বি টি রোডে অ্যাক্সিডেন্টে স্কুলের ছেলেটির মৃত্যু যে বাসটির (২৩৪ রুটের) কারণে, তার ড্রাইভারের বয়স নাকি ২০ বছর (আধার কার্ড অনুযায়ী জন্ম ৭ই জুলাই, ২০০৫), নাম রুমেদ আলম। ‘গুগুল সার্চ’ দেখাচ্ছে পশ্চিম বঙ্গে বাস চালানোর বা Transport Vehicle driving licence পেতে যে শর্তগুলি পূরণ আবশ্যিক, তা হলো
১) ২০ বছর বয়স
২) এক বছরের LMV বা light motor vehicle চালানোর অভিজ্ঞতা (লাইসেন্স সহ)
৩) অন্ততঃ অষ্টম শ্রেণী পাস শিক্ষাগত ভাবে
২৩৪ রুটের বাস চালানোর আগে সে নাকি ২৩০ রুটের বাস চালাতো। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কোর্টে পেশ করে এবং সে জামিন পেয়ে যায়। গত এক বছরে নাকি এই বাসটাই ৬৪ বার ট্র্যাফিক আইন ভঙ্গ করেছে।
যা অবস্থা তাতে এটাই অবাক কাণ্ড যে এই রাজ্যে অ্যাক্সিডেন্টটা কেন এখনো ইন্সিডেন্টে রূপান্তরিত হয়ে যায়নি!! ‘দুর্ঘটনা’ যে ‘ঘটনা’য় পরিবর্তিত হয়নি, সেটাই আমাদের পরম সৌভাগ্য বলে জানতে হবে। সত্যি করে বলতে গেলে বেঁচে থাকাটাই এখন অত্যাশ্চর্য্য ঘটনা!!
প্রশ্ন একটাই, এই মৃত্যুর দায় ঠিক কতটা প্রশাসনের, আংশিক না পুরোপুরি? যদি অবশ্য প্রশাসন বলে কিছু থাকে বা তার কোনো দায়িত্ব থাকে!
একটা সরকার ও দলের একটাই কাজ সেটা হলো কিছু গোষ্ঠীর দুর্বৃত্তায়নে সরাসরি মদত দেওয়া। আর প্রধান বিরোধী দলের কাজ হলো তার reactive narrative তৈরি করা। অসুবিধা নেই, মানুষও মোটামুটি ভাগ হয়ে যাচ্ছে গোষ্ঠীগত, সম্প্রদায়গত, ধর্মীয় লাইনে। পরিবেশ ও আবহাওয়া খুবই অনুকুল এর চাষবাষের জন্য।প্রশাসন তো তার ‘হেল্পার’ মাত্র।
তো কী আর করা যাবে ?! এই বরং চলুক, দেখে যাই আর কতো খারাপ খারাপ জিনিস দেখতে হবে !!
শুধু মাঝে মাঝে বড় পীড়া দেয় এই নিরীহ শিশুগুলোর চরম অবহেলাজনিত মৃত্যু। অবহেলাই বা বলছি কেন? এটা তো criminal negligence নয় criminal act..
রাজ্যসভার এক সদস্য নির্বাচন কমিশনকে লক্ষ্য করে বলছিলেন না, ‘They have blood on their hands’?
ঠিক জানিনা কার কার হাতে কতো রক্ত লেগে আছে !!!











