১৮ আগস্ট, ২০২৬
বাঁকুড়ার ইন্দাসের বাসিন্দা শেখ আব্দুল হাফিজ সুদূর দিল্লীর যন্তর মন্তরে পৌঁছেছিল শিক্ষা দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জোরদার করতে। গোটা দেশ তথা সরকার মেনে নিয়েছে,তাদের দাবি ন্যায়সঙ্গত ছিল। পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য আব্দুল হাফিজ দিল্লী থেকে ফিরে এসে নিজের গ্রামে একটা সুন্দর স্কুলের স্বপ্ন দেখে। তাই গ্রামের স্কুলের ছবি তুলে সরকারের কাছে দাবি জানানোর চেষ্টা করে যাতে স্কুলের উন্নতি হয়। তার এই উদ্যোগের জন্য হয়তো পুরস্কার প্রাপ্য ছিল তার। তার পরিবর্তে মিললো ভয়ঙ্কর অপূরণীয় আঘাত, ক্ষতি।
আব্দুলের বয়ান অনুযায়ী শাসক ঘনিষ্ঠ কিছু দুর্বৃত্ত ১৩ আগস্ট তাকে এবং তার বাবা মহম্মদ মাফিককে আক্রমণ করে। সেই আঘাতের পরিণতিতে ১৫ আগস্ট মহম্মদ মাফিকের মৃত্যু হয়।
আমরা স্তম্ভিত, শোকসন্তপ্ত এবং ভয়ঙ্কর ক্রুদ্ধ। ছাত্রছাত্রীদের ভালো স্কুল দেওয়া সরকারের প্রাথমিক কাজ। তা চেয়ে খুন হতে হচ্ছে অসহায় সাধারণ মানুষকে। এই ঘটনা রাজ্য তথা সমগ্র দেশের মাথা হেঁট করে দিয়েছে। এইসব খুনী, দেশদ্রোহীদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তার চেয়েও বড় প্রশ্ন এই ঘটনা ঘটলো কেন? বিচার হয়তো স্বস্তি দিতে পারে কিন্তু একজন বাবাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না। তাই এই ঘটনা কেন হলো তার উত্তর চাই। পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, প্রশাসনের কাছে এই দাবি জানাই। স্বাধীন দেশে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয় যারা, তাদের এই দেশের জনগণ ছেড়ে দেবে না, এ কথা শাসক যেন মনে রাখে। সরকার যেন সঠিক পদক্ষেপ নেয়,এই দাবি জানাই।











