Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

‘নতুন মশাল জ্বেলে দিগন্ত খুঁজছি’: নাদিরা আজাদের কবিতাভুবন

nadira azad book
Gopa Mukherjee

Gopa Mukherjee

Teacher of History, Social activist
My Other Posts
  • January 31, 2026
  • 7:53 am
  • One Comment

“প্রতিটি ভোর মৃত্যু এগিয়ে আসার খবর জানায়”

নিশ্চিত মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে জানকবুল লড়াই করেছেন নাদিরা।
নাদিরার কবিতায় ভাতের গন্ধ, রক্ত আর বারুদের গন্ধ, তিস্তার জল আর হলুদ ফুলের গন্ধ। তারাখসা সন্ধ্যায় গাঢ় চকচকে লিপস্টিকের নিচে শৈশব কৈশোরের পবিত্রতাকে ঘুম পাড়িয়ে, অনাবৃত স্বেদক্লিষ্ট বুকের ভাঁজে আতর লাগিয়ে ল্যাম্পপোস্টের আলোর নিচে দাঁড়িয়ে থাকে যে ছায়ামানবীরা, বুড়ো বটতলায় মৃত শিশু কোলে কেঁদে ওঠে যে মেয়েটি, যে মেয়েটিকে খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হয় ধর্ষিত হবার অপরাধে এবং বটবৃক্ষ হয়ে উঠতে চায় যে নারী – এরা সবাই ঘুরে বেড়ায় নাদিরার কবিতার অলিন্দে, এদের নিশ্বাস প্রশ্বাসে আন্দোলিত হয় নাদিরার চেতনা। কবিতার আনাচে কানাচে একবিংশ শতকের ভারতের কীটদষ্ট কুৎসিত নগ্নতা কশাঘাত করে মধ্যবিত্তের নিরাপদ বোধের জগতকে
“আমরা সাড়ম্বরে প্রতিদিন ভারতীয় হয়ে উঠছি/ জাত্যাভিমানে নিজেদের নাম নয় ধর্মগ্রন্থের নাম উচ্চারণ করছি /পরশু সন্ধ্যায় একজন ক্ষমতাবান আমাদের ঘরের কাছ ঘেঁষে বোমা ফেলেছিল/ সৌভাগ্যবশত মাত্র কিছু কোকিল পাখি, নারী হাঁস ও সবুজ ঘাস পুড়ে গেছে/ আমরা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে আমাদের বিবেক ছাড়া আর কিছু পুড়ে যায়নি।”

‘রাতকথা’য় মহানগরী ধর্ষণের যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যায় “আমি এখন সন্ধের পর বড় রাস্তা ধরে হাঁটি না/ …এক রাতে মহানগরীর বুকে মেয়ে বেড়ালের ধর্ষণ হলে …/ আমি প্রতিরাতে যৌনাঙ্গ ঘরে রেখে কর্মক্ষেত্রে যাই।” আমাদের মনে পড়ে যায় কিছু ‘অপ্রাসঙ্গিক কথা’- ‘অত রাতে মেয়েটি সেমিনার রুমে কী করছিল?’, মুখ্যমন্ত্রীর রাতের সাথী প্রকল্প, রাতে বাইরে না বেরোনোর নিদান ইত্যাদি আরো অনেক কিছু।

যন্ত্রণায় নির্বাক নীল হয়ে যেতে যেতে প্রশ্ন করেন নাদিরা “রাষ্ট্রের মেরামত কি আপাতত বন্ধ আছে কিছুদিন বা বছরের জন্য?/ আমি চোখ বন্ধ করে সীমানা কাঁটাতার ছেঁড়া সম্পর্ক দেখি।”

ক্ষণজীবী কবি ভালবাসার ওমে জীবনকে ভরিয়ে নেবার চেষ্টা করেছিলেন আপ্রাণ “হৃদয় অনেকটা বিড়ির মতন/ এক মনে ওম নিলেই কখন ফুরিয়ে আগুনের আঁচ লাগে বোঝা যায় না / কোন রূপালী বা সোনালী বালুর দ্বীপে পৌঁছে নিশানা পুঁতব /তোমরা এপার থেকে অঞ্জলি দিও যুগেদের ব্যথা কান্না… “ নিশ্চিত পরিণতির সামনে দাঁড়িয়ে এই অমোঘ উচ্চারণ মনে করিয়ে
দেয় হযবরল কাব্যগ্রন্থের কবিকে, ৩৫ বছরে অকালমৃত্যুর দ্বারে দাঁড়িয়ে যিনি লিখেছিলেন “ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর / গানের পালা সাঙ্গ মোর”

নাদিরার গানের পালা সাঙ্গ হবার নয়, কারণ তিনি জানেন ‘বছর বছর শিমুল ফুলেই বসন্ত এসেছে’ –
“বুকে যত বিদ্রোহ পুষেছিলে এতকাল / ভাসুক মিছিলের মতো / এভাবে ধীরে ধীরে বিপরীতকামী একটা নদী হবে/… আমরা ভুলে যাইনি চৈত্রের অপর নাম আগুন ও মাটি/ হ্যাঁ মাটিতেই আমরা অন্য মানুষ হবো কারণ মাটি পুড়ে ছাই হয় না…”
সত্তার অবিনশ্বরত্ব আর বসন্তের স্পর্ধা শাশ্বত হয়ে ওঠে নাদিরার কবিতার ছত্রে ছত্রে।

নাদিরার ক্ষতবিক্ষত হৃদয় কোন হালভাঙ্গা নাবিককে দারুচিনি দ্বীপের দিশা দেখায় না –
“কোন এক ভোরে রক্ত মেখে মার্শাল দ্বীপে যাব/ যুদ্ধবিধ্বস্ত অবাধ্য বলাকার মতো/…
ঋতুস্রাব এর দাগ ধুয়েছি চৈত্র মাখবো বলে/ মাস্তুলের পতাকায় মিছিল আঁকার সুখে/ পেট জুড়ে হেঁটে ছিল একটা দেশ কিছু শ্রমিক ও কালো নারী/ মাটিতে বৃষ্টি পড়েনি কতদিন/…রক্ত মোছেনি / এবছর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা হবে/ সুনামির মতো জীবন নদীর মতো /…মিছিলে ভরা…”

নাদিরার কবিতায় ‘থৈ থৈ ভালোবাসার জল’। চোখ জুড়ে নামে শান্তি। নাদিরার কবিতায় চাপ চাপ রক্ত আর বারুদ, ঈশ্বরের পাঠানো উল্কায় ঝাঁঝরা হওয়া নারীর ধর্ষিত শরীর, দীর্ঘদিনের অভূক্ত শিশু ও পরিযায়ী শ্রমিকের লাশ আর বিদ্রোহের মশাল। তবু নাদিরার কবিতা স্লোগান হয়ে ওঠেনা। ঘুমের ভিতর ভাতের গন্ধে ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। নিহত দেহখন্ডে জ্বলে ওঠে অবাধ্য নদী-জোনাকি। ছাই মাখা চিতাদের পাশে জেগে থাকে প্রবল জীবন তৃষ্ণা। দেশ জুড়ে নিরন্ন নিঃসম্বল মানুষের হাহাকার আর বাঁচার লড়াই , ধর্ষিত নারীর আর্তনাদ আর স্পর্ধা ভাষা পায় নাদিরার লেখায়। ধ্বংসস্তূপে শুয়ে আলোর স্বপ্ন দেখেন নাদিরা-
“আমার কবর নীরবে খুঁড়বো/ পাখিদের শান্তি ভাঙতে চাই না/ সূর্য উঠলে আবার আসবো আলো নিতে /ততদিন মশালে পুড়ে ছাই হয়ে যেতে দাও”।

শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে। নাদিরা মৃত্যুর কথা হলে ঘোড়ার লাগামের স্বপ্ন দেখেন। পক্ষীরাজের পিঠে করে লোকান্তরে যাওয়া মেয়ে হারিয়ে যেতে পারেনা, নাদিরার মৃত্যু নেই –
“বিদীর্ণ গাছের বুকে লেগে থাকে রক্ত/ আজও বুড়ো অশ্বত্থ যুদ্ধের স্বপ্ন দেখে/… একদিন অশ্বত্থ মরে যায় নীরবে/… অন্তঃসত্ত্বা কবর পায় সেই গর্তে/ বৃষ্টি পড়ে- কাদা হয় সমাধিতে।/ শ্রাবণে আরেকটি শিশু অশ্বত্থ জন্মেছে।”

PrevPreviousক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ (CMC) – ভারতে আধুনিক জনস্বাস্থ্যের জন্মদাত্রী
Nextওয়াও সস্Next
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
কাঞ্চন সরকার
কাঞ্চন সরকার
8 months ago

কোলকাতা থেকে যত দূরত্ব বাড়ে, আলোটা ততই কমে আসে । কমে আসা আলোয় আবছা সেই উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক শহর দিনহাটা । অভয়া মঞ্চ এবং প্রণতি প্রকাশনীকে ধন্যবাদ দিনহাটার মেয়ে নাদিরা আজাদ এর কবিতা সংকলন প্রকাশ করার জন্য । অনেক বই ই কেনা হয়, তারপর একটু উল্টে পাল্টে দেখে রেখে দেওয়া হয় । নাদিরার কবিতাভুবন নিয়ে গোপার ছোটো কিন্তু অসাধারণ লেখাটা বাধ্য করলো বইটা আবার খুলে বসতে । অনেক ধন্যবাদ।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

October 25, 2026 No Comments

★ “শারদীয়” নাকি “দুর্গোৎসব” বেছে, কীসে যে মরল, তারা কি শেষে জেনেছে? পাতে ভাত নেই। প্যান্ডেলে আছে ঠাকুর। দেখো প্রাণ ভরে। বুকস্টল ভাঙো “মাকু”র। হাঁটুর

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

October 25, 2026 No Comments

উপর্যুপরি কিছু ঘটনার অভিঘাতে আমার স্বভাবতই বিষণ্ণ পুজো আরও ম্লান, আরও দিশেহারা আজ। ভীঈঈঈষণ লম্বা একটা লেখা দিলাম তাই। এমনিতেই বাজে লেখা। একজনও না পড়লে

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

October 25, 2026 No Comments

“No two fermions can occupy the identical quantum state .” This is the principle articulated by the Austrian physicist Wolfgang Pauli when he introduced his

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

October 24, 2026 No Comments

“ভালস্ট্রাসের ব্যারিকেডে আজ পর্যন্ত একুশটি, মানে একবিংশতি আক্রমণ চূর্ণ হইয়াছে।  এবার বোধ হয় ট্যাংক আসিবে।” সপ্তমীর গভীর রাতে মোবাইলের পর্দায় যাদবপুরের বামপন্থী বই এর স্টলে

স্যার

October 24, 2026 No Comments

আমার সুখী সুখী জীবন। মাস গেলে ভালোই মাইনে, কাজকর্ম নিয়ে তেমন কোন টেনশন নেই। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম করি। সরকার যা বলে সেটা পড়িয়ে দিনের শেষে

সাম্প্রতিক পোস্ট

কাঁদো, বাংলা কাঁদো

Dr. Arunachal Datta Choudhury October 25, 2026

লাল বেনারসী আর কৃষ্ণগহ্বরের গল্প

Dr. Sukanya Bandopadhyay October 25, 2026

Another India, Cast Out of Time and Place: Why India’s Youth Movements Stop at the Rural Edge

K. Sahadevan October 25, 2026

যাদবপুরের ব্যারিকেড 

Debashish Goswami October 24, 2026

স্যার

Sanjoy Mukherjee October 24, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

694888
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]