Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

চিল্লা-ই-কালান – এক চল্লিশ দিনের কাশ্মীরী আখ্যান

kashmir
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • January 3, 2026
  • 6:52 am
  • 4 Comments

কথাটা কি খুব পরিচিত বা চেনা লাগছে? বোধহয় না। যদিও মাত্র দিন তিনেক আগেই সংবাদপত্রের পাতায় ছবি সহ এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আপাদমস্তক গরম পোশাকে শরীরটাকে মুড়ে সুখী সুখী চেহারার নারী পুরুষ কাচ্চাবাচ্চা সবাই উপভোগ করছে এই মরশুমের প্রথম তুষারপাতের ঘটনাকে। পহেলগাঁও এর বিয়োগান্তক ঘটনার পর প্রায় ধসে পড়া কাশ্মীরের অধিবাসীদের রুটি রুজির প্রধান অবলম্বন পর্যটন শিল্প সাময়িকভাবে উঠে দাঁড়াতে চাইছে যেন। নিজেদের নিরাপত্তার প্রশ্নের কারণে পর্যটকরা বিমুখ হয়েছিলেন খুব স্বাভাবিক ভাবেই । চিল্লা – ই – কালানের হাত ধরে সেই মুখ থুবড়ে পড়া পর্যটন শিল্প আবার কিঞ্চিত আশার আলো দেখতে পাচ্ছে হয়তো, যদিও এই সময়টা মোটেই খুব সুখের সময় নয় কাশ্মীরের আম অধিবাসীদের কাছে। এবারে নিশ্চয়ই পাঠকদের মধ্যে অনেকেই বুঝতে পেরেছেন ঠিক কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি – ঠিক ধরেছেন কাশ্মীরের বরফিলা সময় বা তুষারপাতের কাল হলো এই চিল্লাই কালান বা চিল্লা-ই-কালান। চিল্লাই কালান শব্দটি একটি ফার্সি শব্দ যার অর্থ চল্লিশ দিন। এই শব্দবন্ধকে খুব নাটকীয় মনে হলেও আসলে কাশ্মীরের অধিবাসীদের কাছে শীতবরফ আর তুষারপাতের ঘটনা খুব স্বাভাবিক যদিও শীতের সুড়সুড়ি শুরু হতেই চলমান জীবন কেমন জবুথবু হয়ে যায় ফি বছর। নেমে আসে এক দীর্ঘ নৈঃশব্দ্য যাপন ।প্রতি বছর একেবারে ক্যালেন্ডারের দিন ক্ষণ মেনেই তুষার পাতের পর্ব শুরু হয়ে যায়। ডিসেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে শুরু করে নতুন বছরের জানুয়ারি মাসের ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে এই কঠিন শীতের বেলা। এখানেই শেষ নয়। দীর্ঘ দিনের অতি শীতলতার পর্ব পেরিয়ে চিল্লা – ই – খুর্দ, যার মেয়াদ ঠিক কুড়ি দিনের – জানুয়ারির ৩০ তারিখ থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৮ তারিখ অবধি ; আর এরপর বিদায়ী শীতের শেষ বেলায় দশ দিনের চিল্লা – ই – বাছা, ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ইতোমধ্যেই কাশ্মীর উপত্যকা সহ গোটা এলাকা জুড়েই পারদের পতন হচ্ছে হুড়মুড়িয়ে। বরফের সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে সবজায়গা। শ্রীনগর,গুলমার্গ, সোনমার্গ,পহেলগাঁও সব এলাকায় একই দৃশ্য। কাশ্মীরের অধিবাসীদের কাছে চিল্লা – ই – কালান হলো the King of Cold – শীতের রাজা।সূর্যের দক্ষিণায়নের সঙ্গে এই শীতাগমের এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ডিসেম্বর মাসের ২১ তারিখে সুয্যিঠাকুর তাঁর দক্ষিণমুখী চলনের একদম প্রান্ত সীমায়,মকরক্রান্তি রেখার ওপর পৌঁছে যান। পশ্চিম হিমালয়ের ওপর তখন গভীর শীতের আমেজ, জাঁকিয়ে গেঁড়ে বসে শীতের আবহাওয়া। এই সময় হিমালয় পর্বতের উত্তরে থাকা শীতল মহাদেশীয় বায়ুর দাপট বেড়ে যায়। কনকনে ঠাণ্ডা আর তুষারপাতের মরশুমের হাত ধরে চলে আসে চিল্লা – ই – কালান। এই সময় দিন রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেকটাই বেড়ে যায়। রাতের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে আসে। উপত্যকার নদী , হ্রদ , ঝর্না সব জমে বরফ! শ্রীনগরের বিখ্যাত ডাল লেক তখন পরিবর্তিত হয় বিশাল এক আইস স্কেটিং রিং এ।

লাগাতার তুষারপাতের কারণে পর্বতের উঁচু অংশগুলো তখন কেবলই সাদা আর সাদা। এই বরফ এক অর্থে নতুন আশার বাণী বয়ে নিয়ে আসে কাশ্মীরের মানুষের কাছে – একটু উষ্ণতার পরশে বরফ গলে গিয়ে পরিণত হয় প্রাণদায়ী জল ধারায়। পাহাড়ের পাদদেশে থাকা এ্যাকুইফার বা জলাধারগুলো পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে জলে আগামী দিনে যা মানুষের জীবনে সত্যিকারের আনন্দ বয়ে নিয়ে আসে।

অবশ্য কাশ্মীরের অধিবাসীদের ধারণা বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আবহমণ্ডলের ভারসাম্যে যে পরিমাণ পরিবর্তন ঘটেছে তাতে করে বলা যায় যে তুষারপাতের পরিমাণ ক্রমশই কমছে। কাশ্মীর এখন তুষার খরা বা Snow drought এর শিকার যার অর্থ হলো আগের তুলনায় কাশ্মীরে তুষারপাতের মাত্রা কমে যাওয়ায় রাজ্যের অর্থনীতি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, খেসারত দিতে হয়েছে আম আদমিকে। সেচের জলের পাশাপাশি পানীয় জলের জোগানে টান পড়েছে ব্যাপকভাবে।

গতবছরেই কাশ্মীর উপত্যকা ছিল বরফ শূন্য। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা খুব সক্রিয় না থাকায় গতবছর চিল্লা- ই- কালানের দেখা মেলেনি সেভাবে। প্রায় ৭৯% ঘাটতি ছিল বৃষ্টি ও বরফের জোগানে। মাঝেমাঝেই এমন অনিয়মিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কাশ্মীরের অধিবাসীদের কাছে। আমাদের এখানে ঠিক সময়ে বর্ষা না হলে যেভাবে চতুর্দিকে হাহাকার ওঠে কাশ্মীরের হাল‌ও অনেকটাই তেমন হয় ঠিক সময়ে তুষারপাতের পসরা সাজিয়ে চিল্লা-ই-কালান না এলে। আশার খবর হলো এই যে এ বছর ঠিক সময়েই তিনি হাজির হয়েছেন কাশ্মীরভূমে। উপত্যকা সহ উঁচু পাহাড়ী এলাকাতেও নেমেছে বৃষ্টি আর মেঘলা আকাশ থেকে শরতের শিউলি ফুলের মতো টুপটাপ ঝরে পড়ছে তুষারের কুঁচি। আর তা দেখতে, বরফের সাদা গালিচায় গড়াগড়ি দিতে, দেদার মস্তি লুটতে বড়ো সংখ্যায় হাজির হয়েছে রসপিপাসু পর্যটকের দল। আমদানির সুযোগ এসেছে বুঝতে পেরে খেটে খাওয়া কাশ্মীরের মানুষজন উচ্ছ্বসিত। কাশ্মীরের ভাগ্য এবছর বোধহয় সুপ্রসন্ন কেননা, পাশাপাশি থাকা দুই পার্বত্য রাজ্য উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশ এবছর তুষার খরার কবলে পড়েছে, যতটা তুষারপাতের আশা করেছিলো তার দেখা এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। ফলে কাশ্মীরের সামনে সুযোগ বেড়েছে আর্থিক সমৃদ্ধির।চিল্লা-ই-কালান কাশ্মীরের অধিবাসীদের অন্তর্লীন যাপনের এক আশ্চর্য উৎসবকাল। তুষার পিয়াসু ভ্রমনার্থীরা নতুন বছর শুরু হতেই ছুটছেন কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে। বরফে ঢাকা কাশ্মীরের মোহময় রূপ স্থানীয় অধিবাসীদের মনেও আনে এক আশ্চর্য প্রশান্তি। তাঁরা জানে – এমন দৃশ্য কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি। চিল্লা-ই-কালান কাশ্মীরী অস্মিতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ঘরে ঘরেও এক আশ্চর্য ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়। পুজো এলে বাঙলিদের ব্যস্ততা, পোঙ্গল এলে তামিলদের ব্যস্ততা, ওনাম এলে মালয়ালিদের ব্যাস্ততার মতো চিল্লা-ই-কালানের সময় কাশ্মীরের অধিবাসীদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় অনেকটাই। শীতাগমের সংকেত পেতেই প্রস্তুতি শুরু হয় জোরকদমে। নাগাড়ে দু মাসের‌ও বেশি সময় জেঁকে বসবে শীত,তাই নানান রকমের রসদ জোগাড়ের ধুম পড়ে যায় – জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে রাখা, গরমের তাজা সবজিগুলোকে কেটে, ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া, বাড়ির জীর্ণ হয়ে যাওয়া অংশের প্রয়োজনীয় মেরামতির কাজ সেরে ফেলা, এইসব আর কি! সাথেসাথে বাক্স পেটরা খুঁজে বের করা হয় গুছিয়ে রাখা ফিরান ( লম্বা জোব্বা জাতীয় শীত পোশাক) কাঙ্গরি ( শরীর গরম রাখার মাটির তৈরি হিটার),কারাকুলি, পশমিনা শাল।  বাড়ির সকলেই বিশেষ করে মহিলারা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন ভন্দ সাল ( সবাই মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া করার রীতি) এর প্রস্তুতিতে। কাশ্মীরের বিচিত্রসব লোভনীয় খাবারের খুশবু এই সময় রান্নাঘরের সীমানা পেরিয়ে মিশে যায় উপত্যকার আনাচে কানাচে। শীত তো এক অর্থে অ- প্রাচুর্যের সময়। অত ঠাণ্ডায় শাক সবজি মিলবে কী করে? তার ব্যবস্থা আগে থেকেই করা হয়। গরমের সময় রোদে শুকিয়ে রাখা হয় নানান কিসিমের সবজি।আর সেসব দিয়েই তৈরি করা হয় হোক্ সিউন। নানান রকম শুকিয়ে রাখা সবজিকে ব্যবহার করা হয় অত্যন্ত উপাদেয় স্টু এবং স্যুপ। শীতকালের ঘাটতি পূরণে এই আয়োজন সত্যিই অনবদ্য।আর বানানো হয় হারিস্যা (মাংসের কিমা দিয়ে তৈরি খাবার) – রকমারি খুশবুদার মশলা দিয়ে মাংসের কিমার সঙ্গে চাল দিয়ে তৈরি এক আশ্চর্য ধরনের জলখাবার। সাধারণত সকালে প্রাতরাশ হিসেবে খাওয়া হয় এই পুষ্টিকর খাবারটি। এই খাবার শীতের সময় ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগায় কাশ্মীরের অধিবাসীদের।

শীতকাল যতোই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিকনা কেন আসলে শীতকাল হলো এক কঠিন সময়। চিল্লা – ই – কালান কাশ্মীরীদের ঘরোয়া গেট টুগেদারের সময়। এই সময়ে তাঁরা আয়োজন করে ভন্দ সাল এর। আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধবের ডেকে এনে একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া, সুখ দুখের কথা বলে সময় কাটানো। এরফলে পারস্পরিক সহযোগিতা আর সহাবস্থানের আদর্শ বড়ো হয়ে ওঠে। সঙ্গে থাকে ট্রাউট মাছের মনলোভা জায়কা।কোলকাতার এবছরের ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়া বাঙালি বাবুদের কাশ্মীরের প্রবল ঠাণ্ডা সহ্য করা মোটেই সহজ নয়, না হলে বলতাম – চলুন একবার ঘুরে আসি। চিল্লা – ই – কালানের দাপট কমতে কমতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি। তখন আবার নতুন সাজে সেজে উঠবে সুন্দরী কাশ্মীর। সেই রূপেও ঝলসে যায় চোখ। অনেক কথা বলা হলো। জানা হলো অনেক অনেক বেশি। আজ বিদায় নেবো চিল্লা -ই -কালান নিয়ে লেখা একটা কবিতা দিয়ে –

ভূস্বর্গ এখন নিথর, গভীর শ্বাসে ভরি বুকের হাপর,

চিল্লাই কালান এসেছে বরফের পশরা সাজিয়ে।

ডিসেম্বরের সকাল থেকে টানা চল্লিশ দিন,

হালকা কুয়াশার চাদরের পেছনে মুখ ঢেকে থাকবে সূর্য।

চেনা ডাল হ্রদ এখন বরফের কাঁচের তলায়, আর

উপত্যকা ঘিরে থাকা পাহাড়ের পরনে সবুজ আঙরাখা।

তারপর স্তরে স্তরে সাজানো সব স্বপ্ন,

প্রতিফলিত হয় জমে যাওয়া নদীর আয়নায়।

 

ফিরানে মোড়া শরীর এখন পশমী ওম নিচ্ছে,

কাঙ্গরির আগুন উষ্ণতার আরাম ছড়িয়ে দেয় শরীর মনে।

এখন কোনো তাড়া নেই সবকিছু সেরে ফেলার,তাই

অবসরের আলস্য কাটাই খোয়া চায়ের পেয়ালায় তুফান তুলে

এ বুঝি নিজের ভেতরে থাকা নিজেকে খোঁজার সময়।

বাইরের বাতাসে এখন তীক্ষ্ণ বর্ষার খোঁচা, বিদ্ধ করে অবিরত

তবুও হৃদয় উথলে ওঠে, মনের গহীনে থাকা

অনেক দিনের গল্প আর সুখস্মৃতির মূর্ছনায়।

 

তবুও, অনেক সম্ভাবনা,

চাপা পড়ে আছে সাদা বরফের নিচে,

নীরব নীলিম আকাশের নিচে মাটি

উঠবেই ভরে ফসলের সম্ভাবনায়।

বরফের থাবা মুক্ত হলেই জানি –

পৃথিবী গাইবে চেনা সুরের গান।

সেই গানের সুর, ছড়িয়ে পড়বে

পাহাড়ের চূড়ায়, পাদদেশের নিভৃত জনপদে।

 

এই আশা দেখেই তো লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিই আমরা। সকলকে নতুন বছরের শুভকামনা। ভালো থাকুন। পাঠে থাকুন।

জানুয়ারি ০২. ২০২৬

https://www.indiatoday.in/newsmo/video/what-is-kashmirs-chillai-kalan-2840662-2025-12-23

PrevPreviousপেরিমেনোপজাল সিন্ড্রোম
Nextসমাজ মাধ্যমে উদ্ভূত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিবৃতিNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
4 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Ritabrata Gupta
Ritabrata Gupta
8 months ago

Bishoy ti jantam. Sena Bahini te kajer subadey Kashmir amar kachey onektai kacher, ba porichito ! Ekhon aro onekta gyan badlo. Koto jey shundor shundor protha, riti niti achey amader ei bishal deshey ! Mon bhorey jay. Lekhatir jonyo onek dhanyobad. Aro erokom lekha ashtey thakuk. Amrao shomriddho hoi.

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Ritabrata Gupta
8 months ago

ধন্যবাদ ঋতব্রত আপনাকে। ভূগোল ব‌ইয়ের একটা দুটো কথা থেকে যে এতোখানি লেখা হয়ে যাবে তা শুরুতে বুঝতে পারিনি। লেখালেখির পরে ছবির সন্ধান করতে গিয়ে আরোও অনেক কথা জানা হয়ে গেল। এটাই মজার। জানার মজার শেষ নাই, নতুন করে জানো তাই।
ভালো থাকবেন সবসময়।

0
Reply
Kaushik Guha
Kaushik Guha
8 months ago

Kashmir ghora hoye gelo. Onobodyo

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Kaushik Guha
8 months ago

খরচ বাঁচিয়ে দিলাম।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

পরিচয়ের বাইরে: ভারতীয় রাজনীতিতে শ্রেণিকে ফিরিয়ে আনা

September 28, 2026 No Comments

সমকালীন ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল রাজনৈতিক সংগঠন ও গণপরিসরের ভিত্তি হিসেবে ‘পরিচয়’-এর ক্রমবর্ধমান প্রাধান্য। জাত, ধর্ম, অঞ্চল, ভাষা, জাতিসত্তা, এবং অন্যান্য পরিচয় রাজনৈতিক

মানুষের মতো মানুষ

September 28, 2026 No Comments

আইএসসি পাশ করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ পেয়েও সে সুযোগকে প্রত্যাখান করে শ্রমিকের জীবন বেছে নেওয়া, কেননা সে সুযোগের পেছনে সুপারিশ ছিল! শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে

A Death: Some Arguements Trailer

September 28, 2026 No Comments

The premiere showbof this documentary will be at 6 pm today at Ram Mohan Library Hall.

আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি।

September 27, 2026 1 Comment

আশ্বিনের ভিজে সন্ধে, জলে ডুবে কুঁচকে যাওয়া শহরতলি রাত ৮টা আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি। মানে যে যুদ্ধ দুই বা তার বেশি দেশের মধ্যে, সীমান্তে বা

বিরিঞ্চিবাবা থেকে বাগেশ্বরবাবা: গুরুবাদের বিবর্তন ও বাঙালির দুর্গাপূজায় পরোয়ানা

September 27, 2026 No Comments

বাংলা সাহিত্যে ভন্ড বাবার ইতিহাস বেশ পুরনো। পরশুরাম আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে তাঁর ‘বিরিঞ্চিবাবা’ গল্পে দেখিয়েছিলেন, কিভাবে একজন অতি সাধারণ, স্কুলের দপ্তরী থেকে

সাম্প্রতিক পোস্ট

পরিচয়ের বাইরে: ভারতীয় রাজনীতিতে শ্রেণিকে ফিরিয়ে আনা

Kanchan Sarker September 28, 2026

মানুষের মতো মানুষ

Dr. Punyabrata Gun September 28, 2026

A Death: Some Arguements Trailer

Doctors' Dialogue September 28, 2026

আমি কখনও যুদ্ধ দেখিনি।

Dr. Sukanya Bandopadhyay September 27, 2026

বিরিঞ্চিবাবা থেকে বাগেশ্বরবাবা: গুরুবাদের বিবর্তন ও বাঙালির দুর্গাপূজায় পরোয়ানা

Bhaskar Das September 27, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

682062
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]