২০০২ এর ইলেক্টোরাল লিস্টে নাম না থাকলে নানা নথি সহ #SIR এ আবেদন করতে হবে।
২০০২ সালে আমি বিদেশে ছিলাম, সুতরাং নাম থাকবে না এটাই স্বাভাবিক এবং আমাকে এবার দিস্তা দিস্তা কাগজ নিয়ে বেশ কয়েক দিন রোদের মধ্যে লাইন দিতে হবে আধিকারিকদের কাছে।
এই আধিকারিকরা সাধারণত খুবই চাপে থাকে এবং সেই বিরক্তি লাগাটা সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার ওপর উগরে দেয়।
এটা রোদে পুড়ে জলে ভিজে একটা নোটবন্দি, একটা আধার, তিনবার আধার আর ফোন নম্বরের সংযুক্তিকরণ, একবার ভোটার কার্ড পাল্টানো, একবার প্যান কার্ড হারানো ও পাঁচবার পাসপোর্ট রিনিউ এর অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
আমারই যদি এই অভিজ্ঞতা হয় তবে গ্রামে গঞ্জে, বন্যায় সর্বস্ব হারানো প্রান্তিক মানুষদের কি হাল হবে সহজেই অনুমেয়।
আসলে সরকার সাধারণ মানুষকে তিতিবিরক্ত করে আনন্দ পায় অথবা নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল করে। অথচ জনমানসে বিপুল পরিবর্তন আনতে সক্ষম সেনসাস এরা ইচ্ছে করে কয়েক দশক অপূর্ন রাখে। আর যে কাজটা সারা বছর ধরে ধারাবাহিক হবার কথা সেটা ভোটের দুমাস আগে হবার কারণ সেটা বুঝতে অসুবিধে হয় না।
কনজিউমার রাইট বা নাগরিক অধিকার উন্নত দেশের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সিঙ্গাপুরে আমি একবার পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলেছিলাম। সিঙ্গাপুর পুলিশ শুধু সেটা তিনঘণ্টার মধ্যে খুঁজেই দিলো না,পাসপোর্টের ছবির সাথে আমার মুখ মিলিয়ে তৎক্ষণাৎ ফেরত দিয়ে চলে গেলো।
সরকার মানুষকে মানুষ মনে করলে এইরকমই করে থাকে।










Koushik
একদম আমার মনের কথা বলেছেন।