Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সরকার মানুষের স্বার্থে আমাদের দাবিগুলো পূরণের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ দ্রুত নিক।

Oct 25
West Bengal Junior Doctors Front

West Bengal Junior Doctors Front

Federation of Resident Doctors Associations of West Bengal
My Other Posts
  • October 31, 2025
  • 8:11 am
  • No Comments
২৬ অক্টোবর, ২০২৫
আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে, আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের নৃশংস খুন ও ধর্ষণের প্রেক্ষিতে এবং লাগাতার আন্দোলনের চাপে নবান্ন সভাঘরে প্রশাসনিক আধিকারিক ও সরকারি কলেজগুলির অধ্যক্ষদের সাথে নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী-পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী একটি বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের লাইভ টেলি সম্প্রচার আপনারা সকলেই দেখেছিলেন এবং সেইদিন স্বাস্থ্যব্যবস্থার হাল হকিকত ও সরকারি হাসপাতালগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আমরা করলেও আমাদেরকে জানানো হয়নি লাইভ সম্প্রচারের কথা। অতএব ধরেই নেওয়া যায় সেদিনের লাইভ সম্প্রচারের উদ্দেশ্য স্বচ্ছতা ছিলনা, ছিল প্রচার।
সেদিন ঠিক কী প্রচারিত হয়েছিল? আশ্বাসের সুরে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী জানান, নিরাপত্তার সমস্ত দায়িত্ব সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তার ভিত্তিতে তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্ভয়ে হাসপাতালে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর বহুবার সেই মিটিং সম্বন্ধীয় আপডেট ও পরবর্তী মিটিংয়ের জন্য অনুরোধ করা হলেও কোনোরকম উত্তর আমরা পাইনি। সদিচ্ছার অভাব ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে ১২ মাস পরে গতকাল আবার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একই কারণে বৈঠকের আয়োজন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। একই বিষয়ে আবার বৈঠকের অর্থ এটাই দাঁড়ায় যে, গতবছরের একটিও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি, যা এই রাজ্য প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার পরিচায়ক বলে আমরা মনে করি।
আবারও দেখা গেলো চেনা পরিচত ছন্দে ‘চুপ’ করিয়ে দেওয়া স্বাস্থ্য বিভাগীয় প্রধান বা ‘ম্যাডাম ম্যাডাম‘ করে ওঠা প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে নাটকীয় আলোচনা সভায় নির্দ্বিধায় নিজের অকর্মণ্যতার দায় এড়িয়ে ভুরিভুরি মনভোলানো কথা শুনিয়ে দিনের শেষে অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন মাননীয়া আর সাধারণ মানুষ তথা রোগীদের রেফার সমস্যা, নিরাপত্তা আর গুণমান সম্পন্ন ওষুধ প্রাপ্তির সম্ভাবনা প্রশ্ন চিহ্নই থেকে গেল!
অভয়া আন্দোলন-এর সময় West Bengal Junior Doctors’ Front বারবার চোখে চোখ রেখে শাসককে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নগ্নরূপ তুলে ধরে জানিয়েছিল —এই ব্যবস্থাপনায় কারওই নিরাপত্তা নেই। না ডাক্তার, না স্বাস্থ্য কর্মী না রোগী। তারই ফলস্বরূপ ও প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে আজ বাংলার বুকে একের পর এক ঘটনায় সেই সতর্কবাণীই যেন মর্মে মর্মে সত্যি হয়ে উঠছে।
পাঁশকুড়ায় স্বাস্থ্যকর্মী নিগ্রহ, উলুবেড়িয়ায় চিকিৎসক আক্রান্ত, বীরভূমে নার্সের উপর নৃশংস হামলা, আবার এসএসকেএম হাসপাতালে নাবালিকা রোগীর উপর নির্যাতন— সব ক’টি ঘটনাই যেন একই সুতোয় গাঁথা। কোথাও সুপারভাইজার, কোথাও ‘সিভিক ভলান্টিয়ার’, কোথাও ‘হোমগার্ড’ বা ‘কনট্রাকচুয়াল জিডিএ’— নাম আলাদা হলেও ছবিটা এক: হাসপাতালের ভেতরে অনিয়মিত, অস্থায়ী, রাজনৈতিক প্রভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ।
আসলে সমস্যা রয়েছে এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিচালনার মধ্যেই, এই সিস্টেমের মধ্যেই। সঞ্জয় রাই হোক বা বাবুলাল শেখ বা অমিত মল্লিক – সবাই চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী। এদের এত সাহস, হাসপাতালের যেকোন জায়গায় অবাধ যাতায়াতের এত সুযোগ হয় কী করে? হাসপাতালে কান পাতলে এদের নামে আগেও বিভিন্ন রকম দুষ্কর্মের অভিযোগ শোনা যায়। তা সত্ত্বেও এদের বিরুদ্ধে আগে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন? আমরা দেখছি এরাই হাসপাতাল গুলোতে টিকিয়ে রাখে দুর্নীতির সিস্টেম – টাকা নিয়ে বেড পাইয়ে দেওয়া হোক বা হাসপাতালে দালালরাজ – বোড়ে সৈনিক হিসাবে কাজ করে এরা, আর কাটমানি পাঠিয়ে দেয় যথাস্থানে। এরাই টিকিয়ে রাখে threat culture, rape culture। এদের সাথে রয়েছে শাসক দলের সম্পর্ক, শাসক দলের নেতাদের প্রশ্রয়েই এদের মধ্যে আসে সেই দু:সাহস, সেই বেপরোয়া মনোভাব যেখান থেকে এরা ধর্ষনের হুমকি দেয়, খুনের হুমকি দেয়, এমনকি ধর্ষন বা খুন করে দিতেও পিছপা হয় না। এদের সবার নিয়োগ হয় এজেন্সির মাধ্যমে। এই এজেন্সি গুলোর মাথায় কারা থাকে, তাদের সাথে শাসক দলের সম্পর্ক কেমন, বা তারাই শাসক দলের মাথা কিনা – তা নিয়ে তদন্ত হয় না। তাই বাবুলাল শেখ হোক বা অমিত মল্লিক – এধরনের জঘন্য অপরাধীর জন্ম হতে থাকে একের পর এক।
আর জি কর আন্দোলনে আমরা বারবার জানিয়েছিলাম হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষার দায় কোনও অস্থায়ী বা বেসরকারি এজেন্সির হাতে তুলে দেওয়া চলবে না। দাবি করেছিলাম হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য আলাদা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মী নিয়োগ করতে হবে, কোনও কনট্রাকচুয়াল ব্যবস্থা নয়। কিন্তু তার বদলে চলতে থাকল সেই চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ, চালু রইল এজেন্সির মাধ্যমে অল্প বেতনে নিয়োগ করা, শাসক দলের ছত্রছায়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা চালু রইল, চালু রইল তাদের দিয়ে দুর্নীতি, অপরাধ, threat culture বজায় রাখা। ব্যবস্থার কোন পরিবর্তন হল না, এই অপরাধের আঁতুড়ঘর সিস্টেম থেকে একের পর এক অপরাধী জন্মাবে – এটা স্বাভাবিক।
আজ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীদের প্রশিক্ষনের কথা। বোঝা গেল যে হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মীরা যে সঠিক ভাবে প্রশিক্ষন ছাড়াই কাজ করে চলেছেন সে সম্পর্কে সরকার অবগত। অথচ, এই প্রশিক্ষনের কোন ব্যবস্থা এতদিন করা হয়নি। আর জি কর আন্দোলনের সময় এক বছর আগেও এই প্রশিক্ষন দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, যা আজ অব্দি হয়ে ওঠেনি। সিসি টিভি অকেজো থাকার কথা, তা সঠিক ভাবে মনিটরিং না হওয়ার কথা আমরা এক বছর আগেও বারবার বলেছি। সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সঠিকভাবে কাজ হবে, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে জানিয়েছিল সব হাসপাতালে নাকি সব কাজ শেষ, কোথাও ১০০%, কোথাও ৯০%। আজ এক বছরেরও বেশি সময় পর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন সিসিটিভি অকেজো থাকার কথা, মনিটরিং সঠিক ভাবে না হওয়ার কথা, আবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এগুলো সঠিকভাবে হবে। কিন্তু বছরের পর বছর একদিকে এই অন্ত:সার শুন্য প্রতিশ্রুতি আর অন্যদিকে রোগী-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিগ্রহের ঘটনা – ঘটে চলেছে সমান্তরাল ভাবে।
আমরা মনে করি হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা আর হাসপাতালের নিরাপত্তা অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত। হাসপাতালে সঠিক পরিকাঠামো নির্মান, সঠিক গুনমানের ওষুধ, যন্ত্রপাতির উপস্থিতি, সঠিক রেফারাল সিস্টেম আর নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যায় দক্ষ নিরাপত্তারক্ষী, অন কল রুম, কার্যকর সিসিটিভি – এসব ই প্রয়োজন হাসপাতালে ভালো চিকিৎসার জন্য, ভালো কাজের পরিবেশের জন্য। আর সরকারের দায়িত্ব সেগুলো সঠিকভাবে কার্যকর করা, সেগুলোর দেখভাল করা। সেই দায়িত্ব পালন না করে, হাসপাতালের দুর্নীতি, threat culture এর সিস্টেম কায়েম রেখে, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ‘চক্রান্ত’ খুঁজে বের করার কথা বলা আসলে সরকারের নিজের অপদার্থতা ঢাকতে বিভ্রান্তি ছড়ানো বই কিছু নয়।
অভয়ার ন্যায়বিচার সহ স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, রোগী-স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা, নারী নিরাপত্তা, উপযুক্ত কাজের পরিবেশ, পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থায়ী কর্মী নিয়োগের যে দাবি আমরা প্রথম থেকে তুলে আসছি সেগুলোই আসলে এই ঘুন ধরা স্বাস্থ্য-ব্যবস্থার স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজন। সরকার যদি সত্যিই এই ভেঙে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার চায় তাহলে এই লোকদেখানো sitting, meeting আর setting ছেড়ে মানুষের স্বার্থে আমাদের দাবিগুলো পূরনের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ দ্রুত নিক।
PrevPreviousএই ভয়টাই পাচ্ছিলাম!!!
Nextসুন্দরবন ও নিবারণদের বারমাস্যাNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান।। ৯ মার্চ ২০২৬

March 12, 2026 No Comments

ভালোলাগা এক অভিজ্ঞতা

March 12, 2026 No Comments

গতকাল রাত এগারোটা পঞ্চাশে দিল্লি স্টেশন থেকে উঠেছিলাম ‘ত্রিপুরা সুন্দরী’ ট্রেনে। গন্তব্য: নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন। পাঁচজন আমরা আসছি। আজ রাত ( ১০/০৩/’২৬) এগারোটা নাগাদ নিউ

এক রূপকথার‌ই গাঁয়ে….

March 12, 2026 4 Comments

শোনো এক গাঁয়ের কথা শোনাই শোনো রূপকথা নয় সে নয়।…… এমন এক গাঁয়ের কথা পড়ে আমার অবশ্য রূপকথা বলেই মনে হয়েছিল। আর মনে হবে নাই

প্রতিবাদের আওয়াজ হাওড়ার আমতায়

March 11, 2026 No Comments

অভয়ার খুন ও ধর্ষণ এর খবর জানার পর আর জি কর হাসপাতাল থেকে শুরু করে, সমস্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছুঁয়ে মানুষের আর্তনাদ ঘরে

আমরা অপেক্ষা করছি ন্যায়বিচারের

March 11, 2026 No Comments

মার্চ ১০, ২০২৬ ১৯ মাস ধরে লড়াই চলছে। অভয়ার ন্যায়বিচারের জন্য, মেয়েদের সুরক্ষার পক্ষে, দুর্নীতির বিপক্ষে। রাজপথ থেকে আলপথ, থানা থেকে স্বাস্থ্যভবন, লালবাজার, সিবিআই কোনো

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদান।। ৯ মার্চ ২০২৬

Abhaya Mancha March 12, 2026

ভালোলাগা এক অভিজ্ঞতা

Sukalyan Bhattacharya March 12, 2026

এক রূপকথার‌ই গাঁয়ে….

Somnath Mukhopadhyay March 12, 2026

প্রতিবাদের আওয়াজ হাওড়ার আমতায়

Biswajit Mitra March 11, 2026

আমরা অপেক্ষা করছি ন্যায়বিচারের

Abhaya Mancha March 11, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

612841
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]