Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

তিন্নি আর তিতিরের সরস্বতী পূজো

Oplus_131072
Dr. Hiralal Konar

Dr. Hiralal Konar

Surgeon, Leader of Doctors' Movement
My Other Posts
  • January 24, 2026
  • 6:52 am
  • One Comment

‘দাদু, সরস্বতীর মুখে হাসি নেই কেন?’ চক্রবর্তী পুরোহিতের নাতনি দাদুকে জিজ্ঞেস করতেই দাদুর দৃষ্টি গেল বাড়িতে এবার আনা মূর্তির দিকে। অনেকক্ষণ ধরে বাড়ির পূজোটা করলেন। বাড়ির সবাইকে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ালেন, সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন সরস্বতীর মুখটা এবার অন্যরকম লাগছে কি না।

এতক্ষণে সবাই চোখ বুজে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে প্রণাম সেরে সরস্বতীর মুখের দিকে তাকিয়ে দেখতে গিয়ে একটু অবাকই হল। তিন্নি তো ঠিকই বলেছে। এমন মুখ তো আগে কেউ দেখে নি।

পুরুত মশাই এর সঙ্গে বাড়ির সবাই খালপাড় থেকে ঠাকুর কেনার জন্য আফশোষ করে সিদ্ধান্ত নিল এরপর কুমোরটুলি গিয়ে ভালো করে দেখে হাসিমুখের সরস্বতী আনবে।

চক্রবর্তী মশাইয়ের মেজাজটা সক্কাল সক্কাল খিঁচড়ে গেল। আজ অনেক সকালে উঠে স্নান সেরে নিয়েছেন। পাড়াতেই গোটা দশেক পূজো সারতে হবে তারপর নতুন তৈরি হওয়া আবাসনের প্যান্ডেলের পূজো করে আবার আবাসনেরই গোটা আষ্টেক পূজোর জন্য তাঁকে বলে গেছে আবাসনের প্রোমোটার কাম কাউন্সিলর খেনু, কাউন্সিলর হওয়ার পর এখন যার আর্শীবাদ নিয়েই পাড়ায় সব পূজো, রক্তদান শিবির, বস্ত্র বিতরণ, ফুটবল, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ইলিশ উৎসব, গণবিবাহ ইত্যাদি আয়োজন করা হয়।
এসব নিয়ে বড়ো বড়ো ফ্লেক্সে তার নাম লেখা হয় সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিশিষ্ট সমাজসেবী খগেন্দ্রনাথ নাগ। সঙ্গে তার একগাল হাসিমাখা মুখ। তার উপরে অবশ্য থাকে সেই মুখের ছবি যার অনুপ্রেরণায় খনা আজ খগেন্দ্রনাথ।

পুরুত মশাই তাড়াতাড়ি করে বাড়ির সবচেয়ে কাছের প্যান্ডেলের পূজো সারতে খাট দিয়ে বানানো বেদিতে উঠলেন। তার তিনদিক তিন রঙের শাড়ি আর উপরে ল্যাম্পপোস্ট থেকে ছিঁড়ে আনা ফিনাইল ও স্যানিটারি ক্লিনার-এর বিজ্ঞাপনী ফ্লেক্সের আচ্ছাদন।

চক্রবর্তী মশাইয়ের কোন কিছুই দেখার সময় নেই। তবু তিন্নির কথাটা আর বাড়ির সরস্বতীর মুখটা তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না। আরে এই মুর্তির মুখেও হাসি নেই তো। যাকগে। এত ভাবার সময় নেই। কি মুশকিল আরও চারটে পূজো তাড়াতাড়ি করে সেরে ফেললেন, সব মুর্তির মুখেই হাসি উধাও। এরপর এ পাড়ার সবচেয়ে বড় সরস্বতী পূজার প্যান্ডেলে ঢুকলেন।

এটা খেনুর নিজের পূজো। বিশাল প্যান্ডেল, বিশাল মূর্তির বীণার মাপটাই নাকি ফুট বিশেক। পনেরোটা সিড়ি ভেঙ্গে উঠতে রীতিমতো হাঁপিয়ে গেছেন, মাথাটা চক্বর দিয়ে উঠলো কি! না এই পূজোটার জন্য তাঁর সবচেয়ে বেশি দক্ষিণা, নগদ প্রণামী, ধুতি শাড়ি ও ফল মিষ্টি জোটে। তাই এই পূজোটা কয়েকবছর ধরে তিনি অনেকক্ষণ সময় নিয়ে প্রতিটি আচার উপাচার মেনে করে থাকেন। তাছাড়াও এই পূজোয় অনেক বয়স্করাও পুষ্পাঞ্জলি দিতে আসে, তাদের চোখকান ফাঁকি দিয়ে পূজো সারা যায় না। অনেকক্ষণ সময় ধরে পূজো করলেন। সবার পুষ্পাঞ্জলি সারা হল।

গোছগাছ করছেন। হঠাৎ তিন্নির গলা। :এ……মা এই সরস্বতীর মুখেও হাসি নেই, দ্যাখ দ্যাখ।’ তিন্নির সঙ্গে ওর আশেপাশের বয়সের ছেলেমেয়েগুলো সবাই বলে উঠলো ‘তাই তো, তাই তো’।

চক্রবর্তী মশাই এবার মুখ তুলে মুর্তির মুখের দিকে তাকাতেই কি যেন হয়ে গেল। টলে পড়ে যেতে যেতে কোনরকমে মূর্তির পায়ের কাছের মাটি ধরে বসে তারপর চিত হয়ে শুয়ে পড়লেন। হঠাৎই দেখতে পেলেন মূর্তির মুখে যেন এক চিলতে হাসি।

সবাই হৈ হৈ করে উঠলো। খেনুর সাঙ্গোপাঙ্গোরা দৌড়ে এল। খেনূ আজকাল অত তাড়াতাড়ি সিড়ি উঠতে পারে না। গত কয়েক বছরে তার শরীরটারও তার ভুঁড়ি, টাকা পয়সা, তার সম্পত্তি, প্রভাব প্রতিপত্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। খেনু মোবাইলে ভাইপো নন্দুকে ধরল।

নন্দু পাশের পাড়ায় নেতাজীর জন্মদিনে রক্তদান ও বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির তদারকি করছে। কাকার আদেশে ওখানের ডাক্তারকে বাইকের পেছনে নিয়ে তাড়াহুড়ো করে ছুটে এল। সঙ্গে আর একটা বাইকে যন্ত্রপাতি নিয়ে আরো দুজন। চক্রবর্তী মশাইয়ের ব্লাড সুগার, ব্লাডপ্রেসার কমে গেছে। সকাল থেকে উপোস করে আছেন, তিনি নিয়ম নিষ্ঠ পুরোহিত। অনেক চেষ্টা করে বুঝিয়ে সুঝিয়ে গ্লুকোজ, নুন চিনির সরবত খাইয়ে তাকে চাঙ্গা করা হল। খেনু নিজের গাড়িতে করে আবাসনের পুজো করাতে চক্রবর্তী মশাইকে নিয়ে গেল। চক্রবর্তী মশাই নিয়মমতো পূজো সারলেন। তার বাকি সব পূজো করতে যেতে হল না, খেনুর চেলারা অন্য পুরোহিত দিয়ে সেসব সামলে দিল।

দুপুরে আবাসনের সবার সঙ্গে চক্রবর্তী মশাইকে অতি যত্নে খাওয়ানো হল। খেনুর ড্রাইভার পুরোহিত মশাইকে তার পাওয়া সবকিছু মায় প্রতিটি গামছা পর্যন্ত বাড়ি পৌঁছে দিয়ে এল। চক্রবর্তী মশাই যতক্ষণ পূজোর জায়গায় ছিলেন আর সাহস করে মূর্তির মুখের দিকে তাকিয়ে দেখেন নি। বাড়ি ফিরে বাকি দুপুর ঘুমিয়ে শেষ বিকেলের দিকে উঠলেন।

এখন বেশ ঝরঝরে লাগছে। আজকের খবরের কাগজটা নিয়ে বসলেন। খবর বেরিয়েছে রাজ্যের স্কুলে স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকার ভীষণ অভাব, অনেক সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, অঙ্কের, বিজ্ঞানের, ইতিহাসের, ভূগোলের শিক্ষক নেই। পড়াশোনার ভীষণ অসুবিধা।

চক্রবর্তী মশাইয়ের মাথায় এল কিছুদিন আগে সতীদাহ নিয়ে কে নাকি কি সব বলছে, আরও আগে সদ্যজাত বাচ্চার ওজন নিয়ে, গান্ধীর অনশন ভঙ্গ নিয়ে অনেক কথা শোনা গেছে। স্কুলে মাষ্টার মাষ্টারনিরা নেই। ছেলেমেয়েগুলো কি এসবই শিখছে?!

চক্রবর্তী মশাইয়ের আবার কি একটা মনে হল, ছুটে গেলেন বাড়ির সরস্বতী মূর্তির কাছে, আস্তে আস্তে মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলেন মুর্তির মুখের কোণে একটা রাগ আর ব্যঙ্গ মেশানো হাসি।
দেখলেন তিন্নি বাড়ি ফিরে এল। সঙ্গে তিন্নির সতেরো বছরের জ্যাঠতুতো দিদি তিতির।

তিন্নিকে মূর্তির মুখ নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করতে গিয়ে থমকে গেলেন। তিন্নি রেগে রেগে বলল দিদিকে ডেকে, ‘খেনুকাকু বলে দিয়েছে সন্ধ্যার পরেই যেন দিদি বাড়ি ফিরে যায়।’

দিদি বলতে গিয়েছিল ‘যাদবপুরে, ব্যারাকপুরে, আরও সব কোথায় কোথায় মেয়েরা তো দলবেঁধে রাস্তায় বের হচ্ছে, সঙ্গে ছেলে বন্ধুরাও। ওরা তো অভয়া মঞ্চের কথা বলে বেড়ায়, ভয়ও পায় না।’

খেনুকাকু নাকি খুব রেগে ধমকে দিয়েছে।

তিতির আর ওর বন্ধুরা অভয়া মঞ্চের দাদা দিদিদের খোঁজ নিতে কাল সকালেই বের হবে।

PrevPreviousছয় ধর্ষকের শাস্তি হলো
Nextনিপা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতাNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
1 Comment
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Sudeb Sarkar
Sudeb Sarkar
6 months ago

এই সমস্ত লেখা সময়ের দলিল হিসেবে থেকে যাবে অবশ্যই । লেখককে অনেক ধন্যবাদ ।

0
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

August 22, 2026 No Comments

এক ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে তৎকালীন শাসকের প্রশ্রয়পুষ্ট গুণ্ডারা, যাদের সংবাদমাধ্যম মিষ্টি করে দুষ্কৃতী বলে,এই শহরের এক অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে যথেচ্ছ ভাঙচুর করেছিল

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

August 22, 2026 No Comments

২০২৬ সালটিকে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল এসেম্বলির তরফ থেকে “আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। কৃষির সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে, আমাদের খাদ্যের

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

August 22, 2026 No Comments

বছর ষাটের প্রৌঢ়া। টিকালো নাক,গায়ের রঙ ধবধবে ফর্সা। কিন্তু ইতিমধ্যেই অধিকাংশ দাঁত হারিয়ে গাল চুপসেছে। ফলে, শরীরে  পড়ন্ত প্রৌড়ত্বের সঙ্গে আসু বার্ধক্যের টানাপোড়েন বেশ লক্ষ্যনীয়।

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

August 21, 2026 No Comments

একটা জিনিস লক্ষ্য করেছেন? ফেসবুক আর “ফেসবুক” নেই — এখন ওটা একটা বিজ্ঞাপনী প্যামফলেট, যেখানে মাঝেমধ্যে মানুষ ভুল করে ঢুকে পড়ে। একটা সময় ছিল, সকালে

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

August 21, 2026 No Comments

কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে ক্ষুদিরাম বসুর ছোঁড়া বোমাটা সেদিন সঠিক লক্ষ্যে লাগেনি। এক অর্থে ব্যর্থ। সেই ব্যর্থ মানুষটিকে নিয়ে লিখতে বসার কিছুতো কারণ থাকবে। সেটা জানার

সাম্প্রতিক পোস্ট

অভয়া মঞ্চর যূথবদ্ধ অবস্থান আজ আক্রান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে

Vishag Gupta August 22, 2026

আন্তর্জাতিক নারী কৃষক বর্ষ ও ভারতীয় বৈষম্য

Somnath Mukhopadhyay August 22, 2026

“সারা গায়ে পোকা চরে বেড়াচ্ছে, স্যার”

Dr. Subhendu Bag August 22, 2026

শুধু মৃত্যু-তারিখটা বাকি।

Dr. Arjun Dasgupta August 21, 2026

এদের সহনাগরিক বলতে লজ্জা হয়

Dr. Samudra Sengupta August 21, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

669186
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]