যন্তর মন্তর,
খারাপ কি মন তোর,
চিরকাল শুনেছিস প্রতিবাদী কোন স্বর
দেশ জুড়ে যে যেখানে ভাবে হলো গড়বড়
নিজেকে জানাতে সে তো এসে গেছে তোর ঘর,
আজ এক কলম-খোঁচা,
বলে দিলো সখ ঘোচা,
প্রতিবাদ করবার ট্রাডিশন অতি ওঁচা
প্রতিবাদী মুছে করো তকতকে লেপাপোঁছা..
জমায়েতে লাভ নেই একটিও রুপি রে
ফেলো কড়ি দেশে সেটা মহা আজগুবি রে,
সরকার বিরোধের কথা বলা কু-ভিড়ে,
কখন যে পা টানে খাল খাটা কুমীরে,
যেতে পারে অস্ত,
ভয়ে রাজা ত্রস্ত,
বুনো মোষ তাড়ানোর গৃহী ভিড় মস্ত
তাই হাঁকে যন্তর, খোলা আর নোস তো!
লাভ চাই কোষাগারে প্রতিবাদ-জনিত,
গরীবের স্বর হলে দাবী নিয়ে ধ্বনিত,
অনায়াসে জান দেয়, বুক চিরে শোণিতও
সুতরাং প্রতিবাদী হওয়া চাই ধনী তো
সেই হেতু ভাড়া চাই,
লাখ নোট তাড়া চাই,
ঘটনা ঘটার আগে বুকিংটা সারা চাই,
ডেটটি না পেলে ঘুরে পিটটান মারা চাই।
কটা দিন অন্তর,
ভরে তোর অন্দর,
ফ্রীতে যারা প্রতিবাদী জীবিকা’র খন্দ’র
এবারে সময় এলো সেই পথ বন্ধ’র।
দৈনিক লাখ দে,
নয় ব্যাড লাক রে,
মাছ ঢেকে রেখে দেবে বুকিংএর শাক রে,
প্রতিবাদ নিয়ে বাপু আর কোথা ভাগ রে..
ধোলাইয়ের যন্তর
লিখে চলে মন্তর,
বাবুরাম সাপ খোঁজে বিনা বিষ-দন্ত’র,
শাসককে সওয়ালের সুযোগটা gone তোর।
একা একা থাক ভালো, যন্তর মন্তর।











