Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সামাজিক না শারীরিক?

IMG-20200420-WA0001
Dr. Asish Kumar Kundu

Dr. Asish Kumar Kundu

Physical Medicine & Rehabilitation Specialist
My Other Posts
  • April 20, 2020
  • 6:32 am
  • 5 Comments

শব্দ দুটি কি সমার্থক? অবশ্যই নয়! করোনা প্রকোপের পর আমাদের সরকারি সমস্ত বিজ্ঞপ্তি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলছে। শুধু আমাদের দেশে নয়, অন্যান্য দেশেও।

সামাজিক দূরত্ব মানে কি? একে অপরকে এড়িয়ে চলা। নিজ নিজ কুটিরে বন্দী থাকা। এই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কি একটা সমাজ টিঁকে থাকতে পারে? সমাজের ভিত্তিটাই ভেঙে পড়ে না?

শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা মানে এমন একটা দূরত্ব, যাতে রোগ না ছড়ায়। সাবধানতা অবলম্বন করেও সামাজিক থাকা যায়। হয়তো অনেকে লক্ষ্য করেছেন অতিসম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং-এর বদলে ফিজিক্যাল ডিস্ট্যান্সিং শব্দগুলো ব্যবহার করছে। কারণ হিসেবে বলছে সামাজিক দূরত্ব মানুষের মনের উপর চাপ সৃষ্টি করে। অনেকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে এক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ মানুষের বিপদে-আপদে এগিয়ে আসছেন না! কেউ মারা গেলে তাঁকে দাহ করতে বা কবর দিতে আত্মীয় প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসছেন না। কী দুঃসহ এই পরিবেশ!

অথচ আমাদের, বাঙ্গালীদের ব্যতিক্রমী একটা ইতিহাস আছে।

১৮৬৯-এ বর্ধমানের লাগোয়া অঞ্চলে ম্যালেরিয়া মহামারী রূপে দেখা দেয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় সোজা বর্ধমানে গিয়ে ডেরা বাঁধেন। সেখানে কিছুজনের সহায়তা নিয়ে একটা ক্লিনিক খোলেন এবং শয়ে শয়ে মানুষকে কুইনিন দিয়ে চিকিৎসা করেন। তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে কয়েক হাজার লোক ম্যালেরিয়াতে মারা যেতেন। একথা ইতিহাসের পাতা খুঁজলেই জানা যাবে।

১৮৯৮-এ প্লেগের মহামারীর সময় আজকের মতই ভয়ঙ্কর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন স্বামী বিবেকানন্দ প্লেগ নিয়ে এক ইশতেহার প্রকাশ করেন। তারপর মার্চ ১৮৯৯-এ ভগিনী নিবেদিতা ও স্বামী সদানন্দ প্লেগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন কিছু সঙ্গী-সাথী নিয়ে। মনে রাখতে হবে এটা ছিল বিউবোনিক প্লেগ অর্থাৎ এর সংক্রমণ ক্ষমতাও ছিল আজকের করোনার মত। প্লেগ রোগীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা, আশপাশের নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করা। অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করে। কথিত আছে ডা রাধা গোবিন্দ করের অসম্মতি সত্বেও নিবেদিতা এক বস্তিতে একটি প্লেগ আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে দুইদিন ছিলেন–শিশুটি মারা যাওয়া পর্যন্ত। একে বলে সহমর্মিতা!

আজকের করোনা মহামারীতে এই সহমর্মিতার অভাব চারিদিকে অত্যন্ত প্রকট। তাই শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই পথ চলা শ্রমিক মজুররা অভুক্ত/অর্ধভুক্ত হয়ে চলেছেন। সরকার কি ব্যবস্থা নিয়েছে সেই আলোচনায় যেতে চাইছি না, সাধারণ মানুষ কতটা সাহায্য করছেন?
সামাজিক দূরত্বে সহমর্মিতার বড়ই অভাব। তাই আমার পরিচিত এক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা বিধান নগরে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ ডেকেছিলেন কিছু আবশ্যিক ওষুধ এনে দিতে। পুলিশ এনেও দিয়েছে। কিন্তু তাঁদের দীর্ঘদিনের প্রতিবেশীদের কাছে হয় আবেদন করেননি অথবা আবেদন করলেও প্রতিবেশীরা সাহায্য করেননি। একেই বলে সামাজিক দূরত্ব!!

PrevPreviousCorona – The Great Leveler
Nextকরোনা ডায়েরিজ পর্ব ৪Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
5 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Basudeb dutta
Basudeb dutta
6 years ago

ঠিকই। শারীরিক দূরত্ব বলা যুক্তিযুক্ত।লম্বা লম্বা চামচ,হাতা বাজারে খুব বিক্রি হচ্ছে।ডাক্তার দের শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না,তাই অনেকেই মৃত্যু বরন করছে। physical medicine physical distancing করে কি ভাবে করা যায় ভাবতে হবে।

0
Reply
Dipankar Sengupta
Dipankar Sengupta
6 years ago

অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক আর প্রয়োজনীয় চিন্তা। এটি ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।

এ বিষয়ে যোগ করতে চাইঃ

১) করোনা ভাইরাস-জনিত আতঙ্ক আর অজ্ঞানতা আমাদের চরিত্রের কয়েকটি দিক প্রকট করেছে যা এতদিন আমাদের সমাজের কিছু ‘ব্যাধি’ এখন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। এতদিন এগুলি ছিলই, তবে মূলত প্রচ্ছন্ন ছিল। তার মধ্যে প্রধান হ’ল আমাদের অতি স্বার্থপর চিন্তা, এখন আমাদের কাজেকর্মে তার প্রকাশ। ‘আমার সন্তান যেন …’ – এই ভাবনা কিন্তু সামূহিক নয়, এখন এটি নিছক পরিবারকেন্দ্রিক! আমি, আমার পরিবার ‘isolation’-এ থেকে নিরাপদ থাকব, কিন্তু আমার বাড়ির ‘কাজের লোক’ সংক্রামিত হওয়ার যাবতীয় ঝুঁকি বহন করেও আমার বাড়ির কাজ যেন করে দিয়ে যায়!

এ তো অজস্র স্বার্থপর চিন্তার একটি মাত্র উদাহরণ! কাল্পনিক নয়, প্রতিদিন দেখছি।

২) পাশাপাশি, এমন অনেক মানুষ দেখছি, যাঁরা একক বা সংগঠিতভাবে বিপন্ন, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। যতটা সম্ভব ‘শারীরিক’ দূরত্ব মেনেও ‘সামাজিক’ দূরত্বের স্বার্থপর তত্ত্ব তারা খারিজ করেছেন। এও কোনো আহরিত তথ্য নয়, নিজে প্রতিদিন যা দেখছি, বুঝছি।

সমাজ তার নিয়মেই চলবে। আমরা আশায় থাকব স্বার্থপর সমাজেও এখনো যাঁরা আজকের বিবেকানন্দ-নিবেদিতা, তাঁদের দিকে তাকিয়ে। এঁদের প্রয়াসে হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব, সমাজের ‘পাপ’ শোধরানোর এক ক্ষীণ চেষ্টা ।।।

0
Reply
Partha Das
Partha Das
6 years ago

সামাজিক শব্দটা সুচিন্তিতভাবে প্রয়োগ হয়েছে, শারীরিক শব্দ টা সরিয়ে।

0
Reply
Subhajyoti Chattopadhyay
Subhajyoti Chattopadhyay
6 years ago

মানুষ মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব তৈরির বহুদিনের প্রচেষ্টা কিছুটা হলেও সফল হলো l

0
Reply
Purnendu Sekhar Mitra
Purnendu Sekhar Mitra
6 years ago

‘সামাজিক দূরত্ব’ পথ্যটি মনঃপুত ছিলনা। আশিস ধন্ধটির নিরসন করে উপকার করলেন। আমরা যদি এরকম ভাবি এবং উদ্যোগী হই তাহলে এই দুঃসময়ে সমাজের বাঁধন দৃঢ় হয়। প্রসঙ্গত আশিস তাঁর রচনায় বিদ্যাসাগর আর নিবেদিতার প্রসঙ্গ সঠিক ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিদ্যাসাগরের দৌহিত্র সূর্য্য কুমার অধিকারী তার দাদামশায়ের স্মৃতি চারণে বর্ধমানে ম্যালেরিয়া রোগিদের সেবায় বিদ্যাসাগরের সহমর্মিতার কথা লিখেছেন। অংশটিতে বিদ্যাসাগরের সহমর্মিতা কত তীব্র ছিল তা উল্লেখনীয়।-
সরকারী সাহায্যের আশায় না থেকে তিনি নিজেও স্বতন্ত্র চিকিৎসালয় খুললেন। এই চিকিৎসালয় থেকে ওষুধ, পথ্যও দেওয়া হতে লাগল রোগীদের। বিদ্যাসাগরকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন প্যারীচরণ মিত্রের আত্মীয় গঙ্গানারায়ন মিত্র। ক্রমশঃ রোগীর ও প্রার্থীর সংখ্যা এত বেড়ে গেল যে, কোনও একজন লোকের সামর্থ্যে এত কুইনিন, পথ্য ও অর্থ দেওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। অবস্থা দেখে গঙ্গানারায়ন বলেন অই গরীব পল্লীর রোগীদের কুইনিনের বদলে সিঙ্কোনা দেওয়া হোক। বিদ্যাসাগর রাজী হননি, বলেছিলেন – অর্থশালী ব্যাক্তিদের জন্য কুইনিন, আর দরিদ্রের জন্য সিঙ্কোনার ব্যাবস্থায় আমি রাজী নই। এখনও আমি দেউলিয়া হই নি।
১৮৯৮ সালের মার্চ মাসে কলকাতায় যখন প্লেগের প্রকোপ দেখা দেয় তখন নিবেদিতার সাথে রবীন্দ্রনাথও রোগগ্রস্থ মূমূর্ষুদের সেবায় নিজেকে নিয়োযিত করেন। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তাঁর সঙ্গী। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর জানিয়েছেন –
সেই সময় কলকাতায় লাগল প্লেগ। চারিদিকে মহামারী চলছে, ঘরে ঘরে লোক মরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। রবিকাকা আর আমরা এবাড়ির সবাই মিলে চাঁদা তুলে প্লেগ হাসপাতাল খুলেছি, চুন বিলি করছি। রবিকাকা ও সিস্টার নিবেদিতা পাড়ায় পাড়ায় ইন্সপেকশনে যেতেন।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

May 2, 2026 No Comments

যারা ম্যাক্সিম গোর্কির বিখ্যাত উপন্যাস ‘মাদার’ পড়েছেন তারা পাভেল এবং তার মা আনাকে চেনেন। পাভেলের বাবা মাইকেল ভলাসব ছিল কারখানার শ্রমিক। ভোর হতে না হতেই

একটা গান নিয়ে

May 2, 2026 1 Comment

একটা গান শুনলাম। অভয়া আন্দোলনের উপর। গানের মূল কথা হচ্ছে অভয়া আন্দোলনে বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ ও অভয়ার মায়ের সমালোচনা। শুনলাম বামপন্থীরা এই গান তৈরী

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

May 1, 2026 No Comments

ঊনবিংশ  শতকের শুরুতে ইংল্যান্ডের সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ রবার্ট আওয়েন আট ঘণ্টা কাজ, আট ঘণ্টা বিশ্রাম এবং আট ঘণ্টা খুশি মত সময় কাটানোর দাবি তোলেন যা  শ্রমিক

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

May 1, 2026 No Comments

গত শতকের তিনের দশকে জন মেনার্ড কেইনস বলেছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি শিগগিরই এমন সুদিন এনে দেবে, যাতে মানুষকে সপ্তাহে পনের-ষোল ঘণ্টা কাজ করলেই চলবে।

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

May 1, 2026 No Comments

মাঝখানে উজ্জ্বল একফালি জমি, দুধারে ঢাল বেয়ে তরল অন্ধকার গড়িয়ে গিয়েছে, কিনারায় ছায়ার ফাঁকে ফাঁকে তালসুপারিহিজলতমাল যেখানে যেমন মানায় নিপুন হাতে গুঁজে দেয়া, আর্দ্রতার প্রশ্রয়

সাম্প্রতিক পোস্ট

মে দিবসের ইতিহাস

Dr. Aindril Bhowmik May 2, 2026

একটা গান নিয়ে

Kushal Debnath May 2, 2026

নারী ও শ্রম: ছক ভাঙ্গা গল্প

Gopa Mukherjee May 1, 2026

কতটা কাজ করলে তবে কর্মী হওয়া যায়?

Dr. Bishan Basu May 1, 2026

ট্রেন থেকে স্বাধীন ভারতবর্ষ যেরকম দেখায়

Debashish Goswami May 1, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

620370
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]