Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

আরও এক লড়াইয়ের পটভূমি

helmet
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • December 30, 2025
  • 8:51 am
  • 6 Comments

আরাবল্লিকে নিয়ে জমে ওঠা বিতর্কের সমাধান হতে না হতেই নতুন করে বিরোধ দেখা দিয়েছে ছত্তিশগড়ে জবরদস্তি কয়লা উত্তোলনকে ঘিরে। গ্রামের নাম দৌরাভাথা, অঞ্চলের নাম টামনার, জেলা রায়গড়, রাজ্যের নাম ছত্তিশগড়। দৌরাভাথা গ্রামের সাধারণ মানুষ সমবেত হয়েছিল প্রস্তাবিত কয়লা খনির কাজ শুরু করার বিরুদ্ধে। তাদের দাবি জিন্দাল গোষ্ঠীকে দেওয়া কোল ব্লকের অনুমোদন বাতিল করতে হবে কেননা এরফলে তারা জমির ওপর, যেখানে তারা পুরুষানুক্রমে বসবাস করছেন, তাদের ন্যায্য অধিকার হারাবেন। খনিজ সম্পদ উত্তোলনের নামে এভাবে আদিবাসী, জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের উৎখাত করার কাহিনি নতুন কিছু নয়। গোটা দুনিয়া জুড়েই এভাবে সাধারণ মানুষদের একরকম বঞ্চিত করেই শিল্প স্থাপনের নাম করে জমির ওপর কর্পোরেট ভোগদখলের অধিকার কায়েম করা হচ্ছে। রায়গড়ের ঘটনা তার‌ই এক সংযোজিত আখ্যান মাত্র।

এই মুহূর্তে রায়গড় অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ পরিবর্তিত হয়েছে হিংসাত্মক আক্রমণে। প্রশাসন হয়তো এমনটাই চায়, তাহলে তাঁদের পক্ষে গোটা বিষয়টিকেই নিজেদের পছন্দের রঙে রাঙিয়ে তোলা সম্ভব হয়। অভিযোগের বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় সমস্ত প্রতিরোধের দেওয়াল। রায়গড়েও ঠিক এমনটাই ঘটেছে। আসুন জেনে নিই বিষয়টাকে একটু বিস্তারিত ভাবে।সংবাদ সূত্র মারফত জানা গেছে যে টামনার অঞ্চলের প্রস্তাবিত খনি এলাকার ১৪ টি সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামের অধিবাসীরা গত১২ ডিসেম্বর,২০২৫ লিব্রা গ্রামের CHP Chowk ‘এ প্রশাসনের তরফে আয়োজিত এক জন শুনানির প্রতিবাদে এক সমবেত ধর্নায় সামিল হয়েছিল। জন শুনানি তো নামকে ওয়াস্তে। বিলি বন্দোবস্ত আগেই চুপিসারে সেরে ফেলা হয়। গত ১৩ ডিসেম্বর,২০২৫ সকালে প্রায় ৩০০ জন প্রতিবাদী মানুষ অকুস্থলে জমা হয়। বলদর্পী পুলিশ প্রশাসনের সামনে এই সংখ্যা বিশাল কিছু নয়। এই জমায়েত থেকেই কিছু মানুষ রাগ ক্ষোভ আর হতাশার বশবর্তী হয়ে নাকি রাস্তা অবরোধ করে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে। গাড়িঘোড়া চলাচল এর ফলে স্তব্ধ হয়ে যায়। সকাল ১০ টা নাগাদ বরিষ্ঠ সরকারি আধিকারিকরা বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করে এবং সমবেত জনতাকে তাদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকায় ফিরে যাবার কথা বলে। জনতা এই অনুরোধ কানে না তুলে ধর্না জারি রাখে। ইতোমধ্যে আরও বহু সংখ্যক মানুষ সেখানে এসে হাজির হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারংবার বোঝানোর চেষ্টা করা হলেও সমবেত জনতা তাতে কর্ণপাত না করে আন্দোলন বজায় রাখে।বেলা ২-৩০ মিনিট নাগাদ তারা পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙে, পুলিশ সহ প্রশাসনের আধিকারিকদের ওপর পাথর ছুড়তে শুরু করে। বাধ্য হয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই গম্ভীর হয়ে ওঠে। এসব সরকার তথা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে। সবটাই একতরফা।একটু পিছিয়ে যাই। কেবলমাত্র পটভূমি পরিবর্তিত হয়। মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর দুই রাজ্য।মূলত আদিবাসী,বনবাসী, জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের নিয়ে গড়া এই দুই রাজ্যের মানবসম্পদ। সহজ সরল সাধাসিধে নির্বিরোধী মানুষ এঁরা। প্রকৃতি পরিবেশের সঙ্গে তাঁদের নিবিড় নৈকট্যের সম্পর্ক। ভারতের আদিতম জনগোষ্ঠীর মানুষেরা নিবিড় ভালোবাসায় জড়িয়ে রেখেছে মধ্যপ্রদেশ আর ছত্তিশগড়ে জল,জমি, জঙ্গল, নদী, পাহাড়ের বিপুল সম্পদের সম্ভাবনাকে। সরল, অনাড়ম্বর জীবনের চাহিদাতো কখনোই খুব বেশি নয়। কোল,ভীল,গোন্ড ( যাঁদের নামানুসারেই গন্ডোয়ানাল্যান্ডের নামাকরণ। গোন্ডদের কতগুলো উপ প্রজাতি আছে যেমন মারিয়া ,মুরিয়া , ডোরলা) ,কোরকু, সাহারিয়া, বৈগা, কান‌ওয়ার , ওঁরাও……।  শান্ত নদীর মতো বয়ে চলা সরল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনে ঝড় উঠলো তখন, যখন উন্নয়নের অশ্ব টগবগিয়ে এসে পৌঁছলো এই প্রাচীন ভূখণ্ডের মাটিতে। আজ নয় বহু বছর আগে। কতশত গাছ কাটা পড়লো, তরঙ্গায়িত মালভূমির মাটি ফুঁড়ে তুলে আনা হলো কয়লা, লৌহ আকরিক, চুনাপাথর, মার্বেল, বক্সাইট, ম্যাঙ্গানিজ,তামা মায় হীরা,সোনা পর্যন্ত!! এমন এলাকা উন্নয়নের কারবারিদের নজর এড়িয়ে থাকতে পারে? পাশাপাশি একথাও মানতে হবে যে মাটির নিচে ফ্যান্টম পাইল ( Phantom Pile) হিসেবে বন্দী হয়ে থাকা উপকরণকে অব্যবহৃত অবস্থায় ফেলে রাখলে তা কখনোই মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে না। অথচ এই পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। এমন‌ই এক প্রেক্ষাপটে তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের খনি অঞ্চলে শোষিত নিপীড়িত জনগণের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন সুদূর আসাম রাজ্যে বেড়ে ওঠা এক তরুণ তরতাজা বাঙালি তরুণ –  ধীরেশ।স্বাধীনতা লাভের পর দেশকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে একে একে নতুন কলকারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য থাকায় মধ্যপ্রদেশের ভিলাইতে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক ইস্পাত তৈরির কারখানা। ১৯৬১ সালে চাকরির এমন খরা ছিলোনা। কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিলো ধীরেশকে, কেননা তখন‌ও সে নাবালক। যোগদান করেন ভিলাইয়ের কোক ওভেন বিভাগে। তবে সেই চাকরিতে বেশি দিন আটকে থাকেনি ধীরেশ। তাঁর স্বপ্ন ছিল মানুষের সঙ্গে মিশে, মানুষের সঙ্গে কাজ করার। মেহনতী মানুষের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনাই ছিল ধীরেশের একমাত্র লক্ষ্য। তবে একাজ তো সহজ নয়! কায়েমী স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলার খেসারত তাঁকে দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৮ তারিখে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মধ্যপ্রদেশের দুর্গ জেলার ভিলাইয়ে সংগঠনের দপ্তরে নিজের বাড়িতে আততায়ীর গুলিতে মারা যান ধীরেশ গুহ নিয়োগী। খনি অঞ্চলের লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষের প্রতিদিনের জীবনকে যিনি একটু স্বস্তি দিতে চেয়েছিলেন তাঁদের ছায়া হয়ে পাশে দাঁড়িয়ে।আজ কেন এই মানুষটির কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম?  দিলাম তার কারণ হলো দৌড়াভাথার মানুষ যে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে তার সূচনা হয়তো হয়েছিল ঐ ধীরেশের হাত ধরেই। যতটুকু খবর পাওয়া গেছে তাতে করে প্রশাসন খানিকটা নিশ্চিত যে এই প্রতিবাদ নেহাতই তাৎক্ষণিক আবেগ প্রসূত। এই আন্দোলনকে হয়তো বুঝিয়ে সুঝিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই জানানো হয়েছে যে গ্রামবাসীদের স্বাভাবিক, স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা হয়েছে অল্প সংখ্যক সমাজবিরোধীদের দ্বারা। প্রশাসন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী। তবে বিপরীত দিক থেকে এখনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায় নি। প্রতিবাদীদের মধ্যে কোনো নেতৃ স্থানীয় ব্যক্তির খোঁজ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায় নি।প্রতিবাদীদের বক্তব্য ,কোনো রকম আলাপ আলোচনার তোয়াক্কা না করেই প্রশাসন জবরদস্তি, একতরফাভাবে কোল ব্লকের বিলিবন্টনের কাজ করছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য – পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিরোধ,প্রতিবাদকে বানচাল করতেই এমন গন্ডগোল পাকিয়েছে। এই বিতর্ক চলছে চলবে। এই নিয়ে খুব বেশি লেখার কিছু নেই। মূল ঘটনার অকুস্থল থেকে অনেক দূরে বসেই উপলব্ধি করতে পারছি দেশের সম্পদ বিকিয়ে যাবার এক বিয়োগান্তক কাহিনি। দুদিন আগেই দেখেছি কীভাবে প্রাকৃতিক উপাদানের সংজ্ঞা বদলে দিয়ে কোটি কোটি বছরের এক মহান ঐতিহ্য স্মারককে বেমালুম লোপাট করে দেবার প্রচেষ্টা করেছিল স্বার্থান্বেষীর দল। হায়রে ভারতবর্ষ! বিদায়ী বছরের শেষ লগ্নে এসে হাজির হয়েও এক লড়াইয়ের কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি। কী আর করবো? অনেক দুঃখের মধ্যেও অনেক অনেক আশাবাদী হয়ে শেষ করছি ডায়ালগের পাতায় আমার ৯২ তম নিবন্ধ

নতুন বছরের আগাম শুভেচ্ছা জানাই সকলকে। ভালো থাকবেন সবাই।

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

লেখক যে ধীরেশ গুহ নিয়োগীর কথা বলেছেন, তিনি পরিচিত তাঁর ছদ্ম নাম শঙ্কর গুহ নিয়োগী নামে।

PrevPreviousজাগো মা
Nextকুলদীপ সিং সেঙ্গারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল রাখার দাবী জানাইNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
6 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Gopa Mukherjee
Gopa Mukherjee
6 months ago

সোমনাথবাবুর সব লেখাই ভাল লাগে। এই লেখার রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। লেখককে ধন্যবাদ।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Gopa Mukherjee
6 months ago

গোটা দেবীকে অনেক ধন্যবাদ জানাই মতামত জানানোর জন্য । কমরেড ধীরেশ গুহ নিয়োগীর লড়াকু জীবনের সঙ্গে আলোচ্য ঘটনার সাযুজ্য খুঁজে পেলাম। তাই দুটো ঘটনাকে এক সূত্রে গেঁথে দিলাম পাঠকদের জন্য। এইসব মানুষেরা বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যান, হারিয়ে ফেলা হয়।
ছড়িয়ে পড়ুক নানান জনের মাঝে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Gopa Mukherjee
6 months ago

গোপা দেবীকে ধন্যবাদ জানাই।
ভুলবশতঃ নামটা গোটা ছাপা হয়েছে। দুঃখিত।

0
Reply
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
6 months ago

বছরের শেষ লগ্নে এমন একটা লেখা উপহার দেবার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ জানাই। ধীরেশ গুহ নিয়োগীর কথা তুলে ধরায় লেখাটা অন্য মাত্রা পেয়েছে।দেশ জুড়ে এখন এক আগ্রাসী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরা খুব প্রয়োজন।
নতুন বছরে এমন তথ্যপূর্ণ লেখা চাই লেখকের কাছ থেকে।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
6 months ago

ধন্যবাদ জানাই আন্তরিক মন্তব্যের জন্য। খুব কঠিন একটা সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে আমাদের। আগামী দিনে এমন সংঘর্ষ, সংঘাত হয়তো অনিবার্য হয়ে উঠবে। এই মুহূর্তে গুহ নিয়োগীর আপোসহীন লড়াইয়ের কথা সকলের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক। ভালো থাকবেন।

0
Reply
Sarmistha lahiri
Sarmistha lahiri
6 months ago

অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা।জল, জঙ্গলের রক্ষক এই সকল আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের যথাযথ ভাবে দায়িত্ব নিয়ে অঞ্চলের বন্টন করা উচিত। শুধুমাত্র কর্পোরেট সংস্থার হাতে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর পুঁজি বৃদ্ধি ই যেন মুখ্য উদ্দেশ্য না হয়ে দাঁড়ায়।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

July 10, 2026 No Comments

দু মাস যেতে না যেতেই শুভেন্দু অধিকারীর ” সকালে জমা বিকেলে খরচ” নীতি ঘোষণা, তারপরেই পুলিশের এনকাউন্টার! বুলডোজারের পর গুণ্ডা দমন নীতি,তারপরেই এনকাউন্টার,এ যেন বাংলায়

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

July 10, 2026 No Comments

গত শনিবার ৪ জুলাই, ২০২৬ দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরের সূর্যপুরে এক ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এক দিন নিখোঁজ থাকার পরে ৫

এনকাউন্টার

July 10, 2026 No Comments

অপরাধী অপরাধ করে। পুলিশেরা অপরাধী ধরে। বিচারের দেবী নাকি বুড়ি থুত্থুরে, হাতের পাল্লা-দাঁড়ি ভারী নড়বড়ে, যাদের পুলিশ ধরে পাঠায় শ্রীঘরে, জামিনে বেরিয়ে আসে ফাঁক ও

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

July 9, 2026 No Comments

নিজের স্কুলের বিষয়ে খারাপ খবর পেলে মন ভারাক্রান্ত হয়, বিশেষত যদি তা হয় এক তরতাজা তরুণ ছাত্রের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুর খবর এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

July 9, 2026 No Comments

৮/৭/২০২৬ গতকাল অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা বারুইপুরের সূর্যপূরে যে নাবালিকা, চরম নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হলো, তার পরিবারের সাথে

সাম্প্রতিক পোস্ট

সকালে জমা, বিকেলে খরচ? একি মগের মুল্লুক? এনকাউন্টার কার স্বার্থে?

Parichay Gupta July 10, 2026

বারুইপুরের ‘অপরাজিতা’ গণধর্ষণ ও হত্যা: একটি প্রাথমিক তথ্যানুসন্ধান রিপোর্ট

Doctors' Dialogue July 10, 2026

এনকাউন্টার

Arya Tirtha July 10, 2026

নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ছাত্র-মৃত্যু: ঘটনার নিরপেক্ষ এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক

Dr. Koushik Dutta July 9, 2026

অভয়া মঞ্চ বারুইপুরের বিচার চায়

Abhaya Mancha July 9, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

648657
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]