২৭ অক্টোবর ২০২৬
দার্জিলিং জেলা- হাসপাতালে কর্মরত দু জন নার্স ডিউটি চলাকালীন আক্রান্ত। এই ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। নার্সরা একটি হাসপাতালের মেরুদণ্ড বলে আমরা মনে করি। তাদের নিরাপত্তা ইতিপূর্বে বারবার বিঘ্নিত হতে দেখেছি আমরা।ডিউটি চলাকালীন কিভাবে এরকম ঘটনা ঘটলো, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছি।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, নিরাপত্তারক্ষীরা যথার্থ ভূমিকা গ্রহণ করলে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে না। যাঁরা দিনরাত কঠিন পরিশ্রম করে মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন, তাঁদের প্রাণ বাঁচানোর দায়, নিরাপত্তার দায় অবশ্যই প্রশাসনকে নিতে হবে। কোনোভাবেই এরকম অবাঞ্ছিত ঘটনা যাতে আর কোন হাসপাতালে না ঘটে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে। আক্রান্ত নার্সরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন, এই কামনা করি।
“অভয়া মঞ্চ” প্রতিটি হাসপাতালে নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ের লড়াইতে নার্সিং স্টাফদের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২৮ অক্টোবর ২০২৬
গাইঘাটায় এক ১৭ বছরের নাবালিকার হত্যার ঘটনায় আমরা শোকাহত এবং অত্যন্ত ক্রুদ্ধ।
আর জি কর, জয়গাঁ, নিউ টাউন, বারুইপুর, গাইঘাটা অগণিত নৃশংস ঘটনা। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিন নারী নির্যাতন, খুন ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। আমরা বারবার বলছি, ঘটনা ঘটার পরে নয় আগে আটকানো দরকার। ঘটনা ঘটবে কেন? গাইঘাটায় নিহত, আমাদের অসহায় মেয়েটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।
সাথে সাথে আমরা আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম বারুইপুর এবং গাইঘাটায় একেবারে একই রকম ভাবে, পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের এনকাউন্টার করা হলো। কি করে দুবারই অভিযুক্ত পুলিশের বন্দুক কেড়ে নিলো? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে, কে দোষী কি করে ঠিক করা সম্ভব? এনকাউন্টারে নিহত অভিযুক্ত ছাড়া আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা জানার জন্যও তো অভিযুক্তের বয়ান দরকার, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
প্রকৃত দোষী কে বা কারা, তা জানার জন্য দেশের সংবিধানকে মান্যতা দিয়ে সঠিক ন্যায়বিচার জরুরী। বারবার পুলিশের হাত থেকে বন্দুক কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও উদ্বেগজনক। আমাদের পুলিশ তো এত দুর্বল এবং অপটু নয়। তাহলে কি করে এমন হলো তার তদন্তও জরুরী। এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত আছে কিনা তা জানার জন্য, সঠিক তদন্তর দাবি জানাই।শেষে আবারও বলি মেয়েদের হারিয়ে যাওয়ার পরে নয় আগে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আমাদের মেয়েদের বাঁচাতেই হবে। সকলে সজাগ থাকুন, সতর্ক থাকুন। এই বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং দায় অবশ্যই প্রশাসনকে নিতে হবে। যে রাজ্যে নারী নির্যাতন দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে ওঠে, সেই রাজ্য ঘন অন্ধকারের পথে এগিয়ে চলেছে একথা যেন আমরা ভুলে না যাই।










