Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

বান্দিপোরার শবনম – কর্মপ্রেরণার এক অফুরান উৎসস্রোত

shabnam
Somnath Mukhopadhyay

Somnath Mukhopadhyay

Retired school teacher, Writer
My Other Posts
  • March 4, 2026
  • 6:33 am
  • 2 Comments

আজ এক দুরন্ত পাহাড়ি তনয়ার কথা বলবো। তাঁর নাম শবনম বশির গোজের চেচি। কাশ্মীরের বান্দিপোরার এক গুজ্জর – বাকর‌ওয়াল ট্রাইবাল পরিবারের কন্যা শবনম। গুজ্জর – বাকর‌ওয়াল সম্প্রদায়ের মানুষরা জীবিকা সূত্রে যাযাবর পশুপালক।  জন্মসূত্রে এমন‌ই এক পারিবারিক প্রেক্ষাপটের সদস্যা হয়েও শবনম বশির আজ কাশ্মীরের এক ট্রাভেল প্রোমোটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভূস্বর্গ কাশ্মীরের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে পর্যটনের ওপর। অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি কাশ্মীর নিয়ে সারা দুনিয়ার পর্যটনপ্রেমী মানুষের আগ্রহের অন্ত নেই। একজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্যুরিজম গবেষক হিসেবে শবনমের আক্ষেপ ছিল যে তাঁদের সুন্দরী বান্দিপোরাকে নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে কোনো আগ্রহ, উদ্দীপনা নেই। আসলে কাশ্মীরের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তারা ট্যুরিজমের প্রসারে এই এলাকার অপার সম্ভাবনার কথা জানতেন না। একজন সোলো ট্রেকার হিসেবে শবনম পাহাড়ি পাকদণ্ডী পেরিয়ে চলতে চলতে আবিষ্কার করেছেন ১৬টি নতুন সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থলকে যা আজ ভ্রামণিক মানুষদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পর্যটনের হাত ধরেই একদা উপেক্ষিত বান্দিপোরা অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে। সুস্থিত পর্যটনের হাত ধরে বান্দিপোরার মানুষদের যাযাবর জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। আদর করে কাশ্মীরের লোকজন তাঁকে ডাকে Isabella Bird of the Valley বলে। শবনম বশির।বয়স ২৯ । নিবাস কাশ্মীর। এই মেয়ে সমস্ত সামাজিক রক্ষণশীলতার বেড়া পেরিয়ে পাহাড়ি চড়াই উৎরাই ভাঙতে ভাঙতে খুঁজে বের করেছে কাশ্মীরের বান্দিপোরার প্রায় ১৬ টি নতুন উপত্যকা যা আগামীদিনে রাজ্যে এক টেকসই পর্যটনের সূচনা করবে বলে আশাবাদী সকলেই।

আজ বেশ তাড়াতাড়িই বেরিয়ে পড়েছে শবনম। ভোরের আলো ফুটতে এখনও খানিক সময় বাকি। পর্বতের ওপর দিকের ঢালে লম্বা লম্বা ঘাসের বুগিয়াল। শীতের বরফ গলার সংকেত পেয়েই মাটি ফুঁড়ে উঁকি দিচ্ছে নবীন ঘাসের দল। কিছুদিনের মধ্যেই বরফের ধবধবে সাদা গালিচাকে সরিয়ে হরিৎ চারণভূমি জাঁকিয়ে বসবে গোটা এলাকা জুড়ে । এমন ঘাসের জমিকে ঘিরেই কাশ্মীরের গুজ্জর – বাকর‌ওয়াল সম্প্রদায়ের মানুষদের জীবনের পরিশ্রমী যাপন । এইসব ডিঙিয়েই শবনম নামের মেয়েটি চলেছে চারণভূমির ওপর দিয়ে চরণ ফেলে ফেলে ; মাঝেমাঝেই একঠায় দাঁড়িয়ে পড়ছে সে, হাতের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধরে রাখছে শিশির ধোওয়া ভোরের অনির্বচনীয় দৃশ্যপট। নাগমার্গের ওপর দিয়ে হালকা মেঘের দলেরা উড়ে চলেছে কোন্ অজানা ঠিকানায়। শবনমের মুঠোফোনের ক্যামেরা সব ধরে রাখে।

এইসব এলাকায় এখনও শহুরে ট্যুরিস্টদের পা পড়েনি। আর পড়বেই বা কী করে? রাজ্যের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তারা এখনও বান্দিপোরার এসব বিজন অঞ্চলের কথা জানেন না। তাই বান্দিপোরার পাহাড়তলিতে এখনও বিরাজমান পিনফেলা নৈঃশব্দ্য আর অনন্ত শান্তি। নিজের এলাকাকে যেন নতুনভাবে আবিষ্কার করে শবনম, হয়তো নিজেকেও।ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে নির্জন পথে একলা চলা যে মোটেই সহজ নয় তা জানে শবনম। তাঁদের রক্ষণশীল গুজ্জর– বাকর‌ওয়াল সমাজের কোনো মেয়ের পক্ষেই যে এমনটা বিধিসম্মত নয় শবনমের তা মাথায় রেখেই চলতে হচ্ছে প্রতি পদে । সামাজিক আইনের হাজারো বিধিনিষেধ এড়িয়ে চলা আজ‌ও একরকম অসম্ভব শবনমের পশুপালক যাযাবর সমাজে। একমাত্র বিবাহ সূত্রে বাঁধা পড়লেই নিজেদের সমাজের বেড়া পেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ মেলে। এই এলাকার মধ্য দিয়ে কখনো কখনো এগিয়ে যাওয়া ট্রেকারদের দেখে শবনমের মন উন্মন হয়ে ওঠে , সেও মনে মনে তাঁদের সঙ্গিনী হতে চায়। বাড়িতে সায় দেবার লোক মেলেনা। তাঁর এমন বাউন্ডুলে ইচ্ছের কথা জানতে পেরে উল্টে নিয়মের বেড়াকে আরও শক্তপোক্ত করে ফেলেন অভিভাবকরা।নিজের এমন বন্দিনী জীবনের কথা বলতে গিয়ে দু চোখ জলে ভরে ওঠে। অভিমানী কন্ঠে শবনম বলে– “পাহাড়ের আনাচে কানাচে একা একা ঘুরতে চাই শুনে রে রে করে তেড়ে ওঠেন আমার পরিজনেরা। এভাবে পথে নামলে তা নাকি পরিবারের সম্মান হানির কারণ হয়ে উঠবে। কি আশ্চর্য কথা! আমাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা এ পাহাড়, ওই পাহাড় পাড়ি দিয়ে ফেরে , অথচ আমি মেয়ে হ‌ওয়ায় আমার বেলাতেই নিষেধের বাড়াবাড়ি!”

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি কাশ্মীর। প্রতি বছর‌ই দেশ বিদেশের লাখো মানুষ এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পা রাখেন শবনমের রাজ্যে। অথচ নতুন নতুন জায়গায় যাওয়ার পরিবর্তে বহুদিনের চেনা পথেই তাঁদের পরিক্রমা। শবনম এই গতানুগতিকতার বিপরীতে চলতে চায় , চারণিক পরিবারের অনিশ্চয়তা ভরা জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা ও স্থায়ি আয়ের সুযোগ তৈরি করতে চায় পর্যটনের হাত ধরে। ঘুরতে গেলেও যে চাই পুঁজি। পারিবারিক সাহায্যের প্রত্যাশা না করেই শবনম নতুন সম্ভাবনার খোঁজে বান্দিপোরার সর্বত্র অভিযাত্রীর মন নিয়ে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়, খতিয়ে দেখতে চায় সেইসব এলাকার পর্যটন সম্ভাবনা। লম্বা ট্রেকিং শুরু করে শবনম সমস্ত সমস্যার কথা, সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখেই। নিজের পিঠের ব্যাগে প্রয়োজনীয় সবকিছু ভরে নিয়েই পায়ে পায়ে এগিয়ে যায় শবনম বশির,এক অনমনীয় পাহাড় কন্যা। সে জানে একবার যদি পর্যটন বিভাগের নজরে আনা যায় এই নতুন নতুন এলাকাগুলোকে তাহলে তথাকথিত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে বিলম্ব হবেনা। বাড়বে তাঁদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা।শবনমের কথায় – “নিছক ঘুরে বেড়ানো নয়,আমি চেয়েছিলাম নতুন নতুন জায়গার সন্ধান করতে যেখানে সচরাচর পরিচিত মানুষদের পদচিহ্ন পড়েনি। কেবল ঘোরার জন্য ঘোরা নয়, আমার উদ্দেশ্য ছিল নতুন দেশ আবিষ্কারের, সেই সব এলাকা নিয়ে এক প্রামাণ্য তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা। যাযাবর পশুপালক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি জানি এই জীবন যাপন কতটা অনিশ্চয়তায় ভরা। একটা সুস্থিত পর্যটন পরিকাঠামোর সাহায্যে আমি চেয়েছিলাম গুজ্জর – বাকর‌ওয়াল সম্প্রদায়ের মানুষদের জীবনে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে। কাজটা খুব সহজে হবেনা জেনেও আমি পিছিয়ে যাইনি। আমি নিজে এগিয়ে এসে অন্যদের এগিয়ে আসার প্রেরণা দিতে চেয়েছি। অন্য কোনো উপায়ের কথা ভাবিনি তা নয়, তবে এটাই আমার কাছে সবথেকে গ্রহণীয় উপায় বলেই মনে হয়েছে। আমাদের বেঁচে থাকার কষ্টের জীবনে একটু স্বাচ্ছন্দ্য আনতেই আমার এই প্রচেষ্টা।”রাজধানী শ্রীনগর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বান্দিপোরার নৈসর্গিক সৌন্দর্য অপরূপ। বিখ্যাত উলার হ্রদ আর হরমুখ শৃঙ্গের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত বান্দিপোরা সহজেই পর্যটনপ্রেমী মানুষের নজর টানতে পারে। এমন সম্ভাবনা রয়েছে জেনেও রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে এই এলাকার ঠাঁই হয়নি। ফলে কাশ্মীরের পর্যটন কতগুলো অতি পরিচিত দর্শনীয় স্থানের গোলকধাঁধাতেই যেন আটকে আছে। শবনম স্বপ্ন দেখে যে তার বান্দিপোরা একদিন সৌন্দর্য পিয়াসু ভ্রমনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠবে । সেই সুবাদেই বদলে যাবে এলাকার বাসিন্দাদের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি, পরিকল্পিত সুস্থিত পর্যটন পরিকাঠামোর ওপর ভর করে বদলে যাবে এলাকার আবাসিক মানুষের দিন আনি দিন খাই যাপনের চেনা ছবিটা।

অন্যের  মুখের কথায় বিশ্বাস না করে শবনম নিজে পায়ে হেঁটে হেঁটে ঘুরে দেখেছেন বান্দিপোরার প্রতিটি এলাকা যদি নতুন কোনো সম্ভাবনার খোঁজ পাওয়া যায়। শবনম জানে, পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে কোনো স্থানকে তিল তিল করে গড়ে তুলতে হয়। একবার পর্যটকদের নেক নজরে পড়লে পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্যে পৃষ্ঠপোষকতার অভাব হবে না। সবথেকে আগে একটা প্রাথমিক পরিচিতি লাভ করা দরকার, পরবর্তী উন্নয়ন ঘটবে আপন নিয়মে। একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।শবনম সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় বান্দিপোরায় ১৬ টি সম্ভাব্য পর্যটন স্থলকে খুঁজে বের করেছে। তাঁর মতামতের ওপর ভিত্তি করেই রাজ্যের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তারা এই এলাকায় পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছেন জোরকদমে। শবনম এখানেই থেমে থাকেনি। স্থানীয়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে পর্যটকদের জন্য বিশেষ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বুঝতে পেরে স্থানীয়রা

ময়দানে নেমে পড়েছে কোমর বেঁধে। চান্দাজি, নাগমার্গের মতো অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত জায়গাগুলোতে এখন ভিড় জমছে ভ্রমণ পিপাসুদের। সুযোগ বুঝে সরকারের পক্ষ থেকে শুরু করা হয়েছে হোম স্টে প্রকল্প। সেই প্রকল্পে যুক্ত হতে আবেদনকারী প্রার্থীদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিবর্তনের পেছনে শবনমের উদ্যোগের যে অনেকটা বড়ো ভূমিকা রয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন সবাই।

এই মুহূর্তে বান্দিপোরার উঁচু নিচু পাহাড়ি পথ বেয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন পর্যটকরা। শবনমের লেখা কিতাব পড়ে তাঁরা কাশ্মীরের এই আন এক্সপ্লোরড এলাকায় ভিড় জমাচ্ছেন। বছরে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ আসছেন শবনমদের অতিথি হয়ে। শবনমের দেখানো পথেই ট্রেকিং করছেন তাঁরা। এরমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে খান চল্লিশ হোম স্টে। সেখানে কাশ্মীরী কায়দায় আতিথেয়তা গ্রহণের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। পশুচারণের অনিশ্চয়তা থেকে এখন অনেকটাই মুক্তি মিলেছে। এককালে যাঁরা শবনমকে বাধা দিয়েছিল তারাই আজ শবনমের প্রচেষ্টায় খুশি। এক নতুন আবহে আজ উদ্বেলিত সবাই। খুশি শবনম‌ও, কেননা এমন‌ই এক আশ্চর্য রূপান্তরের রূপকথা রচনা করতেই চেয়েছিল শবনম বশির – সুদূরের পিয়াসী এক চঞ্চল নগকন্যা।১৯৯৭ সালের  জানুয়ারি মাসের ২৫ তারিখে বান্দিপোরার এক অখ্যাত গ্রাম কুইল মোকামে দিগন্ত বিছানো হরমুখ পর্বতশ্রেণির ছায়ার মায়ায় শবনমের জন্ম, বেড়ে ওঠা। আজ তাঁর প্রচেষ্টায় সেই অখ্যাত জনপদটিই বিশ্বময় পরিচিতি পাচ্ছে। ভূমি কন্যা হিসেবে এটাই শবনমের সবথেকে বড়ো পাওয়া।

ঋণ স্বীকার: Awaz, বেটার ইন্ডিয়া, শবনম বশিরের ফেসবুক পেজ।

মার্চ ২ .২০২৬

PrevPreviousনারীর বিরুদ্ধে অপরাধে কী কী শাস্তি হতে পারে? রাজপথ জুড়ে হোর্ডিং অভয়া মঞ্চের
Nextরাতের কলকাতায় অভয়া মঞ্চের পথ দখলNext
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
2 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
Abhradeep Roy
Abhradeep Roy
1 month ago

খুব ভালো লাগলো শবনমের অনুপ্রেরণাদায়ক কাহিনী শুনে। তবে একটা খটকা থেকেই যাচ্ছে। এই এলাকায় ধীরে ধীরে পর্যটকের সমাগম বাড়লে যে প্রকৃতির আকর্ষণে যাওয়া, সেটাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না তো? সরকারি পর্যটন দপ্তর সেই দিকে আদৌ নজর দেবে? পদচারী ট্রেকারদের আনাগোনা বাড়লে কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু যখনই যাতায়াতের সুবিধা, থাকা খাওয়ার জায়গা বাড়বে, তখনই সাধারণ পর্যটক পরিবারের আনাগোনা বাড়বে – সেটাই চিন্তার।

0
Reply
Somnath Mukhopadhyay
Somnath Mukhopadhyay
Reply to  Abhradeep Roy
1 month ago

ধন্যবাদ অভ্র। সত্যিই, শবনমের কথা প্রেরণার উৎস। এক পশুপালক যাযাবর পরিবারের মেয়ের এমন চিন্তা ভাবনা দেখে খুব ভালো লাগে। অনেক অনেক বাধা ডিঙিয়ে শবনমদের পাদপ্রদীপের আলোয় আলোকিত হতে হয়। পদে পদে বিধিনিষেধ। বান্দিপোরায় পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। অনিশ্চয়তায় ভরা জীবনকে পিছনে ফেলে ওরা এখন আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করছে কিছুটা। পর্যটকদের দৌরাত্ম্য না বাড়লেই মঙ্গল।

1
Reply

সম্পর্কিত পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

April 15, 2026 No Comments

সালটা ২০১১, আমরা মেডিক্যাল কলেজে তখন সদ্য পা দিয়েছি। গল্পটা শুরু হয়েছিল তারও আগে, রেজাল্ট বেরোনোর পরপরই। বিভিন্ন দাদা দিদিরা বাড়ি বয়ে একদম ভর্তির সমস্ত

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

April 15, 2026 No Comments

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

April 15, 2026 3 Comments

ভোটের দোরগোড়ায় পশ্চিমবঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে SIR তথা Special Intensive Revision (বিশেষ নিবিড় সংশোধন)-এর কল্যাণে এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সহজ কথায়,

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

April 14, 2026 1 Comment

Micro-Institutions in Practice: A Workers’ Health Model In the earlier parts, I tried to touch upon the dilemmas faced by young professionals and the broader

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

April 14, 2026 No Comments

ডাঃ পুণ্যব্রত  গুণ সম্পাদিত “অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিল” বা ডক্টরস ডায়লগ সংকলন এক কথায় এই দশকের প্রতিষ্ঠান বিরোধী গণ আন্দোলনের যে ধারাবাহিকতা বা দুর্নীতিপরায়ণ শাসকের

সাম্প্রতিক পোস্ট

কলেজ নির্বাচনের স্মৃতি

Dr. Subhanshu Pal April 15, 2026

এসো হে বৈশাখ…এসো বাংলায়

Abhaya Mancha April 15, 2026

SIR এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মানুষ

Dr. Jayanta Bhattacharya April 15, 2026

What Does it Mean to Be a Revolutionary Doctor Today? (Part 3)

Dr. Avani Unni April 14, 2026

।।অভয়া আন্দোলন দ্রোহের দলিলঃ একটি প্রতিবেদন।।

Shila Chakraborty April 14, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

617823
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]