Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে ……(৫ ও ৬)

feature 5 6
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • July 19, 2026
  • 6:13 am
  • 3 Comments

এক সময় খবরের কাগজের অনেক খবরের ভিড়ে ছোট্ট কয়েক কলমের কিছু বিজ্ঞাপন থাকতো যার শিরোনাম — নিরুদ্দিষ্টের প্রতি পত্র অর্থাৎ বাড়ি থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষের উদ্দেশ্যে চিঠি। সেই বিজ্ঞাপন জুড়ে লেখা হতো আবেগঘন কিছু কথা যেমন –বাবা ভোম্বল, তুমি কোথায় আছো জানাও। তোমার চিন্তায় মা শয্যাশায়ী। টাকার প্রয়োজন হলে জানিও। শীঘ্রই বাড়ি ফিরে এসো – বাবা।

এমনতরো বিজ্ঞাপন আজ‌ও নিশ্চয়ই ছাপা হয় তবে এই বুড়ো বয়সে এসে কিশোর বেলার উৎসাহে ভাটা পড়েছে,তাই কাগজের আনাচেকানাচে চোখ বুলিয়ে তেমন কিছু আজ আর খোঁজা হয়না। তা বলে কি মানুষের নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে? উঁহু, তেমনটা মোটেই নয়। আমাদের চারপাশের কতকিছুই তো প্রতিদিন নজর এড়িয়ে হারিয়ে যাচ্ছে। সেসব আবার কোনো এক কালে ফিরে আসবে তেমনটাও বুঝি নয়। যদি ফিরে আসে বা তার দেখা মেলে হঠাৎ করেই , তা হলে কিন্তু রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যাবে। প্রাণিজগতে কিন্তু এই হারিয়ে যাওয়া আর আবার ফিরে আসার লীলাখেলা চলতেই থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। অতিকায় ডায়নোসরদের কথাই ধরা যাক। জুরাসিক যুগের সেই দানবাকৃতির সরীসৃপের দল পৃথিবী জুড়ে হাঁপিয়ে দাপিয়ে একসময় রঙ্গমঞ্চ ছেড়ে রীতিমতো বেপাত্তা হয়ে গেল। অতীতে এভাবেই পৃথিবীর বিস্তীর্ণ অংশের বিপুল সংখ্যক জীববৈচিত্র্য হারিয়ে গেল চিরকালের মতো। অবশ্য বিলুপ্ত হ‌ওয়া এবং হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। যে নিরুদ্দিষ্টের প্রতি অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো, তাদের অনেকেই হয়তো আবার চুপচাপ স্বগৃহে প্রত্যাবর্তন করতো। ফিরে আসার পর স্বাভাবিক ভাবেই তাদের নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যেতো।

জীবজগতের ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটে। হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়া প্রাণিদের দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে খুঁজে পাওয়া গেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানকারী গবেষকরা। এমন‌ই কিছু হারিয়ে যাওয়া প্রাণি এবং তাদের খুঁজে পাওয়ার কথা নিয়েই এই পর্বের আলোচনা। মোট ছয়টি পর্বের এই আলোচনার আজ পঞ্চম ও ষষ্ঠ পর্ব। আজকের অতিথি দুটি সামুদ্রিক সাপ – Leaf Scaled Sea Snake এবং Short Nosed Sea Snake.হারিয়ে গিয়েও আবার নতুন করে ফিরে আসা প্রাণিদের নিয়ে গপ্পোকথার একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে আমরা আজ আলোচনা করবো দুটি সরীসৃপ প্রসঙ্গে। সুদূর অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের সমুদ্র জলের দুই অতিথি – Leaf Scaled Sea Snake এবং Short Nosed Sea Snake — হাজির আজকের এই আলোচনা সভায়।

সাপ – এই নামটা শুনলেই আমাদের শরীরে শিহরণ জাগে, অল্পেতেই আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ি আমরা। অথচ আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে সাপ‌ও কিন্তু সমান ভাবে আমাদের ভয় পায়, এড়িয়ে চলতে চায় মানুষের সান্নিধ্য। আমাদের রাজ্যে প্রতিবছর বেশ কিছু মানুষের জীবনহানির কারণ সর্পাঘাত। শুনতে অবাক লাগলেও একথা একেবারেই ১০০% সত্যি যে দুনিয়ার সমস্ত সাপেদের মধ্যে মাত্র ১০% সাপ বিষধর , আর বাকি সবাই নির্বিষ। ডাঙায় থাকা সাপেদের পাশাপাশি সমুদ্রের জলকে বিচরণক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে বেশ কয়েক প্রজাতির সাপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে এই সাপেদের অনেকেই অত্যন্ত বিষধর।এই সুযোগে আমাদের ঘরের কাছের দীঘার কথা বলি। কিছুদিন আগে দীঘার সমুদ্র সৈকতে এক বিষধর সমুদ্র সাপের দেখা মিলেছিল। নাম Yellow Bellied Sea Snake – হলুদ পেটের সমুদ্র সাপ। দেখা মিলতেই এমন হৈচৈ শুরু হলো যে বেচারা এলাকা ছেড়ে পগারপার। কোনো কারণে এসে পড়া এমন প্রাণিরা অধিকাংশ সময়েই মানুষের বিভ্রমের শিকার হয়। এভাবেই আমাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হয় প্রাণিদের।

আমাদের আজকের দুই অতিথি যেহেতু সরীসৃপ গোষ্ঠীর Sarpentes পরিবারের সদস্য সেহেতু তাদের আবির্ভাব তথাকথিত সুবিশাল সরীসৃপদের বিবর্তনের মধ্য দিয়েই ঘটেছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। সাপেদের পা নেই। ঠিক কবে এই পদস্খলন হলো তা নিয়েও রয়েছে নানান কথা। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে লিজার্ড বা টিকটিকিরাই হলো সাপেদের নিকটতম আত্মীয়। বিবর্তনের জটিল পথ বেয়ে লিজার্ডদের একাংশের রূপান্তর ঘটেছে সাপে। তবে বিতর্কের এখানেই শেষ নয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন জুরাসিক যুগেই জলচর লিজার্ড অথবা মাটিতে গর্ত খুঁড়ে থাকা লিজার্ডদের থেকেই সাপেদের আবির্ভাব ধরিত্রীর রঙ্গমঞ্চে। এ পর্যন্ত পাওয়া জীবাশ্ম নমুনা দেখে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে আনুমানিক ১৪৩ থেকে ১৬৭ মিলিয়ন বছর আগে সরীসৃপের একটি শাখা সাপের চেহারা পায়। তবে Cretaceous- Paleogene Extinction Event এর পরবর্তী সময়ে নতুন চেহারায় ফিরে এলো অহিকুল। এসব অবশ্য আজ থেকে প্রায় ৬৬ থেকে ৫৬ মিলিয়ন বছর আগের কথা। আন্টার্কটিকা বাদে আর সব মহাদেশেই সাপেদের দেখা মিলবে। ডাঙার মতো জলেও রয়েছে সার্পেন্টেস পরিবারের সদস্যরা।আমাদের আজকের অতিথি দুজন সমুদ্রের আবাসিক দুই বিষধর সামুদ্রিক সাপ। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের উপকূলীয় এলাকায় একসময় এই দুই সাপ – Leaf Scaled Sea Snake এবং Short Nosed Sea Snake – দাপিয়ে বেড়াতো। এমনিতেই অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র বিষধর সাপের হট স্পট। প্রায় ৩৫ রকমের সামুদ্রিক সাপের দেখা মিলবে এখানে। উপকূলীয় কোরাল বা প্রবাল ভরা অগভীর সমুদ্রের অবস্থানের কারণে খুব সহজেই মিলে যায় তাদের নিরাপদে বসবাসের সুযোগ। এভাবেই সমুদ্র সাপেদের একটা বড়ো অংশের আবাসস্থল হিসেবে গড়ে উঠেছে এই মহাদেশ।প্রাকৃতিক সুবিধার দৌলতে Aipysurus foliosquama বা Leaf Scaled Sea Snake রা অস্ট্রেলিয়ার উত্তর পশ্চিম উপকূলবর্তী Timor Sea এর Ashmore Reef ও Hibernia Reef অঞ্চলের অগভীর সমুদ্রে বসবাস করতো। ১০ মিটারের বেশি গভীর সমুদ্রে এদের কখনোই দেখা যায়নি। গায়ের খোলসের ওপর থাকা আঁশগুলো পাতার মতো দেখতে বলে এদের এমন নামকরণ। ১৯২৬ সালে প্রথম এই সাপের দেখা মিলেছিল ওই প্রবাল ভরা অগভীর সমুদ্রের অংশে। লম্বায় প্রায় ৬০ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার এই সাপের শরীরের ওপরের অংশের রঙ গাঢ় লালচে বাদামি কিংবা পার্পেল , সঙ্গে কালচে লাল ডোরাকাটা। শরীরী গঠনের দিক থেকে অভিন্ন হলেও স্ত্রী সাপেরা দৈর্ঘ্যে কিছুটা লম্বা হয়ে থাকে। লেজের চ্যাপ্টা গড়নের কারণে সমুদ্র সাপেরা সহজেই জল কেটে সাঁতার কেটে চলতে পারে।এবার আসি Short Nosed Sea Snake দের কথায়। আগেই বলেছি যে অস্ট্রেলিয়ার উত্তর , উত্তর পশ্চিম প্রান্ত ভাগের সমুদ্র হলো বিষধর সামুদ্রিক সাপের আঁতুরঘর। এখানেই দেখা যেত Leaf Scaled দের দোসর ছোট নাক‌ওয়ালা সাপ বা Short Nosed Sea Snake দের। ১৯২৬ সালেই এদের সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। Aipysurus apraefrontalis বৈজ্ঞানিক পরিচিতির আড়ালে থাকা ছোট নাকের Short Nosed Sea স্নেকরা Sahul Reef Snake নামেও পরিচিত। নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে এই প্রজাতির সাপেরা একান্ত ভাবেই প্রবাল সমুদ্রের বাসিন্দা। বৃটিশ সর্পবিদ বা herpetologist Malcolm Arthur Smith প্রথম এদের দেখা পান ওই টীমর সাগরের জলে। কালচে রঙের এই সাপেরা তার দোসর লিফ স্কেলডদের মতোই ৯০ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি লম্বা।

১৯৯৮ সাল অবধি লিফ স্কেলডদের এবং ২০০২ পর্যন্ত শর্ট নোজ সমুদ্র সাপেদের কমবেশি নিয়মিত দেখা মিললেও তার পরবর্তী সময়ে এরা প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়। Timor Sea র প্রবাল ভরা অগভীর সমুদ্র তন্নতন্ন করে খুঁজেও দেখা মেলেনি লিফ্ স্কেলড বা শর্ট নোজ সমুদ্র সাপেদের। বিজ্ঞানীরা পড়লেন মহা দ্বন্দ্বে। সাপগুলো তাহলে গেল কোথায়?এদের হারিয়ে যাবার বিষয়টিকে নানান ভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেন বিজ্ঞানীরা। কেউ কেউ রোগভোগের কারণ দেখালেন, কেউ বললেন বসতি অঞ্চলের পরিবেশের ভারসাম্যহীনতার কথা, কিন্তু কোনো ব্যাখ্যাই খুব নির্ভরযোগ্য

বলে মনে হয়নি। পরিশেষে ২০০৯ সালে একরকম হাল ছেড়ে দিয়ে বিজ্ঞানীরা সাপ দুটিকে অত্যন্ত বিপন্ন বলে ঘোষণা করে দায়মুক্তির চেষ্টা করলেন। কিন্তু মন তো মানে না।

ছয় বছর পর ২০১৫ সালে আবার অভিযানে বেরিয়ে পড়লেন বিজ্ঞানীরা। সমুদ্রের ওপরের অংশের জলে তাদের দেখা না পেয়ে এবার খোঁজ শুরু হলো সমুদ্রের গভীরতর অঞ্চলে। Ashmore Reef এর প্রায় ৬৭ মিটার নিচের গোধূলি ছায়া অংশে কিছু শর্ট নোজ সাপের দেখা মিললো। নতুন আশায় বুক বাঁধতে শুরু করলেন বিজ্ঞানীরা।অনুসন্ধানের ব্যাপ্তি বাড়লো। অবশেষে দুটি সাপের অস্তিত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হলেন যখন তাঁরা লিফ স্কেলডদের খুঁজে পেলেন এ্যাশমোর ও হাইবারনিয়া রিফের চেনা এলাকা থেকে প্রায় ১১০০ মাইল দূরে অবস্থিত শার্ক বে ( Shark Bay ) অঞ্চলে এবং শর্ট নোজদের দেখা মিললো চেনা এলাকা থেকে ৯৩০ মাইল দূরে অবস্থিত নিন্গালু রিফের ( Ningaloo Reef )  লাগোয়া এলাকায়। স্বস্তি ফিরে পেলেন বিজ্ঞানীরা। প্রবাল দ্বীপের খাঁজের ফাঁকফোকরে থাকা লিফ স্কেলডরা তাদের সাবেকি এলাকা থেকে সরে গিয়ে আবাস এলাকা হিসেবে বেছে নিয়েছে ঘাসে ঢাকা উপকূলীয় অঞ্চলে।

বিজ্ঞানীদের কাছে এও এক গোলকধাঁধার মতো।তবে কাহিনি এখানেই শেষ নয়। নিন্গালু রিফের থেকে ধরে নিয়ে আসা শর্ট নোজদের পরীক্ষা করে দেখা গেল যে সেগুলো এতোদিনের চেনা শর্ট নোজ সমুদ্র সাপ নয়। একদিকে নতুন কিছু পাওয়া, অন্যদিকে এতোদিনের চেনা বন্ধুকে হারিয়ে ফেলা? নতুন চেহারায় খুঁজে পাওয়া প্রজাতিটিকে নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর বিজ্ঞানীরা জানালেন এটি একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির সমুদ্র সাপ। নাম Ningaloo Sea Snake , বৈজ্ঞানিক নাম Aipysurus

s p.। অবশেষে প্রকৃত শর্ট নোজদের দেখা মিললো এক গভীর সমুদ্র অভিযানের সময়। বিজ্ঞানীরা এবার বেজায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই ভেবে যে হারিয়ে যায়নি কেউই। কেবল বাসা বদল করেছে।

আমার কথাটি ফুরলো

টানা পাঁচটি লেখায়  আট দশকেরও বেশি সময় ধরে আমাদের মধ্যে অনুপস্থিত ছয় ছয়টি হারিয়ে যাওয়া প্রাণিকে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে আবার খুঁজে পাওয়ার কাহিনি প্রকাশিত হলো। এই কিস্তির লেখায় দুই সাপের কথা বলা হয়েছে।আলোচ্য লেখাগুলো লিখতে বসে অনেকটা পড়াশোনা করতে হয়েছে কেননা প্রাণিবিদ্যা আমার অধিগত নয় যদিও এদের সম্পর্কে জানতে ও শুনতে আমি ভীষণ আগ্রহী। এদের খোঁজে কাগজ কলম নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে নতুন নতুন দেশ ঘুরে বেড়ানো হলো। এই মুহূর্তে এটাই আমার পরম পাওয়া। এ ধরনের লেখা পাঠকদের অনুগ্রহ খুব বেশি পায়না। এই ধারাবাহিকটির ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে বলে আমার কখনোই মনে হয় নি। তবুও যাঁরা লেখাগুলো পড়েছেন এবং মতামত জানিয়েছেন তাঁদের সকলকেই নমস্কার জানাই। ধন্যবাদ জানাই পত্রিকার পরিচালকমন্ডলীকে এই পত্রিকার পাতায় আমাকে এই লেখাগুলো প্রকাশ করার সুযোগ করে দেবার জন্য।ভালো থাকবেন সবাই সবসময়। আর ভালো রাখবেন আমাদের পরিবেশকে।

জুলাই ১২, ২০২৬

PrevPreviousএই হল মোদির ভারত!
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
4 hours ago

Opurbo shundor lekha ! Chhobir moto sab shamney bheshey uthlo jano! Jeney bhalo laglo, jey era keu hariye jay ni, sthan badal korechey matro. Prokriti ebhabeyi bhalo thakuk. Aro ei dhoroner lekha pathan !

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
4 minutes ago

গত ১৬ ই জুলাই ছিল আন্তর্জাতিক সর্প দিবস। প্রায় কাছাকাছি সময়ে এই লেখাটি প্রকাশিত হ‌ওয়ায় বেশ ভালো লাগছে। এই মুহূর্তে এদের ফিরে আসায় আমরা খুশি, কিন্তু মাথায় রাখতে হবে যে আমাদের কৃতকর্মের ফল ভুগতে হচ্ছে এইসব সংখ্যায় কমে আসা প্রাণিদের। সর্ব স্তরের সচেতনতাই পারে এদের টিকিয়ে রাখতে। মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

0
Reply
Sugata Bhattacharjee
Sugata Bhattacharjee
2 hours ago

এই ধরনের প্রবন্ধ খুব সচরাচর চোখে পড়ে না। তাই লেখাটি বেশ অন্যরকম আর আকর্ষণীয়। খুব ভালো লাগলো পড়ে। সাপেদের ভিটে বদলানোর ব্যাপারটাও বেশ মজার। ধন্যবাদ দাদা লেখাটির জন্যে।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

এই হল মোদির ভারত!

July 19, 2026 1 Comment

একদিকে দিল্লির যন্তর মন্তরে – প্রচন্ড গরমে, খোলা আকাশের নিচে বসে আছে দেশের লক্ষ লক্ষ বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত ছাত্রছাত্রী। যাঁদের জীবন যৌবন

Najma’s Bitto and Bitto’s Najma

July 19, 2026 No Comments

Najma’s Bitto Sometimes, or rather many times, memories, thoughts and experiences lie quietly tucked into a forgotten corner of the mind’s closet for years together,

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আজ শুধু একটি রাজনৈতিক দাবি নয়

July 18, 2026 No Comments

এই মুহূর্তে গোটা দেশ ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মগ্ন। অথচ ঠিক এই সময়েই দেশের রাজধানী দিল্লিতে ১৮ দিনের অনশনের পর প্রায় নিঃশব্দে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলেছেন

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে

July 18, 2026 No Comments

নীলাঞ্জন দত্ত স্মরণে

July 18, 2026 1 Comment

নীলাঞ্জন দত্ত আর নেই।সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী,সুলেখক– অসম্ভব গুণী মানুষ। বহু মিটিং, একসাথে চলার স্মৃতি ভিড় করে আসছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। চলার পথে অনেক সময়

সাম্প্রতিক পোস্ট

আবার ফিরেছে ওরা ধরণীর নীড়ে ……(৫ ও ৬)

Somnath Mukhopadhyay July 19, 2026

এই হল মোদির ভারত!

Parichay Gupta July 19, 2026

Najma’s Bitto and Bitto’s Najma

Dr. Vikas Bajpai July 19, 2026

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আজ শুধু একটি রাজনৈতিক দাবি নয়

West Bengal Junior Doctors Front July 18, 2026

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে

Abhaya Mancha July 18, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

651733
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]