Skip to content
Facebook Twitter Google-plus Youtube Microphone
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Menu
  • Home
  • About Us
  • Contact Us
Swasthyer Britte Archive
Search
Generic filters
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Menu
  • আরোগ্যের সন্ধানে
  • ডক্টর অন কল
  • ছবিতে চিকিৎসা
  • মা ও শিশু
  • মন নিয়ে
  • ডক্টরস’ ডায়ালগ
  • ঘরোয়া চিকিৎসা
  • শরীর যখন সম্পদ
  • ডক্টর’স ডায়েরি
  • স্বাস্থ্য আন্দোলন
  • সরকারি কড়চা
  • বাংলার মুখ
  • বহির্বিশ্ব
  • তাহাদের কথা
  • অন্ধকারের উৎস হতে
  • সম্পাদকীয়
  • ইতিহাসের সরণি
Search
Generic filters

রাম্ভী (পর্ব-১০)

WhatsApp Image 2020-10-02 at 21.44.30
Dr. Chinmay Nath

Dr. Chinmay Nath

Orthopedic Surgeon
My Other Posts
  • October 3, 2020
  • 7:13 am
  • No Comments

“আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে শীতকাল
তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে
গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে….”
– হুমায়ুন আজাদ

……..ডিসেম্বর মাস। পাহাড়ে যথারীতি প্রবল ঠান্ডা। রাম্ভীঝোরার ধারে আমার ঘর রাতে প্রায় বরফ শীতল হয়ে যায়। কম্বলে কাজ হয় না। খাটের নীচে হিটার জ্বালিয়ে শুয়ে থাকি। মাথার কাছে একটা চল্লিশ ওয়াটের টাংস্টেন বাল্ব জ্বলে সারারাত। সব আলো নিভে গেলে খুব অস্বস্তি হয়। অনেক রাত অবধি জেগে বই পড়ি। নয়ত পুরোনো ‘উত্তরবঙ্গ সংবাদ’।

এই এত বছরের জীবনে শুচিশ্মিতা একবার মাত্র দার্জিলিং বেড়াতে গেছে। সেই ছোটবেলার স্মৃতি হারিয়ে গেছে কবেই! জানুয়ারীর প্রবল ঠান্ডার মধ্যে একদিন ও আর আমি দার্জিলিং গেলাম। হোটেল ফাঁকা। তবে বৃষ্টি, কুয়াশা কিছুই নেই। আকাশ বেশ পরিস্কার। কিন্তু শুচিশ্মিতা ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিশেষ কিছু ঘুরতে পারলাম না।

একদিন ট্রাউট মাছ ধরা পড়ল রাম্ভী-তে। বিরাট হইচই। হোটেলে জয়ন্তদা-র রেসিপি-তে রান্না হল সেই মাছ। সবাই গন্ধে গন্ধে সন্ধ্যাবেলাতেই হোটেলে হাজির। হোটেলে খেতে গেলে অনেকের সাথে দেখা হয়। না হলে সারা বিকেল,সন্ধ্যা, রাত বড় একাকী মনে হয়। আউটডোরের শেষ রোগীটা চলে যাওয়ার পরে নিঃঝুম হতাশা নেমে আসে চারপাশে। তরল অন্ধকার গাঢ় থেকে গাঢ়তর হয়। শীতকাল। চারদিক প্রায় নিস্তব্ধ। রাম্ভীঝোরাতে জল খুব কম। হাল্কা কুলকুল আওয়াজ।

শিলিগুড়িতে থাকলে সন্ধ্যেয় চেম্বার। গভীর রাত পর্যন্ত প্যারামাউন্ট বা নর্থ বেঙ্গল ক্লিনিকে। হয় অমলদা, নয়ত নিজের অপারেশন। আবার একদিন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে গেলাম মাইকেলদা-র খোঁজে। আশুতোষের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। আশু আর আমি একসাথে মেডিক্যাল কলেজে পড়েছি। তখন ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে। ওর কাছে খবর পেলাম আমাদের অভিরূপ আছে মিরিক বিপিএইচসি-তে।

অভিরূপ মেডিক্যাল কলেজের হোষ্টেলে আমার এককালের রুমমেট। অনুকুল ঠাকুরের শিষ্য অভিরূপ চিরকালের নির্বিরোধী প্রশ্নহীন বাধ্য ছাত্র। আমার মত বিপজ্জনক রুমমেটকে বেশ কিছু বছর ও যে সহ্য করেছিল- এমনকি নিরামিশ লাউয়ের তরকারীতে গোপনে চিংড়িমাছ মিশিয়ে দেওয়া অথবা ওর দুধের বাটি বেড়াল দিয়ে খাইয়ে দেওয়ার পরেও- সেটা ওর মহানুভবতা।

আশুতোষ এলো একদিন আমাদের শিলিগুড়ির বাড়িতে। অনেক কথা হল পুরোনো। ঠিক হল একদিন সবাই মিলে মিরিক যাব। যদিও সে যাওয়া আর হয়ে ওঠে নি। যদিও অভিরূপ এসেছিল শিলিগুড়িতে।

শিলিগুড়ি অর্থোপেডিক ক্লাব তৈরী হল। অমলদা, ডাক্তার অনিল চৌধুরী, ডাক্তার শাসমল, ডাক্তার মোহপাল, মাইকেল-দা এবং আরো অনেকে। অর্থোপেডিক্স নিয়ে আলোচনা হত। সুযোগ পেলেই থাকতাম। সবাই আমার সিনিয়র। ওখানে সবাই বলল,
‘তুমি কেন বিপিএইচসি-তে পড়ে রয়েছ? অথচ এদিকে দেখ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ এবং শিলিগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে অর্থোপেডিক্সে লোক প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। মেডিক্যাল কলেজে চলে এস।’

আমি নিজেই যেন আমার পোষ্টিং হেল্থ সেন্টারে করিয়েছি!

মাইকেল-দা বলতেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের সুপার আমাকে মেডিক্যাল কলেজে তুলে আনতে খুব উৎসাহী হলেন। চিঠিও লিখলেন স্বাস্থ্যদপ্তরে। শিলিগুড়ি হাসপাতালও লিখেছিল অনুরূপ একটা চিঠি। কিন্তু নীচুতলা, বিশেষতঃ কলকাতা থেকে দূরের হাসপাতালগুলোর প্রয়োজন বা মতামতকে উচ্চপদস্থ কর্তাব্যাক্তিরা কবেই বা গুরুত্ব দিয়েছে! সুতরাং সেসব চিঠি বাতিল কাগজের ঝুড়িতে চলে গেল।

সামতাহার হেল্থ সেন্টারের সংস্কার শুরু হবে শুনলাম। আমাকে তাহলে এবারে যেতেই হবে। রাম্ভীতে ক’দিন থাকব জানি না। কাজ না থাকলে মাঝে মাঝে মাঝে উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াই। কোনো কোনোদিন স্কুটারে শুকনা। অশোক দাশগুপ্ত-র সাথে। শুচিশ্মিতার সাথে সিনেমা। শুকনায় একবার হাতির কবলে পড়তে পড়তে বেঁচেছিলাম।

রাম্ভীতে একবার এক কাঠমিস্তিরি এসে বলল,

‘ডাক্তারবাবু, এখানে সেগুনকাঠ খুব সস্তা। প্রায় হাফ দাম। কিছু ফার্নিচার বানিয়ে দিই। সুন্দর টেঁকসই হবে। অনেকেই বানিয়ে নিয়ে যায়।’

‘আমি এখানে একা থাকি। ফার্নিচার দিয়ে কি করব? তাছাড়া আমি সবে চাকরি পেয়েছি। আমার অত টাকা নেই।’

আমি জানতাম ওই কাঠগুলো বেআইনি ভাবে কাটা। সেইজন্য দাম খুব কম। তাই এড়িয়ে গেলাম। কিন্তু সেই কাঠমিস্তিরি আমার পেছনে লেগে রইল কিছুদিন। তারপর একসময় হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিল।

শীতকালে একটাও বিয়ে নেমন্তন্ন আসবে না, তা আবার হয় না কি! লেগে গেল অরুণের ভাইয়ের বিয়ে। হাসপাতাল আর থানার সবার নেমন্তন্ন। সবাই সেজেগুজে চললাম নেপালী বিয়েতে। সাজানো গেটের মুখে আমাদের বরণ করা হল। কপালে দিল রক্তের তিলক। হাতে ধরিয়ে দিল কমলালেবু থেকে ঘরে তৈরী এক ধরণের স্থানীয় মদ। আমাদের অনেকেই আপত্তি করল। বিশেষতঃ মহিলারা। আমি বললাম,

‘এটা ওদের সামাজিক প্রথা। গেলাসটা অন্ততঃ ঠোঁটে ছুঁইয়ে নিন। না হলে ওরা দুঃখ পাবে।’

যেটা বললাম না সেটা হল, সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রথাভঙ্গ করলে এরা খুবই রেগে যায়। আর রেগে গেলে কুকরীও চালিয়ে দিতে পারে। অবশ্য সেটা সামনে থেকে। সাধারণতঃ পেছন থেকে ছুরি মারে না এরা।

প্রচুর খাওয়া দাওয়া হল। নেপালী প্রথায়। অনেক রাত করে হাসপাতালের কোয়ার্টারে ফিরলাম সবাই।

মিরিক থেকে অভিরূপ একদিন এল আমাদের শিলিগুড়ির বাড়িতে। আশুতোষও এল। অভিরূপ-ই কাগজের বিজ্ঞাপনটা দেখাল। বহুবছর বাদে স্বাস্থ্যদপ্তর আর এম ও পোষ্টের জন্য ইন্টারভিউ নেবে। কাগজপত্র জোগাড় করে আবেদনপত্র পাঠালাম কলকাতায়। এটাই শেষ সুযোগ। এ সুযোগ হারালে আমাকে সামতাহারে যেতেই হবে এবং পড়ে থাকতে হবে অনন্তকাল।

(ক্রমশঃ)

PrevPreviousনন্দীগ্রাম থেকে সেবাগ্রাম
Nextকরোনা ভাইরাস কি? কোভিড ১৯ কি?Next
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

সম্পর্কিত পোস্ট

বিচার না হওয়া পর্যন্ত পথ চলা থামবে না।

August 5, 2026 No Comments

সরকারি হাসপাতাল তথা শিক্ষাপ্রাঙ্গণের বুকে সংঘটিত ৯ আগস্টের সেই নৃশংস অপরাধ আজও বিচারহীন। সময় পেরিয়েছে, ক্যালেন্ডারের পাতা বদলেছে, কিন্তু ন্যায়বিচারের পথ আজও অধরা। তদন্তভার গ্রহণের

“গল্প কিন্তু গল্প নয়”

August 5, 2026 No Comments

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন বাড়ি তৈরি হওয়ায় খুশি হয়ে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মী হেলথ এসিস্ট্যান্ট দিদি আমাকে মেসেজ করে জানাচ্ছেন, “খুব খুশি। এত বছর কাজ করার পর

৯ আগস্ট ২০২৬-এর প্রাককালে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল-এর আহ্বান

August 5, 2026 No Comments

আবার একটা ৯ আগস্ট। দু বছর আগে অভয়া খুন হয়েছিল তার নিজের কাজের জায়গায়, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তারপর সারা কলকাতা, সারা বাংলা,

Bacteria Sacrifice Themselves for Each Other?

August 4, 2026 No Comments

কে গুণ্ডা? কাকে দমন করতে চায় রাজ্য?

August 4, 2026 No Comments

রাজ্যে নতুন সরকার গড়তে না গড়তেই নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে এক নতুন ভয়ঙ্কর গুণ্ডা দমন আইন এনেছে বিজেপি সরকার। আপাতত সেটি আদালতের বিচারাধীন। আইনটির

সাম্প্রতিক পোস্ট

বিচার না হওয়া পর্যন্ত পথ চলা থামবে না।

West Bengal Junior Doctors Front August 5, 2026

“গল্প কিন্তু গল্প নয়”

Dr. Samudra Sengupta August 5, 2026

৯ আগস্ট ২০২৬-এর প্রাককালে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস, ওয়েস্ট বেঙ্গল-এর আহ্বান

The Joint Platform of Doctors West Bengal August 5, 2026

Bacteria Sacrifice Themselves for Each Other?

Satya Sagar August 4, 2026

কে গুণ্ডা? কাকে দমন করতে চায় রাজ্য?

Parichay Gupta August 4, 2026

An Initiative of Swasthyer Britto society

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

Contact Us

Editorial Committee:
Dr. Punyabrata Gun
Dr. Jayanta Das
Dr. Chinmay Nath
Dr. Indranil Saha
Dr. Aindril Bhowmik
Executive Editor: Piyali Dey Biswas

Address: 

Shramajibi Swasthya Udyog
HA 44, Salt Lake, Sector-3, Kolkata-700097

Leave an audio message

নীচে Justori র মাধ্যমে আমাদের সদস্য হন  – নিজে বলুন আপনার প্রশ্ন, মতামত – সরাসরি উত্তর পান ডাক্তারের কাছ থেকে

Total Visitor

658228
Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin

Copyright © 2019 by Doctors’ Dialogue

wpDiscuz

আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য স্বাস্থ্য আর সবার জন্য চিকিৎসা পরিষেবা। আমাদের আশা, এই লক্ষ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও আপামর মানুষ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্ত স্টেক হোল্ডারদের আলোচনা ও কর্মকাণ্ডের একটি মঞ্চ হয়ে উঠবে ডক্টরস ডায়ালগ।

[wppb-register]