
আঁদ্রে বেতেই স্মরণে
আঁদ্রে বেতেই এর জন্ম চন্দননগরে, বাবা ফরাসি হলেও মা বাঙালি ব্রাহ্মণ কন্যা। কিন্ত আজীবন তিনি ছিলেন পুরোপুরি ভারতীয় এবং দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অনধিকার

আঁদ্রে বেতেই এর জন্ম চন্দননগরে, বাবা ফরাসি হলেও মা বাঙালি ব্রাহ্মণ কন্যা। কিন্ত আজীবন তিনি ছিলেন পুরোপুরি ভারতীয় এবং দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অনধিকার

পাকিস্তানে blasphemy law বা ধর্মীয় অবমাননা মামলায় সাক্ষী সাবুদ বিশেষ লাগে না। কারণ, সাক্ষী দিতে গিয়ে কী বলেছে বলতে গেলেই তো ‘অপরাধ’ সংগঠিত হয়ে যাবে!

উড়িষ্যায় মুর্শিদাবাদের তরুণের খুনের প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন, তাদের স্লোগান ‘ঘরের ছেলে ঘরের ভাত খান’। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে ক্রমহ্রসমান কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যের মানুষকে

খেলার মাঠে যাচ্ছি সেই উনসত্তর সাল থেকে, কতো ঘটনা কতো দুর্ঘটনার সাক্ষী! কিন্তু খেলার মাঠে এই রকম জলজ্যান্ত জোচ্চুরি এমন বেপরোয়া লুঠ কোনো দিন দেখিনি।

আমাদের অ্যানাটমির শিক্ষক মতিলাল দত্ত স্যার ছাত্রদের সম্বোধন করতেন ‘ম্যাস্টর’ বলে, আদর করে না ব্যাঙ্গার্থে বলা খুব কঠিন। আসলে,ম্যাস্টর বা মাস্টার শব্দটা নামের আগে সাধারণতঃ

বি টি রোডে অ্যাক্সিডেন্টে স্কুলের ছেলেটির মৃত্যু যে বাসটির (২৩৪ রুটের) কারণে, তার ড্রাইভারের বয়স নাকি ২০ বছর (আধার কার্ড অনুযায়ী জন্ম ৭ই জুলাই, ২০০৫),

বুদ্ধদেব বসুর কবিতার লাইন,”গা ঘেঁষে মেয়েরা চলে, ফেলে যায় গায়ের সুবাস,/ বাতাসে সুবাস ভাষে– গায়ের বাতাস।…..” না, এখানে গা ঘেঁষে চলার কোনো মেয়ে নেই ,

সত্যি, সহজভাবে কোনো জিনিস ঘটা আমাদের কপালে নেই। আসলে আমরা তো সদা সর্বদা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মানসিকতায় রয়েছি, প্রায় সীমান্তে আর্মির মতোই সব সময় টানটান উত্তেজনা।

তাহলে তো Steven Cheung,White House Communications Director ভুল কিছু বলেন নি, “The Nobel Committee proved they place politics over peace”. নোবেল শান্তি পুরস্কার এমন একজন

প্রথম অ্যাঙ্গলো-শিখ যুদ্ধে পরাজয়ের পর লাহোর দরবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয় দেড় কোটি টাকা। ৫০ লক্ষ টাকা দিতে পারলেও বাকিটা আর দিতে পারবে না, জানিয়ে

কোনো মানে হয়না তাও একেবারে যোগসূত্রহীন কয়েকটা ঘটনা তুলে ধরার অবান্তর ইচ্ছে হলো…………… ১৯৬৮ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রাচীন সমরসচিব, ভিয়েতনাম যুদ্ধের অন্যতম রূপকার ও

বিখ্যাত সব দুর্গাপূজায় এখন যেমন কোনো ‘থিম’ ছাড়া চলে না, তেমনি ভোটের আগে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোরও এক একটা ‘থিম’এর প্রয়োজন ঘটে। মানে, এটাই হবে আগামী

আঁদ্রে বেতেই এর জন্ম চন্দননগরে, বাবা ফরাসি হলেও মা বাঙালি ব্রাহ্মণ কন্যা। কিন্ত আজীবন তিনি ছিলেন পুরোপুরি ভারতীয় এবং দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য ও অনধিকার

পাকিস্তানে blasphemy law বা ধর্মীয় অবমাননা মামলায় সাক্ষী সাবুদ বিশেষ লাগে না। কারণ, সাক্ষী দিতে গিয়ে কী বলেছে বলতে গেলেই তো ‘অপরাধ’ সংগঠিত হয়ে যাবে!

উড়িষ্যায় মুর্শিদাবাদের তরুণের খুনের প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি জানিয়েছেন, তাদের স্লোগান ‘ঘরের ছেলে ঘরের ভাত খান’। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে ক্রমহ্রসমান কর্মসংস্থানের জন্য রাজ্যের মানুষকে

খেলার মাঠে যাচ্ছি সেই উনসত্তর সাল থেকে, কতো ঘটনা কতো দুর্ঘটনার সাক্ষী! কিন্তু খেলার মাঠে এই রকম জলজ্যান্ত জোচ্চুরি এমন বেপরোয়া লুঠ কোনো দিন দেখিনি।

আমাদের অ্যানাটমির শিক্ষক মতিলাল দত্ত স্যার ছাত্রদের সম্বোধন করতেন ‘ম্যাস্টর’ বলে, আদর করে না ব্যাঙ্গার্থে বলা খুব কঠিন। আসলে,ম্যাস্টর বা মাস্টার শব্দটা নামের আগে সাধারণতঃ

বি টি রোডে অ্যাক্সিডেন্টে স্কুলের ছেলেটির মৃত্যু যে বাসটির (২৩৪ রুটের) কারণে, তার ড্রাইভারের বয়স নাকি ২০ বছর (আধার কার্ড অনুযায়ী জন্ম ৭ই জুলাই, ২০০৫),

বুদ্ধদেব বসুর কবিতার লাইন,”গা ঘেঁষে মেয়েরা চলে, ফেলে যায় গায়ের সুবাস,/ বাতাসে সুবাস ভাষে– গায়ের বাতাস।…..” না, এখানে গা ঘেঁষে চলার কোনো মেয়ে নেই ,

সত্যি, সহজভাবে কোনো জিনিস ঘটা আমাদের কপালে নেই। আসলে আমরা তো সদা সর্বদা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মানসিকতায় রয়েছি, প্রায় সীমান্তে আর্মির মতোই সব সময় টানটান উত্তেজনা।

তাহলে তো Steven Cheung,White House Communications Director ভুল কিছু বলেন নি, “The Nobel Committee proved they place politics over peace”. নোবেল শান্তি পুরস্কার এমন একজন

প্রথম অ্যাঙ্গলো-শিখ যুদ্ধে পরাজয়ের পর লাহোর দরবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয় দেড় কোটি টাকা। ৫০ লক্ষ টাকা দিতে পারলেও বাকিটা আর দিতে পারবে না, জানিয়ে

কোনো মানে হয়না তাও একেবারে যোগসূত্রহীন কয়েকটা ঘটনা তুলে ধরার অবান্তর ইচ্ছে হলো…………… ১৯৬৮ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য প্রাচীন সমরসচিব, ভিয়েতনাম যুদ্ধের অন্যতম রূপকার ও

বিখ্যাত সব দুর্গাপূজায় এখন যেমন কোনো ‘থিম’ ছাড়া চলে না, তেমনি ভোটের আগে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোরও এক একটা ‘থিম’এর প্রয়োজন ঘটে। মানে, এটাই হবে আগামী







আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।
Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas
Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097
নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে