য়োগা দিনে যোগ দিন,
প্রচারিত রাতদিন
ফেসবুক ভরে ওঠে য়োগা-চারী ছবিতে,
মুখেতে স্মাইলি এঁকে ,
নানা ‘আসনা’তে বেঁকে
প্রত্যেকে বলে হেঁকে য়োগা রাখি হবি’তে
কারো দাবী দৈনিক
য়োগা করে রই ঠিক
কেউ বলে করে থাকি প্রতি শনি রবিতে,
মনে হয় উচ্ছাসে
য়োগা প্রতি প্রশ্বাসে
স্কুলে শিখে ভুলে যাওয়া শেখেইনি ভবিতে।
জুন যেই বাইশে,
ফটো আর নাই সে,
য়োগা আটকে থাকে য়োগা-ডে’র শংসায়
ম্যাটগুলো গুটিয়ে
তাকে রাখা উঠিয়ে
কোটি থেকে য়োগা-চারী শ’য়ে নামে সংখ্যায়
সত্যি সুস্বাস্থ্য
যদি ভালোবাসতো,
একদিন ফটোশ্যুটে দিতো এত সঙ সায়?
ব্যায়াম তো একলাই,
সেজেগুজে এক-ঠাঁই
হয়ে তোলা য়োগা পোজ-এ ফল লবডংকায়।
নীলমণি দাসকে
চেনে আজ খাস কে,
বাংলার ঘরে ঘরে ছিলো বই পোস্টার,
বিনা কোনো ভাষণে
মন যেতো আসনে,
গেমস-স্যার সারাতেন নানাবিধ দোষ যার
হতো প্রতিযোগিতা
য়োগা না, যোগই তা,
আজকের জমানায় সে ব্যায়াম লস্ট আর্ট
আজ তো পুজোর মতো
ছবি তোলা বাধ্যত,
একখানা দিন মোটে টিকে থাকে জোশ তার।
ভক্তি কর্ম জ্ঞান
যেই যোগে লাগে ধ্যান,
নিভৃতে যা করণীয় , কেউ করে খোঁজ তার?
সেই যোগ- দর্শন
করে না আকর্ষণ,
কে দায়ী হুজুগে ফাঁপা এই দুরবস্থার?
হে অতীত ভোলা দেশ, বলো এতে দোষ কার?











