভাই সম মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ স্বাস্থ্যকর্মীদের চিকিৎসক বন্ধুদের স্যালুট।

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…
India Today এর এক সংবাদে প্রকাশ ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন আই আই টিতে আত্মহত্যার মোট সংখ্যা হলো ১৭১, তার








🩵💦🙏😟
ঠিক তো। আমি তোমাকে বলি,এই যে “আমাদের বকুল তলায় জল জমেছে”বলে যে একটা গান ভেসে বেড়াচ্ছে,ভাইরাল মজাদার।সেটা শুনে দেখে বার বার এই একই বাস্তবতা মনে করাচ্ছে।
‘জল যন্ত্রণা’ র এই বড়ো করুণ অবস্থা র কথা।
এর মধ্যেই ভিজে ভিজে স্বাস্থ্য কর্মী রা সবচেয়ে প্রয়োজন এখন তাদের এমার্জেন্সি র কর্মকর্তা রা।
তাদের কথা এভাবে গোচরে আনাই তো তোমার মতো এমন একজন সমাজকর্মী র কলম কর্তব্য।
প্রচার তো বহুকিছুরই হয়। এদের কথা কজন ভাবে।কজন জানতে পারে সেভাবে।
বকুল তলার জল জমার মজাটা আমরা যারা নিরাপদ অবস্থা র মধ্যে আছি, তাদের খিল্লি,এঁনারা এই স্বাস্থ্যকর্মী রা যেন গ্রহণ করছেন এইভাবেই নীল কন্ঠের শিব হয়ে।