Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রহমতের দেশ: এক গহীন সংকটের আবর্তে

Window
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • May 25, 2026
  • 7:59 am
  • 9 Comments

রহমতকে মনে আছে? নাম শুনে ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না? দাঁড়ান । আর একটু খুলে বলি । রহমত কাবুলিওয়ালা। আফগানিস্তান থেকে সে আসতো এই দেশে হিং আর শুকনো ফলের পসরা নিয়ে। সেই সূত্রেই ছোট্ট মিনির সঙ্গে পরিচয়, সখ্যতা। আমার আজকের কাহিনি অবশ্য রহমত বা মিনিকে নিয়ে নয়,আজ রহমতের দেশ আফগানিস্তানের এক নিদারুণ সংকটজনক পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি কথা বলবো।

খবরটা পড়ে রীতিমতো চমকে উঠলাম — তীব্র খাদ্য সংকটের কারণে আফগানিস্তানের অভিভাবকরা তাঁদের কিশোরী , তরুণী, যুবতী কন্যাদের বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। মানবিকতার কি নিদারুণ অবমাননা! স্ট্র্যাটেজিক অবস্থানের কারণে এই দেশটি বহুদিন ধরেই দুনিয়ার বৃহৎ শক্তিগুলোর হাতের পুতুল হয়ে থেকেছে। এরফলে আফগান জনগণ কখনোই এক নিশ্চিত নিরাপদ শান্তিপূর্ণ জীবনের আস্বাদ পায়নি। আত্মক্ষয়ী গোষ্ঠী সংঘর্ষের সাথে সাথে যুক্ত হয়েছে এলাকা দখলের ঘৃণ্য রাজনীতি। শাস্ত্রের শাসনের পরিবর্তে কায়েম হয়েছে শস্ত্রের শাসন, সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের মৌলিক সমস্যার কোনো সুরাহা হয়নি। এই অপশাসনের পরিণতিতে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা, ভয়াবহ খাদ্য সংকট, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের চরম অবনতি।  মনে রাখতে হবে,এসব‌ই রাষ্ট্রীয় অস্থিরতার ফল। ২০২১ সালে তালিবানদের নেতৃত্বে ক্ষমতা দখলের পর দেশ জুড়ে এক কঠিন কঠোর ইসলামি দর্শন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এই রাজত্বে নারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে সমস্ত রকমের নাগরিক সুবিধা থেকে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁদের সমস্ত নাগরিক অধিকার, রুদ্ধ হয়েছে বিকাশের পথ, বাধ্য করা হয়েছে অন্ধকারে ঢাকা এক পর্দানশীন জীবন যাপনে। মালালা ইউসুফজাইয়ের কথা স্মরণ করলেই গোটা পরিস্থিতির সম্যক ধারণা লাভ করা সম্ভব হবে। আজকের অভাবী আফগানিস্তান এসবের মিলিত হল।বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তার সূচকে আফগানিস্থানের অবস্থান পৃথিবীর ১২৩ টি দেশের মধ্যে ১০৯ তম। এখান থেকেই আঁচ করা যাচ্ছে যে বুভুক্ষার তীব্রতা কতটা গভীরে পৌঁছেছে। বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করে এই সংকটের মোকাবেলা করার চেষ্টা চলছে বটে, তবে ক্ষুধার তাড়না এতোটাই প্রবল যে আমদানিকৃত খাবারে তা সহজে মেটার নয়। গভীর দারিদ্র্য আজ সমগ্র আফগানিস্তানকে গ্রাস করেছে। আর্থিক দিক থেকে আফগান পরিবারগুলোর হাল এতোটাই সঙ্গিন যে তাঁরা নিজেদের গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য নিজেদের বাড়ির কন্যা সন্তানদের বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁরা মনে করছে যে এভাবে তাঁরা পরিবার পরিপোষণের দায় থেকে মুক্তি পাবে।

দা ইউনাইটেড নেশনস এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে আফগানিস্তানের প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন নিজেদের দৈনন্দিন ন্যূনতম চাহিদা পরিপূরণে সম্পূর্ণভাবে অপারগ। দেশজোড়া ভয়ানক কর্মহীনতা, চূড়ান্তভাবে অবহেলিত গণস্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থা , হ্রাসমান বৈদেশিক সাহায্য দেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থাকে এক গভীর খাদে ফেলে দিয়েছে। দেশের একটা বড়ো অংশের সাধারণ মানুষ এই মুহূর্তে দুর্ভিক্ষের প্রহর গুনছে।

বিবিসির তথ্য অনুযায়ী আফগানিস্থানের ঘোর প্রদেশের অবস্থা সবচেয়ে কঠিন। পরিবারের কর্তাদের কাছে কোনো কাজ নেই। রোজগার করতে না পারলে সাংসারিক চাহিদাগুলো কীভাবে পরিপূরণ করবে তাঁরা? নিজেদের খিদের জ্বালা মেটাতে না পেরে আজ তাঁরা বাধ্য হচ্ছে নিজেদের সন্তানদের বিক্রি করে দিতে। এ এক ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে কন্যা সন্তানদের ঠেলে দিতে বাধ্য হচ্ছে তাঁরা।আসুন আপনাদের রোকুইয়া ও রোহিলার কথা বলি। ওরা দুই যমজ বোন। ফুটফুটে চেহারার এই দুই বোনকে দেখলে, আর কিছু না, কেবল বসরাই গোলাপের কথাই মনে পড়বে। বয়স মাত্র সাত বছর। অথচ এর মধ্যেই ওদের বাবা আব্দুল রশিদ আজমি । সাংবাদিককে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত নয়নে ভরা আবেগে ধরা কন্ঠে বলেছেন, “ আমি আমার দুটি মেয়ের একটিকে বিক্রি করে দিতে চাই। এছাড়া আমার কাছে আর কোনো বিকল্প উপায় নেই। আমি অত্যন্ত গরীব মানুষ। সংসার চালাতে গিয়ে আমাকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়েছে। আমি অসহায়! আমার কাছে আর কোনো রাস্তা খোলা নেই।” -– নিজের মুখটাকে দুই তালুর আড়ালে লুকিয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠে আব্দুল রশিদ আজমি।

আব্দুল এই মুহূর্তের আফগানিস্তানের বাস্তব পরিস্থিতির প্রতীক। আব্দুলের মতো মানুষের সংখ্যা আজ প্রতিদিন বাড়ছে, বাড়ছে অসহায় মানুষের বুক ফাটা আর্তনাদ। আব্দুল চাইছে কেউ তাদের মেয়েদের বিয়ে করে নিয়ে যাক্ অথবা গৃহস্থালি কাজে লাগাক। কিন্তু বাস্তবে অবস্থাটা কতটা আশঙ্কার তা আব্দুল রশিদ আজমি জানেন। তবে সব জেনেশুনেও তাঁকে মুখবুজে সবকিছু মেনে নিতে হচ্ছে।

আজকের আফগানিস্তান মানবিকতার বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। আব্দুলরা জানেন না ঠিক কোথায় দাবি জানালে তাঁদের এই অবস্থার পরিবর্তন হবে। শেষ কবে পেটভরে সপরিবারে খাবার খেতে পেয়েছে তা ঠিকঠাক মনে করতে পারেন না ওঁরা।আসলে প্রশাসন হীনতার কারণেই যে আফগানিস্তানের এমন হাল তা সকলেই একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছে। এমনিতেই প্রাকৃতিক সম্পদে খুব সম্পন্ন নয় দেশটি,তার ওপর অবিন্যস্ত রাষ্ট্রপরিচালনার জন্য খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে রহমতের দেশটি। আফগানিস্তানের প্রয়োজন আশু আন্তর্জাতিক সহায়তা। সেখানেও অনিশ্চয়তার কালো ছায়া নেমে এসেছে। ছেলেরা ভবিষ্যতে বাপ মায়ের বল ভরসা হয়ে উঠবে – এই বস্তাপচা পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের কারণেই আজ‌ও মেয়েদের বিক্রয়যোগ্য পণ্য হিসেবে ভাবা হয়। হায়রে সমাজ! তুমি কবে বদলাবে বলতে পার?

তথ্যসূত্র: বিবিসি, টাইমস্ অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন।

মে ২২. ২০২৬

PrevPreviousগগন মুখুজ্যের মোহর দ্বিতীয় পর্ব
NextকাঁটাতারNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
9 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
5 months ago

রহমতের দেশের এই মর্মস্পর্শী কহিনি আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। কোন দিকে যাচ্ছি আমরা?

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
5 months ago

আগামী পৃথিবী এক ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। যে মানবিকতায় ভর করে আমরা আরও সুন্দর পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন দেখি তাই যে আজ বিপন্ন। অশনি সংকেত।

0
Reply
Soumen Roy
Soumen Roy
5 months ago

ভয়ঙ্কর অবস্থা ! এতগুলি সভ্য দেশ থাকতে একটি দেশের লোক না খেয়ে থাকছে! আশ্চর্য লাগছে।
রহমতের সঙ্গে আলাপ হওয়ার সময় থেকেই দেশটির প্রতি একটা টান অনুভব করি।হয়ত সেটা রহমতের ঝুলি বা আবদুর রহমানের পাগড়ির রহস্যময়তার কারণে ।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
5 months ago

সভ্য বলে দাবি করার মতো অবস্থা কি আর আমাদের আছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে আমাদের সকলকেই।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumen Roy
5 months ago

সভ্য বলে দাবি করা আর বোধহয় আর সাজেনা। আমাদের সংবেদনশীল মনটাই ক্রমশ সভ্যতার (?) গোলকধাঁধায় বাঁধা পড়ে যাচ্ছে।

0
Reply
sarmistha lahiri
sarmistha lahiri
5 months ago

রহমতের দেশের এই করুন কাহিনী পড়ে মনটা শুধুই ভারাক্রান্ত হয়ে। জানিনা কবে মানুষের মধ্যে শুভবুদ্ধির উদয় হবে। দেশগুলো যুদ্ধ বিগ্ৰহ ও ধ্বংসের রাজনীতি র পথ ছেড়ে আবার সুস্থভাবে বাঁচার কথা ভাববে।😉😓😓

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  sarmistha lahiri
5 months ago

আমাদের দেশি প্রবাদ – রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়/ উলুখাগড়ার পরাণ যায়। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত রহমতের দেশের এমন পরিণতি চোখের কোল জলে ভিজিয়ে দেয়। খালি সচেতন থাকাটাই আমাদের ভবিতব্য হয়তো।

0
Reply
Soumyadip Saha Roy
Soumyadip Saha Roy
5 months ago

কি আর বলবো? এভাবেই দুর্বল মানুষের শোষণ চলছে বিশ্বজুড়ে। আমাদের নিজের দেশেরই বা কি অবস্থা? এক এক করে মন্ত্রীরা যাচ্ছে জেলে? কারা চালায় আমাদের দেশ? দুর্নীতিবাজ সব মন্ত্রীরা। কারো ওপর আর ভরষা থাকে না। আর কিই বা কামনা করতে পারি? কাবুলিওয়ালার দেশ স্বনির্ভর হোক। জাগ্রত হোক বোধ সারা পৃথিবীর নেতৃত্বদের। লেখাটি খুব ভালো লাগলো। পৃথিবীর এক কোনায় একটি মানুষও যে ভালো কথা বলছে, সেই তো অনেক ভালো।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Soumyadip Saha Roy
5 months ago

কাবুলিওয়ালার দেশ এখন গভীর সমস্যার জটিল জটে আটকে আছে । এর থেকে মুক্ত হ‌ওয়া মোটেই সহজ নয়। তবে আশাবাদী হতে তো কোনো বাধা নেই।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

গণ আন্দোলন – দেশে দেশে…..

October 30, 2026 1 Comment

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দেশে শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব গণ- আন্দোলন! কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শকে ভিত্তি করে এই গণ আন্দোলন তৈরী হয় নি। একেবারে সাধারণ মানুষ

ইন্টার্নদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, নাকি সরকারি ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা?

October 30, 2026 No Comments

সমাজমাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরে ইন্টার্নদের কাজকর্ম ও রিপ্লেসমেন্ট ডিউটি নিয়ে এক আলোড়ন চলছে। সেই সঙ্গে অতিরঞ্জিত, বিভ্রান্তিকর এবং অপপ্রচারমূলক খবরও আমাদের নজরে এসেছে। West Bengal

অভয়া মঞ্চের বিবৃতি

October 30, 2026 No Comments

২৭ অক্টোবর ২০২৬ দার্জিলিং জেলা- হাসপাতালে কর্মরত দু জন নার্স ডিউটি চলাকালীন আক্রান্ত। এই ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। নার্সরা একটি হাসপাতালের মেরুদণ্ড বলে আমরা মনে

মর্ম, মর্মস্থান এবং আয়ুর্বেদ

October 29, 2026 2 Comments

(আগের অধ্যায়ে ডিসেকশন, অবঘর্ষণ, অ্যানাটমি এবং সার্জারি সংক্রান্ত আলোচনার জন্য লিংক – https://thedoctorsdialogue.com/dissection-in-shushtuta-samhita/ – আগ্রহী পাঠকদের কাজে লাগতে পারে) প্রারম্ভিক কথা আধুনিক চিকিৎসাবিঞ্জানের চিকিৎসক (এমডি,

সরকারি হাসপাতালে ‘আধার কার্ড’ ছাড়া ভর্তি করা যাবে না?

October 29, 2026 No Comments

এটা কি সত্যিই ঘটনা যে সরকারি হাসপাতালে ‘আধার কার্ড’ ছাড়া ভর্তি করা যাবে না? যদিও এটা ঘটনা যে সমস্যাটির উদ্ভব খুব ইদানীং(very recent) কালের নয়।

সাম্প্রতিক পোস্ট

গণ আন্দোলন – দেশে দেশে…..

Sukalyan Bhattacharya October 30, 2026

ইন্টার্নদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, নাকি সরকারি ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা?

West Bengal Junior Doctors Front October 30, 2026

অভয়া মঞ্চের বিবৃতি

Abhaya Mancha October 30, 2026

মর্ম, মর্মস্থান এবং আয়ুর্বেদ

Dr. Jayanta Bhattacharya October 29, 2026

সরকারি হাসপাতালে ‘আধার কার্ড’ ছাড়া ভর্তি করা যাবে না?

Dr. Amit Pan October 29, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

697049
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]