Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

সাফিনা হুসেইন – এক আলোর পথযাত্রী

CG
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • September 9, 2025
  • 7:14 am
  • 3 Comments

সাফিনা হুসেইন , ভারতের এই কন্যা এই বছরের রমন ম্যাগসেসে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচিত হয়েছেন। বলতে দ্বিধা নেই যে সাফিনার নাম আগে কখনও শুনিনি। এটা আমার দৈন্যতা। এশিয়ার নোবেল পুরস্কার হিসেবে মান্যতা পাওয়া এই পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রাপকদের তালিকায় তাঁর নাম ঘোষিত হ‌ওয়ায় তাঁকে নিয়ে কিঞ্চিত চর্চা শুরু হয়েছে আম দরবারে।

ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার প্রাপক হলেন ভূদান যজ্ঞ কর্মসূচির রূপকার আচার্য বিনোবা ভাবে। একাধিক বঙ্গবাসীও  বিভিন্ন সময়ে এই পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বরেন্য দুই সাংবাদিক অমিতাভ চৌধুরী, গৌরকিশোর ঘোষ, বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় প্রমুখ। আর এই বছরের জন্য মনোনীত হয়েছেন দিল্লির বাসিন্দা  সাফিনা হুসেইন ও তাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন – “এডুকেট গার্লস” । সংগঠনের নাম থেকেই পরিস্কার যে দেশের মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই এই সংস্থার সদস্যরা কাজ করে চলেছেন। সাফিনা হুসেইন ও তাঁর স্বপ্নের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এডুকেট গার্লস হলো এই পুরস্কার প্রাপক প্রথম ভারতীয় সংগঠন। আসুন সাফিনার সাথে আপনাদের আলাপ করিয়ে দিই।দিল্লির এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সাফিনার জন্ম ১৯৭১ সালের ২১ জানুয়ারি। বাবা ইউসুফ হুসেইন হলেন ইতিহাসবিদ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। সাফিনার স্কুল জীবন কেটেছে দিল্লির R.K.Puram ‘এ অবস্থিত দিল্লি পাবলিক স্কুলে। স্কুল স্তরের পঠনপাঠনের পর্ব মিটতেই তিনি পাড়ি জমান লন্ডনে। সেখানেই দ্যা লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স এন্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স থেকে গ্র্যাজুয়েশন স্তরের পড়াশোনা শেষ করে ২০১২ সালে যোগ দেন হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে। ২০১৫ সাল অবধি সেখানেই পড়াশোনা সাফিনার। কিছুদিন কর্মজীবনের আস্বাদ গ্রহনের পর ২০০৭ সালে দেশে ফিরে আসেন এক নতুন স্বপ্ন বুকে বয়ে নিয়ে । শুরু  হয় এক নতুন কর্মতৎপরতা।

একসময় কাজের সূত্রেই সাফিনাকে ঘুরে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর একাধিক মহাদেশে, বিশেষ করে ল্যাটিন আমেরিকা, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নানান দেশে। উন্নয়নশীল দুনিয়ার এইসব দেশের মানুষের জীবনযাপনের মধ্যে তিনি যেন নতুন করে আবিষ্কার করেন নিজের দেশ ভারতবর্ষকে। সমাজ উন্নয়নের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত বিভিন্ন কর্মসূচি রূপায়ণ করতে গিয়ে সাফিনা বিশ্বের ঐসব অঞ্চলেও প্রত্যক্ষ করেন তীব্র লিঙ্গ বৈষম্য, পারিবারিক হিংসা ও সামাজিক অসমতার মতো ভয়ঙ্কর বিদ্বেষমূলক পরিস্থিতিকে। বিদেশে কাজ করতে করতে সেখানকার মহিলাদের দুর্বিষহ জীবনযাপন তাঁকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়ে যায়। তাঁদের মধ্যেই তিনি যেন দেখতে পান তাঁর পেছনে ফেলে যাওয়া মাতৃভূমি ভারতবর্ষকে। এদেশের কন্যা সন্তানদের সমস্যা অন্তহীন। মাতৃ জঠরে বেড়ে ওঠা ভ্রুণটি একটি কন্যা সন্তানের একথা টের পেলেই তাকে নিকেশ করতে তৎপর হয়ে ওঠে পরিবারের সদস্যরা। সন্তানটি সৌভাগ্যক্রমে পৃথিবীর আলো দেখতে পেলেই অভিভাবকরা তার বিয়ের কথা ভাবতে বসেন। এমন মানসিকতার কারণেই এদেশে নাবালিকা বিবাহ এক গহীন সমস্যার রূপ নিয়েছে। রাজস্থানের ৬০- ৭০ % মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয় নাবালিকা বয়সে। সারা ভারতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা ৪৬% । স্বাধীনতা লাভের প্রায় আট দশক পরেও আমার আপনার দেশ ভারতবর্ষ কন্যা সন্তানদের পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে রাখার বিচারে গোটা দুনিয়ার মধ্যে এক নম্বরে। দেশে ফিরেই এমন রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে অত্যন্ত বিচলিত হয়ে পড়েন সাফিনা হুসেইন। তিনি উপলব্ধি করেন যে মেয়েদের এই পরিণতির পেছনে রয়েছে যথার্থ শিক্ষার অভাব। তাঁদের এই অন্ধকার থেকে আলোয় আনতে হবে যে কোনো মূল্যে। তবেই ঘুচবে তাঁদের বঞ্চনার কালো ইতিহাস।

২০০৭ সালে তিনি ফিরে এলেন ভারতে, স্থাপন করলেন তাঁর সম্পূর্ণভাবে অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন Educate Girls – মেয়েদের শিক্ষিত করুন । তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কারণ দর্শাতে গিয়ে সাফিনা বলেছেন —***

  • আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থলে সযত্নে লালিত ইচ্ছেটাকে – দেশের মেয়েদের শিক্ষা – রূপায়িত করার জন্য আমি বিদেশের মোহ ও মাটি ছেড়ে দেশে ফিরে এলাম। একেবারে গোড়া থেকেই আমার আমি নিজেই নিজেকে উদ্বুদ্ধ করেছি একথা ভেবে যে আমাকে যে কোনো উপায়ে দেশের মেয়েদের শিক্ষার পথে পরিচালিত করতে হবে কেননা এই পথে হেঁটেই আজ আমি আমার স্বপ্ন পূরনের লক্ষ্যে এতদূর পর্যন্ত এগিয়ে আসতে পেরেছি। কি আশ্চর্য দেশ আমাদের! এখানে এখনও একটি গৃহপালিত ছাগলকে গণ্য করা হয় পারিবারিক সম্পদ হিসেবে, আর কন্যা সন্তান হলো পারিবারিক দায়,লায়াবিলিটি।আর তাই মেয়ের পঠনপাঠনের জন্য খরচ করা হলো অপব্যয়। তাঁদের অভিমত – কেন আমরা মেয়েদের পঠনপাঠনের জন্য ব্যয় করবো? সে তো আর ভবিষ্যতে আমাদের পরিবারের সঙ্গে থাকবেনা, স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি চলে যাবে। সেক্ষেত্রে মেয়েদের শিক্ষার জন্য খরচ করতে যাব কোন্ যুক্তিতে? পুরুষানুক্রমিকভাবে আজন্ম লালিত কিছু ভ্রান্ত ধারণা আমাদের বিপথে পরিচালিত করছে।

সাফিনা এই সময় ঠাট্টা করে বলেছিলেন – সরকার আমাকে ৫০ টা স্কুল দিক ; আগামী ৫ বছরের ভেতর আমি ৫০০০ স্কুল তৈরি করে নিতে পারবো। সবাই তাঁর এই কথাকে তেমন পাত্তা দেয়নি।

২০০৫ সালে ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরে এলো। বিদেশের মাটি থেকে ওড়া বিমান এসে নামলো দেশের মাটিতে। সাফিনা আর কালবিলম্ব না করেই ছুটলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন দফতরের কার্যালয়ে। সরকারের কাছে পেশ করলেন তাঁর ইচ্ছার কথা – আমি মেয়েদের শিক্ষার জন্য কাজ করতে চাই। আধিকারিকদের বললেন দেশের সবথেকে পিছিয়ে থাকা এলাকা কোনটা যেখানে লিঙ্গ বৈষম্য ভয়ঙ্করভাবে এখনও টিকে রয়েছে। সরকারের তরফ থেকে দেশের এমন ৬৫০ টি জেলার মধ্য থেকে ২৬ টিকে আলাদা করে বেছে দেওয়া হলো। ঘটনাক্রমে এই ২৬ জেলার ৯ টি জেলাই ছিল রাজস্থানের।এবার রাজস্থানে পৌঁছে সেখানকার শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পালা। আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল সেই রাজ্যের জালোর আর পালি জেলার অন্তর্গত ২৫ টি করে স্কুলের কথা। সাফিনা এই ৫০ টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়েই শুরু করলেন তাঁর শিক্ষা অভিযান। ২০০৫ – ২০০৭ এই দু বছর ধরে তিনি মেয়েদের সঙ্গে থেকে তাদের সমস্যাগুলোকে অনুধাবন করার চেষ্টা করলেন এবং তারপর‌ই স্থাপন করলেন তাঁর স্বপ্নের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এডুকেট গার্লস। ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সের মেয়েদের বাছাই করে নিয়ে ভর্তি করলেন স্কুলে। উদ্দেশ্য তাদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।

সম্পূর্ণভাবে নিজের উদ্যোগে সাফিনা হুসেইন শুরু করলেন এই কঠিন সিঁড়ি ভাঙার কাজ। সরকার একটা তালিকা তৈরি করেই খালাস। সমস্ত ব্যয়ভার বহনের দায় সাফিনার ওপরেই বর্তালো। এতো দিনের বরফ গলতে শুরু করেছে টের পেতেই রাজস্থানের সরকার রাজ্যের ৫০০ টি স্কুলকে এডুকেট গার্লস প্রকল্পের আওতায় আনার অনুমতি দেয় সাফিনাকে। পাশাপাশি ৫% ব্যয়ভার বহনের প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে অবশ্য এই অর্থকরী সাহায্য বেড়ে দাঁড়ায় ১৭%। সবটাই সম্ভব হয় সাফিনার অক্লান্ত আন্তরিক পরিশ্রমের ফলে।সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে সাফিনার কর্মকাণ্ডের পরিধি ক্রমশই বেড়ে চলে। আসলে কাজের মধ্যে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মিশেল ঘটলে সেই কাজ সফলতার শীর্ষে পৌঁছতে পারে খুব সহজে। সাফিনা হুসেইন এবং তাঁর সংগঠনের বেলাতেও একথা ১০০% সত্যি হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় লাগেনি। রাজস্থানের মাটি ছেড়ে এডুকেট গার্লসের শিক্ষা প্রসারের কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়ে আর‌ও তিনটি অত্যন্ত পশ্চাৎপদ রাজ্যে – মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, বিহারে। রাজস্থানে তাঁর কর্ম পরিধি ক্রমশই আর‌ও বিস্তার লাভ করে। এই মুহূর্তে চারটি রাজ্যের ৩০০০০ সংখ্যক গ্রামের নাবালিকা কন্যাকে এডুকেট গার্লস কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উপকৃত হয়েছে ২০০০০০০ বেশি ছাত্রী। ভাবতে বসলেই রোমাঞ্চ অনুভব করতে হয়।

এতো বিপুল সংখ্যক ছাত্রীর পঠনপাঠনের জন্য শিক্ষিকা জোগাড় হলো কোথা থেকে? সরকার কি এতো জন শিক্ষিকা নিয়োগ করলো? একদমই না। সাফিনার সংগঠন তার‌ও ব্যবস্থা করে ফেললো অভিনব উপায়ে। মোট ২৩০০০ জন মেয়েকে বেছে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এডুকেট গার্লসের “টিম বালিকা”। এই দলের ২৩০০০ এর বেশি সদস্যারা গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঘুরে খুঁজে বের করে স্কুলছুট্ ছাত্রীদের। জোগাড় করে তাঁদের নাম , ঠিকানা আর অভিভাবকদের নাম। জানতে চায় স্কুল ছুটের কারণগুলো। এ হলো এক ধরনের গণসংযোগ। স্বেচ্ছাসেবিকাদের নিয়মিত যোগাযোগের ফলে রক্ষণশীল পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে আগ্রহ একটু একটু করে বাড়তে থাকে। “মেয়েদের পড়াশোনার জন্য খরচ করা অর্থহীন” – এই মনোভাবের বদল হয়েছে অনেকটাই।অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে সাফিনা হুসেইন ও তাঁর সংগঠনকে। বাইরে যত‌ই ঝাঁ চকচকে বিকাশের হ্যালোজেন আলোর ঝলকানি দেখা যাক্ না কেন এখনো ঘরের ভেতরে ঘন অন্ধকার। মেয়েরা এখনও পুরুষতান্ত্রিক সমাজের হাঁড়ি কাঠে বলির জন্য উদ্যত। সত্যিকারের শিক্ষাই এই অন্ধকার দূর করতে পারে। সাফিনা হুসেইন ও তাঁর নিরন্তর প্রচেষ্টা এই জমে থাকা অন্ধকারকে ছাপিয়ে আলোয় ভরা এক ভূবন গড়তে চাইছে। তাঁদের সকলকে কুর্ণিশ জানাই।

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৫

PrevPreviousআমাদের শিক্ষক
Nextউৎসব হয়ে উঠুক সার্বজনীনNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
3 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Anjana Mukhopadhyay
Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

সাফিনার কথা সত্যিই অনুপ্রেরণা জোগায়। কথায় আছে – ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। এইসব মানুষ ইচ্ছে শক্তির ওপর ভর করেই বিশ্বজয়ী। মানুষ হিসেবে মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছাই সাফিনাকে এতো বড়
সাফল্য এনে দিয়েছে। সাবাস।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Anjana Mukhopadhyay
1 year ago

সমাজের জন্য কিছু করবো – এই ভাবনাটাই সেভাবে চাগিয়ে তোলেনা আমাদের অন্তরাত্মাকে। সাফিনা এই ডাকে সাড়া দিয়েই আজ বিশ্ব জয়ী।

0
Reply
sarmistha lahiri
sarmistha lahiri
1 year ago

সাফিনা হুসেইন কে আমার ও কুর্ণিশ জানাই। সাফিনার আলোতে চারিদিক আরো আলোকিত হোক। সাফিনা র এই চেষ্টা ঘরে ঘরে আরো সাফিনা কে বিকশিত করুক।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

শংকর গুহ নিয়োগী ও ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের সংগ্রাম

October 7, 2026 No Comments

৫ অক্টোবর ২০২৬ ফেসবুক লাইভে আলোচিত।

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

October 7, 2026 No Comments

অত্যাধুনিক যন্ত্র বা রোবটের ক্রিয়াকলাপের দুটো অংশ থাকে। সেনসর আর অ্যাকচুয়েটর। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির খবর আসে সেনসরের মাধ্যমে – আর যন্ত্র সেই খবর অনুযায়ী কাজ করে

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

October 7, 2026 No Comments

লাল জামা, Shining টাক, Threat Culture নিপাত যাক’ অভয়া আন্দোলনের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত স্লোগান হয়ে উঠেছিল এইটা, এর কেন্দ্রে ছিল কুখ্যাত থ্রেট সিন্ডিকেট এর অন্যতম

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

October 6, 2026 No Comments

আমরা কেন গিয়ে অনুনয় করব – “আমাদের মামলা তুলে নিন”? প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। অভয়ার ন্যায়বিচারের আন্দোলনে আমরা যে ক্ষুদ্র অংশটুকু নিতে

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

October 6, 2026 No Comments

কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী শামীম আহমেদের উপর বিজেপি-আরএসএস গুন্ডাদের আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাই। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের গুন্ডারাজ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলার বিরুদ্ধে

সাম্প্রতিক পোস্ট

শংকর গুহ নিয়োগী ও ছত্তিশগড় মুক্তি মোর্চার আন্দোলন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের সংগ্রাম

Doctors' Dialogue October 7, 2026

২০২৬-এ চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অপ্টোজেনেটিক্স আবিষ্কার ও তজ্জনিত গবেষণার জন্য।

Dr. Bishan Basu October 7, 2026

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হোক।

West Bengal Junior Doctors Front October 7, 2026

বিচার চাওয়া কোনো অপরাধ নয়

West Bengal Doctors Forum October 6, 2026

শামীম আহমেদের উপর হামলার অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার চাই।

West Bengal Junior Doctors Front October 6, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

686832
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]