২৬ এপ্রিল, ২০২৫
২০১৯-এ এন আর এস আন্দোলনের সময় আমাদের চিকিৎসকদের জন্য গর্বে আমাদের বুক ফুলে উঠেছিল যখন এই রাজ্যের এক অনুজ চিকিৎসক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে মুখের ওপর বলতে পেরেছিল – ‘ম্যাডাম, আমরা পদবী দেখে চিকিৎসা করি না’।
আজ সেই আমরাই লজ্জিত – পহেলগাঁও গণহত্যার পর আমাদের এই শহরের শহরতলির এক স্ত্রীরোগবিদ-ধাত্রীবিদ চিকিৎসক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গর্ভবতী মহিলার চিকিৎসা জারি রাখতে অস্বীকার করেছেন।
আমরা অনুসন্ধান করে দেখেছি যে হাসপাতালের ঘটনা সেটি মহেশতলা পুরসভার, একটি বেসরকারি সংস্থাকে হাসপাতালটি লিজে দেওয়া আছে। সেখানেই কাজ করেন উক্ত স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ। তাছাড়া এলাকায় তিনি প্রাইভেট প্র্যাক্টিসও করেন। তাঁর আচরণে এই গর্ভবতী মায়ের যে মানসিক আঘাত হয়েছে, এই সময়ে তাঁর পক্ষে সে ক্ষতি অপূরণীয়।
এই লজ্জাজনক ঘটনাটির পর স্থানীয় কাউন্সিলর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঐ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
আমরা জনসাধারণকে জানাতে চাই এবং সমগ্র চিকিৎসক-সমাজকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে চিকিৎসক হওয়ার সময় তাঁরা হিপোক্রেটিক শপথের আদলে যে শপথ নেন, তা মেনে চললে তাঁরা রোগীদের মধ্যে বিভেদ করতে পারেন না। চিকিৎসা সংক্রান্ত দেশের যা আইনকানুন রয়েছে তা মেনে চললেও, পারেন না। লিঙ্গ-বর্ণ-ধর্ম-দেশ-আর্থিক পরিস্থিতি নিরপেক্ষভাবে রোগীদের পরিষেবা দিতে তাঁরা নৈতিকভাবে বাধ্য। আইনগতভাবেও।
অভিযুক্ত চিকিৎসকের প্রতি আমাদের ধিক্কার।
পুণ্যব্রত গুণ, তমোনাশ চৌধুরী, মনীষা আদক
আহ্বায়ক, অভয়া মঞ্চ











ঘটনাটিকে তীব্র ধিক্কার জানাই। এই ধরনের ঘটনা যে ঘটতে পারে তা ভাবা যায় না।
অভযা মঞ্চের এই বিবৃতি খুবই সমযোচিত। আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
উনি মানব সমাজের কলঙ্ক।
ধিক্কার জানাই।