Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

প্রকৃতি পরিষেবায় সপ্তসারথি (দ্বিতীয় পর্ব)

WhatsApp Image 2026-01-06 at 12.08.42 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 9, 2026
  • 6:41 am
  • 2 Comments

আগের পর্বে আমরা পরিচিত হয়েছি কয়েকজন নিরলস পরিবেশ যোদ্ধার সঙ্গে। আজকের পর্বে র‌ইলেন আরও কয়েকজন। এমন লড়াই চলুক দিকে দিকে।

৫.রমেশ খারমালেপুনের জুন্নার পাহাড়। হরিয়ালি হারিয়ে একেবারে ন্যাড়া পাথুরে স্তূপের চেহারা নিয়েছে দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি বছর পঞ্চাশের রমেশ খারমালে। পাহাড়ে প্রাণ সঞ্চার করতে হবে, কিন্তু কীভাবে? তাঁর এমন ইচ্ছেয় কেউ পায় দেবেনা জেনেই সেনাবাহিনীর প্রাক্তনী রমেশ তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়েই গড়ে তুললেন এক পল্টন। পাহাড়ের ঢালের আড়াআড়ি কতগুলো কন্টুর ট্রেঞ্চ ( Contour Trench) খোঁড়ার কথা ভেবেছিলেন রমেশ। কেননা এই গর্ত গুলোতে বৃষ্টির জল ধরে রেখে গোটা পাহাড় জুড়ে দেশী গাছের ছাউনি তৈরির ইচ্ছে ছিল তাঁর।২০২১ সাল। কোদাল,গাঁইতি,শাবল নিয়ে সপরিবারে মাঠে নামলেন রমেশ খারমালে। মোট ৩০০ ঘন্টার অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ধামানখেল পাহাড়ের গায়ে জল ধরে রাখতে খোঁড়া হলো ৭০ টি ট্রেঞ্চ। এই গর্তগুলো এখন প্রতি বছর বর্ষার সময় ৮০০০০০ লিটার জল ধরে রাখতে পারে। এই জল মাটির গভীরে চুঁইয়ে চুঁইয়ে ঢুকে গিয়ে ভৌম জলের এক সমৃদ্ধ ভাণ্ডার গড়ে তুলেছে। মাটিতে প্রাণ এলে গাছেরা এসে ভিড় করে। রমেশের স্ত্রী এবং দুই সন্তান এখনও পর্যন্ত ৪৫০ গাছ লাগিয়েছে পাহাড়ের সৌন্দর্যায়নে। আরও গাছের প্রয়োজন। নতুন উৎসাহে উৎসাহিত হয়ে উঠেছে তাঁরা পাহাড় ছেড়ে চলে যাওয়া প্রাণিরাও ফিরতে শুরু করেছে তাদের পুরনো ডেরায়। নষ্ট হয়ে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রের শৃঙ্খলাকে পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে এক অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পুনের খারমালে পরিবারের সদস্যরা। রমেশের এই প্রয়াস নতুনভাবে ভাবিয়েছে এলাকার অন্যান্য গ্রামের মানুষদের। তাঁরাও আজ রমেশের দেখানো পথেই হাঁটছে। এক অনন্য কীর্তি গাঁথার কুশীলব হয়ে উঠেছেন রমেশ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলাই চলতে হয়।

৬ . ডঃ লাল সিংবিজ্ঞানীরা বলেন, প্রত্যেক কাজের বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। আমরা উন্নয়নের ধ্বজা ওড়ালেও, আড়ালে অব – উন্নয়নের বীজ বপন করা হয়ে যায়, হয়তো আমাদের অজ্ঞাতসারে। চন্দ্রপুরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্থাপনা বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিমনি থেকে গলগলিয়ে বের হয়ে আসা ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা ছাই বা ফ্লাইং এ্যাশ বাতাসে ভর করে ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এই ছাই ঢেকে ফেলে উর্বর কৃষিজমি, গাছপালা, বাগিচা, পুকুর, নদী নালা,বসত ভিটা – সব, ডেকে আনে বিপর্যয়। ডঃ লাল সিং এর লড়াই এখান থেকেই শুরু হয়। ডঃ লাল সিং একজন কৃতী বিজ্ঞানী। তাঁর কাজ ছিলো চন্দ্রপুরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলের নষ্ট, কৃষির জন্য অনুপযোগী হয়ে যাওয়া কৃষিজমিকে পুনরায় ব্যবহারোপযোগী করে তোলা।

CSIR – NEERI’ র প্রিন্সিপাল বা প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবে এমন কাজের অভিজ্ঞতা নতুন কিছু হয়তো নয়, তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমস্যার চেহারা আলাদা। এই কাজের জন্য ডঃ লাল ও তাঁর সহযোগীরা ইকো রেজ্যুভিনেশন টেকনোলজি নামে একটি নতুন ধরনের উপায় গ্রহণ করেন। কোনো ধার করে আনা প্রযুক্তি নয়, সম্পূর্ণ দেশীয় গাছপালা বিশেষ করে বাঁশ গাছের বনভূমি তৈরি করে এই নষ্ট হয়ে যাওয়া মাটিকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বাঁশ গাছের সাহায্য নিলেও ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশীয় গাছের সাহায্য নেওয়া হয়। ব্যাপারটা হয়তো কিছুটা সময়সাপেক্ষ, তবে অবশ্যই কার্যকর এবং পরিবেশ বান্ধব।সময়ের সাথে সাথে কোরাডি, খাপরখেডা এবং চন্দ্রপুরার বিস্তির্ণ এলাকা পুনরায় ব্যবহারোপযোগী হয়ে উঠেছে এই প্রচেষ্টার কল্যাণে। সাফল্যের সূচনা এখানেই।

৭. কৃষ্ণকুমার. এস.আজ আমাদের সপ্তম সারথি হলেন চেন্নাইয়ের কৃষ্ণকুমার. এস। একথা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাই যে তথাকথিত উন্নয়নমুখী নগরায়নের ঠেলায় আমাদের দেশের শহুরে জনপদগুলো একেবারেই বৃক্ষ শূন্য হয়ে পড়েছে। মহানগরীগুলো এখন  হয়ে উঠেছে Urban Hot Spot । ক্রমশই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে শহরগুলো। আজকের দিল্লি এই সত্যটাকে একেবারে নগ্ন করে দিয়েছে। পিছিয়ে নেই চেন্নাই বা হায়দ্রাবাদের মতো নগরী। কৃষ্ণকুমারের পরিবেশ পরিষেবার কাজ এখান থেকেই শুরু হয়েছে। শুরুর দিকে বিষয়টি কলেজের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আওতায় ছিল।সেই কাজের সাফল্য তাকে প্রণোদিত করে আর‌ও বড়ো কিছু করার। সেই প্রেরণাকে পাথেয় করেই কৃষ্ণকুমারের এগিয়ে চলা‌। এই কাজের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন থুভাক্কাম নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার। যাঁরা ইতোমধ্যেই চেন্নাই এবং হায়দ্রাবাদ – এই দুটি শহরে ৬৫০০০ গাছ লাগিয়েছেন মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে। তাঁদের কর্মকাণ্ডের সূত্রেই এই দুই শহর ফিরে পেয়েছে তাদের হারিয়ে যাওয়া সবুজের সমারোহ। প্রকৃতি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার স্বার্থে এমন কাজের জুড়ি মেলা ভার। আজ কৃষ্ণকুমার একা নন। তাঁর এবং থুভাক্কামের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে এই দুই শহরের আম জনতা। একটি মানুষের আন্তরিক একক প্রচেষ্টা আজ সর্বজনীন রূপ পেয়েছে। এও এক নজরকাড়া লড়াই। আমাদের মধ্যে এমন চেতনা কবে আসবে?সমস্যাটিকে চিহ্নিত করে তা দূর করতে সদর্থক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সচেতন নাগরিক হয়ে ওঠার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বলতে দ্বিধা নেই যে এমন সচেতনতা কাম্য, তবে তা হয়তো সহজলভ্য মোটেই নয়। তবে সেই সব মানুষেরা এখনো একেবারে বিরল হয়ে যাননি বলেই সপ্তসারথির মতো মানুষদের দেখা মেলে দেশের আনাচে কানাচে। এঁরা নীরবে নিভৃতে প্রকৃতির সেবা করে চলেছেন । আজ আমরা উন্নয়নের চক্রব্যুহে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে গেছি।এখান থেকে উত্তরণের পথ আমাদের জানা নেই। শঙ্কর লাল গর্গ,লাকমেন মেরী নোঙ্গখালো,রমেশ খারমালে,লাল সিং, কৃষ্ণকুমার – এসব নিছক কতগুলো মানুষের নাম নয়, এঁরা পরিবর্তনের অগ্রদূত – দ্য রিয়েল চেঞ্জ মেকার্স। আসুন আমরা সবাই মানুষ হয়ে মানুষের পাশে, প্রকৃতির পাশে দাঁড়াই।

ঋণ স্বীকারঃ  সমস্ত তথ্য এবং ছবি The Better India থেকে সংগৃহীত।

জানুয়ারি ০৬. ২০২৫

PrevPreviousস্থবির, গলিত তারুণ্যের খেলা হবে!!!
NextWBJDF পশ্চিমবঙ্গের ASHA কর্মীদের ন্যায্য দাবি ও চলমান আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে।Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Soumen Roy
Soumen Roy
3 months ago

তথ্যগুলি তুলে আনার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।এইসব লেখা অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। কোথাও কোথাও তথ্য আর একটু বিস্তৃত হলে ভালো হতো।যেমন বাঁশ গাছ দিয়ে জমি পুনরুদ্ধার কিভাবে হল।কিম্বা মিয়াওয়াকি পদ্ধতি কি ইত্যাদি।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
3 months ago

যাঁরা এমন কাজ করে চলেছেন ধন্যবাদ আসলে সেই সব মানুষদের প্রাপ্য। বাঁশ গাছের সাহায্য নিয়ে জমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে র‌ইলো। তবে খুব শিগগিরই হবে না। ধৈর্য্য ধরতে হবে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

April 19, 2026 No Comments

১৩ এপ্রিল ২০২৬ ভারতের ইতিহাসে একটি কালো দিন। সামাজিক অসাম্যের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণাকারী বাবা সাহেব আম্বেদকারের জন্মদিনের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

April 19, 2026 No Comments

১৭ এপ্রিল ২০২৬ রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্য দপ্তর যে স্বৈরাচারী ও প্রতিহিংসাপরায়ণ নীতি অবলম্বন করে প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তারদের কণ্ঠরোধ করতে চেয়েছিল, আজকের হাইকোর্টের রায় তাদের

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

April 19, 2026 No Comments

কালচক্র যেহেতু সতত ঘুর্ণায়মান, ভবিষ্যতকালে যা যা ঘটবে সেই সব কাহিনি সর্বকালবেত্তাদের কাছে কিছুই অজ্ঞাত নয়। আর লেখকের কলম আর পাঠক যেহেতু সর্বকালবেত্তা, তাই কালাতীত

উন্নাও মামলা ২০১৭

April 18, 2026 No Comments

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

April 18, 2026 No Comments

হয়নি বলা কেউ বোঝেনি আমার ব্যথা বলতে বাকি প্রাতিষ্ঠানিক গোপন কথা !! গ্যাঁজলা ওঠা বিকৃত মুখ ঢাকলো কারা সেমিনার রুম বন্ধ করতে ব্যাকুল যারা !!

সাম্প্রতিক পোস্ট

১৩ এপ্রিল ২০২৬ সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে: সংগ্রামী গণমঞ্চ

Sangrami Gana Mancha April 19, 2026

স্বৈরাচারী রাজ্য সরকারের গালে সপাটে থাপ্পড়

West Bengal Junior Doctors Front April 19, 2026

হস্তি-সাম্রাজ্য (ভবিষ্যতের গল্প)

Dr. Arunachal Datta Choudhury April 19, 2026

উন্নাও মামলা ২০১৭

Abhaya Mancha April 18, 2026

।।অভয়া বা নির্ভয়া হই।।

Shila Chakraborty April 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

618364
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]