ধোঁয়ার এমনটাই দস্তুর ,তা সে কলকারখানার চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হওয়া ধোঁয়া হোক বা আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে মুক্তির উল্লাসে বাইরে বেরিয়ে আসা ছাই ভষ্মে ভরপুর ধোঁয়া। এই মুহূর্তে দিল্লির আকাশ ঢেকেছে ঘন ধোঁয়াশায়। দেওয়ালির সময় থেকেই দিল্লির বায়ুদূষণ সূচকের মান কেবল উর্দ্ধমুখী নয়, মনুষ্য বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। পৃথিবীর প্রাণদায়ী পঞ্চভূতের অন্যতম হলো মরুৎ বা বায়ু। পৃথিবীকে ঘিরে থাকা বায়ুমণ্ডলের সৃষ্টি মানুষের হাতে নয়, অথচ তাকে নষ্ট করে ফেলার পেছনে সেই মানুষটির ভূমিকাই সবথেকে বেশি। তবে এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক কারণেই দিল্লির আকাশ ঢেকেছে বিষাক্ত ধোঁয়ার মেঘে।
ধোঁয়ার একটি অন্যতর বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। উৎস যাইহোক না কেন বাতাসে ভর করে তা ভেসে যায় দূরদূরান্তের পরিসরে। এই মুহূর্তে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে সুদূর আফ্রিকা মহাদেশের ইথিওপিয়ায়। দীর্ঘ ১২০০০ বছর ঘুমিয়ে থাকার পর আকস্মিকভাবে জেগে উঠেছে আগ্নেয়গিরি হেইলি গুব্বি। গত ২৩ নভেম্বর,২০২৫, তার দীর্ঘ সুপ্তির পর্ব সাঙ্গ করে সেটি নতুন করে ধূম উদ্গীরণ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে হেইলি গুব্বি থেকে বিপুল পরিমাণে সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) মিশে যাচ্ছে বায়ুমণ্ডলে।

গন্ধকের উগ্র গন্ধে এখন দিল্লির আকাশ ম ম করছে। একেই বোধহয় বলে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। দিল্লির বায়ুদূষণের মাত্রা ইতোমধ্যেই ভয়াবহ পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ( AQI ) গড়পড়তা ৪০০ ছাড়িয়েছে অনেকদিন। তাকে সহনশীল করে তোলার জন্য নানান প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। কৃত্রিম বৃষ্টি ঘটানোর পরেও অবস্থার বড়ো রকমের সুরাহা হয়নি। তার ওপর অনাগত অতিথি হয়ে হাজির হয়েছে হেইলি গুব্বি থেকে বেরিয়ে আসা বিষাক্ত ধোঁয়ার মেঘ যার প্রভাবে দিল্লির মানুষদের এখন ত্রাহি মধুসূদন দশা। জনজীবনের সুস্থতার পাশাপাশি এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলের ওপর।

ঋণ স্বীকার
ছবির জন্য প্রচলিত উৎস সূত্রের কাছে ঋণী।
২৭ নভেম্বর,২০২৫














So after one month we can see nothing happened! Nature takes care of its own. We being just a population of 8 billions human beings is like a drop of water in the ocean.