আমাদের অনেকেই সেই অর্থে জনস্বাস্থ্য নিয়ে তেমন কিছু কাজ করি না। নিজ নিজ ক্ষেত্রেই মগ্ন থাকি। তবুও জনস্বাস্থ্যের যে আদর্শ, নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা—সেগুলোর সাথে বেঁধে আমাদের রাখেন একটা মানুষ। যে মানুষ তাঁর সারাজীবন এই কারণে উৎসর্গ করেছেন। যিনি চাইলে পেশাগতভাবে আরও আকর্ষণীয় জায়গায় যেতে পারতেন কিন্তু পরিবর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে বেছে নিয়েছেন—এবং দশকের পর দশক নিরলসভাবে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন। হ্যাঁ ডা: পুণ্যব্রত গুণের কথা বলছি।
ডাক্তারি পড়ার সময়ে আমরা কিছুটা ‘জনস্বাস্থ্য’ পড়েছি বটে, কিন্তু আমাদের ধারণা টিকা-দানের বাইরে বিশেষ যায়নি। পুণ্যদার সংস্পর্শে আসার পরই আমরা সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি করেছি জনস্বাস্থ্যের ব্যাপ্তি, তার লক্ষ্য এবং তার শক্তি।
জন্মদিনে পুণ্যদার সরলতা, সাহস এবং সমাজের প্রতি তাঁর অতুলনীয় অবদানের প্রতি আন্তরিক প্রণাম জানানোর চেয়ে উপযুক্ত শুভেচ্ছা আর হতে পারে না। তাঁর কাজ অসংখ্য মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে এবং স্বাস্থ্য যে মানবাধিকার—এই ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আর একটাই কথা – পুণ্যদা ভালো থেকো, থাকতেই হবে।









