রাষ্ট্র-লিখিত যত আইনের বই তো,
জনতার অভিমত তাতে উড়ো খই তো
সামান্য এ কথাটা মনে রাখা দরকার
জনতার ভালো চেয়ে চলেছেন সরকার,
যা করেন মসনদ, তাই সবই বৈধ।
কে তুমি কাঁদছো বসে , রোজগারে ভগ্ন,
ভাবছো হয়েছে ঘোর সন্ত্রাস নগ্ন,
আরে বাবা দোষ কিছু নেই বুলডোজারে
ওতে আছে প্রগতির মধু ফুল গোঁজা রে
বলি ছাড়া আসবে না সেই শুভলগ্ন।
অবৈধ কাজ তবু করে মেলা বোকাতে
দেশ জুড়ে কিলবিল করা তেলাপোকাতে,
কোশ্চেন করে কেন লিক হোলো কোশ্চেন
ভেজা এ বারুদে যারা চকমকি ঘষছেন
বলে রাখি, হবে এর ভারী দাম চোকাতে।
আইনটা যার হাতে, বে-আইনি তার কী
‘বৈধ না’ বলাটাই অবৈধ ইয়ার্কি,
তা বলে ভেবো না যেন ধরবেন উজিয়ে
বহুতল ওঠে যত পুকুরকে বুজিয়ে
ওরা সব প্রগতি’র হাওয়া-গাড়ি পার্ক-ই।
ভাঙচুর শেষ হলে, চওড়া সে রাস্তায়,
রকেটের গতি পেয়ে আধুনিক বাস যায়
ভাড়াটা একটু বেশি, সেটাই তো স্বাভাবিক,
প্রগতি সস্তা হবে সেটা নয় ভাবা ঠিক
হাজার খরচ হবে রোজকার নাস্তায়।
ষাঁড়-ঢুঁসো করো তাই খুশিমনে স্বাগত,
ছিচকাঁদুনের দল দেশ থেকে ভাগো তো!
হাহাকার নয় ওটা, প্রগতির শব্দ,
ভাবী করে অতীতের জামানত জব্দ
অবৈধ চিল্লিয়ে কেন করো রাগ অত?
আজীবন কপালে তো শূন্যই লব্ধ,
ভাঙচুরে রাষ্ট্রের কিছু কাজে লাগো তো!











