২৬ মে, ২০২৬
সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ৬ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষ মতদান করেছেন। সংবাদসূত্র অনুসারে ৩৫ লক্ষের বেশি নাগরিকের ভোটাধিকার বিবেচনাধীন ছিল। নির্বাচনের আগে প্রচার করা হয়েছিল যে বাংলায় ১ কোটির বেশি রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারী আছে। কিন্তু SIR প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন রোহিঙ্গা বা বিদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে কাউকে চিহ্নিত করে কোনও তথ্য প্রকাশ করেনি।
এই রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। নির্বাচন কমিশন SIR প্রক্রিয়ার এই পর্যায়ে কোনও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে না পারলেও ‘ডিটেক্ট, ডিলিট,ডিপোর্ট’ এই নীতির উপর দাঁড়িয়ে অনুপ্রবেশকারীর জন্য আটক শিবির চালু করেছে রাজ্য সরকার। দুই দেশের সীমান্ত দিয়ে কিছু মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে মৎসজীবী সহ কিছু গরিব মানুষ। তারা ধরা পড়লে আদালতে পেশ করা হয়। আদালতই এদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এই রাজ্যের সরকার আদালতকে এড়িয়ে অনুপ্রবেশকারীকে ‘ডিটেক্ট,ডিলিট ও ডিপোর্ট’ করার দায়িত্ব পুলিসের উপর ন্যস্ত করেছে। আদালতকে এড়িয়ে পুলিশকে এই গুরুদায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের আমরা বিরোধিতা করি। আমাদের আশঙ্কা এই নীতি লাগু হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর একতরফা আক্রমন নেমে আসবে। যেহেতু হিন্দু, বৌদ্ধ,জৈনদের ডিপোর্ট করা হবেনা, তাই আমাদের আশঙ্কা এই আটক শিবির নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে টার্গেট করে করা হয়েছে। এই ভাবে ভয়,ভীতি, বিভাজনের একটি বাতাবরণ তৈরি করা বর্তমান শাসক গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য। লক্ষ্যনীয় যে অবাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনও ব্যবস্থার কথা কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।
সংগ্রামী গণমঞ্চের পক্ষ থেকে এই রাজ্যের সমস্ত গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে এই hOn হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এছাড়া, বাদ যাওয়া সমস্ত ভোটারদের নাম ভোটার লিস্টে তোলার প্রক্রিয়া দ্রুত সমাপ্ত করারও দাবি জানানো হচ্ছে।
সম্পাদকমণ্ডলী
সংগ্রামী গণমঞ্চ











