আগের পর্বে আমরা পরিচিত হয়েছি কয়েকজন নিরলস পরিবেশ যোদ্ধার সঙ্গে। আজকের পর্বে রইলেন আরও কয়েকজন। এমন লড়াই চলুক দিকে দিকে।
৫.রমেশ খারমালে

৬ . ডঃ লাল সিং
CSIR – NEERI’ র প্রিন্সিপাল বা প্রধান বিজ্ঞানী হিসেবে এমন কাজের অভিজ্ঞতা নতুন কিছু হয়তো নয়, তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই সমস্যার চেহারা আলাদা। এই কাজের জন্য ডঃ লাল ও তাঁর সহযোগীরা ইকো রেজ্যুভিনেশন টেকনোলজি নামে একটি নতুন ধরনের উপায় গ্রহণ করেন। কোনো ধার করে আনা প্রযুক্তি নয়, সম্পূর্ণ দেশীয় গাছপালা বিশেষ করে বাঁশ গাছের বনভূমি তৈরি করে এই নষ্ট হয়ে যাওয়া মাটিকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বাঁশ গাছের সাহায্য নিলেও ধীরে ধীরে অন্যান্য দেশীয় গাছের সাহায্য নেওয়া হয়। ব্যাপারটা হয়তো কিছুটা সময়সাপেক্ষ, তবে অবশ্যই কার্যকর এবং পরিবেশ বান্ধব।
৭. কৃষ্ণকুমার. এস.

ঋণ স্বীকারঃ সমস্ত তথ্য এবং ছবি The Better India থেকে সংগৃহীত।
জানুয়ারি ০৬. ২০২৫











তথ্যগুলি তুলে আনার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।এইসব লেখা অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে। কোথাও কোথাও তথ্য আর একটু বিস্তৃত হলে ভালো হতো।যেমন বাঁশ গাছ দিয়ে জমি পুনরুদ্ধার কিভাবে হল।কিম্বা মিয়াওয়াকি পদ্ধতি কি ইত্যাদি।
যাঁরা এমন কাজ করে চলেছেন ধন্যবাদ আসলে সেই সব মানুষদের প্রাপ্য। বাঁশ গাছের সাহায্য নিয়ে জমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে রইলো। তবে খুব শিগগিরই হবে না। ধৈর্য্য ধরতে হবে।