Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

স্বাধীনতা তুমি কার?

freedom
Sanjoy Mukherjee

Sanjoy Mukherjee

Writer, journalist
My Other Posts
  • August 16, 2026
  • 7:11 am
  • No Comments

যে দেশে কবিতা লিখলে বারবার জেল খাটতে হয় বছরের পর বছর, যে দেশে আইনি অধিকারের কথা বললে দেশ বিরোধী বানিয়ে জেলে ভরিয়ে রাখে রাষ্ট্র নিজেই, আর দেশ শাসনের জন্য আইনসভায় আলো করে থাকেন খুন ধর্ষণ জালিয়াতির অপরাধে অভিযুক্ত শত শত মুখ, তারাই তো স্বাধীন দেশের জনপ্রতিনিধি। যে নিজের নাম পড়তে পারে না, সেই তো এই দেশের মন্ত্রী! আর পি এইচ ডি ছেলে সুইপার হতে লাইন দেয় !

স্বাধীন দেশের আটাত্তর বছরে আমরা এভাবেই এগিয়ে চলেছি।

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি !

স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন দেশের মানুষই করে। কিন্তু তার মানে কি জানে? সেই কবে এদেশেরই এক ফকির সন্ন্যাসী বলেছিলেন, উপযুক্ত না হলে, স্বাধীনতা আন্দোলন করে কিছুই বদলাবে না। স্বাধীন হয়ে দেশটাকে চালানোর ক্ষমতা হবে? সবার আগে চাই শিক্ষা! আগে তোরা মানুষ হ’ !

সেই সন্ন্যাসীর ছবিতে মালা দিয়ে তাঁর জন্মদিনকে জাতীয় যুব দিবস বানিয়ে দিয়েছে সরকার, কিন্তু ছাত্র যুব’ র শিক্ষা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। ৯৩ হাজারের বেশি সরকারি স্কুল বন্ধ, কেন্দ্রীয় সরকারের বোর্ড তুলে দিচ্ছে বই, পরীক্ষার দুই মাস আগেও ঘোষিত পাঠ্যক্রম নেই, ফল বেরোলে দেখা যায় অন্যের নম্বর নিজের মার্কশিট ভরিয়ে দিয়েছে !

তারপর? সেই মার্কশিট হাতে নিয়ে দোরে দোরে ঘুরে বেড়ানো। বাপের ধার করা কিংবা জমি বেচে, বাড়ি বন্ধক লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে ভর্তি, তারপর? লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলেদের মেয়েদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া। শেষে পেটের তাড়নায় যাহোক কোথাও চুক্তি শ্রমিক হয়ে বারো ঘণ্টা খাটা! এই স্বাধীনতা দিবসেও চাকরি করছে এমন লক্ষ লক্ষ কর্পোরেট দাস!

আজ দেশ স্বাধীন। ৭৯ বছরে পা দিল। তবু যুব সমাজ পথ খুঁজে পায় না। জানেই না কোন পথে জীবনটা চলবে ! কেন?

দেশের মানুষকেই ঠিক করতে হবে। ফের কোথা থেকে, কবে থেকে শুরু করা উচিত। যে দেশে ভূমি সংস্কার ছাড়া পঞ্চবার্ষিকী উন্নয়ন হয়, গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতার সৌধে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নিমেষে বদলে ফেলেন শিবির, এই গণতন্ত্র তো নিজেই এখন “খতরে মে”! টাকা, গুলি, বন্দুক, ভয় দেখিয়ে ছাপ্পা দিয়ে জেতার দিন ফুরিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট বিচার করে ডেটা এনালাইসিস করে বিরোধী ভোটার চিহ্নিত করে তাদের নীরবে বাদ দিয়ে ভোট হয়। নির্বাচনের প্রহসন!

নিজ ভূমে জন্ম নেওয়া কোটি কোটি মানুষ স্বাধীনতার দিবসেও বে-নাগরিক হওয়ার আশঙ্কায়। চোদ্দ পুরুষের ভিটে, বৈধ নাগরিক হওয়ার সমস্ত কাগজ-প্রমাণ দেখিয়েও সে হারায় অধিকার। ‘সার’ প্রয়োগ করে বাছাই করার পরেও ভোটার তালিকায় যাঁর নাম রয়েছে, তাঁকেও রাস্তা থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে বাংলাদেশে চালান করে বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়েই। স্বাধীন নাগরিককে এভাবে ভিন দেশের লোক বলতে লজ্জা পায় না দেশের সরকার। উল্টে এর মধ্যে কৃতিত্ব অনুভব করে। বলে, প্রমাণ দাও তুমি এই দেশের নাগরিক, তবে তো তোমাকে তোমার দেশে ঢুকতে দেব! কিন্তু নিজেই কোনো নাগরিককে এখনও এমন কিছু দেয় নি যার সত্যতা সে নিজেই চ্যালেঞ্জ করে না। কী স্ববিরোধিতা। এরই নাম স্বাধীনতা?

এ দেশে স্বাধীনতা তাই কার?

দেশের “স্বাধীন” যাত্রা আসলে একটা কানা গলিতে চোখে ফেট্টি বেঁধে মুক্ত আকাশ খোঁজার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে! শাসক কেড়ে নেয় নাগরিকের অধিকার, কর্পোরেটের দাস বানাতে কেড়ে নেয় শ্রমিকের অধিকার। সবই ঘটে “উন্নয়নের জন্য”। সংস্কারের নামে।
নাগরিক সরকারের সমর্থক হলেই দেশভক্ত। নইলে সরকারের চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করলেই সে “দেশ দ্রোহী”। ৭৮ বছরেও সংবাদ মাধ্যম স্বাধীন হয়ে লিখতে পারে না। সাধারণ মানুষ তো কোন ছাড়!

গত ৭৮ বছর উন্নয়নের মহান ইতিহাস। জল জঙ্গল জমি থেকে মূলনিবাসী মানুষকে তাড়িয়ে কর্পোরেট শিল্পপতিদের হাজার হাজার কোটি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। রাস্তা সেতু বাঁধ তৈরি করে উন্নয়নের নামে ১০ লক্ষ নাগরিক হয়েছে ছিন্নমূল। তাদের ঘর কেড়ে নিয়ে রাস্তায় নামিয়ে দাঁড় করিয়েছে রাষ্ট্র, কিন্তু আদালতের নির্দেশ সত্বেও পুনর্বাসন দেয়নি। তারা এখন নিজভূমে স্বাধীন দেশেই পথের ভিখারি। এ দেশে ছাড় পান ঋণ নেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা তছরুপ করা ধনকুবের। শিল্পপতিদের ছাড় দেওয়া হয় প্রতিটা বছরে। আইন সংশোধন করে বলা হয়েছে, ব্যাংক থেকে জনগণের করের টাকা আত্মসাৎ করলে সেটা ক্রিমিনাল অপরাধ নয়, তবে তাদের আত্মসাতের জন্য যদি ব্যাংক উঠে যায়, সাধারণ মানুষের কষ্টের টাকা খোয়া যায়, সেটার জন্য তাদের দায় দেওয়া যাবে না। স্বাধীন দেশে সত্যিই আমরা এত নিরাপদে আছি যে, লকারে যাই – ই রাখি, সেটা চুরি গেলে, সেটার দায় ব্যাংক নেবে না। রাষ্ট্র কোনো ক্ষতিপূরণ দেবে না।

সামান্য চুরি থেকে খুন হয়ে যাওয়া, কোনো কিছুতেই নিরাপত্তা দিতে পারে না সরকার, অথচ অনুপ্রবেশকারী ঢুকে দেশের নিরাপত্তা বিপন্ন করছে বলে চেকিং করার নামে কোটি কোটি দেশবাসীর নাম কেটে দিচ্ছে ভোটার তালিকা থেকে।

সত্যিই, এ কেমন রঙ্গ ! দেখো না ঘুরে বঙ্গ!!

অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হারে ভারত এখন বিশ্বে ছয় নম্বরে। কিন্তু কৃষক আত্মহত্যায় সারা পৃথিবীতে প্রথম স্থানে। মহারাষ্ট্র আর কর্নাটকের মতো সেই দুটো রাজ্যে সব থেকে বেশি কৃষকের আত্মহত্যা, যে দুটি রাজ্যে এই দেশের সব থেকে বড় শিল্প উন্নয়ন। সেই মহারাষ্ট্র আর কর্নাটকেই সব থেকে বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে সব থেকে বেশি চাকরি হারা শ্রমিক। তারপরেও দেশের মানুষ ভাবে, কেন তাদের রাজ্য মহারাষ্ট্র বা কর্ণাটক হল না! দেশের মানুষকে চাঁদে পাঠানোর জন্য অভিযান চালায় সরকার, অথচ ঘরে ঘরে দূষণমুক্ত পানীয় জল দিতে পারে না!

তবু দেশটাকে গুজরাট বানানোর নাম করে উত্তর প্রদেশের মতো সব রাজ্যেই বুলডোজারের রাজ কায়েম করানো হচ্ছে! ভাত দিতে পারে না যে সরকার, তারাই মাথার উপর ছাদ কেড়ে রাস্তায় ভিখারি বানানোর জন্য বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করে।

এসবই হয় স্বাধীন দেশে উন্নয়নের স্বার্থে। স্বাধীন নাগরিক সেটাই মেনে নেয় !

কোনো আগাম নোটিস ছাড়াই শত শত দোকান, বসতবাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া চলছে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে।
এ সবই স্বাধীনতার মহান প্রাপ্তি!

তবু ১৫ আগস্ট তো বলতে হবে মেরা দেশ মহান।
নইলে সে গদ্দার, চিন কিংবা পাকিস্তানের চর। সরকারের নীতির ভুল ধরে কথা বলে যে বুদ্ধিজীবী বা সাংবাদিক, সে “ডিপ স্টেট” এর এজেন্ট। সাধারণ মানুষকে যে সরকার বোকা বানায়, বেকার বানায়, বেগার বানায়, সে দেশপ্রেমী সরকার! আর সেই আমজনতা বেকারি, দরিদ্র অসাম্য দূর করতে রাস্তায় মিছিল করলেই সে হয়ে যাবে দেশদ্রোহী!

৭৯ তম স্বাধীনতা দিবসে বাড়ছে ভুখা, ক্ষুধা ৭৯ কোটি মানুষের, তারা বেঁচে আছে পাঁচ টাকার চাল গম নিয়ে অন্তোদ্যয় যোজনার কল্যাণে, আর তিরিশ কোটি নিম্ন মধ্যবিত্ত দেওয়ালে পিঠ দিয়ে, কেউ অটো টোটো রিকশা ঠেলা চালক, কেউ হাটে মাঠে ঘাটে শ্রম দিয়ে দিন আনি দিন খাই সংগ্রামে আর বাকি ৩০ কোটি সম্পন্ন মধ্যবিত্ত। কেউ সরকারি বা কর্পোরেট চাকুরে, কিংবা ব্যবসায়ী। তাদের ব্যাংক উপচে পড়ছে! সরকার মাসে দশ হাজার টাকা আয় হলে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ভাতা দেবে না, অথচ মাসে লাখ টাকা বেতন যাঁরা পায় তাঁদের জন্য পে কমিশন বসিয়ে বেতন বৃদ্ধি করছে। এই দেশে স্বাধীনতা এই শ্রেণির। স্বাধীনতার সেলিব্রেশন করে তারাই আমাজনের বিগ ডিসকাউন্ট সেলে। তারা লাফায় সেনসেক্স লাফালে, তারাই সত্যিকারের স্বাধীন, তারা তো বলবেই জয় ভারতমাতা কি জয়!
জয় হিন্দ!

এদিকে প্রতি দিনে ৮৬ জন বাবা থানায় এসে দাঁড়ায় মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে অভিযোগ নিয়ে। এই হিসেবটা তরতর করে বাড়ছে। এই সমাজে বোবা মেয়ের দল মুখ লুকিয়ে বাঁচে।

১৫ আগস্ট এলেই আকাশে বাতাসে বাজে — মা তুঝে সালাম!

হাইকোর্টের বিচারপতির বাড়িতে, মন্ত্রীর বান্ধবীর বাড়িতে বস্তা বস্তা কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়।
কেউ শব্দ করে না। গণতন্ত্র চলছে! সংখ্যাগুরু কেড়ে নিতে উদ্যত সংখ্যালঘুর অধিকার!
আটাত্তর বছর পর স্বাধীন ভারতে মানুষের ভরসা এখন আদালত! তবু ভালো লাগে ভাবতে, আমরা স্বাধীন!

দিকে দিকে আরশোলারা বেরিয়ে আসছে …
এটাই অনিবার্য ছিল।
পেলেট গানের মুখে দাঁড়িয়ে তারাই প্রশ্ন তুলছে
স্বাধীনতা এদেশে কার?

ছবি সৌজন্যে: বন্ধুশিল্পী কৃষ্ণজিৎ সেনগুপ্ত

PrevPrevious‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

August 16, 2026 No Comments

“আজ চোদ্দই আগস্ট/ “আজ পাথর ভাঙার কোরাস গাইছে রাত/ রাতের গায়ে লক্ষ আলো/ রাতের গায়ে আগামী আজাদি/ রাতের গায়ে আর্তনাদ” (অদিতি বসু রায়) দু’বছর আগে

নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক নার্সের মৃত্যু

August 16, 2026 No Comments

১৪ আগস্ট ২০২৬ এ বড় শোকের সময়। নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শৌচাগারে এক নার্সের মৃত্যু আবারও অনেক যন্ত্রণা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা এখনও

কবে জেলে যাবেন শাস্তি পেয়ে?

August 15, 2026 No Comments

একটা প্রবাদ আছে ‘Never judge a book by its cover’. যা সামনে দেখা যাচ্ছে তাকেই সত্যি বলে মেনে নিলে খুব মুশকিল!! কিছুদিন আগে প্রাক্তন ‘যুবরাজ’

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন

August 15, 2026 No Comments

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন বলাই ফ‍্যাশন যেই নাগরিক চাইবে হক মূল মিডিয়াও ওদিক ঘেঁষান, ‘বিষ মেশানোর তৈরি ছক’.. কেউ খুঁজে পান পাক-চিনী আর কেউ বা হাঁকেন ‘ মার্কিনী’

ইয়া বড় ডাক্তার

August 15, 2026 No Comments

সোশ্যাল মিডিয়া আসার পর ছোট-মাঝারি ডাক্তার আর বড় ডাক্তার নিয়ে এক ধরনের সোশ্যাল ছ্যাবলানি সারাক্ষণ সহ্য করতে হয়। এটা যে আগে ছিল না, তা নয়

সাম্প্রতিক পোস্ট

স্বাধীনতা তুমি কার?

Sanjoy Mukherjee August 16, 2026

‘উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব উদয়গিরিভালে’

Gopa Mukherjee August 16, 2026

নীল রতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক নার্সের মৃত্যু

Abhaya Mancha August 16, 2026

কবে জেলে যাবেন শাস্তি পেয়ে?

Dr. Amit Pan August 15, 2026

অ‍্যান্টি-ন‍্যাশন

Arya Tirtha August 15, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

662058
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]