Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

যাদব মুলাই পায়েং: দ্যা ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া

WhatsApp Image 2026-11-06 at 9.08.14 PM
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • November 8, 2026
  • 6:57 am
  • No Comments

যাদব মুলাই পায়েং এর অসাধারণ কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রথম পরিচয় হয় ২০১৫ সালের আশেপাশে। খবরের কাগজের একটা ছোট্ট খবর – আসামের যাদব মুলাই পায়েং মাজুলির চরে একা হাতে হারিয়ে যাওয়া বনভূমিকে পুনরায় ফিরিয়ে এনেছেন একক প্রয়াসে। এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি মনোনীত হয়েছেন রাষ্ট্রীয় পদ্মশ্রী পুরস্কারের জন্য। তক্কে তক্কে ছিলাম যাদব মুলাই পায়েং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও জানাতে। হাতের মুঠোয় যেদিন বিশ্ব দর্শন যন্ত্র উঠে এলো সেদিন‌ই যাদব জীর বনায়ন প্রয়াস বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারি নানান তথ্য সূত্র থেকে। ততদিনে তিনি অবশ্য বিশ্ববন্দিত মানুষ হিসেবে দুনিয়াজোড়া পরিচিতি পেয়েছেন। জ‌ওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে তাঁকে ভূষিত করা হয়েছে দ্যা ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া হিসেবে।

দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন বিভিন্ন আদিবাসী ও বনবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজনেরা – প্রকৃতির সঙ্গে যাঁদের জীবন নিবিড় সম্পর্কে বাঁধা। প্রকৃতির সামান্য অঙ্গহানি হলে এঁদের নিমগ্ন জীবনের ওপর তার গভীর ছায়াপাত ঘটে। যাদবের জীবনেও এমন ঘটনা ঘটেছিল যার জেরে তিনি মাজুলির চরের একাংশ জুড়ে নতুন করে বনসৃজনের কাজে নেমে পড়েন। আদি অনন্ত কাল ধরে নদীর চরের এইসব এলাকায় মিশিং উপজাতীয় মানুষদের বসবাস। জমির ওপর আলাদা করে ব্যক্তিগত দখলি সত্ব নেই, এই জমি সকলের। বাড়ি থেকে অনেকটাই দূরে তাঁকে যেতে হয় প্রতিদিন। দিগন্ত রেখায় সূয্যি ঠাকুরের দেখা মেলার আভাস পাওয়ার আগেই নৌকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন যাদব । তারপর ঘাটে ডিঙিখানি বেঁধে প্রায় দু মাইল পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যান তাঁর পশু খামার ও সবজি খেতে। সমতলে নেমে এসে নদীর কেমন যেন আলসেমিতে পেয়ে বসে। বোঝার ভারে আর যেন শরীর চলতে নারে। বোঝার ভার লাঘব করতে জালের মতো ছড়িয়ে পড়ে নানান ধারায়। মাঝে জেগে ওঠে ছোট ছোট দ্বীপের মতো ডাঙা। তেমন‌ই এক জমিতে এখন যাদব মুলাই পায়েং এর সবজি চাষের ব্যবস্থা। এক নতুন বাস্তুতন্ত্রের পত্তনের লক্ষ্যে তাঁর আশ্চর্য অভিযাত্রা।

যাদব তখন ছোট। এক সামান্য মোষ বেচাকেনার ব্যাপারী ছিলেন তাঁর বাবা। নদীর ভাঙনে তখন‌ও এই জমির অংশটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি। ব্রহ্মপুত্র নদ তখন‌ও তাঁদের এলাকাকে এভাবে কেটেকুটে ভাগ করে দেয়নি অসংখ্য খণ্ড খণ্ড অংশে। যাদব সেই সব দিনের কথা ভুলে যাননি। প্রতিদিন এই ভূখণ্ডের মাটিতে পা রেখে তিনি একমুঠো মাটি তুলে নিয়ে কপালে ঠেকান। এই ভূমিখণ্ডের কাছে অশেষ ঋণী তিনি।

একদম শুরুতে এখানে গাছপালা কিছুই ছিলনা। শুধু ধু দু বালির চর। উজান থেকে ভেসে আসা মরা গাছের গুঁড়ি ছাড়া সবুজের নামমাত্র চিহ্ন ছিলোনা। ক্রমে ক্রমে চিন থেকে জলপথে বয়ে নিয়ে আসা ঘাসের বীজেরা থিতু হতে শুরু করে এই সব নয়া চরে। ঘাসেরাই প্রথম বসতি স্থাপন করে এই ভূখণ্ডের মাটিতে। এখন সেই চরের জমিতেই সবুজের বিপুল সমারোহ। ঘাস জমির মাঝে মাঝে উদ্ধত ভঙ্গিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য বড়ো বড়ো গাছ – যাদব মুলাই পায়েং এর একক কীর্তির স্মারক। এখন এখানে ঘাস খেয়ে হৃষ্ট পুষ্ট তুষ্ট হয় যাদবের পালতু গবাদিপশুরা।একদম শুরুতে বাঁশ গাছ দিয়ে জমি বদলের কাজ শুরু করেছিলেন পায়েং । তারপর এলো শিমুল গাছের দল, তিনিই নিয়ে এলেন। ডালপালা মেলে একটু বড়ো হতেই তারা ডেকে আনলো নিজেদের পছন্দের সঙ্গী সাথীদের। হৈ হৈ করে একসঙ্গে বেড়ে উঠলো তারা যৌথ পরিবারে থাকা তুতো ভাইবোনদের মতো করে। কাজটা তিনিই শুরু করলেও এতো শত গাছ লাগানোর কৃতিত্ব কখনোই একা নিতে চাননা যাদব। প্রথমে একটি বা দুটি গাছ লাগাতেই গাছের ফল থেকে বীজেরা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। বাতাস জানে কীভাবে বীজদের ছড়িয়ে দিতে হয়। বনের পাখিরা জানে কীভাবে পাকা ফলের বীজ গুলোকে উপযুক্ত ব্যবধানে পুঁতে দিতে হয়, ঘাস খেতে আসা গরুরা জানে, নদী পেরিয়ে আসা হাতিরা জানে, এতো দূরের পথ পাড়ি দিয়ে আসা ব্রহ্মপুত্র নদ জানে প্রকৃতির আশ্চর্য এই নিয়ম। গোটা ইকোসিস্টেম জানে নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে সকলের উপযুক্ত হয়ে ওঠার স্বয়ংক্রিয় নিয়ম কানুন, রীতি পদ্ধতি । হায়!কেবল মানুষ‌ই জানেনা।এই কাজের জন্য যাদব কোনো সরকারি অনুমতির অপেক্ষায় থাকেননি। তিনি জানেন ও পথে হাজারো কৈফিয়ত দিতে হবে। তিনি অনুমতি নিয়েছেন প্রকৃতির কাছ থেকে। সাক্ষী থেকেছে ব্রহ্মপুত্র নদের জল, মাথার ওপরে থাকা বিসারি আকাশ,চরের মাটি ছুঁয়ে বয়ে যাওয়া বাতাস আর ব্যস্ত পাখপাখালি, গাছগাছালিরা। এরাই তো প্রকৃতি পরিবেশের সত্যিকারের পৃষ্ঠপোষক। তাঁর মিশিং উপজাতীয় পূর্বজরা যে এই মন্ত্রেই দীক্ষিত করে গেছেন তাঁদের। যাদব সেকথা এতো সহজে ভুলে যাবেন কি করে?১৯৭৯ সালে কিশোর যাদব যখন প্রথম এই চরভূমিতে পা রাখেন তখনকার একটা দৃশ্য তাঁকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়ে যায় । তিনি অনেকগুলো মৃত সাপকে পড়ে থাকতে দেখেন বালির ওপর। যাদব বুঝতে পারেন যে একটু ছায়া ঢাকা আশ্রয়ের অভাবে প্রচণ্ড গরম স‌ইতে না পেরে মারা পড়েছে সাপগুলো। এই দৃশ্য দেখে তাঁর মনে হয়েছিল যে একদিন এমনি পরিণতি হবে মানুষের। পৃথিবীর তাপ বাড়ছে। বনবাদাড় সব উজাড় হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে। মানুষ যাবে কোথায়?  সেই থেকে লাগাতার মাজুলির এই চরে গাছ লাগিয়ে চলেছেন যাদব। কতো গাছ লাগিয়েছেন এ পর্যন্ত? এই প্রশ্ন করা হলে যাদব হেসে ওঠেন, কেননা এমন কঠিন প্রশ্নের উত্তর তাঁর জানা নেই। গাছ বোনাতেই যার অপার আনন্দ, গাছের সংখ্যা গোণায় তাঁর তাগিদ থাকবে কেন?প্রায় পাঁচ দশকের কাছাকাছি সময় ধরে যাদব পৃথিবীর মানুষকে একটু ছায়ার আশ্রয় দিতে কেবলমাত্র গাছ‌ই লাগিয়ে গেছেন। আর তাই সেদিনের সেই উষর বালুকাময় জমি পরিবর্তিত হয়েছে এক সবুজ সতেজ বনভূমিতে। বন দফতরের মানুষেরা যাদবের এই বন দেখে বিস্মিত হন। একা একটি মানুষের পক্ষে এতোকিছু করে ওঠা সম্ভব! একসময় যাঁরা যাদবের কাজকে পাগলামি বলে উপহাস করত আজ তাঁরাই কুর্ণিশ জানায় যাদবকে।যাদব মোলাই পায়েং এর নাম আজকের পরিবেশপ্রেমী মানুষদের কাছে সুপরিচিত। রাষ্ট্রীয় খেতাব তাঁকে এতটুকু বদলে দিতে পারেনি। তিনি আগের মতোই মাটির কাছাকাছি থাকা এক বিনম্র মানুষ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বয়স বেড়েছে। সেদিনের তরতাজা যুবক আজ এক প্রবীণ মানুষের তকমা লাগিয়েছেন শরীরে। তবে মন এখনও স্বপ্নে বিভোর, সবুজের স্বপ্নে। তাঁর আশা , ধুসর পৃথিবীর চেহারাটা আবার ঢাকা পড়বে এক সবুজ চাদরে। সেই বিশ্বাসের ওপর ভর করেই যাদব এখনও নিরলস। তাঁর কাছে প্রকৃতির সেবা করার অর্থ হলো ঈশ্বরের সেবা করা, তাঁর নিবিড় সান্নিধ্য ও আশীর্বাদ লাভ করা। ঈশ্বরকে পেতে চাইলে প্রকৃতিকে আগলে রাখতে হবে। যাদব মনে করেন , প্রকৃতিই হলো ঈশ্বরের প্রতিরূপ।

ষাটোর্ধ্ব যাদব মুলাই পায়েং এখনো এতোদিনের চেনা রুটিন আঁকড়ে ধরে আছেন – ভোর ভোর উঠে নিজের বিছানো বনভূমিতে পৌঁছে যাওয়া, সারাদিন সেখানে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসা। নতুন নতুন এলাকায় বনভূমিকে ছড়িয়ে দিতে তিনি এখনও অক্লান্ত। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই কাজ‌ই করে যেতে চান তিনি।

প্রকৃতির কাছে তিনি অশেষ ঋণী। সেই ঋণ শোধের প্রচেষ্টায় তাই তিনি আজও ক্লান্তিহীন।

তথ্য ও ছবির জন্য প্রচলিত উৎসগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ।

০৬.১১. ২০২৬

PrevPreviousএক নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্মেষ এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকবদল – ‘সোভিয়েত মেডিসিন’ (১৯১৭-১৯৩৭)
Nextশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী: ঔপন্যাসিকের ব্যক্তিজীবন, আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মভাবনা ও সমকালীন সম্পর্কের আলোকে একটি বিশ্লেষণNext
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী: ঔপন্যাসিকের ব্যক্তিজীবন, আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মভাবনা ও সমকালীন সম্পর্কের আলোকে একটি বিশ্লেষণ

November 8, 2026 No Comments

ভূমিকা: জীবন, মতাদর্শ ও সাহিত্যিক কল্পনার পারস্পরিক সম্পর্ক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকে বাংলা সমাজের অন্তর্লীন সংকট, মধ্যবিত্ত নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর অবস্থান এবং সামাজিক বৈষম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ

এক নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্মেষ এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকবদল – ‘সোভিয়েত মেডিসিন’ (১৯১৭-১৯৩৭)

November 8, 2026 No Comments

(৭.১১.২০২৬-এ পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক জগতের দিকবদলকারী “দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন”-এর ১০৯ বছর পূর্ণ হল। সেই প্রেক্ষিতে আমার এই প্রবন্ধ – বিশেষ করে,

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

November 7, 2026 No Comments

Preliminary Words Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) was published in 1819 (according to Bengali calendar it was 1226). The period was the very early

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

November 7, 2026 No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

November 7, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবী: ঔপন্যাসিকের ব্যক্তিজীবন, আর্থসামাজিক অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মভাবনা ও সমকালীন সম্পর্কের আলোকে একটি বিশ্লেষণ

Dr. Sukanti Bhattacharya November 8, 2026

যাদব মুলাই পায়েং: দ্যা ফরেস্ট ম্যান অফ ইন্ডিয়া

Somnath Mukhopadhyay November 8, 2026

এক নতুন স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্মেষ এবং পৃথিবীর স্বাস্থ্যব্যবস্থার দিকবদল – ‘সোভিয়েত মেডিসিন’ (১৯১৭-১৯৩৭)

Dr. Jayanta Bhattacharya November 8, 2026

Ramkamal Sen and His Significant Book Aushadh Sar Sangraha (Compendium of Medicine) – A Faithful Chronicle of His Time

Dr. Jayanta Bhattacharya November 7, 2026

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699492
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]