Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

FB_IMG_1793839412894
Pallab Kirtania

Pallab Kirtania

Physician and Poet-Singer
My Other Posts
  • November 7, 2026
  • 6:31 am
  • No Comments

সম্ভবত এস আইআার করে তৃণমূলকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে মমতার এই দাবির বিরোধিতা করতে গিয়ে কেউ কেউ দেখলাম বলছেন, পশ্চিম বঙ্গের এসআইআর নাকি ঠিকঠাক হয়েছে। গোলমাল যা হচ্ছে তা আসলে ভোটের পরে ইলেকশন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে। তাই?

দেখুন মমতা এবার হারতেনই। যে পরিমাণ দুর্নীতি, একনায়কতান্ত্রিকতা ফেরেব্বাজি তিনি ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা করেছেন তাতে বাংলার মানুষের বিরাট একটা অংশ তাঁর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছে এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আবার ইলেকশান কমিশন কেন্দ্রিয় শাসক দলকে এই রাজ্যে জেতার ব্যাপারে সর্বোতোভাবে সাহায্যের চেষ্টা করেছে এ ব্যাপারেও কোনো সন্দেহ নেই। সে সাহায্যের কতটা এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে তাদের কাজে লেগেছে সেই চুলচেরা হিসেবে আমি যাচ্ছি না। মমতা এবার হারতেনই, তার পরাজয়ের প্রয়োজনও ছিল। কিন্তু এসআইআর করার নামে গণতন্ত্রকে চুরমার করে দেওয়ার যে অপচেষ্টা ইলেকশান কমিশন অন্য রাজ্যে করেছে সেটা করেছে এখানেও এটুকুই কেবল বলতে চাইছি।

এসআইআর লক্ষ লক্ষ বৈধ নাগরিককে অকারণ লাইনে দাঁড় করিয়েছে, সে যন্ত্রণার ইতিহাস নাহয় ভুলেছি আমরা কিন্ত তা যে লক্ষ লক্ষ বৈধ নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে তাঁদের অতল আঁধারে ঠেলে দিয়েছে , সেটা কী করে ভুলি?

প্রথমত এই এসআইআর হল কেন? ভোটার লিস্ট সংশোধন সারা বছরের একটা চলমান প্রক্রিয়া। মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোটার, ভূয়ো ভোটার, ‘ঘুসপেটিয়া’ ইত্যাদিদের ভোটের দামামা বাজার অনেক আগেই নির্বাচন কমিশন বাদ দিয়ে নির্বাচন তালিকার প্রয়োজনীয় সংশোধন করে ফেলতে পারত। বেশ খানিকটা সময় নিয়ে কাজটা করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কমে যেত, এ নিয়ে সমালোচনার জায়গা থাকত না। কিন্তু সেটা হল না কেন? এর উত্তরের ভেতরেই আছে নির্বাচন কমিশনের দুরভিসন্ধি।

লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামক এক অদ্ভুতুড়ে অভিসন্ধির জাঁতাকলে ফেলে লক্ষ লক্ষ নাগরিকের নাম নির্বাচনের কয়েকমাস আগে বাদ দিয়ে দিতে পারলে স্রেফ সময়ের অভাবেই তাঁদের নাম কাগজপত্তর যাচাই করে আবার তালিকায় ফেরানো যাবে না, এই ছিল পরিকল্পনা। সেভাবেই চলছিল সব। কিন্তু এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত এই নাম বাদের তালিকা নিয়ে হস্তক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট। ভেবে দেখুন সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনের ঠিক আগে আগে বিচারপতিদের যাচাই করবার জন্য যে বাদ দেওয়া নাগরিকের তালিকা দিয়েছিল সেখানে নাম ছিল প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের। বিচারপতিরা সময় পেয়েছিলেন মেরেকেটে ৪০ দিন এবং বিচারপতিদের সংখ্যা ছিল ৫৩০ জন সম্ভবত। হিসেব করে দেখুন প্রত্যেক বিচারপতি যদি খাওয়া, বাথরুম, ইত্যাদির জন্যও দু পাঁচ মিনিটের সামান্য ব্রেক না নিয়ে প্রতিদিন টানা ১০ ঘন্টা করে ৪০ দিন ধরেই কাজ করেন তাহলে এই ৬০ লক্ষ মানুষের নথি যাচাই করার সময় পাওয়া যাবে মাথা পিছু মাত্র দু মিনিটের কাছাকাছি। এভাবে কাজ করা কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব? আর দু মিনিটে সব নথি যাচাই করাও প্রাকটিক্যালি কতটা সম্ভব? লক্ষ লক্ষ বৈধ নাগরিক হয়ত সে কারণেই রয়ে গেলেন নির্বাচন তালিকার বাইরে। এদের নথি যাচাই ঠিকমত হয়নি বলেই পরবর্তীকালের ট্রাইবুনালে এপর্ষন্ত ১০০০-এর ওপর ওপর যাদের নথি যাচাই হয়েছে তাঁদের ৯৪ শতাংশই আবার ঢুকে গেছেন ভোটার তালিকায়।

দ্বিতীয়ত বলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের এসআাইআর-এ যত নাম বাদ গেছে তার দায় ইলেকশান কমিশনের নয়, কারণ বাদ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচিত বিচারপতিরা। রিয়েলি? সকল পরিকল্পনা করে, সময়ের প‌রিসরকে একেবারে ছোট করে, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির খুড়োর কল লাগিয়ে প্রকান্ড এই ঘোঁটটাকেই পাকিয়ে তুলেছিল তাহলে কে? আসলে সুপ্রিম কোর্ট যদি শেষ মুহূর্তে হস্তক্ষেপ না করত তাহলে এই বাদ পড়ার তালিকা হত আরো অনেক অনেক দীর্ঘ। কারণ দেখুন অভিযোগ উঠেছে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মধ্যরাতের পর ERONET পোর্টালে ভোটারদের নথি আপলোডের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ইআরও ও এইআরও-রা এরপর আর নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে পারছিলেন না। যেসব ভোটারকে ইআরও-রা ইতিমধ্যে যোগ্য বলে চিহ্নিত করেছিলেন, তাঁদের অনেকের নাম আবার Under Adjudication বিভাগে পাঠানো হয় বলেও অভিযোগ ছিল। আবার বিচারকরা যে ৩৩ লক্ষ নাগরিককে ভোটার তালিকায় ফিরিয়ে এনেছিলেন তাদের ভেতর থেকে ভোটের পর ১৬ লক্ষকে যাতে আবার বাদ দেওয়া যায় তার জন্য ভোটের পর ট্রাইবুনালে আবেদন করেছে এই ইলেকশান কমিশন। কেন? এ থেকেই তাদের অভিসন্ধি পরিষ্কার হয়ে যায়। তারা যেন তেন প্রকারেন এই বাংলায় বৈধ নাগরিকদের বিরাট একটা অংশকে ভোটার তালিকার বাইরে রাখতে চেয়েছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এসআাইআর শুরু করে সময়কে সীমাবদ্ধ করে ফেলা, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির উদ্ভব, ইআরও-দের উপেক্ষা সবই এই দুরভিসন্ধি-পরিকল্পনার অঙ্গ। তাতে নির্বাচন কমিশন অবশ্যই সফল। এই রাজ্যের প্রায় ২২ লক্ষ বেনাগরিক হয়ে যাওয়া মানুষ হত্যে দিয়ে ট্রাইবুনালের দরজায় কড়া নেড়েই চলেছেন নেড়েই চলেছেন। যে গতিতে ট্রাইবুনালে আবেদনের নিষ্পত্তি হচ্ছে তাতে নাকি সমস্ত ফয়সালা হতে ২৫ বছর লেগে যাবে। ফলে তাঁদের এ জনমে আর ভোট দেওয়া হবে কিনা, ঘুসপেটিয়া বলে ডিটেনশান ক্যাম্প চালান করে দেওয়া হবে কি না কিংবা তাঁদের নাগরিক অধিকার কতটুকু আছে এই তথাকথিত রাষ্ট্রবাদী সনাতনীদের প্রশাসনে তা নিশ্চিত নয়।

একটা রাষ্ট্রের তার নাগরিকের প্রতি এর চেয়ে ঘোরতর অন্যায় আর কী হতে পারে! এর জন্য কোনো নিন্দাই যথেষ্ট নয় এবং অবশ্যই নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য যাঁরা একাজে নির্দেশ দিয়েছেন বা সহযোগিতা করেছেন তাঁদের প্রত্যেকের কঠোর শাস্তি প্রাপ্য।

PrevPreviousকাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

November 7, 2026 No Comments

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

November 6, 2026 No Comments

India Today এর এক সংবাদে প্রকাশ ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ এর সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন আই আই টিতে আত্মহত্যার মোট সংখ্যা হলো ১৭১, তার

অপপ্রচারের জবাবে

November 6, 2026 No Comments

৩ নভেম্বর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

S I R: গণতন্ত্র হরণ? চুপ! আদালত চলছে.….

November 6, 2026 No Comments

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর চলাকালীন ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ , ভূভারতে কোথাও হয় নি। এতদিন বাদে সর্বোচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, যে, ওই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ব্যবহারের যে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল,

অভয়া মঞ্চ বৃহত্তর বিধাননগরের উদ্যোগে আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও স্বাস্থ্য শিবির

November 5, 2026 No Comments

সাম্প্রতিক পোস্ট

এই বাংলায় এসআইআর কি ঠিক ছিল?

Pallab Kirtania November 7, 2026

কাঁচি চলুক কেমিক্যালস নয়

Dr. Kanchan Mukherjee November 7, 2026

কর্তৃপক্ষ কখনোই দায়ী নয়…

Dr. Amit Pan November 6, 2026

অপপ্রচারের জবাবে

Doctors' Dialogue November 6, 2026

S I R: গণতন্ত্র হরণ? চুপ! আদালত চলছে.….

Sanjoy Mukherjee November 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

699290
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]