বামপন্থী জুনিয়র ডাক্তাররা আন্দোলন হাইজ্যাক করে নিয়ে পূজ্যপাদ শ্রী শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় মহাশয়কে আন্দোলনে শামিল হতে দেয় নি, তাই আজ সারদা কাণ্ডে জামিন হয়ে গেলো। আসলে অন্ধ বামপন্থা এর জন্য দায়ী। সিবিআই আসলে বামপন্থায় অন্ধ হয়ে দেখতে পায়নি স্যান্ডো গেঞ্জিকে, নালা পরিষ্কার করার নাটক মারা প্রফেসরকে, শুভেন্দু তো আসলে দক্ষিণেশ্বরের প্রসাদ নিয়েছিল 🙏🙏🙏 সরি, ভেরি সরি 🙏🙏🙏 উনি সনাতনী। |E| জীর অক্লান্ত সৈনিক, ওনার নাম নেওয়া উচিত হয়নি।
একমাত্র একজন চোর সৎসাহস নিয়ে বলেছিল সারদার আসল বেনিফিশিয়ারি মমতা। সে চলে গেলো মস্তিষ্ক প্রক্ষালন কক্ষে 🤪 চোর্কুণাল হয়ে গেলো মুখপাত্র।
একটা সুদীপ্ত সেন ছিল। তার থেকে অনেক তথ্য বের করত নাকি সিবিআই!! কান টানলে মাথা ইত্যাদি…
গা রিরি করে, আর কিছু বলতেও ইচ্ছা করে না। নামতে নামতে মনে হচ্ছে যেন নেমেই চলেছি গভীর অন্ধকারে। এই অবতরণ থামানোরও কোনো উপায় নেই। জাস্ট নেমে যেতে হবে। জজ উকিল কোর্ট পুলিশ গোয়েন্দা – যে যার মতো আসবে, খাবে – সব ক্রাইম চাপা দিয়ে চলে যাবে। এটাই ভবিতব্য। এই মরাগুলো নিজের বাড়িতে মুখ দেখায় কী করে ঈশ্বরই জানেন।
মানুষকে আশা দেখিয়ে পরিবারগুলোকে সর্বস্বান্ত করলো। যেদিন যেখানে পারছে খুন ধর্ষণ করছে। বাচ্চাগুলোর পড়াশোনা সব মায়ের ভোগে – জয়েন্ট বন্ধ, মেডিক্যাল বন্ধ, কলেজ বন্ধ। আর কী কী দেখবো, কী বলবো!!
গান লিখতে পারিনা, একটা প্যারোডিই থাক বরং…
“কতটা চামড়া মোটা হলে তৃণমূল বলা যায়!
কতটা অন্ধ হলে বিজেপির দোষ দেখা মানা –
প্রশ্নগুলো সহজ
আর উত্তরও তো জানা”










fatafati👍♥️