মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার
গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল
যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয় পেয়ে
আকাশের নীল মাটিতেও নেমেছে ইতস্তত। স্বতঃস্ফূর্ত মনে হলেও
আসলে জলরং এ ছবির ছিল না; কতটা মুন্সিয়ানা থাকলে তবেই
পুরোনো স্তরের পরতে পরতে কাগজ চাপিয়ে তারপর ওয়াশ
করতে হয়েছে; দু একটা রুখো শুখো টিলা ড্রাই ব্রাশে। তুলির কতটা
জোর থাকলে তবেই বর্ণের জ্বালামুখ এভাবে চাপা দেয়া যায়
তবে অনেকদিন তো হলো, তাই কাগজের ফুটিফাটা দিয়ে মাঝে সাঝে
নিকষ কালো মাথা তোলে, চাপ চাপ শুকনো রক্তের মতো, পোড়া কয়লার
মতো, হাঁ করা খাদের মতো অন্ধকার। জলরঙের লাবণ্য, এক্রিলিকের উজ্জ্বলতা
তেলরঙের প্রাজ্ঞ গভীরতা কিছুই সেখানে নেই. কিনারায় ঘন ছায়া ঠেলে
কখন যে নিষাদ অন্ধকার আঙ্গুল বাড়ায় আঁচ করা ভারী মুশকিল।
তালসুপারিহিজলতমালের সবুজ শিরায় মেশায় কালো অন্তর্ঘাত।











