চায়ের কাপে ছাইরঙা ভোর,
ঝাপসা কাঁচে জলকবিতা,
তুমি তো খুব দূরের মানুষ,
মেঘের সঙ্গে কুটুম্বিতা।
কাটছিল বেশ। একলা বিকেল – কুড়িয়ে নুড়ি জীবনপথের,
মনখারাপি চরকাবুড়ি
বুনছিল জাল
নষ্ট চাঁদের।
বইছিল ঝড় শনশনিয়ে,
নদীর ঘাটে চকোর মিথুন।
রাখছিল ছাপ
আলোর গায়ে
জলের ছায়া, দুপুর নিঝুম।
শ্রাবণললিত ছন্দে নেচে
ঠিকরোলো রোদ নাকছাবিতে,
বাঁধভাঙা সাধ ভাসিয়ে এলে
আবাদ করতে মনের ভিটে।
এই তো এলে, মুশকিল আসান –
বিন কেতাবের
আখরমালা।
শোক ভুলোনো এক মুসাফির,
মেঘের দেশের
বারিশওয়ালা।
শিকলিবাঁধা মুনিয়া আমি,
রাখছি ঢেকে
ডানার ক্ষত –
দুই পাখাতে সূর্য ধরার
দেখছি খোয়াব, অসঙ্গত।
সাগরমিনার এক বাতিঘর,
দাঁড়িয়ে আছো
অন্তরীপে,
জ্বলছি আমি ছোট্ট শিখায় –
তুলসীমঞ্চে,
সন্ধ্যাদীপে।
এমনি করেই সাবধানী সুখ
রাখছে খবর দীর্ঘশ্বাসের,
শান্ত মাটির ইচ্ছে-জলে
অকিঞ্চিতের নৌকো ভাসে।










