যদি কোন বিতর্ক বা মুচমুচে খবর চান লেখাটা এড়িয়ে যেতে পারেন। ছবির সাথে লেখার কোন মিল নেই। মেয়েদের মাসিক নিয়ে যখনই আলোচনা হয় তখনই আমরা একটা বিতর্ক খুঁজে নি। বাড়ি ছেলেরা প্যাড কিনবে কিনা বা মাসিক হলে পুজো Subh উচিত কিনা। কিন্তু আসল সমস্যাগুলো আমরা এড়িয়ে যাই। প্রচুর মেয়ে বিশেষত্ব টিনএজাররা পিরিয়ডের সময় যন্ত্রণা ভুগলে বাড়ির লোক এড়িয়ে যান ।একটা কথাই শুনতে হয় পিরিয়ড হলে ব্যথা হবে। আমারও হয়েছিল, তোর মাসির হয়েছিল, তোর দিদিমার হয়েছিল তার দিদিমার হয়েছিল।যেন এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার, বিয়ে হলে বা বাচ্চা হলে ঠিক হয়ে যাবে। অনেকে প্রচুর যন্ত্রণা হলেও ব্যথার ওষুধ খায় না সহ্য করে, অথবা গরম জলের সেঁক নেয়। স্কুলে যেতে পারে না, পড়াশোনা করে উঠতে পারে না কিন্তু ব্যথার ওষুধ খায় না। এটা ভুল ধারণা। ব্যথা হলে, ব্যথার ওষুধ খেলে কোন ক্ষতি নেই। পিরিয়ডের সময় খুব ব্যাথা হলে ডাক্তার দেখিয়ে জেনে নেওয়া উচিত এন্ডোমেট্রিয়াসিস বা ব্যাথার অন্য কারো কারণ আছে কিনা। রোগটা বেড়ে গেলে তা সারানো মুশকিল হয়।
অনেকের পিসিওডি আছে। মাসের পর মাস মাসিক হয় না। নিজের ভ্রুক্ষেপ নেই,বাড়ির লোকেরও নেই। প্রতি মেয়ের যেন তিন মাস অন্তর একবার পিরিয়ড হয়। নিজের থেকে না হলে ওষুধ খেয়ে করে নিতে হবে। না হলে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে। একই সমস্যা সময়গুলোতে। পিরিয়ড পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবার পর যদি ব্লিডিং হয় ডাক্তার দেখানো উচিত। কারণ ১০% ক্ষেত্রে সেটা এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণও হতে পারে। দুটো পিরিয়ডের মধ্যেখানে যদি হয় অথবা খুব বেশি ব্লিডিং হয় তখনও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনেক মেয়ে পিরিয়ডের সময় খুব বেশি রক্তক্ষরণ হবার জন্য জন্য অ্যানিমিয়ায় ভোগে। ক্লান্তিতে বাড়ির কাজ করতে পারে না কিন্তু কারণটাই জানতে পারে না। তাই পিরিয়ড নিয়ে বিতর্ক নয় সচেতনতা দরকার।










